নাটকের রিভিউ :- " ফকির গ্রাম " ( পর্ব ২২ )
✋হ্যালো বন্ধুরা,✋
আসসালামু আলাইকুম, কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। প্রতিদিনের মত আজকেও আপনাদের সামনে এসে হাজির হলাম। আজকে আপনাদের সাথে একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করব। কিছুদিন ধরে আমি " ফকির গ্রাম " এই নাটকটি দেখছিলাম । এই নাটকটি মূলত পর্ব আকারে করা হয়েছে। আজকে আমি আপনাদের সামনে এই নাটকের ২২ পর্ব শেয়ার করব। আশা করি নাটকটি আপনাদের ভালো লাগবে।
নাটক সম্পর্কে কিছু তথ্য :-
| নাম | ফকির গ্রাম। |
|---|---|
| পরিচালনা | ঈগল টিম |
| প্রযোজনা | কচি আহমেদ |
| প্রযোজনা সহকারী | জাহাঙ্গীর আলম, বাবু আহম্মেদ, আলমগীর, ইনামুল, মারুফ, জনি। |
| স্ক্রিপ্ট | সুলাইমান |
| অভিনয়ে | আনোয়ারুল আলম সজল, ইফতেখার ইফতি, আজমাইল মেহেরব এলহাম, মোসাদ্দেক সাহেব, লিপু মামা, তুহিন চৌধুরি, সবুজ আহমেদ, রাবিনা, জারা নুর, স্পর্শিয়া মিম, সাগরিকা ইসলাম মিনহা, আফরিভা খান মুমু, আকাশ ইসলাম, সুমন পাটোয়ারী, রেজবিনা মৌসুমী, আকলিমা লিজা, অদিতি জামান স্নেহা, জাহাঙ্গীর কবির , মিমো এবং জাকির সিন্টু। |
| প্রধান সহকারী পরিচালক | কামরুজ্জামান রানা, আকরাম দেওয়ান, এস এল ডি সাগর, শাফায়েত, হানিফ খান |
| সম্পাদনা | অনিক ইসলাম |
| সহকারী সম্পাদনা | জুনায়েদ মোঃ বাঁধন |
কাহিনী সারসংক্ষেপ
এই পর্বের শুরুতেই আমরা দেখতে পাই রতন ফকির রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল, আর ওই রাস্তার পাশেই প্রিন্স এবং তার বন্ধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল। রতনের মাথা এমনিতেই গরম ছিল কারণ ফুলিকে প্রিন্স অপমান করেছিল। এরপর তাদের সাথে গিয়ে ঝগড়া করে আর কথা কাটাকাটির মধ্য দিয়ে মারামারি শুরু হয়ে যায়। এরপর দেখা যায় রবি তার মায়ের সাথে আসছিল, আর চান্দুকে নিয়ে কথা বলছিল। আর তখন ওখানে কাদের আসে আর তাদের সাথে কথা বলে। এরপর রবিকে কিছু টাকা দিয়ে তারা পাঠিয়ে দেয়। আর সুন্দরী খালা এবং কাদের ফকির ভিক্ষা করার জন্য চলে যায়। এরপর দেখা যায় চান্দু বসে বসে গান গাইছিল, আর তখন সেখানে মর্জিনা আসে। এরপর মর্জিনা তার পাশে এসে বসে। আর চান্দু তার জন্য একটা ক্লিপ নিয়ে আসে এটা তাকে দেয়। এরপর সে বলতে থাকে ক্লিপটা সে কিভাবে এনেছিল।
এবার বলতে থাকে এক ভাবীর কাছে ভিক্ষা চাইতে গিয়েছিল, চাল না থাকায় ক্লিপটা ভিক্ষা চেয়েছিল। আর মর্জিনার কথা বলার কারণে উনি ক্লিপটা তাকে দিয়ে দিয়েছিল, এরপর চান্দু মজিনাকে ক্লিপটা মাথায় লাগিয়ে দেয়। এরপর দেখা যায় মেম্বার তাড়াতাড়ি করে বাড়িতে এসে প্রিন্সের মাকে ডাকতে থাকে। আর বলে প্রিন্স আজকেও ফকিরদের সাথে মারামারি করেছে। এরপর সেখানে প্রিন্স আসে, আর মা বাবার সাথে কথা বলে। এরপর প্রিন্স ঘরে চলে যায়। এরপর দেখা যায় নতুন ফকির দুইটা সুতা ফকিরের কথা বলছিল, আর তখনই সুতা ফকিরকে দেখে সেখানে যায়। আর তারা জ্বীনের অভিনয় করে তার চোখ ধরে। তারপর তারা তিনজন মিলে সেখান থেকে চলে যায়। এরপর দেখা যায় রতন একটা গাছের সাথে বসে রয়েছে তাকে অনেক মারার কারণে সে উঠতেও পারছিল না।
এরপর সেখানে ডাক্তার আপা আসে আর তাকে বাড়িতে দিয়ে আসতে যায়। একবার দেখা যায় মানিক চম্মনদের বাড়িতে এসেছে রাতের বেলায় চুরি করে। আর বিভিন্নভাবে তাকে ডাকতে থাকে। এরপর চম্মন ঘর থেকে বের হয়। তারপর তারা কথা বলতে থাকে। এভাবে তারা কিছুক্ষণ পর্যন্ত কথা বলতে থাকে। এরপর মানিক বলে দেয় আসল প্যাচটা সে লাগিয়েছিল। এরপর এটা শুনে তো চম্মন অনেক রেগে যায়, আর ঘরে চলে যায়। এরপর মানিক সেখান থেকে চলে যায়। এরপর তারা সর্দারের বাড়িতে বিচার করার জন্য বসে। প্রিন্স এবং তার বন্ধু মানিককে অনেক বেশি মেরেছিল। এটা নিয়েই বিচার করতে বসেছিল। আর এটা নিয়ে অনেক বেশি ফকিরদের মধ্যে ঝগড়া লেগে যায়। বিশেষ করে কাদের আর চান্দুর মধ্যে। এরপর সবাই সেখান থেকে চলে যায় নিজ নিজ জায়গায়।
তারপরে দেখা যায় সায়েম এবং তার বউ ভিক্ষা করছিল। আর তখন সায়েমের বউ তাকে বলে রতনকে দেখে আসার উচিত ছিল। এরপর তারা এভাবে কিছুক্ষণ কথা বলে, তারপরে দেখা যায় চম্মন তাদের কাছে এসেছে। এরপর চম্মন তার বিয়ের কথা বলে। এরপর চম্মন বলে দেয় তাদের মধ্যে প্যাচ মানিক লাগিয়েছিল। এরপর মানিককে মারার জন্য চলে যায়, এরপর তারা দুই বোন চলে যায়। তারপর দেখা যায় মানিক এবং ফুলির দেখা হয়। এরপর তারা কিছুক্ষণ কথা বলতে থাকে, আর ফুলি রতনের কথা জিজ্ঞেস করতে থাকে। এরপর তারা যখন কিছুক্ষণ পর্যন্ত কথা বলছিল, তখন সেখানে চলে আসে। আর তার সাথে ঝগড়া লেগে যায়। ঝগড়া করতে করতে তারা একসময় মারামারি করতে থাকে। এবার দেখা যায় চান্দু দৌড়ে আসছিল, আর রবি তাকে দৌড়াতে দৌড়াতে লাঠি নিয়ে পেছন দিয়ে আসছিল। সেখানে পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল প্রিন্সের বন্ধু। চান্দু এসে তার সাথে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যায়।
এরপর চান্দু তাকে ধরে আর রবি তাকে মারতে থাকে। এভাবে তাকে মারতে মারতে নিয়ে যায়। এরপর দেখা যায় ডাক্তার আপা রতনের বাড়িতে এসে তাকে ডাকতে ছিল। এরপর রতন আসে, আর তারা কিছুক্ষণ কথা বলে। তারপর ডাক্তার আপা রতন কে ফল দেয়। এরপর রতন ফল খাওয়া শুরু করে। একবার সেখানে তখন ফুলি আসে। তারপর ফুলি তার সাথে কথা বলতে থাকে।একবার দেখা যায় চান্দু এবং রবি মিলে প্রিন্সের বন্ধুকে দড়ি দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে রেখেছে। প্রিন্সের বন্ধু তো তাদের মুখে মুখে অনেক তর্ক করছিল। এরপর চান্দু রতনকে ডাকতে যায়। যেন প্রিন্সের বন্ধু তার কাছে মাফ চায় এটাই বলে। তারপরে দেখা যায় গ্রামে নতুন একটা মেয়ে আসছিল। আর প্রিন্সের সাথে তখনই সেই মেয়েটা ধাক্কা খায়। তখনই এই পর্বটা শেষ হয়ে যায়। পরবর্তী পর্বে কি হবে এটা দেখতে হবে এখন। আপনাদের মাঝে খুব তাড়াতাড়ি পরবর্তী পর্বের রিভিউ শেয়ার করার চেষ্টা করবো।
ব্যক্তিগত মতামত
আজকের এই পর্বে আরেকটা ঘটনা ঘটেছে। যেটার কারণে ফকিরদের মধ্যে এবং প্রিন্সের মধ্যে বড় একটা ঝামেলা হতে পারে। আসলে রতন ফকিরকে প্রিন্স এবং তার বন্ধু অনেক বেশি মেরেছিল। যার কারণে রতনের অবস্থা তো একেবারেই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে আবার আরেকটা ঝামেলার সৃষ্টি হয়েছে এখানে। আর সেই ঝামেলাটা হচ্ছে মানিক যে প্যাচটা লাগিয়েছিল সায়েম আর তার শ্বশুরের মধ্যে, এটা সম্পর্কে সায়েম জেনে গিয়েছে। আবার এখন তো চান্দু এবং রবি মিলে প্রিন্সের বন্ধুকে ধরে ফেলেছে। এখন তারা দুজন মিলে তাকে কি করে এটাই দেখতে হবে। আর গ্রামে কোন নতুন মেয়ে এসেছে এটা পরবর্তী পর্বে আমরা জানতে পারবো। পরবর্তী পর্বটার রিভিউ তাড়াতাড়ি শেয়ার করার চেষ্টা করবো, সে পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকবেন আশা করছি।
ব্যক্তিগত রেটিং
৯/১০
নাটকের লিংক
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।

https://twitter.com/TASonya5/status/1785615467446763840?t=hZok3FnWRVPIVWhDJJPOHA&s=19
আপনি খুবই সুন্দর একটা নাটকের রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন। আপনি দেখতে দেখতে ইতি মধ্যে ২২ টি পর্ব আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন।ফকির গ্রাম নাটক টি এখনো দেখা হয়নি তবে আজকের রিভিউ পড়ে খুবই ভালো লাগলো। নাটক দেখতে যেমন ভালো লাগে ঠিক তেমনি নাটকরে রিভিউ পড়তে দারুণ লাগে। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে নাটকটির রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু পোস্ট টি শেয়ার করার জন্য।
চেষ্টা করেছি প্রত্যেকটা পর্বের মত ২২ তম পর্ব সুন্দর করে শেয়ার করার জন্য। রিভিউ পড়ে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন নাটক রিভিউ পোস্ট। আপনি আজকে ফকির গ্ৰাম নাঠকের ২২ তম পর্ব শেয়ার করেছেন। যদিও আপনার শেয়ার করায় নাটকের পর্বগুলো দেখা হয়নি তবে আজকের এ পর্বটি দেখে খুবই ভালো লাগলো । দেখে মনে হচ্ছে নাটকটি খুবই আনন্দদায়ক এবং হাসি ময়। ধন্যবাদ আপু নাটকটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য পরবর্তী পর্বটি আমাদের সাথে শেয়ার করবেন ধন্যবাদ।
নাটকটা আসলেই অনেক হাস্যকর। আর দেখতে অনেক বেশি ভালো লাগে।
বেশ অনেকদিন ধরে আপনি এই নাটকটি আমাদের মাঝে রিভিউ করে চলেছেন। আমি একদম শুরু থেকে আপনার এই নাটকটা দেখে আসছি। বেশ ভালোলাগা আপনার রিভিউ করতে। আজকেও খুব সুন্দর ভাবে রিভিউ করেছেন ফকিরগ্রাম নাটকটা। আশা করব পরবর্তী পর্বগুলো খুব সুন্দর করে শেয়ার করবেন।
আপনি শুরু থেকে এই নাটকের রিভিউ পড়তেছেন শুনে ভালো লাগলো। সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
এই নাটকটির কিছু পর্ব আমি দেখেছিলাম। আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছিল। আপনার রিভিউ এর মাধ্যমে ২২ তম পর্ব পড়ে বেশ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ শেয়ার করার জন্য।