★অনেক দিন পর সুন্দর কিছু সময়★, ১০%বেনিফিশিয়ারী প্রিয় সাইফক্স
আজ আমি আপনাদের সামনে চলে এসেছি নতুন একটি ব্লগ নিয়ে ।আজ আমি কোনো রেসিপি কিংবা ডাই শেয়ার করতে আসিনি। আমি এসেছি আমার সুন্দর একটি সময় আপনাদের সাথে শেয়ার করতে। গতকাল ছিল আমার প্রতিবেশী ভাই ভাবির ম্যারেজডে সে উপলক্ষে আমাদের সেই বাসায় দাওয়াত ছিল রাতের পার্টি ছিল। আমার বাচ্চা সকালবেলা উঠেই পার্টির জন্য রেডি হওয়ার জন্য অস্থির অনেক বলে কয়ে দুপুর পর্যন্ত থামিয়ে রেখেছে কিন্তু পরে আর পারিনি ।দুপুরে গোসল করিয়ে কিছু খাইয়ে তাকে রেডি করিয়ে পাঠাই প্রথম গেস্ট হিসেবে। তাদের বাসায় গিয়ে বসে আছে গেস্ট বললে ভুল হবে ওটা তার একটি বাসা দিন রাতের বেশীর ভাগ সময় কাটায় ওই বাসায়।ওটা তার আরেকটি বাবা-মার বাসা ।যথাসময়ে সন্ধ্যার সময় আমাদের যার কথা আমি রেডি হয়ে ওর বাবা নিচে গিয়েছে তার জন্য ওয়েট করছিলাম সে আসার পরে আমরা একসাথে ওই বাসাতে গেলাম।বাসায় সন্ধ্যায় চা নাস্তার আয়োজন ছিল নাস্তা হিসেবে ছিল চিকেন রোল, ফুচকা ,চিকেন ফ্রাই ,পায়েস ও চা আরো অনেক কিছু। তারপর সন্ধ্যার নাস্তা হওয়ার পরে আমরা সবাই মিলে বেশ খানিকটা আড্ডা দিচ্ছিলাম।
বাচ্চাদের আড্ডা চলছে
আমি বাচ্চাদের সাথে বেশি সময় পার করেছি বড়রা অন্য রুমে আড্ডা দিয়েছি তারপর রাতে খাওয়ার সময় চলে আসে। খাবারটা বাইরে থেকে অর্ডার করা হয়েছিলো ।এই খাবারটা খুবই মজার আমরা প্রায়ই খাই।রাতের খাবার হিসেবে ছিল কাচ্চি, কাবাব, বোরহানি কোলড্রিংস, চাটনি ও সালাদ। প্রথমে এক দল পরে আমরা খেতে বসি। খাওয়া-দাওয়া মোটামুটি ভালোই হলো।
কাচ্চি
ড্রিংকস
কাবাব ভাজা হচ্ছে
তারপর শুরু হলো আরো দীর্ঘ আড্ডা আমরা বাচ্চারা সবাই মিলে অনেক খেলাধূলাও হয়েছে আমিও ছিলাম সেই খেলা ধুলার মাঝে। ফটোসেশন হল বেশ কিছুটা সময় এই অনুষ্ঠানে শুধু মাস্তি আর মাস্তি তারপর আবার রাত সাড়ে এগারোটায় কেক কাটা হলো। সবাই মিলে কেক কাটায় কেক কাটায় সামিল হলাম। তারপরে কেক খাওয়া দাওয়ার পর্ব চলছিল।কেকের সাথে ছিল ডোনাট যেটা দেখতে অনেক লোভনীয় ও মজার ছিল।
কেক ও ডোনাট
কেক খাওয়া দাওয়ার পরে আরও কিছু সময় আড্ডা হওয়ার পরে রাত একটার সময় গিফট নিয়ে বসা হলো।
গিফট খোলা হচ্ছে
গিফট খুলে একে একে সব কিছু দেখার পরে চলে এলো আমাদের বিদায়ের সময়। বিদায় বলতে আমাদের বাসা জাস্ট কয়েক কদম আমরা থাকি পাশাপাশি ফ্লাটে। অনেকদিন পরে ভালো একটা সময় পার করলাম আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।
এটাই ছিল আমার আজকের আয়োজন ।আশা করছি আমার আজকের এই ব্লগটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ফটোগ্রাফার | @tauhida |
|---|---|
| ডিভাইস | samsung galaxy s8 plus |
ধন্যবাদ
আমি তৌহিদা, বাংলা আমার মাতৃভূমি।বাংলাতে আমার জন্ম।আমি আমার মাতৃভূমিকে ভালোবাসি। আমি বিবাহিতা, এক সন্তানের মা। আমি রান্না করতে ও খেতে ভালোবাসি,আমি ঘুরতে ভালোবেশি।
এরকম দাওয়াত খেতে আসলেই খুবই ভালো লাগে আপু। আর বাচ্চারা সাধারণত এরকমই হয়ে থাকে। যদি কখনো কেউ দাওয়াত দেয় তাহলে সেই জায়গায় কখন যাবে সেই জন্য অস্থির হয়ে থাকে। সেখানে আপনি খুবই সুন্দর সময় কাটিয়েছেন, সেটা আপনার পোস্ট পড়ে বুঝতে পেরেছি। অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর মুহুর্ত গুলো শেয়ার করার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক আসলে এমনই হওয়া উচিত। এতে একদিকে যেমন সামাজিক দায়িত্ব পালন হয় সেইসাথে বিপদে-আপদে সহায়তাও পাওয়া যায়। খাবার-দাবার গুলো দেখে সত্যিই লোভ লেগে গেলো। মনে হচ্ছে খুবই ভালো আয়োজন করেছিলেন ভদ্রলোক।
আসলেই অনেক বড় আয়োজন ছিল। ঠিকই বলেছেন প্রতিবেশীর সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা সবারই উচিত।ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু আপনার পাশের বাসার ভাই ভাবীর ম্যারেজডেতে খুব সুন্দর সময় কাটিয়েছেন। তাছাড়া চমৎকার সব খাবার দাবার খেয়েছেন। খাবার দাবার গুলো দেখেই তো খেতে ইচ্ছা করছে। বাচ্চারাও খুব মজা করেছে দেখেই বোঝা যাচ্ছে। যে কোন অনুষ্ঠান শেষে এই গিফট খোলার মুহূর্তটি খুবই আনন্দের হয়। সব মিলে আপনি খুব সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছেন দেখেই বোঝা যাচ্ছে।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
তাতো লাগবেই, এতো এতো মজার খাবার তার সাথে আবার গিফট ভালো না লেগে যাবে কই, কিন্তু এভাবে আমাদের মনে লোভ জানানোটা কি ঠিক হলো? হা হা হা হা
ইস ভাইয়া কাচ্চিটা কিন্তু সেই ছিল ।মাঝে মাঝে লোভ লাগানো ভালো ।অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।