★পেঁয়াজ ও আলু দিয়ে কাঁচকি শুঁটকি রেসিপি★
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলাব্লগের বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন ভাল আছেন নিশ্চয়ই। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি আলহামদুলিল্লাহ।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
কাঁচকি শুটকি
আলু
পেঁয়াজ
মরিচ
আদা বাটা
রসুন বাটা
হলুদের গুঁড়া
মরিচের গুঁড়া
তেল
লবণ
কার্যপ্রণালী
প্রথমে গরম পানি দিয়ে শুটকি মাছ গুলোকে দশ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রেখেছি।
এরপর আলু গুলোকে ছিলে চিকেন চিকেন করে কেটে নিয়েছি।
এরপর ১০ মিনিট পরে শুটকি মাছগুলোকে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিয়েছি।
তারপর চুলায় একটি করাই বসিয়ে তার ভেতরে কেটে রাখা পেঁয়াজ ও মরিচ দিয়ে দিয়েছি।
পেঁয়াজ ও মরিচ হালকা নরম করে ভেজে নিয়েছি।
এরপর তার ভিতরে আদা বাটা ও রসুন বাটা দিয়ে দিয়েছি।
তারপরে একটু নাড়াচাড়া দিয়ে মরিচের গুঁড়া, হলুদের গুড়া ও লবণ দিয়ে দিয়েছি।
সবকিছু দেওয়ার পরে ভালো করে নেড়ে চেড়ে মিশিয়ে নিয়েছি।
এরপর হালকা একটু পানি অ্যাড করে মসলা অনেক সুন্দর ভাবে কষিয়ে নিয়েছি। যতক্ষণ পর্যন্ত তেল ভেসে না উঠবে ততক্ষণ পর্যন্ত কষিয়ে নিয়েছি।
এরপর কষানো হয়ে গেলে মাছগুলো দিয়ে দিয়েছি।
মাছগুলো নেড়েচেড়ে মসলার সাথে মিশিয়ে নিয়েছি।
তারপর একটু সময় মাছগুলো মসলার সাথে রান্না করে নিয়েছি। তারপর আলু গুলো দিয়ে দিয়েছি।
এরপর আলুগুলো দিয়ে ভালো করে সবকিছুর সাথে মিশিয়ে নিয়েছি ।
তারপর অল্প একটু পরিমাণ পানি দিয়ে দিয়েছি যাতে আলু গুলো সুন্দর ভাবে সিদ্ধ হয় । এরপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিয়েছি।
এরপর ঢাকনা খোলার পরে দেখব যে পানি বেশ খানিকটাই টেনে এসেছে। তারপর আরো কিছু সময় নেড়ে চেড়ে রান্না করে নিতে হবে।
এরপর একেবারে পানিটা শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত রান্না করে নিয়েছি ও একেবারে ভাজা ভাজা করে ফেলেছি। তারপর হয়ে গেলে চুলা বন্ধ করে দিয়ে একটা বাটিতে ঢেলে গরম গরম পরিবেশন করেছি।এ জাতীয় খাবার গুলো গরম ভাত দিয়ে খেতে খুবই টেস্টি।
আশা করছি আমার আজকের এই ব্লগটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ফটোগ্রাফার | @tauhida |
|---|---|
| ডিভাইস | samsung Galaxy s8 plus |
ধন্যবাদ
| আমি তৌহিদা, বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি।বাংলাদেশে আমার জন্ম।আমি আমার মাতৃভূমিকে ভালোবাসি। আমি বিবাহিতা, এক সন্তানের মা। আমি রান্না করতে ও খেতে ভালোবাসি,আমি ঘুরতেও অনেক ভালোবাসি। |
|---|
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন পেঁয়াজ ও আলু দিয়ে কাঁচকি শুঁটকি রেসিপি। আপনার তৈরি রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে গে সুস্বাদু হবে। কিন্তু শুটকি মাছ খেতে আমি খুব একটা পছন্দ করি না। আসলে এত সুন্দর ভাবে রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু।
শুটকি মাছ খেতে আমিও আগে পছন্দ করতাম না কিন্তু মজা করে রান্না করলে শুটকি মাছ দিয়ে ভাত খেতে খুবই ভালো লাগে।
রেসিপি পোস্ট করতে আমার কাছেও খুবই ভালো লাগে। তাছাড়া এই রেসিপি পোষ্টের মাধ্যমে নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করা হয়। কাঁচকি শুটকি আমার কখনো খাওয়া হয়নি। আপনার পিয়াজ রসুন দিয়ে কাঁচকি শুটকি রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে যে খুব মজাদার হয়েছিল। এরপরে গেলে আপনাদের ওখান থেকে আমিও কিনে নিয়ে আসবো । ধন্যবাদ আপু।
