★যমুনা ফিউচার পার্কে আমার তোলা কিছু ছবি★
আসসালামু আলাইকুম
আমার বাংলাব্লগের বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন ভাল আছেন নিশ্চয়ই। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালই আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজ আমি আপনাদের সামনে আবার নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। নতুন নতুন ব্লগ নিয়ে উপস্থিত হতে কার না ভালো লাগে বলুন।তাই আমি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করি আপনাদের সাথে নতুন নতুন কিছু শেয়ার করার জন্য। আর নতুন নতুন জিনিস দেখতেও যেমন ভালো লাগে আবার সবাইকে দেখাতেও অনেক ভালো লাগে। আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করে নেব কিছুদিন আগে যমুনা ফিউচার পার্কে তোলা কিছু সুন্দর সুন্দর ছবি। যমুনা ফিউচার পার্ক শপিং মলটা এতটাই বড় যে ওখানে ঘুরে শেষ করা যায় না, আর ছবি তুললে শুধু তুলতেই মন চায়। আর যমুনা ফিউচার পার্ক আমাদের বাসা থেকে বেশ খানিকটা দূরে ইচ্ছা করলেই যখন তখন যাওয়া যায় না। শপিং করার উদ্দেশ্যে যদি বের হয় তাহলে দেখা গেল দিনে দিনেই বের হতে হয় তা না হলে সেখানে যেতে আসতে এবং শপিং করে ফিরতে ফিরতে আমাদের প্রায় অনেক রাত হয়ে যায়। এজন্য খুব একটা যাওয়া হয় না।
বেশ কিছুদিন আগে বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলাম, আমার বোনের বাসা বসুন্ধরা আবাসিকে সেখানে যাওয়ার কারণে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। টুকটাক কেনাকাটা ছিল আর বিশেষ করে ঘুরার উদ্দেশ্যেই সেখানে গিয়েছিলাম সবাই মিলে। যমুনা ফিউচার পার্ক আমাদের ঢাকা সিটির মধ্যে সবচেয়ে বড় একটি শপিং মল এখানে থেকে শপিং করতে আসলে অনেক ভালো লাগে। বিভিন্ন বড় বড় ব্রান্ডের শোরুম গুলো থাকার কারণে এখানে অনেক সুন্দর সুন্দর জিনিস একসাথে পাওয়া যায়। যে কোন জিনিস কিনতে হলে এখানেই একটু খুঁজলেই পাওয়া যাবে কারণ এখানে অনেক শোরুম রয়েছে এবং যার কারণে দূরে কোথাও যেতে হয় না। আর শপিং মলটা যেমন বড় তেমন লোকজনেরও অনেক আনাগোনা। এখানে সব জায়গায় দেখা যায় যে লোকজনের ভিড় লেগেই আছে। তারপরও অনেকেই এসেছে বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়িয়ে কিছু ছবিও তুলছে। আমার ছোট্ট ছেলেটাও সুন্দর সুন্দর কিছু জিনিস দেখলে সেটার সামনে দাঁড়িয়ে পড়েছে ছবি তোলার জন্য অবশ্যই ওর খেলনা জাতীয় কিছু। আমার কাছে অনেক ভালো লাগে এরকম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন যে কোন শপিংমলে যেতে। আমি আশেপাশে বিভিন্ন জিনিসের কিছু ছবি তুলেছি, তার মধ্যে কিছু ছবি আপনাদের সাথে আজকে শেয়ার করলাম।
যেকোনো শপিং মলে গিয়ে উপর থেকে নিচের দিকে তাকালে দেখতে অনেক ভালো লাগে বিশেষ করে রাতের বেলা। আমরা যখন উপরের তলায় ছিলাম তখন নিচের দিকে তাকিয়ে দেখলাম যে দেখতে খুবই সুন্দর লাগছে এজন্য আমি ছবিটা তুলে রাখলাম।
আমার ছেলেটা বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঢং করে অনেকগুলো ছবি তুলেছে তার ভিতরে একটি ছবি আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আরো বিভিন্ন ধরনের ছবি আছে যা অন্য কোনদিন আপনাদের সাথে শেয়ার করে নিব।
