জেনারেল রাইটিং :- গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান।
আমি @tuhin002, আমি আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানায় সালাম," আসসালামু আলাইকুম" সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহুর অশেষ রহমতে ভাল আছি। আজকে আমি আলোচনা করবো, গাছ লাগান,পরিবেশ বাচাঁন।। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। তাই শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ...
অপার সৌন্দর্যের দেশ এই দেশ বাংলাদেশ। আমাদের দেশকে চির সবুজের দেশ বলা হয়। একটা দেশের ২৫% বনভূমি থাকা উচিত। কিন্তু বর্তমান আমাদের দেশের বনভূমির পরিমাণ খুবই কম। শুধু আমাদের দেশ বলেই কথা নয় সারা বিশ্বে বনভূমির পরিমাণ কমে গেছে। আর এর ফলে তাপমাত্রা বেড়েই চলেছে। এই তাপমাত্রা বাড়ার কারণে মানুষের জীবন দিন দিন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। আপনারা সবাই বুঝতে পারছেন পৃথিবীতে তাপমাত্রা কতটা বেড়ে গেছে। একটা বিষয় ভাবা যায় সৌদি আরবে তাপমাত্রা থাকে ৪২ থেকে ৪৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা। আর সেই তাপমাত্রা আজ বাংলাদেশে পড়ছে ৪৫ ডিগ্র তাপমাত্রা। আরে এই তাপমাত্রা বাড়ার একটাই কারণ হলো গাছপালা কমে যাওয়া। দিন দিন মানুষ গাছপালা কেটে উজাড় করে দিচ্ছে কিন্তু সেই পরিমাণ মানুষ গাছ লাগাচ্ছে না। যার কারণে তাপমাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আর এসব কারণে আমরা নিজেই দোষী আর একদিন আমরা এসবের জন্য ধ্বংস হয়ে যাবো। তাই আমাদের উচিত সচেতন হয় এবং বেশি বেশি গাছ লাগানো।
আজকের গাছ লাগানো সম্পর্কে আপনাদের সামনে আমি এক ব্যক্তির কথা তুলে ধরবো। তিনি আর কেউ নয় তিনি আমাদের নিজের নানা। অবশ্য প্রায় ৭-৮ বছর আগে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। আপনারা কতটুকু বিশ্বাস করবেন আমি জানিনা। আমার নানা জীবনে এত পরিমান গাছপালা লাগিয়েছে যা মুখে বলে শেষ করতে পারবো না। তার সম্পদের অনেকটা জায়গা জুড়ে তিনি এই সমস্ত গাছপালা লাগিয়েছেন। আমি এই কথাটা বলছি এই কারণে আজকের সে যেসব গাছপালা গুলো লাগিয়ে রেখেছিল, সেই গাছ তলা থেকে তার সন্তানেরা কেটে কেটে বাড়ির ফার্নিচার ঘরের আরবাব পত্র তৈরি করছে। আজকে আমার নানা মৃত্যুর প্রায় আট নয় বছর পার হতে চলেছে তারপরও তারা এই গাছগুলো কেটে চলেছে কিন্তু কোনদিন আমি দেখলাম না একটি গাছ লাগাতে। আমি শুধু আমার নানাকে উদাহরণ হিসেবে এখানে ব্যবহার করেছে। তিনি একজন তিনি হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন। তারই সন্তান দুইজন কিন্তু তারা কখনো একটি গাছে লাগেনি লাগাই নাই। তাহলে পরিবেশ কি করে ভালো হবে এবং কি করে পরিবেশ বাঁচবে। আজকে যদি তাদের পিতার সমতুল্য যদি তারাও গাছ লাগাতো তাহলে পৃথিবীর তাপমাত্রা কি এই অবস্থায় আসতো কখনোই না। ঠিক এভাবেই যুগে যুগে সেই সময় যারা প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগিয়েছে তাদের সেই গাছ লাগানো গুলো এখন বর্তমান যুগের প্রজন্মরা এসে কেটে কেটে নিজেদের প্রয়োজনে ব্যবহার করছে। কিন্তু তারা সে আবার পুনরায় যে গাছ লাগাবে এই ধরনের মানসিকতা তাদের ভিতরে নেই।
