ইন্টার মিয়ামির কাছে কোয়ার্টার ফাইনালে বড় হার শার্লটের।
আমি @tuhin002, আমি আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানায় সালাম," আসসালামু আলাইকুম" সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহুর অশেষ রহমতে ভাল আছি। আজকে আমি খেলাধুলা বিষয় সম্পর্কে আপনাদের সামনে একটি পোস্ট শেয়ার করতে যাচ্ছি।
পৃথিবীতে ফুটবল খেলা এটি খুবই জনপ্রিয় খেলা। বিশেষ করে এই খেলাটি ছোট বড় শিক্ষিত জ্ঞানী মূর্খ সবাই বোঝে। গ্রাম অঞ্চল থেকে শুরু করে শহর অঞ্চল পর্যন্ত এই খেলা বিস্তৃত। এটি শুধু এই ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়, এটা সারা পৃথিবীর মানুষের অন্যতম প্রিয় খেলা হলো ফুটবল খেলা। আজকে সকাল ৬:৩০ টার সময় একটি ফুটবল ম্যাচ ছিল। এই ম্যাচে দুইটি দল ছিল এক দিকে ছিল ইন্টার মিয়ামি, এবং এর প্রতিপক্ষ ছিল শার্লট। এই খেলাটি ছিল সকার লীগের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ। আপনারা হয়তো সবাই জানেন বেশ কিছুদিন আগেই এই ইন্টার মিয়ামিতে বিশ্বের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি এসেছে। যে দলটি টেবিলের তলানিতে ছিল সেই দলটি পরপর চারটা ম্যাচ জিতে এই ম্যাচ নিয়ে মোট পাঁচটি ম্যাচ জিতেছে। এবং এই ম্যাচের জেতার মধ্য দিয়ে তারা সেমিফাইনালে চলে গেল। অবশ্য ম্যাচে শেষ পর্যন্ত তারা ৪-০ গোলে জিতে সেমিফাইনালের যোগ্যতা লাভ করেন।
বেশ কদিন আগেই আমি জানি মিয়ামি খেলাটি শনিবার সকাল ৬:৩০ মিনিটে আরম্ভ হবে। কিন্তুু বিভিন্ন ঝামেলার কারণে মনে ছিল না। যখন মনে হয়ে গেল তখন আমি ফেসবুক লাইভে ঢুকে খেলা দেখতে গিয়ে দেখি ইন্টার মিয়ামি ২-০ গোলে এগিয়ে রয়েছেন। আপনি যা করতে চান না কেন, আপনার মানসিক শক্তিটা বড় শক্তি। অনেকের চোখে হয়তো বা হতে পারে মেসি সর্বকালের সেরা প্লেয়ার। আবার অনেকের চোখে হতে পারে সে সেরা প্লেয়ার না। তবে একটা লোকের উপস্থিতিতে পুরো দলটা বদলে যাবে এটা কি কম। এই দলের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়ে উঠেছে যে, সর্বকালের শ্রেষ্ঠ প্লেয়ার তাদের দলে তাহলে তারা কেন জিততে পারবে না? আর এই বিশ্বাসটা নিয়ে তারা মাঠে নামে এবং দিনশেষে তারা জয় নিয়ে ঘরে ফেরে। শার্লটের প্লেয়াররা দুর্দান্ত খেলেছে কিন্তু তারা গোল করতে পারে নাই। আর মিয়ামির প্লেয়াররা যতটুকু সুযোগ পেয়েছে তার মধ্যে গোল করে ফেলেছে। আর এর মধ্য দিয়ে তারা প্রথমে হাফে ২-০ গোলে এগিয়ে যায়।
আপনারা বুঝতেই পারছেন যে আমি ফেসবুক লাইভে খেলা দেখেছি। তাই হাফটাইমের পরে আমি প্রথমের দিকে যে চ্যানেলে খেলাটা দেখেছিলাম পরবর্তীতে ওই চ্যানেলে আর দেখতে পারি নাই। পরবর্তীতে আমি ফুটবল মিডিয়ায় খেলা দেখেছি। খেলা দেখার সময় একটা জিনিস বুঝতে পারলাম যে, সার্লেটের প্লেয়ার গুলো খুবই চেষ্টা করেছিল গোল দেয়ার জন্য কিন্তুু তারা কোন ভাবেই কায়দা করে উঠতে পারে নাই। সবচেয়ে বড় কথা চান্স ক্রিয়েট করা একটা কথা, আর গোল দেওয়া আর একটা কথা। ফুটবল খেলায় চান্স বারবার আসবে না, যে বার আসবে সেই বলটি গোল করে দিতে হবে আর এটা হল ফুটবল। দ্বিতীয় হাফে খেলা দেখতে দেখতে এক সময় মিয়ামি চারটা গোল করে দিল। মেসি ৮৬ মিনিটে চতুর্থ গোলটি করেন দলের জন্য। আর এই ম্যাচের মধ্য দিয়ে মেসির পাঁচ ম্যাচে ৮ গোল। শুধু কি তাই পরপর পাঁচ পাঁচটি ম্যাচ জয়ি লাভ করে এই দলটি। যেখানে তারা প্রথমদিকে ২১ টি ম্যাচে হার ছিল। মিয়ামির এই সাফল্যের পেছনে কিন্তু যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছে লিওনেল মেসি। আসলে খেলা একটা আর্ট আর এই আর্টকে যে ধরে রাখতে পারবে সেই তো সেরা।
এই ব্যক্তির সম্পর্কে আপনাদের সামান্য বর্ণনা দেয়। ইনি হলেন সেই বিখ্যাত ফ্রি কিকের বস হিসাবে খ্যাত ডেভিড বেকহাম। তিনি হলেন ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় খেলোয়াড়। এক সময় তার দাপটে সারা ফুটবল দুনিয়া নাচতো। তার সবচেয়ে বড় একটা গুণ ছিল সে ফ্রি কিক পেলে সেই ফ্রি কিকে গোল করতে সামর্থ্যবান হতেন। মানে গোল হওয়ার সম্ভাবনা ছিল সব থেকে বেশি। ডেভিড বেকহাম হলো ইন্টার মিয়ামির মালিক। তিনি বলেছিলেন এই মেসিকে আমাদের এই দলে আনার জন্য আমি দশ বছর পরিশ্রম করেছি। তবে মনে হচ্ছে তিনার দশ বছরের পরিশ্রম সার্থক হয়েছে। ম্যাচের শেষে যখন তার দিকে ক্যামেরা ঘুরানো হয় তখন তাকে দেখে মনে হচ্ছে তিনি এতটাই খুশি যে, খুশিতে তিনি কেঁদে ফেলেছেন। কথায় বলে না, রতনে রতন চেনে।
যখন খেলার শেষে ৫ মিনিট এক্সট্রা টাইম দেয়। এই সময়ের মধ্যে ৪-০ গোলে এগিয়ে থাকে ইন্টার মিয়ামি। খেলা শেষে ফাইনাল বাঁশি দিয়ে দেয় পরিচালক রেফারি। এরপরে প্লেয়ারদের মধ্যে কৌশল বিনিময় হয়। আসলে এটা হল খেলার সৌন্দর্য যখন খেলা থাকে তখন একে অপরের প্রতিপক্ষ অর্থাৎ শত্রু শত্রু খেলা হয়ে ওঠে। কিন্তুু যখন খেলা শেষ হয়ে যায় তখন মনে হয় যেন এরা একে অপরের অনেক দিনের বন্ধু। প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত খেলাটি দেখে বেশ ভালো লেগেছে। ইন্টার মিয়ামি এই ম্যাচে জয়ের মধ্য দিয়ে তারা সেমিফাইনালে চলে গেলো। তাদের জন্য শুভকামনা রইলো। তবে এই ম্যাচটি সমষ্টিগত তবে ভালো খেলেছে বলেই তারা খুব সহজে জয় পেয়েছে। আপনাদের একটা তথ্য দিয়ে থাকি এই সব দলের সাথেই এই ইন্টার মিয়ামি প্রতিনিয়ত হেরেছে।
| ভূল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
আজ এই পর্যন্ত। সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
| ডিভাইস | poco M2 |
|---|---|
| লোকেশন | মেহেরপুর |
| ভূল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খায়রুল আলম তুহিন। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার একটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
এই ক্লাবে মেসেজ আবার পর থেকে ক্লাবটা খুবই ভালো খেলতে শুরু করে দিয়েছে। যে কয়টা খেলা দেখেছি সব কয়টাতে এই সে গোল পেয়েছে এই জন্য সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে।
https://twitter.com/ABashar45/status/1690331584434769921?t=B7xRXn7fKrXxkYrfL9iHlg&s=19
মামা আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ইন্টার মিয়ামি বনাম শার্লটের খেলা। আসলে আমিও গতকাল সকালবেলায় ঘুম থেকে উঠে খেলাটি দেখেছিলাম বেশ ভালো লেগেছিল মামা। আসলে ইন্টার মিয়ামি বলে যে একটা ক্লাব ছিল আগে খুব কম মানুষে জানতো মেসি আসার পর থেকেই ক্লাবটা পুরো বদলে গেছে। মেসি প্রত্যেকটি ম্যাচে গোল করেছে। আসলে ইন্টার মিয়ামি এই খেলায় ৪-০ গোলে জয় পেয়ে সেমিফাইনালে চলে গিয়েছে। আশা করি চ্যাম্পিয়ন হবে এবার।
কথায় আছে না কষ্টি পাথরের যা স্পর্শ করে তাই সোনা হয়ে যায়। ইন্টার মিয়ামি এই ক্লাবের বিষয়টা ঠিক তেমনি হয়ে গেছে, মেসি আশাতে এই ক্লাবটি পুরো পুরি বদলে গেছে। বর্তমানে এখন এই ক্লাব নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে।