আসসালামুআলাইকুম আমার বাংলা ব্লগের প্রিয় বন্ধুরা আশা করছি নিশ্চয়ই সবাই অনেক ভাল আছেন সুস্থ আছেন নিরাপদে আছেন । |
আজ আমি কোন রেসিপি কিংবা কোন আর্ট নিয়ে আসিনি। আজ আমি এসেছি আপনাদের সাথে কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করতে। অনেকে আছে প্রতিদিন কিছু কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করে যা দেখতে আমার খুবই ভালো লাগে। আমি এখানে খুব একটা ফটোগ্রাফি শেয়ার করি না সবারটা দেখি তাই আমিও মাঝে মাঝে ফটোগ্রাফি দেওয়ার চেষ্টা করছি। আজ আমি আমার বাসার ছাদ থেকে তোলা কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করব । |
| আমার যে বাসায় থাকি সেটা ২৩ তালা বিল্ডিং আমি এই বিল্ডিংয়ের ৮ তালায় থাকি। আমাদের ছাদে খুব একটা আমাদের যাওয়া হয়না অনেক কম যাওয়া হয়। বেশিরভাগ সময়ই ছাদ তালা দেওয়া থাকে সহসা এখানে কারোরই যাওয়া হয়না। আমি ১ বছর আগে ছাদে গিয়েছি তখন থার্টিফার্স্ট ছিল থার্টিফার্স্টের রাত্রে যখন ছাদে গেলাম তখন চারিদিক দিয়ে শুধু আলো জ্বলছিল অনেক বাজি ফুটছিল চারদিক দিয়ে ফানুস উড়ছিল কি অপরূপ লাগছিল তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না, সেই ছবিগুলো নাই থাকলে আপনাদের সাথে শেয়ার করতাম। আর এই যে গেলাম যখন আমার বোনরা এসেছিলো তখন ওদেরকে নিয়ে আমি ছাদে গিয়েছি। ছাদে যেয়ে আমরা আরও একতলা উপরে উঠেছে ২৪ তলার উপরে ২৪ তলার উপর থেকে আমি এই ছবিগুলো তুলেছি। আমি ঠিক সন্ধ্যার আগে আগে ছাঁদে গিয়েছিলাম তখন ছাদের আশেপাশের দৃশ্যগুলো যে কত ভালো লাগছিল আমরা ওখানে অনেক সময় ছিলাম সন্ধার পরে আমরা নিচে নেমেছি। যখন আস্তে আস্তে চারদিক দিয়ে আলো জ্বলে উঠেছিল তখন দেখতে যে কি অপরূপ লাগছিল না দেখলে বিশ্বাস করতে পারবেন না। এত উপর থেকে চারিদিক দেখতে খুবই ভালো লাগে আমার কাছে । আমার বোন বেশ কিছুদিন আগে এই ছবিগুলো শেয়ার করেছিল ও ওর ফোন থেকে তোলা ছবিগুলো শেয়ার করেছে আজ আমি যেগুলো তুলেছিলাম এগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করছি ।আশা করছি আপনাদের কাছে আমার ফটোগুলো ভালো লাগবে ।` |
ফটোগ্রাফি ০১


ফটোগ্রাফি ০২


উপরের যে ছবিদুটো দেখছেন এই ছবি দুটি আমার বাসার সামনের রাস্তার ছবি ।বাসার সামনে দিয়ে এত সুন্দর একটি ফ্লাইওভার চলে গেছে দেখতে খুব ভালো লাগে ।আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে অনেক সময় এই ফ্লাইওভার দিয়ে গাড়ি চলতে দেখি আমার কাছে খুব ভালো লাগে। রাতের বেলা দেখতে আরো বেশি ভালো লাগে। আমি যখন এই বাসায় আসি তখনই ফ্লাইওভারের কাজ চলছিল ,২০১৮সালে যখন এর কাজ শেষ হলো, যেদিন এই রাস্তাটি উদ্বোধন করা হলো তখন এ রাস্তায় রাত বারোটার সময় আমার বিল্ডিংয়ে অনেক মানুষ গিয়ে হাঁটাহাঁটি করেছে আর আমি বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছি কারণ ঐ সময় আমি খুব অসুস্থ ছিলাম তাই আমি যেতে পারিনি । |