আমরা সবাই যদি একত্রিত হয়ে আমাদের পরিবেশকে বাঁচানোর জন্য প্রচুর পরিমাণে আমাদের বাড়ি আশেপাশে আমাদের পুকুরে চারপাশে কিংবা মাঠের কোন অংশ যদি গাছ লাগিয়ে রাখি এতে আমাদের পরিবেশ যেমন একদিকে বাঁচবে, অন্যদিকে তাপমাত্রা কমে যাবে। আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন বিজ্ঞানীরা বলেছেন এন্টারটিকা মহাদেশে যেভাবে বরফ গলতে শুরু করেছে অধিক তাপমাত্রার ফলে, এভাবে যদি বরফ বলতে থাকে তাহলে পৃথিবীর মানুষ তোলিয়ে যাবে। যদিও আমার মনে হয় এখান থেকে কখনোই পৃথিবীর মানুষ ফিরতে পারবে না। তারপরও চেষ্টা করতে তো ক্ষতি নেই আমরা তো মানুষ। পৃথিবীতে ৭০০ কোটির উপরের মানুষ বসবাস করছে। প্রতিটা মানুষ যদি আমরা একটি করে গাছ লাগাই তবু ৭০০ কোটির উপরে গাছ লাগানো হবে। কখন কার মৃত্যু হয় সেটা বলার যায় না। তারপরও আমাদের ভবিষ্যতের প্রজন্মের জন্য হলেও আমাদের গাছ লাগানোর দরকার পরিবেশ বাঁচানোর দরকার এবং এই বৈষয়িক তাপমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য গাছ লাগানোর বিকল্প অন্য কিছু নেই। তাই আমাদের একটাই কথা বেশি বেশি গাছ লাগাব পরিবেশকে বাঁচাবো।
হয়তোবা আমরা এখন শিক্ষিত। হয়তোবা আমাদের ধন দলের টাকা পয়সার অভাব নেই। সাদা পোশাকে কোন কাদা লাগাতে চাই না। হয়তো রোদের উত্তপ্ত রোদে আমরা পড়তে পারবো কিন্তুু এই রোদে কাজ করতে পারবো না। আমার মনে হয় আমরা এই মানসিকতাই চলি। তা না হলে কেন একজন মানুষ যদি কয়েক হাজার গাছ লাগাতে পারে তাহলে আমরা কেন পাঁচটা বা দশটা গাছ লাগাতে পারবো না। সন্তান আপনার সন্তানকে মানুষ করার দায়িত্ব আপনার সন্তানকে যদি আপনি মানুষ না করেন অন্যকে মানুষ করে দিবে না। আমার মাথায় একটা বিষয় কখনোই ঢুকে না, আমরা কেন নিজের নিজেকে নিজেই মেরে ফেলছি। আমরা মুখে বলি আমাদের জীবনের অনেক দাম আমাদের জীবনে প্রতি অনেক মায়া। কিন্তু আমরা তলে তলে আমাদের জীবনটাকে ধ্বংসের মুখে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি এটা আমার কখনো উপলব্ধি করি না। হয়তো আমরা মনে করছি এভাবে আমাদের জীবন কেটে যাবে। প্রতিটা পিতা-মাতা তার সন্তানকে ভালোবাসে। বলুনতো পরিবেশের জন্য আমাদের কোন অবদান নেই তাহলে এই পরিবেশ আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে তাহলে কিভাবে আমরা আমাদের সন্তানকে বাঁচিয়ে রাখবো যদি না আমরা গাছপালা না লাগাই বা পরিবেশকে রক্ষা না করি। একটু চিন্তা ভাবনা করলেই বোঝা যায় পরিবেশের সাথে আমাদের ভবিষ্যতে সন্তানদের কতটা প্রত্যক্ষভাবে সম্পর্ক। আফসোস আমরাও এতটা গভীরভাবে কখনো চিন্তা ভাবনা করি না।
অনেক সময় নিজেকে বড় কিছু করেও মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকতে পারে না। কিন্তু ছোট্ট একটা কাজ করে মানুষের মধ্যে বেঁচে থাকা যায়। আর সেটা হল গাছ লাগানো। রাস্তার পাশে যদি আপন একটি গাছ লাগান আর এটা এই গাছ থেকে যেসব মানুষগুলো উপকৃত হবে ওই মানুষগুলো বলবে এই গাছটি কে লাগিয়ে ছিল ঐদিন আপনার নাম করবে এখানে। তাহলে কি একটা গাছের জন্য আপনি মৃত্যুর পরেও বেঁচে থাকবেন। তাই আমাদের নিজের স্বার্থে, আমাদের পরিবেশের স্বার্থে, আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য, আমাদের পৃথিবীর কে আরো দীর্ঘিত করার স্বার্থে অবশ্যই আমাদেরকে বেশি বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। তাই আমাদের একটাই স্লোগান হতে হবে। গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান।
