Diy : নাশপাতি ফল দিয়ে হাঁস তৈরি।
হ্যালো বন্ধুরা,
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকে আমি অনেক সুন্দর একটি নাশপাতি ফল দিয়ে হাঁস তৈরি করলাম।
এই ধরনের সুন্দর সুন্দর কাজগুলো করতে আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। এইজন্য আমি সব সময় এরকম ধরনের কাজগুলো খুঁজে থাকি। এই যে আমি হাঁস তৈরি করলাম এটা কিন্তু দেখতে সহজ মনে হলেও তৈরি করাটা একটু ডিফিকাল্ট। কারণ এর ডানার টুকরোগুলো কাটার সময় একটুখানি বেশি কেটে গেলে কিন্তু পুরোটাই শেষ। আমি তো কাটার সময় প্রায় অনেক সাবধানতা অবলম্বন করেছি। যতক্ষণ এটা তৈরি করলাম মনে হচ্ছিল কোথাও দিয়ে যদি কেটে যায়। এই ভেবে ভেবে সম্পূর্ণ কাজটা অনেক ধীরে তৈরি করেছি।
এরপর এটা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম। আজকের হাঁস কিভাবে তৈরি করলাম তার ধাপে ধাপে বর্ণনা করে আপনাদের সাথে এই সম্প্রদায়ে ভাগ করে নিলাম। আশা করি আমার আজকের হাঁস তৈরি আপনাদের ভালো লাগবে।
প্রয়োজনীয় উপকরণ :
• নাশপাতি
• টুথপিক
• ছুরি
বিবরণ :
ধাপ - ১ :
প্রথমে আমি একটি নাশপাতি নিলাম। এরপর অর্ধেকের চেয়ে একটু বাহিরে করে কেটে নিলাম।
ধাপ - ২ :
এরপরে আমি ছোট অংশ থেকে নিচের দিকে একটু চিকন করে আবার কেটে দুইটা টুকরো করে নিলাম।
ধাপ - ৩ :
এরপর আমি উপরের অংশটাকে দুইপাশ থেকে চিকন চিকন করে কেটে নিলাম। এরপর পাঁচল অংশটাকে অর্ধেক অংশ কেটে নিলাম।
ধাপ - ৪ :
এরপর পরবর্তী বড় অর্ধেক অংশটাকে উপরের দিক থেকে মাঝখানে একটু খালি রেখে দুই পাশে দুই টুকরো কেটে নিলাম। এখানে আবার নিচের অংশে ও একটু রাখলাম।
ধাপ - ৫ :
এরপরে আবার এক পাশের অংশকে উপরে চিকন করে কেটে আরো তিনটা টুকরো করে একটু ধাপে ধাপে তৈরি করে নিলাম।
ধাপ - ৬ :
একই রকম ভাবে পরবর্তী পাশেরটাও চিকন চিকন করে তিনটা ধাপে কেটে নিলাম। এরপর এটাকে দুই পাশে একটু বাহিরের বাহিরে করে দুইটা ডানা তৈরি করে নিলাম।
ধাপ - ৭ :
এরপর পিছনের অংশটার জন্য যে অংশটা রেখেছিলাম এটাকেও ভেতরের চিকন চিকন করে কেটে তিনটা ধাপে পরিণত করলাম।
ধাপ - ৮ :
এরপর পেছনের অংশটাকে একটা টুথপিকের সাহায্যে পিছন দিকে লাগিয়ে নিলাম।
ধাপ - ৯ :
এরপর চিকন যে অংশটা রেখেছিলাম ওই অংশটাকে একটু মুখের মত করে গোল করে কেটে নিলাম। এরপর এখান থেকে নাশপাতির বিচি নিয়ে চোখের মত করে লাগিয়ে নিলাম। এরপরে একটা টুথপিক দিয়ে সামনের অংশে জোড়া লাগিয়ে নিলাম।
শেষ ধাপ :
এভাবে আমি পুরো হাঁস তৈরি করে নিলাম। আশা করি আমার আজকের হাঁস তৈরি আপনাদের ভালো লাগবে। পরবর্তীতে আবারও দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে। সবাই ভালো থাকবেন।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | পেইন্টিং |
|---|---|
| ডিভাইস | Redmi note 9 |
| ফটোগ্রাফার | @tasonya |
| লোকেশন | ফেনী |
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের একজন ছাত্রী। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।
🎀 ধন্যবাদ সবাইকে 🎀 |
|---|

নাশপাতি ফল দিয়ে আপনি যেভাবে হাঁসটি বানিয়েছেন। সেম ক্যাটাগরিতে আপেল দিয়ে বানাতে দেখেছিলাম। তবে নাশপাতি দিয়ে আপনারটি দেখলাম। বেশ চমৎকার হয়েছে ডিজাইনটি এবং খুব চমৎকার ভাবে উপস্থাপনার মাধ্যমে আমাদের সাথে তুলে ধরার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
আমিও আপেল দিয়ে তৈরি দেখেছিলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনাকে ও অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য।

দেখেই বুঝা যাচ্ছে ভালো কঠিন কাজ এটি। স্বাভাবিক ভাবেই অনেক সতর্কতার সাথে সম্পন্ন করেছেন। তাই তো দেখতেও হয়েছে চমৎকার। এ ধরনের কাজ আমার কাছেও খুবই ভালো লাগে।
