ট্রেনে চড়ার আনন্দে আনন্দিত
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলাব্লগের বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন ভাল আছেন নিশ্চয়ই। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আমি আবার আপনাদের সাথে নতুন একটি ব্লগ শেয়ার করতে চলে এসেছি। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব ঘুরতে যাওয়ার পূর্ব প্রস্তুতি সম্বন্ধে । বেশ কিছুদিন ধরেই ভাবছি যে কোথাও ঘুরতে যাবো কিন্তু চারদিকে যে অবস্থা রোগ বালাই লেগেই রয়েছে । এজন্য খুব একটা যাওয়াই হচ্ছিল না । আমরা সাধারণত কোথাও গেলে আমাদের পাশের
বাসার ফ্যামিলির সাথে একসাথে ঘুরতে যায় তা না হলে দূরে কোথাও গেলে একা একা গিয়ে কোন মজা নেই । বেশ কিছুদিন আগে আমাদের প্রতিবেশীর বাড়িতে অনেক মেহমান এসেছিল তারা সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে তারা কিশোরগঞ্জ নিকলি ঘুরতে যাবে । আমরাও সেখানে যাওয়ার কথা ভাবছিলাম । তখন দেখলাম তারা বলল যে আপনারাও চলুন একসাথে ঘুরে আসি । কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওরে অনেক লোকজন ঘুরতে যায় সেটা দেখতে খুব সুন্দর একটি জায়গা । সবসময় লোকজনের সমাগম লেগেই থাকে । এজন্য ভাবলাম একসাথে গেলে একটু দেখা হয়ে যাবে ।
কিশোরগঞ্জে ভাবির নানা বাড়ি সেখানে গিয়ে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে যে কারণে আমরা সেখানে যাওয়ার জন্য রাজি হলাম । আবার সেখানে ট্রেনে করে যাওয়া যায় সেজন্য আরো যাওয়ার ইচ্ছা । ডেট ফিক্সড হয়ে গিয়েছিল কিন্তু ওনাকাঙ্খিতভাবে তাদের এক আত্মীয় মারা যাওয়ার কারণে সেই ডেটটা পিছিয়ে গেল । আর যাওয়া হলো না ।এখন আবার তারা ডেট ঠিক করেছে । এর ভেতরে আমার ছেলের পরীক্ষা শুরু হয়ে গিয়েছে যার কারণে আবার পিছিয়ে গেল পরীক্ষার জন্য । অপেক্ষা করতে হলো । পরীক্ষা শেষ ৫ তারিখে আর আমরা ডেট ঠিক করলাম ৮ তারিখে যাব । এদিকে ছেলের স্কলে ক্লাস শুরু হয়ে গিয়েছে নভেম্বর মাসের মধ্যেই পরীক্ষাটা শেষ হয়ে যাবে যে কারণে পড়ালেখার চাপ বেশ বেড়ে গিয়েছে । যার কারণে এখন পরীক্ষা শেষ হতে হতে না গেলে পরে আর যাওয়ায় হবে না ।
৮ তারিখে যাব প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম । এদিকে ছেলে যাওয়ার কথা শুনে খুব এক্সাইটেড কারন আমরা দুই ফ্যামিলি মিলে কোথাও গেলে তার পরিপূর্ণ হয় । সবাইকে একসাথে পায় তখন আর তার অন্য কিছু লাগে না । সেজন্য সে আরও বেশি খুশি ।আজকে কয়েকদিন ধরে শুধু ব্যাক গোছাও ব্যাগ গোছাও করে অস্থির করে ফেলছে । আমরা গাড়ি না গিয়ে ট্রেনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি । কারণ আমি আগে কখনো ট্রেনে উঠি নাই তাই ভাবলাম যে ট্রেনে যাওয়াটাই ভালো হবে । ট্রেনের টিকিট আগে থেকে কাটতে হয় তা না হলে টিকিট পাওয়া যায় না । ট্রেনে যাব আমি খুব এক্সসাইটেড । আল্লাহ চাইলে জীবনে প্রথম ট্রেনে চরবো ।
