আলু বেগুন দিয়ে কাতলা মাছ রান্নার রেসিপি
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের সামনে একটি রেসিপি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি ।আমার আজকের রেসিপিটি হচ্ছে আলু বেগুন দিয়ে কাতলা মাছ রান্নার রেসিপি। আলু বেগুন দিয়ে যে কোন মাছ রান্না করলে সেটি খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে আমার কাছে ।আর কাতলা মাছ আলু বেগুন দিয়ে রান্না করলে সেটি খেতে তো বেশ মজার হয়ে থাকে ।তাই আজ আমি কাতলা মাছ আলু বেগুন দিয়ে রান্না করেছি। তবে রান্না করার আগে আমি মাছগুলোকে ভেজে নিয়েছি। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখে আসি আমার আজকের রেসিপি আলু বেগুন দিয়ে কাতলা মাছ রান্নার রেসিপি। |
|---|
আলু বেগুন দিয়ে কাতলা মাছ রান্নার রেসিপি
| উপকরণ | পরিমান |
|---|---|
| কাতলা মাছ | ৬পিছ |
| আলু | ২টি |
| বেগুন | ২টি |
| পেঁয়াজ কুচি | ৩ টি |
| কাঁচা মরিচ | ৪ টি |
| পেঁয়াজ বাটা | ৩ টেবিল চামচ |
| আদা বাটা | ১ চা চামচ |
| রসুন বাটা | ১ চা চামচ |
| হলুদ গুঁড়া | ২ চা চামচ |
| লাল মরিচ গুঁড়া | ১ চা |
| ধনিয়া গুঁড়া | ২ চা চামচ |
| জিরা গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| ধনিয়া পাতা | পরিমাণমত |
| লবন | স্বাদমতো |
| তেল | পরিমাণমত |
প্রুস্তুতপ্রণালী
ধাপ-১
প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে দেই ।তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দেই। পেঁয়াজ বাদামি করে ভাজা হলে পেঁয়াজ বাটা দিয়ে দেই।
ধাপ-২
তারপর আদা বাটা,রসুন বাটা ও লবণ দিয়ে দেই।
ধাপ-৩
তারপর সব গুঁড়া মসলা দিয়ে মশলাটা ভালো মতো নেড়ে চেড়ে কষিয়ে নেই।
ধাপ-৪
তারপর আলু, বেগুন দিয়ে দেই ও মসলার সঙ্গে ভালো মতো নেড়ে চেড়ে মিশিয়ে নেই।
ধাপ-৫
তারপর সামান্য একটু পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কিছুক্ষণ রান্না করে কষিয়ে নেই। তারপর মাছগুলোতে হলুদ ,লবণ মাখিয়ে নেই।
ধাপ-৬
তারপর আরো একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে দেই। তেল গরম হলে মাছগুলি দিয়ে দেই।
ধাপ-৭
তারপর মাছগুলি এপাশ-পাশ উল্টিয়ে ভালোমতো লাল করে ভেজে নেই।
ধাপ-৮
তারপর পূর্বের কষিয়ে রাখা সবজির মধ্যে মাছগুলো দিয়ে দেই।
ধাপ-৯
তারপর একটু নেড়েচেড়ে মাছ গুলি কষিয়ে নেই।
ধাপ-১০
তারপর ঝোলের জন্য বেশি পানি দিয়ে দেই ও কাঁচা মরিচ দিয়ে দেই।
ধাপ-১১
তারপর ধনিয়া পাতা ও জিরা গুঁড়া দিয়ে আরো কিছুক্ষণ রান্না করি।
ধাপ-১২
ব্যাস এভাবেই তৈরি হয়ে গেল আমার আলু বেগুন দিয়ে কাতলা মাছ রান্নার রেসিপি।এখন একটি বাটিতে বেড়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার: | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস: | স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৪০ |
🔚ধন্যবাদ🔚
@wahidasuma
আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।
আলু বেগুন দিয়ে কাতলা মাছ রান্নার রেসিপি দেখতে চমৎকার হয়েছে। এত সুন্দর একটা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনার জন্য শুভকামনা রইলো 🤲🤲
আমার রেসিপিটি আপনার কাছে চমৎকার লেগেছে যিনে বেশ ভালো লাগলো ভাইয়া। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।ভালো থাকবেন।
আলু বেগুন দিয়ে কাতলা মাছ রান্নার রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন কাতলা মাছ আমার কাছে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে। মজাদার এই রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