অনেক সতর্কতা অবলম্বন করেছি। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি যদি ভুল না করে থাকি তাহলে এটা আপেল। কিন্তু আপনি নাশপতি বললেন কেন বুঝলাম না। এটার আরেকটা নাম কী নাশপাতি?? হাঁসটা সত্যি চমৎকার তৈরি করেছেন আপু। এটা যে বেশ সাবধানতার সঙ্গে করতে হয়েছে সেটা বোঝাই যাচ্ছে। বেশ চমৎকার। ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।
আপেলের মতোই দেখতে কিন্তু এগুলো কে নাশপাতি বলা হয়। এটা আপেল নয়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
অনেক নিখুঁতভাবে সময় নিয়ে তৈরি করেছিলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
নাশপাতি ফল দিয়ে হাঁস বানানোর আইডিয়া টি দারুন ছিল আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে।। নাশপাতি ফলের সাথে আসলে পূর্বে কখনো পরিচিত হইনি প্রথমে দেখে ভেবেছিলাম এটি আপেল হবে।। যাহোক চিত্রটা কিন্তু অসাধারণ হয়েছে সুন্দর উপস্থাপনা করেছেন ধাপগুলো অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।।
আসলে এটা আপেল নয় এটা আপেলের মতো দেখতে। সাইজে আপেলের চেয়েও বড় হয়। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
কোন কিছু দেখতে যতটা সহজ মনে হয় তৈরি করা কিন্তু ততটা সহজ নয়। আপনার তৈরি করা এই ডেকোরেশনটি কিন্তু দারুন হয়েছে আপু। আসলে এভাবে যখন কোন কিছু ছুরি দিয়ে কেটে কেটে হাঁস তৈরি করা হয় বা অন্য কিছু তৈরি করা হয় তখন অনেক সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। আপু আপনার এই আয়োজনটি দারুন ছিল।
আসলে ঠিক বলেছেন যে কোন কাজে দেখতে যাওয়ার তো আর সহজ মনে হয় তৈরি করাটা ভীষণ কঠিন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু শুধু সুন্দর বললে ভুল হবে,, ভয়ংকর সুন্দর হয়েছে আপনার তৈরি হাঁসটি 👌👌। এই জিনিসটা এভাবে ফল দিয়ে তৈরি করা এতটাও সহজ কাজ নয়। একটু ১৯-২০ হলেই পুরো সেপ টাই নষ্ট হয়ে যাবে। আর সেই দিক দিয়ে আপনি দারুন দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
একদম ঠিক বলেছেন একটুও ১৯বিশ হলেই অনেক নষ্ট হয়ে যেত। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
দেখেই বুঝা যাচ্ছে অনেক ধৈর্য সহকারে অনেক সময় নিয়ে এই কাজটি করেছেন। আপনার নাশপাতি দিয়ে হাঁসটি বেশ চমৎকার হয়েছে দেখতে। আপনি প্রতিটি ধাপ সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছে। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম একটা পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আসলেই অনেক ধৈর্য সহকারে কাজটি করেছিলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
কয়েকদিন আগে আমি আপিল দিয়ে আপনার মত করে হাঁস তৈরি করেছি। আর আপনি নাশপাতি দিয়ে তৈরি করেছেন। দেখতে অসম্ভব সুন্দর লাগছে। তৈরি করার ধাপগুলো খুব নিখুঁত ও সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। ভালো লাগলো নাশপাতি দিয়ে হাঁস তৈরি। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
আপনার তৈরি করা পাঁচটি ও আমার কাছে ভীষণ ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
নাশপাতি ফলটি টুকরো টুকরো করে কেটে অতি চমৎকারভাবে অসাধারণ সুন্দর একটি হাসপাখি তৈরি করেছেন। সত্যিই আপু আপনার সৃজনশীলতার প্রশংসা না করে আমি থাকতে পারছি না। হাঁস পাখির গলা, লেজ এবং দেহের ডানার দুটি অংশ দেখতে সত্যি খুবই সুন্দর লাগছে। নাশপাতি ফল দিয়ে অসাধারণ একটি ডাই পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসলে আপনি এত সুন্দর প্রত্যেকটা জিনিসের প্রশংসা করেছেন দেখে ভালো লাগলো।