ফটোগ্রাফি ০৩


এখন যে ছবিটি দেখছেন এই ছবিটি কুয়াশার কারণে দেখুন কেমন ঝাপসা ঝাপসা হয়ে এসেছে। এই বিল্ডিংগুলো আমার বাসা থেকেও দেখা যায় বারান্দা থেকে দেখতে ভালো লাগে উপর থেকে দেখতে আরো অনেক বেশি ভালো লাগছে। সবুজ রঙের বিল্ডিংটা নতুন হয়েছে কিছুদিন আগে এর কাজ সম্পন্ন শেষ হয়েছে। |

ফটোগ্রাফি ০৪



ফটোগ্রাফি ০৫


এখন যে ছবিদুটো দেখছেন এটা ছাদের থেকে নামার সময় ২২ তালার জানালা দিয়ে তুলেছি। এই রাস্তা দিয়ে আমরা সব সময় যাওয়া আসা করি কিন্তু উপর দিক থেকে দেখলে মনে হয় যেন কোথাকার রাস্তা কোথায় চলে গিয়েছে ।এই রাস্তাটির ডানদিক দিয়ে চলে গিয়েছে বেইলি রোডের দিকে আরেক দিক দিয়ে যাচ্ছে কাকরাইলের দিকে আমাদের খুব পরিচিত একটি রাস্তা। এত উপর থেকে তাকিয়ে গাড়িগুলো আর মানুষদেরকে দেখে বোঝা যাচ্ছে না যে এগুলো মানুষ মনে হচ্ছে যেন অন্য কিছু ।উপর দিকে তাকালে দেখতে সবকিছু একেবারে ছোট ছোট লাগে মনে হচ্ছে সব কিছু খেলনা গাড়ি দেখতে খুবই ভালো লাগছে। |

ফটোগ্রাফি ০৬


উপরে এখন যে ছবিটি দেখছেন এই ছবিটি রাজার বাগ পুলিশ লাইন এর ছবি। এই কলোনিটা আমাদের বাসার পাশেই। পুরা কলোনি জুড়ে রাতের বেলা লাইট জ্বলছিল দেখতে খুবই ভালো লাগছিল। এর ভিতর ছোট্ট একটা পুকুর ছিল কিন্তু অনেক দূর হওয়ার কারণে পুকুরটা বোঝা যাচ্ছে না। |

ফটোগ্রাফি ০৭


এখন যে ছবিটি দেখছেন এই ছবিটা আমার বাসার সামনের দিকের। এই ছবিটা যখন তুলি তখন আমি ছাদ থেকে আরও একটু উপরে উঠে ছিলাম এবং বাউন্ডারির বাইরে গিয়ে ছবিটা তুলতে হয়েছিল, একটু ভয় ভয় লাগছিল কিন্তু ছবিটা যখন তুলেছিলে তখন কি অপূর্ব একটা ছবি এসেছে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। |

ফটোগ্রাফি ০৮


উপরের এই ছবিটা আমার ছাদের ভিতরে রাস্তা। রাস্তা দিয়ে হেটে ছাদের ভিতরে চলাচল করতে হয় দেখে বোঝা যাচ্ছেনা যে এটি একটি ছাদ মনে হচ্ছে পার্কে কোথাও ঘুরতে এসেছি এমন লাগছে দেখতে। |

ফটোগ্রাফি ০৯



ফটোগ্রাফি১০



ফটোগ্রাফি ১১


এখন যে ছবিটি দেখছেন এই ছবিটিতে দেখুন একেবারে সাদা আকাশের ভিতরে ছোট্ট একটি চাঁদ উঠেছে । |

