আলু বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের চচ্চড়ি
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের সামনে একটি রেসিপি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি । আসলে রেসিপি পোস্ট করতে আমার কাছে বেশ ভালই লাগে । তাই প্রতি সপ্তাহে চেষ্টা করি দু-একটি রেসিপি পোস্ট শেয়ার করার জন্য । আসলে কয়েকদিন থেকে শরীরটা বেশ খারাপ যার কারণে কোন কিছুই ভালো লাগেনা ।আসলে শরীর ভালো না থাকলে পৃথিবীর কোন কাজেই মন বসে না । তারপরেও কাজ তো আমাদের করতেই হয় । আজ আমি আলু বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের চচ্চড়ি করেছি । আসলে পাবদা মাছ আমার বেশিরভাগ সময় ভুনা খাওয়া হয় । মাঝে মাঝে হয়তো ঝোল করি । তবে আজ চিন্তা করলাম আলু বেগুন দিয়ে চচ্চড়ি করে দেখি খেতে কেমন হয় । খেতে কিন্তু বেশ ভালই হয়েছিল । এই রেসিপিটি আজই আমি প্রথম করেছি । এর আগে কখনো করা হয়নি। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখে আসি আমার আজকের রেসিপি আলু বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের চচ্চড়ি।
আলু বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের চচ্চড়ি
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| পাবদা মাছ | ৫ পিছ |
| আলু | ২ টি |
| বেগুন | ৩ টি |
| হলুদ গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| কাঁচামরিচ | ৫ টি |
| পেঁয়াজ কুচি | ৩ টি |
| লবণ | স্বাদমতো |
| ধনিয়া পাতা | পরিমাণমত |
| তেল | পরিমাণমত |
প্রুস্তুতপ্রণালী
প্রথমে একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে দেই । তেল গরম হলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে একটু ভেজে নেই।
তারপর ওই তেলের মধ্যে আগে থেকে কেটে ধুয়ে রাখা আলু বেগুন দিয়ে দেই।
তারপর পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো মতো নেড়ে চেড়ে নেই।
তারপর লবণ ও হলুদের গুঁড়ো দিয়ে ভালোমতো নেড়েচেড়ে নেই।
তারপর কাঁচা মরিচ দিয়ে ভালোমতো নেড়ে চেড়ে পাবদা মাছ গুলি দিয়ে দেই।
তারপর মাছগুলো নেড়েচেড়ে সামান্য পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কিছুক্ষণ রান্না করি।
তারপর ধনিয়া পাতা দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে আবারও বেশ কিছুক্ষণ রান্না করি।
এভাবে কিছুক্ষণ রান্না করার পর পানি শুকিয়ে এলে ব্যাস তৈরি হয়ে গেল আমার আলু বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের চচ্চড়ি।
এখন একটি বাটিতে বেড়ে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করতে হবে । আশা করছি আপনাদের কাছে আমার রেসিপিটি ভালো লেগেছে।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার: | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস: | স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৪০ |
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আলো বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের তৈরির রেসিপি। আসলে এই পাবদা মাছ যেকোনো সবজি দিয়ে রান্না করলে খেতে বেশ মজা লাগে। এই মাছ আমাদের পুকুরে চাষ করা হয়। কিন্তু এই মাছের গায়ে অনেক কাটা থাকার কারণে আমি খেতে খুব একটা বেশি পছন্দ করি না। কিন্তু আপনার তৈরি রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ সুস্বাদু হবে। ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে রেসিপি তৈরীর পদ্ধতি শেয়ার করার জন্য।
ভাই আপনাদের পুকুরে পাবদা মাছের চাষ হয় জেনে ভালো লাগলো। তবে এই মাছের বড় একটা কাটা থাকে ।খেতে খুব একটা সমস্যা তো হওয়ার কথা না ।যাই হোক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আলু বেগুন দিয়ে যেকোনো তরকারি খেতে আমি খুব পছন্দ করি।আজকে আপনি আলো বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের মজাদার একটু রেসিপি শেয়ার করেছেন। আপনার তৈরি পাবদা মাছের রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। রেসিপিটি আমাদের মাঝে এত সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
আর বেগুন দিয়ে তরকারি রান্না করলে সেটি খেতে খুবই ভালো হয় ভাইয়া। আপনার কাছে আমার রেসিপিটি ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ।
অনেক মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু। আলু বেগুন দিয়ে যে কোন মাছ রান্না করলে খেতে অনেক ভালো লাগে। তবে পাবদা মাছ দিয়ে তরকারি বেশ ভালো মজা লাগে খেতে। অনেক ভালো লাগলো আপু আপনার রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপু পাবদা মাছের তরকারি খেতে আপনার কাছে বেশ ভালো লাগে জেনে ভালো লাগলো ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।ভালো থাকবেন।