আমরা নরমালি সেদিন ব্যাগ কেনার উদ্দেশ্যে শপিংমলে গিয়েছিলাম। এখানে অনেক বড় বড় ব্যাগের শোরুম রয়েছে কিন্তু দূর থেকে মনে হয় যে কত সুন্দর সুন্দর ব্যাগ রয়েছে তবে কাছে গিয়ে যখন কিনতে যাওয়া হয় তখন কোনটাও পছন্দ হয় না । অনেকগুলো দোকান তখন ঘুরতে হয়। একটাতে গিয়ে কেনাতো সম্ভবই হয় না মনে হয় যে এখান থেকে অন্য জায়গায় গেলে হয়তো বা আরো ভালো কিছু পাওয়া যাবে। তারপরও অনেক ঘোরাঘুরি করার পরে একটা ব্যাগ আমরা কিনতে পেরেছিলাম।
এইসব বড় বড় শপিংমল গুলোতে এক জায়গায় বিভিন্ন ধরনের জিনিস পাওয়া যায়। আপনার অনেক বেশি জায়গায় ঘুরতে হয় না । এখানে দেখলাম অনেক বড় বড় কিছু ক্রোকারিজের দোকান রয়েছে যেখানে গেলে একেবারে মাথাটা খারাপ হয়ে যায়। কোনটা রেখে কোনটা নিব তাই ভাবতে ভাবতেই সময় চলে যায়। তবে এখানের এসব জিনিসের অনেক দাম ভালো কিছু কিনতে হলে তো একটু দাম বেশি দিতেই হবে। তাই প্রস্তুতি না নিয়ে গেলে হুটহাট গেলে এসব জিনিস কেনা খুবই মুশকিল।
মেয়েদের মাথার ব্যান্ড এর অনেক ভালো একটি শোরুম দেখলাম । এখানে এত বেশি জিনিস রয়েছে যে দেখতেই ভালো লাগছিল। তাই আমি কিছু ছবি তুলে রেখেছিলাম।
আর এসব পুতুল পান্ডার দোকানে গেলে আমরা বড়রাই আমাদেরই মাথা ঠিক থাকে না আর ছোটদেরকে মানিয়ে রাখা তো খুবই কষ্টকর ব্যাপার। তারপরও আমরা শুধু দেখেই নিয়েছিলাম আর কিছু ছবি তুলে রেখেছিলাম। টুকটাক কেনাকাটার মাঝে মাঝে আমি ছবিগুলো তুলছিলাম।
আর যে কোন শোরুমে গেলে স্যান্ডেল দেখলে তো আমার মাথা ঠিক থাকে না কেনার জন্য। দেখা যায় যে কোন শপিংমলে গেলেই আগে স্যান্ডেলের দোকানে ঢুকি সেখানে গিয়ে কোন একটি পছন্দ হলে আমাকে নিতেই হবে। সেদিন যেহেতু আমরা একাই গিয়েছিলাম নিজের টাকা খরচ করে কিছু কিনতে মন চাইছিল না। যদি কখনো হাসবেন্ডকে নিয়ে যায় তখন সুন্দর সুন্দর স্যান্ডেল কিনার আশা রাখছি। দুই একটা স্যান্ডেল অনেক বেশি পছন্দ হয়েছিল কিন্তু তারপরও নিজেকে কন্ট্রোল করে সেখান থেকে চলে এসেছি।
আশা করছি আমার আজকের এই ব্লগটি আপনাদের সকলের কাছে ভালো লেগেছে। আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
| ফটোগ্রাফার | @tauhida |
|---|---|
| ডিভাইস | samsung Galaxy s8 plus |
| স্থান | যমুনা ফিউচার পার্ক |
ধন্যবাদ
| আমি তৌহিদা, বাংলাদেশ আমার মাতৃভূমি।বাংলাদেশে আমার জন্ম।আমি আমার মাতৃভূমিকে ভালোবাসি। আমি বিবাহিতা, এক সন্তানের মা। আমি রান্না করতে ও খেতে ভালোবাসি,আমি ঘুরতেও অনেক ভালোবাসি। |
|---|
আমি অনেক আগে একবার গিয়েছিলাম কিছু কেনাকাটা করার জন্য। সত্যি আপু এখানে সব ধরনের শো-রুম রয়েছে। আপনি উপর থেকে তো খুব সুন্দর ছবি তুলেছেন আমি হলে তো মাথা ঘুরে পরে যেতাম।আপু আপনার ছেলে দেখতে মাশাআল্লাহ অনেক কিউট। এসব মার্কেটগুলোতে সত্যি রাতের বেলা অনেক ভালো লাগে। আমি দিনের বেলা গিয়েছিলাম আর তখন প্রচুর ভিড় ছিল। ধন্যবাদ আপু আপনাদের যমুনা ফিউচার পার্কে ঘুরাঘুরির খুব সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করার জন্য।