ফটোগ্রাফি ১২



ফটোগ্রাফি ১৩



ফটোগ্রাফি ১৪



ফটোগ্রাফি ১৫


আর এই ছবিগুলো আমার বাসার বারান্দা থেকে তোলা আমি বেশিরভাগ সময়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দৃশ্যগুলো দেখে থাকি আমার কাছে খুবই ভালো লাগে ।নিচের যে গাছ গুলো দেখছেন সেগুলো একটা তিনতলা বাড়ির ভিতর ।এই বাড়িটার দিকে তাকালে এবং এই গাছগুলো দেখলে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে সামনে বড় একটা উঠান আছে দেখলে আমার নিজের জন্মস্থানের কথা মনে পড়ে আমার কাছে খুব ভালো লাগে ।আমি মাঝে মাঝে তাকিয়ে তাকিয়ে এ দৃশ্য গুলো দেখি। |
এই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশা করছি আমার আজকের এই ব্লগটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ফটোগ্রাফার | @tauhida |
| ডিভাইস | samsung Galaxy s8 plus |
| সবগুলো ছবির লিংক | Link |
ধন্যবাদ
@tauhida
আমি তৌহিদা, বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি।বাংলাদেশে আমার জন্ম।আমি আমার মাতৃভূমিকে ভালোবাসি। আমি বিবাহিতা, এক সন্তানের মা। আমি রান্না করতে ও খেতে ভালোবাসি,আমি ঘুরতেও অনেক ভালোবাসি। |



আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি আপু। ছাদ থেকে বাহিরের পরিবেশ দেখতে খুবই সুন্দর লাগে। তার মধ্যে রাতের আকাশ আর রাতের পরিবেশ ছাদ থেকে দেখতে খুব সুন্দর লাগে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।ঠিকই বলেছেন ভাইয়া ছাদ থেকে বাইরের পরিবেশ দেখতে খুবই সুন্দর লাগে ।বিশেষ করে রাতের বেলা চারদিকে ছোট ছোট লাইট জলে মনে হয় যে সব জায়গায় জোনাকিরা ছড়িয়ে আছে দেখতে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
জীবন যেখানে যেমন । বিল্ডিংয়ের নগরী ঢাকা , যেখানে গাছ খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল । যাইহোক সুন্দর ছিল ফটো গুলো ।
ঠিকই বলেছেন ভাইয়া ঢাকা শহরে চারদিকে বিল্ডিং আর বিল্ডিং গাছপালা নেই বললেই চলে। তারপরও আমার বারান্দা থেকে নিচের দিকে তাকালে আমি কিছু গাছ দেখতে পাই ভালো লাগে দেখতে ।ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
অসাধারণ কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন ।প্রত্যেকটা ফটোগ্রাফি চমৎকার লাগছে ।বিশেষ করে 9 নম্বর ছবিটা আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে ।ছবিটা মনে হয় গোধূলী বিকেলের। এত সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ ভাইয়া ওই ছবিটা আসলেই গোধূলি বিকেল বেলার ছিল সন্ধ্যা নামার একটু আগে ।ধন্যবাদ ভাই আপনাকে আমার ছবিগুলো আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগছে।
আপু আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি। ছাদ থেকে বাহিরের পরিবেশ দেখতে খুবই ভাল লাগে। তার মধ্যে রাতের পরিবেশ ছাদ থেকে দেখতে আরো ভাল লাগে। আপু এত সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ আপনাকে। কিন্তু ভাইয়া আপনার কমেন্টটা একেবারে সাগর সরকারের কমেন্ট এর সাথে হুবুহু মিলে গেল কেমনে তাই বুঝলাম না।
ওয়াও আপনার ফটোগ্রাফি গুলো অনেক ভালো লাগলো ৷ কারন আমি এখনো কোনো শহরে যাই নি ৷ শুধু শুনেছি যে শহরে না কি বড় বড় দালান ফ্লাট চারদিক গোলমাল শব্দ সেটা আপানার ছবি গুলো দেখে বোঝা যায় ৷আমার কাছে ভালো রাতের দৃশ্য গুলো চারদিকে শুধু লাইটে ভরা এ যেনো এক রঙিন শহর ৷এবং শহরের মানুষ কর্মময় ব্যস্ত ৷ছবি গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু ৷
যদি কখনো সুযোগ হয় তবে অবশ্যই শহর থেকে ঘুরে যাবেন তাহলেই দেখবেন শহরের অবস্থা ।আপাতত আমার ছবিগুলো থেকে বুঝে নিন শহরের চিত্রটা কেমন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু,ছবিগুলো কিন্তু খুবই সুন্দর হয়েছে।২৪ তলার উপর থেকে ছবি তোলার কারণে সবগুলো ছবি খুব সুন্দর দেখাচ্ছে। আমি বাইরে থাকাকালীন এরকম ছাদের উপর থেকে কিছু ফটোগ্রাফি করেছিলাম,সেগুলোর কথা মনে পড়ে গেল। ধন্যবাদ আপু ছবিগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ঠিকই বলেছেন অনেক উপর থেকে ছবি তুললে ছবি দেখতে ভালই লাগে ।ধন্যবাদ আপনাকে ভাই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আপনার বাড়ীর ছাদ হতে তো অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করা, চারপাশের দৃশ্যগুলো বেশ দারুণ লেগেছে তবে রাতের দৃশ্যগুলো বেশী আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। আর প্রথম প্যারাগ্রাফটা যদি দুইভাবে লিখতেন তাহলে দেখতে আরো সুন্দর লাগতো। ধন্যবাদ
হ্যাঁ ভাইয়া ঠিকই বলেছেন ছাদ থেকে রাতের দৃশ্য গুলো দেখতে আসলেই চমৎকার লাগে ।
তাইতো আমি খেয়ালই করিনি প্যারাটা অনেক বড় হয়ে গিয়েছে ।দিয়েছি ভাইয়া ঠিক করে এবার দেখুন তো ভাইয়া ঠিক আছে কিনা ।অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে। এভাবেই ভুলত্রুটিগুলো ধরিয়ে সব সময় পাশে থাকবেন এই আশা রাখছি।
আমরা যাই কিছু করি না কেন আমাদেরকে সতর্কতার সাথে করতে হবে। হিতে অনেক সময় বিপরীত হয়। আপনি আমাদেরকে ফটোগ্রাফি উপহার দেওয়ার জন্য অথবা আপনার সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য এমন রিক্স নেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই যা নিজের জীবনে দুঃখ নেমে আসে। আর জেনে শুনে ভুল করাটা বোকামী। যাই হোক আমি আর কিছু বলবো না। তবে আপনি অসাধারণ ফটোগ্রাফি করেছে, ফটোগ্রাফি গুলো দেখে চোখ জুড়িয়ে গেছে। সত্যিই অসাধারণ প্রতিটি ফটোগ্রাফি, হাজার হাজার মানুষ হাজার ও গাড়ি এবং মানুষকে কীট পতঙ্গের মত লাগে ছাদ থেকে বুঝা যায় না যে এখানে মানুষ আছে। শুধু হাজার রকমের বাতিগুলি সৌন্দর্যটাকে ফুটিয়ে তুলেছে। আর এত সুন্দর ফটোগ্রাফি গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ছাদের চারিপাশে বাউন্ডারি দেওয়া আছে এখানে রিক্স নেয়ার কিছু নেই ।তবে একটু উপরে উঠতে হয়েছে ঐখান থেকে পড়লে ছাদেই পড়তাম কিছু হতো না। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
আপনার বাসার ছাদ থেকে ঢাকার সৌন্দর্য একদম পারফেক্ট বুঝা যাচ্ছে। আমার কাছে ফটোগ্রাফিগুলো অনেক ভালো লাগলো। আপু ৭ নাম্বার ফটোগ্রাফি দেখে অনেক ভয় লাগলো এখান থেকে নিচে পড়লে উপায় নাই।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এই অসাধারণ ফটোগ্রাফিগুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো।
সাত নম্বর ছবিটা তোলার সময় আমারও একটু ভয় করেছিল তার পরেও তুলেছি। অনেক ধন্যবাদ ভাই আপনাকে সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।