প্রথমেই আপনার সুস্থতা কামনা করছি। আসলে অসুস্থ থাকলে কিছু ভালো লাগে না আর নিজের কাছে ও একেবারে অন্যরকম লাগে। কোন কিছুতেই মন বসতে চায়না। আপনি তো দেখছি আলু বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের মজাদার রেসিপি তৈরি করেছেন। এভাবে আলু বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের রেসিপি কখনো খাওয়া হয়নি। আমি তো ভাবছি এই রেসিপিটা একবার তৈরি করে দেখব। এই রেসিপিটার টেস্ট তো একবার করতেই হচ্ছে।
হ্যা আপু আপনি ঠিকই বলেছেন অসুস্থ থাকলে কোন কিছুই ভালো লাগে না ।যাইহোক আপনার কাছে রেসিপিটি ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো ।আর এভাবে কখনো খেয়ে দেখেননি তাহলে অবশ্যই একবার খেয়ে দেখবেন। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আলু এবং বেগুন এই দুইটা তরকারি এমন একটা তরকারি যে, যার মধ্য দিয়ে যেকোনো মাছ দিয়ে রান্না করলে খেতে সুস্বাদু হয়। আর আপনি আজকে পাবদা মাছ দিয়ে আলু এবং বেগুন রান্না করেছেন। রান্নার ধাপ গুলো কত চমৎকার ভাবে আপনি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। রান্নাটুকু বেশ সুন্দর লাগছে আপু দেখতে। সব মিলিয়ে ভালো হয়েছে ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাই আপনি একদম ঠিকই বলেছেন আলু বেগুন এমন একটা তরকারি এটা দিয়ে যা রান্না করা যায় তাই খেতে সুস্বাদু হয়।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আলু বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের চচ্চড়ি রেসিপি দেখে জিভে জল চলে এসেছে। এভাবে চচ্চড়ি তৈরি করলে অনেক ভালো লাগে। আমি ছোট মাছের চচ্চড়ি খেতে সব থেকে বেশি ভালোবাসি। আপনার এই পাবদা মাছের চচ্চড়ি দেখে অনেক সুস্বাদু লাগছে। কখনো খাওয়া হয়নি পাবদা মাছের চচ্চড়ি। পরিবেশন টা অনেক সুন্দর ভাবে করেছেন। খাওয়া ও অনেক ভালো হয়েছিল নিশ্চয়ই।
ভাইয়া আমিও এই চচ্চড়িটি এই প্রথমবার করেছি ।খেতে কিন্তু বেশ ভালই লাগে। আপনিও একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
পাবদা মাছ আমি অনেক বেশি পরিমাণে পছন্দ করি৷ আর পাবদা মাছ খেয়েছি অনেক দেরি হয়েছে৷ আর আজকে আপনার এই আলু বেগুন দিয়ে তৈরি পাবদা মাছের রেসিপিটি দেখে খুবই ভালো লাগলো৷ এরকম একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ৷ এরকম রেসিপি আমি আগে কখনো দেখিনি৷
ভাইয়া পাবদা মাছ যেহেতু আপনার পছন্দের মাছ সেহেতু এভাবে একবার খেয়ে দেখবেন ।নিশ্চয়ই ভালো লাগবে ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
পাবদা মাছ ভুনা খেতে আমার কাছে খুব ভালো লাগে। তবে আলু বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের চচ্চড়ি এভাবে কখনো খাওয়া হয়নি। রেসিপিটি দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে খুব মজা হয়েছে। এভাবে একদিন রান্না করে খেয়ে দেখব। মজাদার একটি রেসিপি আমাদের মাঝে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
হ্যাঁ আপু আলু বেগুন দিয়ে পাবদা মাছের চচ্চড়ি আমিও কখনো খাইনি এই প্রথম রান্না করলাম । আপনিও একবার করে দেখতে পারেন ভালই লাগে ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
বেগুন দিয়ে রান্না করলে যেকোনো মাছের টেস্ট আরো বহুগুন বেড়ে যায়। আপনি বেগুন আর আলু দিয়ে পাবদা মাছ রান্না করলেন।খেতে ভীষণ মজার হয়েছিল আশাকরি। আমিও এভাবে হাত দিয়ে সব মেখে রান্না করি।খেতে ভীষণ মজার হয়।মজার স্বাদের রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ আপু খেতে বেশ মজার হয়েছিল। তবে আমি হাত দিয়ে মেখে করিনি ।তবে হাত দিয়ে মাখলে মনে হয় খেতে বেশ ভালো হয় ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
পাবদা মাছ আমার খুব প্রিয় মাছ। আজকে আপনি আলু ও বেগুন দিয়ে খুব সুন্দর করে পাবদা মাছের চচ্চড়ি রেসিপি করছেন। যদিও এই রেসিপিটি আপনি এই প্রথম করেছেন। তবে আপনার রেসিপির কালার দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজাই হয়েছে। সত্যি বলতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুব চমৎকার ভাবে রেসিপিটি আমাদের মাঝেও উপস্থাপনা করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর করে রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু রেসিপি টি এই প্রথম বার করলেও খেতে কিন্তু খুবই মজার হয়েছিল। আপনিও একবার খেয়ে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।