| ভূল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
আজ এই পর্যন্ত। সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
| ডিভাইস | poco M2 |
|---|---|
| লোকেশন | মেহেরপুর |
| ভূল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খায়রুল আলম তুহিন। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার একটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/ABashar45/status/1692033480446886293?t=9ZdoRMg1GlMA0vI8NKf3GQ&s=19
আসলে আমাদের প্রকৃতির এই বিরূপ আবহাওয়ার জন্য আমরাই দায়ী।গাছ লাগাতে পারি না কিন্তু কাটতে পারি।গাছ আমাদের সব রকম চাহিদা পূরণে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভূমিকা রাখে। কিন্তু আমরাই সেই গাছ রোপণ করতে ইচ্ছুক নই।তবে আপনার নানার কথা জেনে খুব ভালো লাগলো,পরিবেশ রক্ষা করতে তিনি হাজার হাজার গাছ লাগিয়েছেন।এভাবে সবাই যদি প্রতিনিয়ত গাছ লাগাতে থাকে তাহলে বিজ্ঞানীদের কথা মতে পৃথিবী এত সহজে ধ্বংস হবে না।কিন্তু আমরা কি সবাই বুঝি,এখন থেকেই বোঝা উচিত আমাদের।
গাছের গুরুত্ব না বোঝার কারণে আজকে আমাদের এই দুর্দশা। গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয় কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। সব মিলে গাছ আমাদের পরম বন্ধু এটা আমরা বুঝতে পারি না।
আসলে গাছ হচ্ছে আমাদের পরম বন্ধু। গাছ থেকে আমরা অক্সিজেন নিয়ে থাকি। আসলেই পৃথিবীতে এখন গাছ বিলুপ্তের পথে। এখন বেশিরভাগ মানুষকে দেখা যায় গাছ কেটে ফেলছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু এর পরিবর্তে গাছ রোপন করছে না। এর জন্য আমাদের নিজেদেরই অনেক বড় ক্ষতি হবে পরবর্তীতে। আপনার নানা পরিবেশ রক্ষার জন্য অনেক অনেক গাছ লাগিয়েছিল এটা জেনে সত্যি খুব ভালো লেগেছে। আপনার মামাদের উচিত ছিল গাছ কাটার পরিবর্তে গাছ লাগানো।
আমার মনে হয় আমার মামারা এই পর্যন্ত 40 থেকে 50টিরও বেশি গাছ কেটেছে এবং খুবই বড় বড় গাছ। কিন্তু তার বিনিময়ে তারা একটি গাছে গাছে রোপন করে নাই। আর এসবের কারণে আজকে প্রকৃতি ধ্বংসের মুখে।
আসলেই ভাই , প্রচুর পরিমাণে গাছ কেটে ফেলার কারনে আজকে আমরা অতিরিক্ত তাপমাত্রার শিকার হয়েছি। ঠিকই বলেছেন ৭০০ কোটি মানুষের প্রত্যেকে যদি একটি করে গাছ লাগাতো, তাহলেও ৭০০ কোটি গাছ বাড়তো। এর ফলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হয়তো অনেকটা সুস্থ থাকতে পারতো, কিন্তু আমাদের নিজেদের ভুলেই আমরা নিজেরা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছি দিন দিন। খুব সুন্দর একটি পোস্ট লিখেছেন আপনি আজকে, শুভকামনা রইল ভাই আপনার জন্য।
আপু কথায় বলে না একতাই শক্তি। আমরা যদি সবাই নিজের জায়গা থেকে যদি একটি করেও গাছ লাগাতাম তাহলে আবহাওয়া আজ এত বিপর্যয়ের মুখে পড়তো না।
অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে গাছ খুবই প্রয়োজন। গাছ আমাদের বিভিন্ন দিক থেকে সাহায্য করে। তবে বর্তমান বাংলাদেশের বনভূমি খুবই কম। এটা ঠিকই বলেছেন যদি আমরা প্রত্যেকে সতর্ক হয়ে এবং গাছ লাগাই তাহলেও অনেকটা উপকার আসবে।