টিকিট কাটার জন্য অনলাইনে খোঁজ নিয়ে দেখা গেল টিকিট নেই । আমরা ১০ তারিখে যেতে চেয়েছিলাম সেদিনে কোন টিকিট পাওয়া যায়নি । যার কারণে আবার একদিন পিছিয়ে গেল ১১তারিখ টিকিট পাওয়া গেল । এদিকে ওখানে গিয়ে ঘুরে ফিরে আমাদের দুই রাত থাকার কথা আছে । ভালোমতো যদি যেতে পারি হাওরে কাটাবো একদিন এবং সেখান থেকে ভাবির নানা বাড়িতে থাকব একদিন সেখানে ঘুরেফিরে গ্রামটা দেখে তারপর বাসায় ফিরে আসার কথা । যদি সব কিছু ঠিক থাকে তাহলে ১১ তারিখ সকাল ৭ টার ট্রেনে আমরা রওনা হব ইনশাআল্লাহ ।
আশা করছি আমার আজকের এই ব্লগটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ফটোগ্রাফার | @tauhida |
|---|---|
| ডিভাইস | samsung Galaxy s8 plus |
ধন্যবাদ
| আমি তৌহিদা, বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি।বাংলাদেশে আমার জন্ম।আমি আমার মাতৃভূমিকে ভালোবাসি। আমি বিবাহিতা, এক সন্তানের মা। আমি রান্না করতে ও খেতে ভালোবাসি,আমি ঘুরতেও অনেক ভালোবাসি। |
|---|
তাহলে তো আপনাদের মনে একটা এক্সাইটেড কাজ করছে। ১১ তারিখে যেহেতু ঘুরতে যাবেন সেহেতু এক্সাইটেড কাজ করা স্বাভাবিক। তবে এই সময়ে হাওড়ে গেলে অনেক মজা পাবেন কারন এখন সেখানে পানিতে ভরপুর।
এক্সাইটেড ছিলাম তবে ঘুরে এসে তেমন একটা মজা পাইনি তবে হাওরে খুব ভালো লেগেছে ।
এবারে বাচ্চাদের পরীক্ষা নভেম্বরের মধ্যে শেষ করে দেবে জন্য বাচ্চাদের পড়ালেখার চাপ একটু বেশি। ভালো করেছেন আপু পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যাওয়ার প্লান করেছেন। আমার হাওড়ে ঘুরতে যাওয়ার খুব ইচ্ছা আছে। কিন্তু ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে সাহস পাই না। ট্রেনে প্রথম যাচ্ছেন জেনে ভালো লাগলো। আশা করি খুবই সুন্দর অভিজ্ঞতা হবে। ট্রেনে কোথাও সবাই মিলে গেলে খুব মজা হয়।
ঠিকই বলেছেন বাচ্চাদের পড়ালেখা অনেক বেশি চাপ পড়ে যাচ্ছে তাড়াতাড়ি পরীক্ষা দেওয়ার কারনে ।
আপু সবচেয়ে মজার জার্নি হলো ট্রেন জার্নি। আমি প্রথম ট্রেন জার্নি করে দুই হাজার দশ সালে। আলমডাঙ্গা থেকে রাজশাহীতে যেতাম। ট্রেনে ভ্রমন যে এত মজা এর আগে আমি কখনো জানতাম না। আপু যেহেতু আপনি এখন পর্যন্ত ট্রেনে চড়েন নাই, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী 11 তারিখে অর্থাৎ কালকে আপনি ট্রেন প্রথম ভ্রমণ করবেন। আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
আমার কাছে ট্রেন জার্নি একটুও মজা লাগে নি কোনরকম গিয়ে পৌঁছেছি আর কি ।
ট্রেন জার্নি আমার কাছেও খুব আনন্দের লাগে।ট্রেনে আমি মাত্র একবার উঠেছি। তাও কয়েক মাস আগে। ট্রেনে উঠে জার্নি করতে খুবই রিল্যাক্স ফিল হয়। ট্রেনে আপনার প্রথম জার্নির জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল আপু।
আমি ট্রেনে করে জীবনে প্রথম জার্নি করলাম তবে তেমন একটা ভালো লাগেনি ।