রেস্টুরেন্টে কাটানো কিছু সময় 🍴
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
বন্ধুরা আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন রেস্টুরেন্টে যেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে । তাই তো সময় সুযোগ হলেই রেস্টুরেন্ট গুলোতে চলে যাই । তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে যেতে আমার কাছে বেশি ভালো লাগে । একটি রেস্টুরেন্টে বারবার যেতে খুব একটা ভালো লাগে না । তবে এবার যে রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম এটি এর আগেও একবার গিয়েছিলাম ।কেননা এদের এখানের এই খাবারটা আমাদের শহরে আর কোন রেস্টুরেন্টে পাওয়া যায় না । সেই স্পেশাল খাবার টার জন্যই সেদিন আবার ওখানে যাওয়া । সেই স্পেশাল খাবারটি হচ্ছে ছোলা ভাটুরে। এটি খাবার জন্য মূলত সেদিন ওখানে গিয়েছিলাম। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন আপনাদের নিয়ে যাই রেস্টুরেন্টটিতে।
রেস্টুরেন্টে কাটানো কিছু সময়
সেদিন প্রথমে নদীর পাড়ে বেড়াতে গিয়েছিলাম।সেখানে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটানোর পর রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম বিকেল বেলায় । রেস্টুরেন্ট টি সাদামাটা ভাবে ডেকোরেশন করা । গেটে লাইটিং করা । গেটের পাশে আবার ফুলের গাছ লাগানো। গেটের উপরে ফুল ধরেছিল দেখতে বেশ ভালো লাগছিল।
রেস্টুরেন্ট টিতে ঢোকার পরে হাতের ডান পাশে প্রথমেই চোখে পড়বে দুটি দোলনা। যা দেখে আমার মেয়ে খুবই আনন্দিত হয়েছিল এবং বেশ কিছুক্ষণ দোলনায় দোল খেয়েছিল । ওর সঙ্গে আমাকেও নিয়েছিল এবং আমরা দুজন মিলে বেশ কিছুক্ষণ দোলনায় বসে ছিলাম ।
তারপর ভেতরে ঢোকার পর আমরা একটি সিট দেখে বসলাম । তারপর ওয়েটার কে ডেকে আমাদের খাবারের অর্ডার করলাম । আমরা অর্ডার করেছিলাম ছোলা ভাটুরে , লুচি, চিকেন চাপ , ড্রিংকস। পেছনে ছোট ছোট কাগজ লাগানো যেখানে সবাই রিভিউ লিখে যায়।
এই ছোলা ভাটুরে আর লুচি খেতে দারুন মজা। যার জন্য এই খাবারের টানে আবারো ছুটে দিয়েছিলাম সেই রেস্টুরেন্টে । এই খাবারের সঙ্গে ওদের যে তেতুঁলের চাটনি দেয় সেটা খেতে অসম্ভব মজার । ওই চাটনি দিয়েই লুচি খেয়ে ফেলা যায় এত মজার ।
এছাড়াও যে চিকেন চাপ নেওয়া হয়েছিল সেটি খেতে বারবিকিউ চিকেনের স্বাদ । ওটিও চমৎকার তৈরি করেছিল ওরা । আসলে রেস্টুরেন্টের খাবারের মান খুবই চমৎকার।
অবশেষে খাবার বেশ তৃপ্তি করে খেয়ে শেষে বিল পরিশোধ করে আমরাও একটি রিভিউ লিখে বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার: | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস: | স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৪০ |
🔚ধন্যবাদ🔚
@wahidasuma
আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।
আপনার মত আমারও ছোলা ভাটুরে খেতে খুবই ভালো লাগে। আমিও মাঝে মাঝে সময় পেলে খাই। আপনি তো দেখছি একসাথে অনেক কিছুই অর্ডার করেছেন। কোন রেস্টুরেন্টের খাবার ভালো লাগলে সেখানে বারবার যেতে ইচ্ছে করে। আপনার ফটোগ্রাফি দেখে মনে হচ্ছে রেস্টুরেন্টের পরিবেশটা খুবই সুন্দর।
আসলে ভাইয়া এই খাবারটা আমাদের শহরে আর কোথাও পাওয়া যায় না । তাই এখানেই যেতে হয় ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপু,স্পেশাল ছোলা ভাটুরে খাওয়ার জন্য যে রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলেন, সেই রেস্টুরেন্টের পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছে একদম মনোমুগ্ধকর। এছাড়াও একদম নিরিবিলি পরিবেশ। সব সময় ভিড় ও কোলাহলে খাবার খেতে একদম মন চায় না। সে দিক থেকে দেখছি এই রেস্টুরেন্টেটিতে একদম নিরিবিলি পরিবেশ। তাই আপনাদের কাছে খুবই ভালো লেগেছে আশা করছি। আপু স্পেশাল ছোলা ভাটুরে রেসিপিটি আমার খাওয়া হয়নি। তবে আপনাদের পরিবেশনের প্লেটে দেখে মনে হচ্ছে রেসিপিটি সত্যিই স্পেশাল। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু, খুব সুন্দর একটি রেস্টুরেন্টে কাটানো সুন্দর সময় টুকু আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাই আপনি একদম ঠিক ধরেছেন এই রেস্টুরেন্ট টি শহর থেকে একটু বাইরে যার জন্য অনেক নিরিবিলি পরিবেশ । বেশ ভালো লাগে আর খাবারটাও বেশ স্পেশাল । কখনো খেয়ে দেখবেন ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন রেস্টুরেন্টে কাটানো কিছু সময়। রেস্টুরেন্টে ঢুকে দোলনা দেখে আপনার মেয়ে বেশ আনন্দিত হয়েছিল জেনে বেশ ভালো লাগলো। দোলনায় আপনার মেয়ে দোল খেলছিল সেটাও আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আসলে এমন রেস্টুরেন্ট সচরাচর আমাদের এলাকাতে দেখা যায় না। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া আমাদের শহরে রেস্টুরেন্ট গুলো ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে । অসংখ্য রেস্টুরেন্ট । কোন টা রেখে কোনটায় যাব ভাবতেই সময় লাগে ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।
রেস্টুরেন্টের পরিবেশটা দেখে আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। ছোলা ভাটুরে খাওয়ার জন্য আপনারা ওখানে গিয়েছিলেন। আমার তো দেখেই মনে হচ্ছে এটা আসলে অনেক বেশি সুস্বাদু। রেস্টুরেন্টে ছোট ছোট কাগজের মধ্যে সবাই রিভিউ লিখে যায়, এই বিষয়টা আমার অনেক বেশি পছন্দ হয়েছে। তবে আপনারা কি রিভিউ লিখেছিলেন এটা তো বললেন না আপু। যাই হোক বেশ তৃপ্তি সহকারে খেয়েছিলেন তাহলে।
হ্যাঁ আপু খাবারটা বেশ মজার ছিল এবং বেশ মজা করে খেয়েছি । তবে রিভিউটা আপনাদের ভাইয়া লিখেছিল । কি লিখেছিল আমি দেখিনি । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
এরকম রেস্টুরেন্টে গুলোতে খাওয়া-দাওয়া করতে গেলে খুব ভালো লাগে। কারণ এই ধরনের রেস্টুরেন্টের পরিবেশ অনেক বেশি সুন্দর হয়। আপনি এবং আপনার মেয়ে দোলনায় তাহলে দোলও খেয়েছিলেন। তারপরে বেশ মজা করে খাওয়া দাওয়া করেছিলেন, বিশেষ করে যে খাবারটা খাওয়ার জন্য এসেছিলেন সেটা মজা করে খেয়েছিলেন। আমার তো এখন এই খাবারটা খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। তবে ভালোই লাগলো আপনাদের খাওয়া-দাওয়া করার মুহূর্ত।
ভাইয়া আসলে খাবারটা কিন্তু খুবই মজার । আপনি কখনো কোন রেস্টুরেন্ট এ এই খাবার পেলে খেয়ে নিবেন । দেখবেন কত ভালো লাগে । আর দোলনায় দোল খেতেও বেশ ভালো লাগে । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
সত্যি দারুন দেখাচ্ছে কারণ এত লোভনীয় খাবার দেখে তো লোভ সামলানো যাচ্ছে না। আসলে এক এক রেস্টুরেন্টের সাথে অন্য একটি রেস্টুরেন্টের খুব একটা মিল পাওয়া যায় না। ভিন্ন ভিন্ন খাবারের আয়োজন করে থাকেন রেস্টুরেন্টের মধ্যে। আপনি যে খাবারের ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করলেন সত্যি খেতে দারুন লাগবে আপু। বেশ ভালো মুহূর্ত কাটিয়েছেন পছন্দের খাবার গুলো খেয়ে।
আসলে আপু এই খাবারগুলো খেতে খুবই চমৎকার ।তবে দুঃখের বিষয় এই একটা রেস্টুরেন্টেই পাওয়া যায় । যার জন্য এখানেই আসতে হয় । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
প্রতিটা মানুষ যেখানে ভালো কিছু পাওয়া যায় সেখানেই মানুষ ছুটে যায়। আপনি রেস্টুরেন্ট তেমন জান না, তবে যে রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলেন এর আগেও সেখানে গিয়েছিলেন। আর পুনরায় ওই রেস্টুরেন্টে যাওয়ার কারণ একটাই ওখানের খাবার গুলো খুবই সুন্দর। আসলে ভালো কোন কিছু পাইলে বারবার সেখানে যেতে ইচ্ছা করে। ওই রেস্টুরেন্টের ছোলা ভাটুরে আর লুচি খেতে দারুন মজা বলেই এর জন্য আপনি বারবার সেখানে ছুটে আসেন আর সাথে তো তেতুলের চাটনি আছেই। ভালো লাগলো আপনার ভালো লাগার কথাগুলো জানতে পারি ধন্যবাদ।
ভাই আমার পোস্টটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ । ভাল থাকবেন।
দেখার মত একটু রেস্টুরেন্টে। আজ আপনি আমাদের অনেক সুন্দরভাবে এ রেস্টুরেন্টে কিছুটা সময় কাটানোর দারুন একটি আনন্দঘন মুহূর্ত উপস্থাপন করেছেন। নদীর পাড়ে অনেক মানুষ ঘুরতে আসে তাই মানুষের ভালোলাগাকে কেন্দ্র করে এই জাতীয় দারুন রেস্টুরেন্ট গড়ে ওঠে। খুবই ভালো লাগলো আপনার এই দারুন মুহূর্ত টা দেখে।
আসলে এই রেস্টুরেন্ট টি নদীর পাড়ে গড়ে ওঠেনি ।আমরা প্রথমে নদীর পাড়ে ঘুরতে গিয়েছিলাম সেখান থেকেই রেস্টুরেন্টে গিয়েছিলাম । যাই হোক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।