অনেক ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মতামত দেওয়ার জন্য।
গাছ আমাদের পরিবেশের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। গাছ থেকে আমরা খাদ্য পাই গাছ থেকে আমরা অক্সিজেন পাই। এছাড়া বলতে গেলে আমাদের জীবনের সাথে গাছ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কিন্তু বর্তমান সময়ে গাছ দিন দিন কমে যাচ্ছে। যার কারণে পরিবেশের উপর খুবই খারাপ প্রভাব পড়তেছে। আমাদের সকলের উচিত গাছ লাগানোর প্রতি মনোযোগ দেওয়া তাতে আমাদের পরিবেশ বাঁচবে আগের মত ফিরে আসবে। অনেক সুন্দর লিখলেন আপনি ভালো লাগলো।
অক্সিজেন না থাকলে মানুষ কিভাবে বাঁচবে না, আবার যদি নাইট্রোজেন গাছ গ্রহণ না করে তবুও মানুষ বাঁচবে না। তাহলে মানুষের জীবনের সাথে অক্সিজেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সুন্দর মন্তব্য করেছেন আপু ধন্যবাদ আপনাকে।
আমাদের প্রত্যেকেরই গাছ লাগানো প্রয়োজন। আমি গাছ লাগাতে অনেক বেশি পছন্দ করি। আর আমি আমার বাড়িতেও অনেক গাছ রোপন করেছি। আসলে এখন খুবই কম মানুষ রয়েছে যারা গাছ রোপন করে। আপনার নানা অনেক হাজার গাছ রোপন করেছিল এটা জেনে সত্যি আমি অনেক আনন্দিত হয়েছি, তবে এখানে তো দেখছি আপনার মামারা গাছ গুলো কেটে ফেলছে নিজেদের প্রয়োজনের জন্য। এটা কিন্তু একেবারেই উচিত হচ্ছে না। আর আপনার মামারা যদি গাছগুলো কেটে পরবর্তীতে আবারো গাছ রোপন করত তাহলেও কথা ছিল এবং খুব ভালো হতো। আমাদেরকে বেশি বেশি করে গাছ লাগাতে হবে আর এটা সবাইকে বুঝতে হবে।
আমাদের পরিবেশকে রক্ষা করার জন্য প্রচুর পরিমাণে চারা রোপন করতে হবে। অতিরিক্ত চার রোপনের ফলে অক্সিজেন বেড়ে যাবে, পৃথিবীর তাপমাত্রা কমে যাবে। যার ফলে আমাদের জীবন উন্নত হবে।
ঠিক বলেছেন একটা দেশে শতকরা 25% বনভূমি থাকা উচিত। তবে বর্তমান সময়ে বনভূমি নষ্ট করে ফেলতেছে মানুষেরা। তবে সৌদি আরবে বা আরব রাষ্ট্রে অনেক গরম পড়ে তা ঠিক। তবে এখন সেই গরম বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে প্রায় ৪৫° পর্যন্ত গরম পড়ে। যদি এভাবে সামনের দিনগুলো যায় তাহলে মানুষের কি অবস্থা হবে। তবে একটি গাছ কেটে দুটি গাছ লাগালে তাহলে আমাদের জন্য ভালো হয়। ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর একটি টপিক নিয়ে পোস্ট করার জন্য।
চলতি বছরে আমাদের দেশে তাপমাত্রা যে পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে এর থেকেও সামনের বছর হয়তো আরও বেশি বৃদ্ধি পাবে। কারণ মানুষ গাছপালার দিন দিন কেটে উজার করে ফেলছে কিন্তু সেই পরিমাণ গাছে চারা কেউ রোপন করছে না।
আপনার নানা তো দেখছি তাহলে অনেকগুলোই গাছ লাগিয়েছিল ভাই। কিন্তু তার সন্তানেরা যদি সেই গাছগুলো না কেটে দুই একটা হলেও গাছ লাগাতো তাহলে পরিবেশে কিছুটা হলেও সবুজের পরিমাণ বাড়তো । আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত নিজের নিজের সাধ্যমত গাছ লাগানো, কিন্তু এটা বুঝেশুনেও আমরা খুব কম মানুষ এটা পালন করি।
জি ভাইয়া আমার নানা প্রচুর পরিমাণে গাছ লাগিয়েছে। আর আমার মামারা সেই গাছগুলো শুধু ভক্ষণ করছে। অথচ তারা এটা জানে যে গাছ না থাকলে পরিবেশ দূষিত হয়। তাদের উচিত ছিল কিছু সংখ্যক গাছ লাগানো। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে ।