মেয়েকে নিয়ে বিকেল বেলায় বাসার সামনে একটু হাঁটা হাঁটি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
বন্ধুরা আজ আবারো আপনাদের সামনে হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আজ মেয়েকে নিয়ে একটু বাইরে বের হয়েছিলাম।আসলে সব সময় ঘরের মধ্যে থাকতে থাকতে মাঝে মাঝে দম বন্ধ বন্ধ লাগে।তাই মেয়েকে বললাম চলো নিচে যাই ,রাস্তা দিয়ে একটু ঘুরে আসি।মেয়েতো মহা খুশি।মেয়েও স্কুলে যাওয়া বাদে সারাদিন ঘরেই থাকে বলতে গেলে।তাই বাইরে যাওয়ার কথা শুনলে খুবই খুশি হয়।তারপর আমরা দুজন মিলে বেরিয়ে পড়লাম বাসার সামনে দিয়ে একটু হাঁটার জন্য।
মেয়েকে নিয়ে বিকেল বেলায় বাসার সামনে একটু হাঁটা হাঁটি
আমাদের বাসা পার হয়ে একটা বাসা পরেই দেখলাম আমাদের এক প্রতিবেশী বাসার সামনে বেশ কিছু গাছ লাগিয়েছে।তাতে পাতা বাহার ও ফুলের গাছ লাগানো ছিল।বাসার সামনে ফুলের গাছ দেখতে বেশ ভালই লাগছিল।আসলে আমরা বের হওয়ার একটু আগেই হালকা বৃষ্টি হয়েছিল, যার কারণে গাছ গুলো একটু পানিতে ভেজা ছিল। বৃষ্টিতে ভেজার কারণে গাছগুলো দেখতে আরো বেশি ভালো লাগছিল।তারপর আমি ঝটপট কয়েকটি ফটোগ্রাফ তুলে ফেললাম।আসলে রাস্তার পাশে তো ছবি তোলা মুশকিল মানুষজন হা করে তাকিয়ে থাকে।তারা তো আর জানে না আমি আপনাদের সঙ্গে ছবি গুলো শেয়ার করব হা হা হা।
এটিও আরো একটি পাতাবাহার গাছ।দেখতে ভীষণ সুন্দর।এই পাতাবাহার গাছ গুলো আমার কাছে বেশ ভালো লাগে।এখানে বেশ কয়েক রকমের পাতা বাহার গাছ ছিল।
এগুলো ছিল সন্ধ্যা মালতি ফুলের গাছ।অনেক ঝোপালো ছিল গাছ গুলো।এই গাছ আমিও ছাদে লাগিয়েছি কিন্তু এত সুন্দর ঝোপালো হয় না।হলুদ কালারের দেখতে বেশ ভালো লাগে।এক সঙ্গে অনেক গুলো ফুল ফুটে থাকে।
বৃষ্টির পড়ে ফুল গুলো দেখতে আরো বেশি ভালো লাগছিল।বৃষ্টি ভেজা সব গাছই আমার ভীষণ ভালো লাগে।
আর এগুলো হচ্ছে চেরি ফুলের গাছ।এটিও ভীষণ সুন্দর দেখতে।তারপর আমার ফটোগ্রাফি করা শেষ হলে মেয়েকে নিয়ে মুদি দোকানে গেলাম।মেয়ে যা যা কিনতে চাইল সব কিছু কিনে দিলাম।মাসে একবার আমি মেয়েকে দোকানে তার ইচ্ছে মত যা যা কিনতে চায় সব কিনে নিয়ে আসি।এবারও তেমনি কিনে দিলাম।যদিও বিলটা একটু বেশি আসে ।কারণ সে অনেক কেনা কাটা করে, কোন কিছু কিনতে বাদ রাখে না । সে বিভিন্ন রকমের চকলেট,জুস, চিপস, চকলেট বিস্কুট, কোক,ওয়েফার,কেক, ডেইরি মিল্ক আরো হাবিজাবি অনেক কিনেছে।আবার এক আইটেম কয়েকটা করে কিনবে।সে বলে এটা আমার মাসিক বাজার।কিন্তু কয় দিনেই খেয়ে সাবার করে।যদিও বাইরের জিনিস খাওয়া ঠিক নয় তারপরেও খাওয়া হয়। যাই হোক তারপর আমরা হাঁটা হাঁটি ও কেনা কাটা শেষ করে বাসায় ফিরে এলাম।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার: | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস: | স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৪০ |
🔚ধন্যবাদ🔚
@wahidasuma
আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি একজন হাউজ ওয়াইফ। সমাজবিজ্ঞানে অনার্স মাস্টার্স করেছি।ঘুরে বেড়াতে , ঘুমাতে এবং গান শুনতে আমি ভীষন পছন্দ করি।বাগান করা আমার শখ।এছাড়াও আর্ট , বিভিন্ন রেসিপি ট্রাই করতেও ভালো লাগে। আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।
সত্যি আপু রাস্তার পাশ থেকে ছবি তোলা অনেক মুশকিল। যে সাইড দিয়ে যায় সেই তাকিয়ে থাকে😅😅। মেয়েকে নিয়ে হাটাহাটি করেছেন আর সেই সাথে মেয়ের ইচ্ছে পূরণ করেছেন জেনে ভালো লাগলো। ছোট বাচ্চারা কেনাকাটা করতে সত্যিই অনেক পছন্দ করে। তাই তো বিলের পরিমাণ অনেক বেশি হয়েছে। ভালো লাগলো আপু আপনার পোস্ট পড়ে।
হ্যাঁ আপু রাস্তায় পাস থেকে ফটোগ্রাফি করা সত্যিই ভীষণ ঝামেলার । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকবেন।
একদম ভাল কাজ করলেন আপু বিকেল বেলায় একটু ঘুরতে বের হলেন। আসলে বাসায় থাকতে থাকতে অনেক সময় মন মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। তাছাড়া একঘেয়েমি চলে আসে। বাচ্চারাও এমন হয় বেশিক্ষণ বের হতে না পারলে মন খারাপ করে। তাছাড়া খুব সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন ভাল লাগলো।
হ্যাঁ আপু ঠিকই বলেছেন বাইরে বের হলে সবার কাছেই ভীষণ ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। ভালো থাকবেন।
সত্যিই আপু রাস্তা ঘাটে ফটোগ্রাফি করার সময় মানুষজন তাকিয়ে থাকে। প্রথম প্রথম ব্যাপারটা কেমন যেন লাগতো, কিন্তু এখন আর সেদিকে খেয়াল করিনা। যাইহোক চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন আপু। পাতা বাহার এবং ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। বাচ্চাদেরকে দোকানে নিয়ে গেলে একসাথে অনেক কিছুই কিনে। বিকেল বেলা হাঁটাহাঁটি এবং কেনাকাটা করে দারুণ সময় কাটিয়েছেন আপু। যাইহোক এতো সুন্দর অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ ভাইয়া মানুষ তাকিয়ে থাকে এ কথা চিন্তা করলে আর ফটোগ্রাফি করাই হয় না । আমিও এখন এগুলো অ্যাভয়েড করার চেষ্টা করছি। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।