কাতলা মাছ আপনার কাছে সুস্বাদু লাগে জেনে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।ভালো থাকবেন।
আলু বেগুন দিয়ে কাতল মাছের খুবই মজাদার রেসিপি তৈরি করেছেন। কাতল মাছ আমার খুবই প্রিয়। আর আজকে আপনার রেসিপিটি পরিবেশন আমার অনেক ভালো লেগেছে।
কাতলা মাছ আপনার অনেক প্রিয় জেনে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।ভালো থাকবেন।
আলু ও বেগুন আমার খুবই প্রিয় সবজি। আলু বেগুন দিয়ে মাছের রেসিপি তৈরি করলে খেতে অনেক ভালো লাগে। আপনার তৈরি করা কাতলা মাছের রেসিপি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে আপু। লোভনীয় একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আমার রেসিপি টি আপনার কাছে লোভনীয় লেগেছে জেনে সত্যি ভীষণ ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকবেন।
বেগুনো ও কাতলা মাছ খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আমি মাঝে মাঝে বেগুন কাতলা মাছ একসঙ্গে রান্না করে খাই। এটা খেতে বেশ মজাদার। আপনার রেসিপিটা অনেক লোভনীয় হয়েছে। আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইল।
আপু আপনিও এভাবে রান্না করেন যিনে বেশ ভালো লাগলো। আসলে আপনার মত আমারও বেগুন দিয়ে কাতলা মাছ খেতে বেশ ভালোই লাগে ।রেসিপিটি আপনার কাছে লোভনীয় লেগেছে জেনে বেশ ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আলু বেগুন দিয়ে সুস্বাদু কাতলা মাছের রেসিপি দেখে অনেক লোভনীয় লাগছে আপু। কাতলা মাছ আমার কাছে খেতে অনেক ভালো লাগে । কাতলা মাছের রেসিপি প্রতিটি ধাপ আপনি অনেক সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন।
আপু আপনার কাছে আমার রেসিপিটি লোভনীয় লেগেছে জেনে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকবেন এই শুভকামনা রইল।
আমার কাছে কাতল মাছ খুব ভালো লাগে,বিশেষ করে ভেজে খেতে।যাই হোক আপু বেগুন দিয়ে কাতল মাছের রেসিপি মনে হচ্ছে বেশ সুস্বাদু হয়েছে।প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে
আপনার কাছে কাতলা মাছ খেতে ভালো লাগে জেনে বেশ ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
আলু বেগুন দিয়ে কাতলা মাছ রান্নার রেসিপিটি দেখে বেশ লোভনীয় বলে মনে হচ্ছে। রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে খেতে অনেক সুস্বাদু হবে। খুব সুন্দরভাবে ১২ টি ধাপের মাধ্যমে আপনার রেসিপিটি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন।
হ্যাঁ আপু রেসিপিটি খেতে বেশ সুস্বাদু হয়েছিল। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।ভালো থাকবেন।
আপু আপনি আলু বেগুন ও কাতলা মাছ দিয়ে খুব মজার একটি রেসিপি করেছেন। বেগুন আমার খুব পছন্দ। আর সেটা যদি বড় মাছের পিস দিয়ে হয় তাহলে তো কথাই নেই। আপনাকে ধন্যবাদ এ রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আপু বেগুন আপনার খুবই পছন্দ জেনে বেশ ভালো লাগলো ।আপনি ঠিকই বলেছেন বেগুন দিয়ে বড় মাছ রান্না করলে খেতে বেশ সুস্বাদু লাগে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আলু ও বেগুন দিয়ে কাতলা মাছের তরকারি অনেকবার খেয়েছি। বেগুনের সাথে কাতলা মাছের সংমিশ্রণটি আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আপনার তরকারির কালার টা অনেক সুন্দর এসেছে আপু। বোঝাই যাচ্ছে অনেক মন থেকে এবং দক্ষতার সাথে সুন্দর করে রান্না করেছেন। অনেক ধন্যবাদ এত মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপু আপনার এত সুন্দর একটি মন্তব্য পেয়ে সত্যি ভীষণ ভালো লাগছে। এত সুন্দর মন্তব্য পেলে কাজ করার উৎসাহ বেড়ে যায়। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।