আপু খেতে আসলেই অনেক মজাদার হয়েছিল। আপনি একদিন এভাবে ট্রাই করে দেখবেন।
পেঁয়াজ ও আলু দিয়ে কাঁচকি শুঁটকি রেসিপিটি দেখে খুব লোভ লাগছে আপু। আপনার বাসার পাশে যদি থাকতাম ঠিকই খেতে চলে আসতাম। যাইহোক অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের মাঝে তুলে ধরার জন্য ভালো থাকবেন।
আহারে ভাইয়া আফসোস আপনি বাসার পাশে নেই তাহলে তো আমি বাটি ধরে আপনাকে দিয়ে দিতাম।
পেঁয়াজ ও আলু দিয়ে কাঁচকি শুঁটকি রেসিপি দেখে খুবই সুস্বাদু মনে হয়েছে। এত মজাদার রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
শুধু সুস্বাদু মনে হচ্ছে না সুস্বাদু আসলেই হয়েছিল।
পেঁয়াজ ও আলু দিয়ে কাঁচকি শুঁটকি রেসিপি দেখেই খেতে মন চাচ্ছে। এতো মজাদার রেসিপি ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আমার রেসিপিটি দেখে আপনার খেতে মন চাইছে কিন্তু আমি কিছু করতে পারছি না। শুধু আপনি দেখতে থাকবেন আর লোভ লাগবে এটাই দেখব।
আহা!!আপু, দিলেনতো মাঝরাতে লোভ ধরিয়ে। কেননা শুটকি মাছের প্রতি আমার ভীষণ দুর্বলতা আছে। আর এত রাতে আপনার তৈরি পেঁয়াজ ও আলু দিয়ে কাঁচকি শুটকি রেসিপি দেখে পেট মহাশয় কে কিছুতেই মানাতে পারছি না। মনে হচ্ছে আপনার পরিবেশনের প্লেট থেকে তুলে খেয়ে ফেলি। গরম গরম ভাত সেই সাথে পাতলা মসুরের ডাল, আর আপনার রেসিপি তো রয়েছে। সব মিলিয়ে খাওয়াটা বেশ জমে উঠবে। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু, খুবই মুখরোচক একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
নিয়ে যান ভাইয়া আপনাদের জন্য সুন্দরভাবে পরিবেশন করে রেখে দিয়েছি।
এই জাতীয় ছোট মাছগুলো ভাজি করে খেতে কিন্তু দারুন লাগে। যদি ভালোভাবে অনেকগুলো পেঁয়াজ আর আলু কুচি করে রান্না করা যায় কতটা যে টেস্টি হয় তা বলে বোঝানো সম্ভব নয়। যাইহোক আপনার এত সুন্দর রান্না ধরনটা কিন্তু আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে।
ঠিকই বলেছেন ভাইয়া বেশি করে পেঁয়াজ দিয়ে এভাবে ভাজি করে রান্না করলে খেতে অসম্ভব টেস্ট হয়।
ওয়াও অসাধারণ আপনি পেঁয়াজ এবং আলু দিয়ে খুব চমৎকারভাবে কাঁচকি শুঁটকি রেসিপি করেছেন। শুঁটকি খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। সত্যি বলতে আপনার রেসিপি দেখে আমার জিভে জল এসে গেল। তবে আমি যে কোন শুটকি খেতে অনেক পছন্দ করি। তবে আপু শুটকির মধ্যে পেঁয়াজ এবং হালকা মরিচ বাড়িয়ে দিলে খেতে অনেক মজাই লাগে। মনে হয় আপু রেসিপিটি অনেক মজা করে খেয়েছেন। তবে আমার হাজবেন্ডের ফ্যামিলিতে সব সময় তারা শুঁটকি খেয়ে থাকে। ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
একদম তাই আপু এ ধরনের খাবারগুলোতে ঝাল একটু বেশি দিয়ে খেতে আসলেই অনেক ভালো লাগে।
আপনি খুব সুন্দর করে পেঁয়াজ এবং আলু দিয়ে কাঁচকি শুঁটকি রেসিপি করেছেন। শুটকি আমার অনেক পছন্দ এবং শুটকি খেতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তবে কাঁচকি শুটকির মধ্যে পেঁয়াজ টমেটো এবং হালকা মরিচ বাড়িয়ে দিলে খেতে অনেক মজাই লাগে। সত্যি বলতে আপু আপনার রেসিপিটি দেখে আমার জিভে জল এসে গেল। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুব চমৎকারভাবে রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনারা তো দেখছি দুজনই পেঁয়াজ ও মরিচ বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলছেন। আসলেই এগুলো বাড়িয়ে দিলে খেতে ভালো লাগে।