আজ আমি আপনাদের সামনে ঝটপট একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়ে গিয়েছি । আর এটি হল ঝটপট নুডুলস রেসিপি ।এটি আমার ছেলের জন্যই তৈরি করা । আমিও মাঝে মাঝে খাই আমার কাছেও খেতে খুবই ভালো লাগে । এভাবে করে নুডুলস রান্না করলে অল্প সময়ে তৈরি করে ফেলা যায় । এই খাবারটা আমার ছেলে সব সময় পছন্দ করে । ডিম তেমন একটা খেতে চায় না তারপরও এভাবে করে ওকে ডিমটা খাওয়াই । আর আজকে আমি একটি জিনিস জানতে পারলাম যে ডিম এভাবে করে ডিপ ফ্রিজে রেখে দিলে বাইরে এনে এভাবে করেও খাওয়া যায় । আমি সাত আট ঘন্টা আগে দুটো ডিম ফ্রিজে রেখে দিয়েছিলাম এখন বের করে দেখি যে দুটো ডিমের ভিতর একটা বরফ হয়ে গিয়েছে আর একটা এখন পর্যন্ত হয়নি । একটা ডিম যেটা বরফ হয়ে গিয়েছিল সেটা মাঝখান থেকে ফেটে গিয়েছে । ডিমটাকে আমি খোসা ছাড়িয়ে তিন খন্ড করে কেটে নিয়েছি । আপনারা দেখলেই বুঝতে পারবেন যে কিভাবে আমি ডিমটা রেডি করে নুডুলসের ভেতরে দিয়েছি । এখন আমি মূল রেসিপিতে চলে যাচ্ছি ।

নুডুলস
ডিম
তেল
টমেটো সস




প্রথমে চুলায় একটি করাই বসিয়ে তার ভেতরে পানি দিয়ে দিয়েছি । এরপর পানিটা বলক আসলে তার ভিতরে নুডুলস প্যাকেট খুলে দিয়ে দিয়েছি । এরপর নুডুলস গুলোকে নেড়েচেড়ে ভেঙে নিয়েছি । তারপর তার ভিতরে নুডুলসের মসলাটা দিয়ে দিয়েছি ।
এরপর এর ভেতরে মসলাটা দিয়ে নেড়েচেড়ে আরো বেশ কিছু সময় রান্না করে নিয়েছি । তারপর নুডুলসের ভেতরে টমেটো সস দিয়ে দিয়েছি । এরপর নেড়েচেড়ে মিশিয়ে তেল দিয়ে দিয়েছি । এরপর আরো কিছু সময় রান্না করে নেব পানিটা অনেকটা টেনে আসা পর্যন্ত ।
এরপর পানিটা যখন অনেকটাই শুকিয়ে আসবে তখন নামিয়ে নিয়েছি । এখানে নুডুলস টা একটু মাখামাখা থাকবে । এরপর দুটো ডিম নিয়ে সে ডিম দুটো সাত আট ঘন্টার জন্য ডিপ ফ্রিজে রেখে দিয়েছিলাম । এরপর ৭-৮ ঘন্টা পরে দেখুন ডিমটা বের করে নিয়েছি । একটা ডিম ফেটে গিয়েছে আর একটা ফাটেনি । যেটা ফাটে নি সেটা বরফ হয়নি । যেটা মাঝখান থেকে তার ফেটে গিয়েছিল সেটার উপরে একটু পানি ছিটিয়ে তারপর সুন্দরভাবে ছিলে নিয়েছি । দেখুন ডিমটা একেবারে বরফ হয়ে গিয়েছে ।
 |  |
এরপর ঝটপট ডিমগুলোকে একটা ছুরির সাহায্যে কেটে চার খন্ড করে নিয়েছি । এরপর চুলায় একটি প্যান বসিয়ে তার ভিতরে হালকা একটু তেল দিয়ে দিয়ে চার খন্ড ডিমকে ছেড়ে দিয়েছি । এই কাটার কাজটা অনেক তাড়াতাড়ি করতে হবে তা না হলে বরফ টা গলে ডিম গলে যাবে এবং কাঁটার সাথে সাথে চুলার উপরে দিয়ে দিতে হবে । দেখুন তেলের উপরে দেওয়ার পরে মনে হচ্ছে যে চারটা ডিম আমি দিয়েছি । এরপর হালকা হাতে উল্টে দিয়েছি আপনারা চাইলে নাও উল্টাতে পারেন ।এরপর নুডুলস এর উপরে দিয়ে দিয়েছি । আমার ছেলে তো দেখেই বলছে যে অনেকগুলো ডিম একসাথে এনেছ আমি খাব না । কিন্তু ডিম তো এখানে একটা । এভাবে তৈরি হয়ে গেল আমার ঝটপট নুডুলস রেসিপি ।



আশা করছি আমার আজকের এই ব্লগটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ফটোগ্রাফার | @tauhida |
| ডিভাইস | samsung Galaxy s8 plus |
ধন্যবাদ
@tauhida
| আমি তৌহিদা, বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি।বাংলাদেশে আমার জন্ম।আমি আমার মাতৃভূমিকে ভালোবাসি। আমি বিবাহিতা, এক সন্তানের মা। আমি রান্না করতে ও খেতে ভালোবাসি,আমি ঘুরতেও অনেক ভালোবাসি। |


Posted using SteemPro Mobile
আপনার কাছ থেকে ডিম কাটার ইউনিক একটা স্টাইল জানতে পারলাম। আর এই বিষয়টা জানতে পেরে তো আমার অনেক বেশি ভালো লেগেছে। আপনার ছেলে ভাবলে নুডুলস খেতে অনেক বেশি পছন্দ করে। এভাবে নুডুলস তৈরি করলে এমনিতে অনেক সুস্বাদু হয়, আর ডিমটা ভিন্নভাবে করেছেন দেখে আরো বেশি ভালো লাগবে খেতে। নিশ্চয়ই আপনার ছেলে মজা করে খেয়েছিল।
আইডিয়াটা আসলে ইউনিক ছিল ট্রাই করে দেখতে পারেন ।
নুডুলস এমন একটি খাবার যেটা ছোট থেকে বড় সবার কাছে ই অনেক পছন্দ। ঝটপট নুডুলস রেসিপি শেয়ার করেছেন আর পরিবেশন করা নুডুলসের উপরে ডিমগুলো লোভনীয়তা বাড়িয়ে তুলেছে। লোভনীয় রেসিপিটি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
ডিম গুলো দেখতেও লোভনীয় ডিম গুলো খেতেও ভালো লেগেছিল।
আমিও নুডুলস খেতে অনেক বেশি পরিমাণে পছন্দ করি। আর আজকে যেভাবে আপনি এই নুডুলস তৈরির রেসিপি শেয়ার করেছেন তা একদম ভিন্ন ধরনের৷ কখনো এরকম ভাবে রেসিপি তৈরি করা হয়নি৷ আপনার কাছ থেকে রেসিপি সম্পর্কে প্রথম জানতে পারলাম৷ একদম ভিন্নভাবে আপনি এটি তৈরি করেছেন৷
এটা সবাই পছন্দ করে এরকম করে রান্না করলে আমিও খাই ।
আপনিতো দেখছি প্রধানমন্ত্রীর রেসিপি অক্ষরে অক্ষরে পালন করছেন ডিম যে এভাবে ফ্রিজে রেখে দিয়ে খাওয়া যায় জানাই ছিল না। কাঁচা ডিম ছিলে একেবারে সিদ্ধ ডিমের মতো লাগছে খেতে কি তাজা ডিমের মত নাকি স্বাদ অন্যরকম। যাইহোক তাও বাচ্চাকে এভাবে খাওয়ানো যাচ্ছে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধ করে রাখতে বলেছে, আমি তো আর সিদ্ধ করে রাখি নাই । আমি আস্ত রেখে দিয়েছিলাম খেতে ভালোই লাগে স্বাদের কোন পরিবর্তন হয়নি ।
কিছু কিছু সময় ব্যস্ততা বেড়ে যায় তখন সন্তানদের জন্য চেষ্টা করা লাগে ঝটপট কিছু তৈরি করার জন্য। আর ঝটপট কিছু তৈরি করার মধ্যে নুডুলস হল উত্তম খাবার। যেটা খুব সহজেই বানানো যায়। আজকে ছেলে মেয়েদের জন্য খুব চমৎকার ভাবে নুডুলস রান্না করেছেন এবং আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
এরকম করে রান্না করলে ছোট ছোট বাচ্চারা খেতে পছন্দ করে আমার কাছেও খুব ভালো লাগে ।
আপু,ডিম ডিপ ফ্রিজে রেখে খাওয়া যায় তাইতো জানতাম না।আজ আপনার পোস্ট দেখে ডিম ডিপ ফ্রিজে রাখার আইডিয়াটা পেয়ে গেলাম।আপু,ছেলের জন্য ঝটপট নুডুলস রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন, দেখে খুবই ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আইডিয়াটা আমিও প্রথম ট্রাই করেছি মন্দ লাগেনি ডিমও একেবারে পারফেক্ট থাকে কিছুই হয় না ।
আমরা অনেকে অনেক ভাবে নুডুলস তৈরি করি।আজকে আপনার ছেলের জন্য খুব সুন্দর ভাবে মজাদার নুডুলস তৈরি করেছেন।যা দেখেই তো খেতে ইচ্ছা করছে।এত সুন্দর ভাবে নুডুলস তৈরির একটি পদ্ধতি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
আমি বিভিন্নভাবে নুডুলস রান্না করি তবে বেশিরভাগ সময় ছেলের জন্য এভাবেই করি ।
বাহ ডিম কাটার সিস্টেমটি খুবই ইউনিক লাগল আমার কাছে । এভাবে ডিম ডিপ ফ্রিজে রেখে ভেজে খাওয়া যায় সত্যিই জানতাম না। দারুন একটি আইডিয়া দেখালেন আপনি ।ঝটপট নুডুলসের নতুন রান্নার পদ্ধতিটি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে ।ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
আসলে এরকম করে ডিম ফ্রিজে রেখে খেলে ভালোই লাগে অন্যরকম একটা অনুভূতি হয়েছিল বাজার সময় ।
আপনি আমার পছন্দের একটা রেসিপি তৈরি করেছেন যা দেখে আমার তো ইচ্ছে করছে খেয়ে নিতে। আসলে বাচ্চারা নুডুলস খেতে এমনিতেই অনেক বেশি পছন্দ করে। আপনি আপনার ছেলের জন্য তার পছন্দের খাবারটা তৈরি করেছেন দেখে অনেক ভালো লেগেছে। তবে ডিম তৈরি করাটা অনেক বেশি ইউনিক লেগেছে। যাই হোক সম্পূর্ণটা দেখে অনেক ভালো লাগলো।
নুডুলস আমার অনেক পছন্দ আমি সবসময় খেতে ভালবাসি ।