এসব মার্কেটে সব সময় ভিড় থাকে। আর আপু উপর থেকে ছবি তোলার কথা বলছেন আমি তো ২২ তলার ছাদের উপর থেকেও কত ছবি তুলি। কারণ আমার বাসাইতো 22 তলা বিল্ডিং আমি থাকি আট তলায়, এজন্য এইটুকু উঁচু আমার কাছে কোন ব্যাপারই না। ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
আমি অনেকবারই গিয়েছি যমুনা ফিউচার পার্কে কখনো ঘুরতে কখনো বা কোন কেনাকাটা করতে কখনো বা কারো সাথে দেখা করতে।
জায়গাটা অনেক পরিচিত অনেক ভালো লাগে সেখানে গেলে।। আপনি খুব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন যমুনা ফিউচার পার্কের খুবই ভালো লাগলো দেখে।
ঠিকই বলেছেন জায়গাটা খুবই ভালো আর এখানে শপিং করার জন্য যেমন যায় আবার এখানে আমরা বিয়ের দাওয়াত খেতেও অনেক যাই। অনেক সুন্দর সুন্দর হল রয়েছে যেখানে বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, খুবই ভালো লাগে । অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।
একদম ঠিক বলেছেন আপু ব্যাগের শোরুম গুলো দূর থেকে দেখলে মনে হয় যে সবগুলোই সুন্দর। কিন্তু ভিতরে গিয়ে কাছে গেলে কোনটাই পছন্দ হয় না। এজন্যই তো এতদিন কিনতে পারিনি। তাছাড়া সঙ্গে কেউ না থাকলে পছন্দ করেও আরাম পাওয়া যায় না। সেদিন বেশ ভালোই সময় কাটিয়েছিলাম। তাছাড়া আপনার বাচ্চা খুব মজা পেয়েছিল বিভিন্ন জায়গায় দাঁড়িয়ে ছবি তোলার সময়।
জী আপু যমুনা ফিউচার পার্ক শপিং মলটা এতটাই বড় যে ওখানে ঘুরে শেষ করা যায় না। আপনি যত ঘুরবেন ততই ভাল লাগবে। আর যে দোকানেই যাবেন শুধু কিনতে মন চাইবে। যেটা যেখবেন সেটাই ভাল লাগবে। আপনার পোষ্ট দেখেই মার্কেট করতে চলে যায়তে মন চাইতেছে। ধন্যবাদ আপু।
বোনের বাসায় ঘুরতে গিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কে কেনাকাটার উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন জেনে খুবই ভালো লাগলো। আসলে যমুনা ফিউচার পার্ক এত বড় যে একদিনে ঘুরে হয়তোবা শেষ করা যাবে না আর প্রতিটি তলার দৃশ্য আলাদা এক একটার থেকে এক একটা সুন্দর। তবুও আপনি আমাদের মতো চেষ্টা করেছেন সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য যেগুলো দেখতে অনেক বেশি আকর্ষণীয় দেখাচ্ছে আমি মুগ্ধ হলাম ফটোগ্রাফি গুলো দেখে। সব থেকে বেশি হাসি পেয়েছে একটা কথা শুনে, স্যান্ডেলের দোকানে গেলে আর স্যান্ডেল দেখে আপনার মাথা ঠিক থাকে না হাহাহা। এরকম কিছু দুর্বলতা আমারও আছে যেমন ঘড়ির দোকানে গেলে ঘড়ি দেখলে আমার মাথা ঠিক থাকে না।
কিছুদিন আগেও একটি কাজে যমুনা ফিউচার পার্কে গিয়েছিলাম। একটি কথা ঠিক বলেছেন এই যমুনা ফিউচার পার্ক এত বড় ঘুরে শেষ করা যায় না। যাইহোক আপনার প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি অনেক ভাল ছিল। বিশেষ করে আপনার ছেলের ছবিটি অনেক ভালো লেগেছে আমার কাছে।।
আপু আমিও একবার যমুনা ফিউচার পার্কে গিয়েছিলাম ।শপিং মলটা সত্যিই অনেক সুন্দর ঘুরে বেড়ানো এবং শপিং করার জন্য ।একদম পারফেক্ট একটি জায়গা। এ ধরনের জায়গায় গেলে অনেক শপিং করতে মন চায়। তবে আমি একটি ব্যাগ কিনেছিলাম, ব্যাগটি একদমই খারাপ ছিল। একদিন ব্যবহার করার সঙ্গে সঙ্গে চামড়া উঠে গিয়েছিল। যাই হোক আপনার ফটোগ্রাফি গুলো বেশ ভালো লাগলো। হেয়ার ব্যান্ডগুলো আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ।