রেসিপি পোস্ট :- নিরামিষি পাঙ্গাস মাছের রেসিপি তৈরি।
নিরামিষি পাঙ্গাস মাছের রেসিপি তৈরি। |
|---|
আমি @tuhin002, আমি আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানায় সালাম," আসসালামু আলাইকুম" সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছেন। আমি ও আপনাদের দোয়াই ভালো আছি। আজকে আমি পুনরায় আপনাদের মাঝে আরেকটি নতুন রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে দেখাবো নিরামিষ পাঙ্গাস মাছের রেসিপি তৈরি। তাই সবাইকে আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আমার আজকের ব্লগ...
| উপাদান | পরিমাণ |
|---|---|
| পাঙ্গাস মাছ | এক কেজি। |
| সয়াবিন তেল | পরিমাণ মতো |
| রসুন | একটা। |
| পেঁয়াজ | চারটা |
| গুড়া মরিচ | চার টেবিল চামচ। |
| গুড়া হলুদ | এক টেবিল চামচ |
| গুড়া ধনিয়া | এক টেবিল চামচ |
| লবণ | পরিমাণ মতো |
| জিরা | এক টেবিল চামচ |
| দারচিনি ও এলাচি বাটা | এক টেবিল চামচ |
প্রথমে আমি গ্যাসের চুলার উপরে এটি পরিষ্কার কড়া বসিয়ে নিয়েছি। কিছুক্ষণ এই কড়াটি গরম করে নিয়েছি।
এরপরে কড়াটি গরম হওয়ার পরে আমি তেল ঢেলে দিয়েছি। তেলটি গরম না হওয়া পর্যন্ত আমি গরম করে নিয়েছি।
এরপরে তেলটি গরম হওয়ার সাথে সাথে পাঙ্গাস মাছ গুলো গরম তেলের মধ্যে সুন্দর করে ভেজে নিয়ে। পাঙ্গাস মাছ সুন্দর মত করে ভেজে নিলে খেতে ভালো লাগে।
সমস্ত মাছ গুলো ভাজা হওয়ার পরে, আমি একটি পরিষ্কার পাত্রে তুলে নিয়েছি।
এরপরে পুনরায় আমি কড়ার মধ্যে তেল দিয়েছি। আর এর মধ্যে সমস্ত মসলা জাতীয় জিনিস গুলো দিয়ে দিয়েছি। এবং সুন্দর করে এগুলো একত্রে কিছুক্ষণ জ্বালিয়ে নিয়েছ।
সমস্ত মসলা গুলোকে একত্রে কষিয়ে নিলে এর মধ্যে সুন্দর একটি গন্ধ বের হবে। এখানে আপনি আপনার ইচ্ছামত মসলাগুলো কষিয়ে নিতে পারেন।
মসলা গুলো একত্রে কষানো হওয়ার পরে পুনরায় কড়ার পরিমাণ মতো পানি ঢেলে দেওয়া হয়েছে।
মসলা মিশ্রিত পানি যখন খুব ভালোভাবে ফুটে উঠবে তখন আমি এর মধ্যে ভাজা মাছ গুলো ঢেলে দিয়েছি। এরপরে কিছুক্ষণ আমি জ্বালিয়ে নিব।
এরপরে বেশ কিছুক্ষণ আমি এটি জ্বালানোর পরে পানি যখন শুঁকে একটু ঘুন হয়ে আসবে তখন বুঝতে হবে যে মাছটি রান্না সম্পূর্ণ হয়েছে।
ব্যাস এভাবে তৈরি হয়ে গেল আমার নিরামিষি পাঙ্গাস মাছের রান্নার রেসিপি। এভাবে এই মাছ রান্না করে খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে।
| সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই প্রত্যাশায় নিয়ে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ। |
|---|
আজ এই পর্যন্ত। সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
| ডিভাইস | poco M2 |
|---|---|
| লোকেশন | মেহেরপুর |
| ফটোগ্রাফি | রেসিপি। |
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খাইরুল আলম তুহিন। আমার জন্ম ১১ এপ্রিল ১৯৯৫ সালে। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার একটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। আর আমি স্টিমেটে জয়েন করেছি (২৭ - ০৬ - ২০২২) সালে। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
অনেকদিন পর কেউ আমাদের মাঝে পাঙ্গাস মাছ রান্না করে দেখালো আর সেটা হচ্ছে আমাদের নিজের বড় ভাই। বেশ ভালো লাগলো এত সুন্দর পাঙ্গাস মাছ রান্না করা দেখতে পেরে। রান্নার কৌশলটা কিন্তু বেশ চমৎকার ছিল ভাই। খুব খুশি হলাম মজাদার এই রেসিপি দেখতে পেরে।
ভাইয়া পাঙ্গাস মাছ চাষ করে যদি পাঙ্গাস মাছের রেসিপি আপনাদের মাঝে তুলে না ধরি তাহলে কেমন হয় না। কিন্তু একটা ব্যাপার রয়েই গেল আমি কিন্তু পাঙ্গাস মাছ খাই না। একেবারে খায় না বললে ভুল হবে কখনো যদি ইচ্ছা হয় এক পিসের অর্ধেকের অর্ধেক।
এভাবে পাঙ্গাস মাছ রান্না মাছ খেতে আমার কাছে বেশ ভালোই লাগে। যদিও বা অনেকদিন হলো পাঙ্গাস মাছ খাওয়া হয়নি। আজকে আপনার পাঙ্গাস মাছের রেসিপিটা দেখে বেশ ভালো লাগলো। যাইহোক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে এই সুন্দর রেসিপিটি আমাদের মাঝে শেয়ার।
এভাবে পাঙ্গাস মাছ রান্না করলে খেতে ভালই লাগে। এসব বাংলাদেশ গুলো আমাদের নিজের পুকুরে চাষ করা হয়ে থাকে। যার জন্য খেতেও বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আপনার রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছে। আসলে ভাইয়া পাঙ্গাস মাছ এভাবে রান্না করলে অনেক ভালো লাগে। তবে আমি মাঝে মাঝে আলু দিয়ে ভুনা করি। আপনি দেখছি মাছে এলাচ দারচিনি ব্যবহার করেছেন। আমি কিন্তু মাছে এগুলো দেয়নি।যাইহোক নিশ্চয়ই খেতে অনেক মজা হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আসলে আপু শুধু রান্নাই করেছে আমি কখনো পাঙ্গাস মাছ খায় না। শুধু পাঙ্গাস মাছ নয় আমি কোন মাছ খেতে খুব বেশি পছন্দ করি না। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
পাঙ্গাস মাছ অনেক দিন খাওয়া হয়নি। পাঙ্গাস মাছের কাঁটা কম থাকায় খেতে ভালই লাগে। এভাবে ভুনা করলে খেতে অনেক ভালো লাগে। আপনার রেসিপিটি দেখে লোভনীয় লাগছে। তবে মাছের মধ্যে কখনো গরম মশলা ব্যবহার করা হয়নি।রান্না করার ধাপগুলো খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে দেখিয়েছেন। সুস্বাদু শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
কিছু কিছু সময় মাছের সুস্বাদু বাড়ানোর জন্য মসলা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। পাঙ্গাস মাছ রান্না করার সময় এসব গুলো ব্যবহার করে খেতে আরো ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু আপনাকে চমৎকার মন্তব্য করার জন্য।
ভাইয়া আপনি অনেক সুন্দর করে নিরামিষ পাঙ্গাস রান্না করেছেন। আমরা নিরামিষ বলতে সকল প্রকার সবজিকেই বুঝি।যেহেতো আপনি সবজি ছাড়া নিরামিষ পাঙ্গাস রান্না করেছেন । দেখতে যেমন লোভনীয় হয়েছে খেতেও হয়তো অনেক মজা হয়েছে। তবে আমি পাঙ্গাস মাছ খাই না। ধন্যবাদ ভাইয়া।
আসলে আপু আমাদের এদিকে মাছের মধ্যে যদি অন্য কিছু না দিয়ে রান্না করে তাহলে তাকে নিরামিষ মাছ রান্না বলে থাকে। ঠিক যেমন আপনি সবজির কথা বলছেন এটা ঠিক তেমনি। ধন্যবাদ আপু চমৎকার মন্তব্য করার জন্য।
পাঙ্গাস মাছ আমার তেমন একটা ফেভারিট না যদি বড় ফাঙ্গাস হয় তাহলে দু এক টুকরো খেয়ে থাকি মাঝে মাঝে।
তবে আজ আপনার প্রস্তুত করা পাঙ্গাস মাছের রেসিপি দেখে খুব লোভ হচ্ছে এরকম ভাবে প্রস্তুত করলে খেতে নিশ্চয়ই খুব মজা হয়।
ভাই আপনার মত আমারও মানুষকে দেখে খুব বেশি পছন্দ করি না। কখনো যদি ইচ্ছা হয় এক টুকর না হলে নাই। এক কথা মনের কথাটাই বলি, আমি এটা খেতে একেবারে পছন্দ করি না 😃😃। আপনি তো দেখছি ঠিক আমার মতই। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
অনেক দিন পর পাঙ্গাস মাছ রান্না করা দেখে খুবই ভালো লাগছ। আগে পাঙ্গাস মাছ আমার কাছে খুবই পছন্দের মাছ ছিল। মা পাঙ্গাস মাছ রান্না করলে আমি মাথার সাথে একটি এক্সট্র মাছ নিতাম। কারণ পাঙ্গাস মাছ আমার কাছে এত প্রিয় ছিল যে একটি মাছ দিয়ে আমার খাওয়া হতো না। তবে বেশ কয়েক বছর হয়ে গেল পাঙ্গাস মাছ তেমন একটা ভালো লাগে না। মায়ের হাতে রান্না দেখে জিভে জল এসে যাচ্ছে এবার বাসায় গিয়ে পাঙ্গাস মাছ খাবো।
তুই তো বাড়িতে আসলি না পাঙ্গাস মাছ খাবি কি করে? পাঙ্গাস মাছ তো সব ফুরিয়ে গেল। এক পিস বা দুই পিস যে কয় পিস খাস না কেন বাড়িতে এসে তো খাবি। বাড়িতে এসে তো পাঙ্গাস মাছ খাবি যদি না থাকে তাহলে কি খাবি 😄😄😇।
এবার বাড়ি গিয়ে অবশ্যই খবো।
পাঙ্গাস মাছ যদিও আমি খাই না। তবে আপনার রন্ধন প্রক্রিয়া দেখে বেশ ভালো লাগলো। দেখে মনে হচ্ছে খুবই মজাদার এবং সুস্বাদু হয়েছে। খুব চমৎকার ভাবে আমাদের মাঝে রন্ধন প্রক্রিয়া উপস্থাপন করেছেন । মাছ ভাজি করে রান্না করলে খেতে বেশ ভালো লাগে। এত সুন্দর রেসিপি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
মাছ ভাজি করে যদি রান্না করা যায় তাহলে যে কোন মাছ খেতে একটু বেশি ভাল লাগে। আপনার মত আমিও ভাই পাঙ্গাস মাছ খাই না যদিও পাঙ্গাস মাছের চাষ করে থাকি আমরা। ধন্যবাদ ভাই চমৎকার মন্তব্য করার জন্য।
আজকে আপনি খুব সুন্দর করে পাঙ্গাস মাছের রেসিপি করেছেন। তবে অনেকে পাঙ্গাস মাছ খেতে পছন্দ করে আবার অনেকে পাঙ্গাস মাছ খেতে পছন্দ করে না। পাংকাস মাছ হালকা ভাজি করে রান্না করলে খেতে অনেক মজাই লাগে। তবে আপনার রেসিপির কালার দেখে বোঝা যাচ্ছে খেতে অনেক মজাই হয়েছে। সুন্দর করে রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু আমরা পুকুরেই প্রচুর পরিমাণে পাঙ্গাস মাছের চাষ করে থাকি। আর এই পাঙ্গাস মাছের রান্নাটি খেতে কতটা সুস্বাদু হয়েছে সেটা আমি নিজেও জানিনা 😄😄। কারণ আমি পাঙ্গাস মাছ খাই না। সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
ওয়াও অসাধারণ আপনি নিরামিষ পাঙ্গাস মাছের রেসিপি করেছেন। পাঙ্গাস মাছ খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। বিশেষ করে কাটা কম থাকার কারণে পাঙ্গাস মাছ খেতে বেশি ভালো লাগে। আজকে আপনি খুব সুন্দর করে রেসিপিটি তৈরি করেছেন আমাদের মাঝে। এত সুন্দর করে রেসিপিটি তৈরি করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি এই কথাটি অনেক জনার কাছ থেকে শুনেছি পাঙ্গাস মাছের কাটা কম থাকার কারণে এই মাছটি অনেক জনের কাছে অনেক প্রিয়। তবে পাঙ্গাস মাছের তেলে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ডি থাকে। যা আমাদের দেহের হাড়ের জন্য খুবই উপকারী।