স্বরচিত কবিতা : " শরতের অনুভূতি "
হ্যালো বন্ধুরা
হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই সুস্থ এবং ভাল আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আমিও আল্লাহর রহমতে ভালো আছি। যদিও এখন প্রায় অনেকেই অসুস্থ, বলতে গেলে আমাদের পরিবারের প্রায় অনেকজন অসুস্থ। সবাই যাতে সুস্থ থাকে এটাই কামনা। প্রতিদিনের মতো আবারো আপনাদের সামনে হাজির হলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আমি সব সময় প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন ধরনের পোস্ট করার চেষ্টা করছি। কারণ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের পোস্ট করলে সবার দেখতেও ভীষণ ভালো লাগে। সে অনুসারে আজকে একটি কবিতা লিখতে বেশ ইচ্ছে করছিল। আমি প্রায় কয়েক সপ্তাহ ধরে একটি করে কবিতা লিখেছিলাম। ইতিমধ্যে কবিতাগুলো লিখতেও ভীষণ ভালো লাগছিল। আসলে কবিতা তো লেখা আমার কাছে ভীষণ কঠিন। কারণ আমি মনে করি কবিতা লেখাটা অনেক সময় এবং অনুভূতির প্রয়োজন। যেহেতু আজকে ইচ্ছে করছিল কবিতা লেখার, এইজন্য একটা কবিতা লেখার চেষ্টা করলাম। আজকের কবিতাটি মূলত শরৎকাল নিয়ে লেখা। আশা করি আমার আজকের কবিতাটি আপনাদের ভালো লাগবে।
আজকের কবিতাটি শরতের মিষ্টি মধুর মুহূর্ত গুলো নিয়ে লেখা। আমাদের দেশে বছরে ছয়টি ঋতির মধ্যে শরৎকাল হচ্ছে অন্যতম একটি ঋতু। এই ঋতুতে বিভিন্ন জায়গায় অসাধারণ কাশবন দেখা যায়। বিশেষ করে নদীর পাড়ে কাশবন দেখতে বেশি ভালো লাগে। শরৎকালে প্রায় বিভিন্ন ধরনের ফুল ফোঁটে। এই ফুলের মধ্যে শিউলি, কামিনী, জুঁই এগুলো অন্যতম। এই ফুলের সুগন্ধ যেন মাতিয়ে তোলে। শরতের সুন্দর সকাল আর শিশির ভেজা ঘাস সবকিছুই যেন মনমুগ্ধকর। ভোরের পাখিরা যখন ডাকে, সময়টা উপভোগ করতে ভালোই লাগে। তাছাড়া এই সময়টা ঘরে ঘরে আমন ধানের সুঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে। চাষারা বাউল গানের তালে তালে ধান চাষ, এমনকি ধান ঘরে তোলে। শরৎকালের এই সকল মিষ্টি মধুর কিছু স্মৃতি যেন অন্যতম। যেগুলো কিনা শরতের জানান দেয়। এসব কিছু নিয়ে আজকের কবিতাটি সাজানোর চেষ্টা করলাম। আশা করি কবিতাটি আপনাদের ভালই লাগবে।
শরতের অনুভূতি
শরৎকাল মুখরিত হয় কাশ বনের ছন্দে,
তোমার মুখের মিষ্টি হাসি, আর আমার আনন্দে।
শরতের সেই মিষ্টি মধুর ফুল,
ক্ষমা কর তুমি, যদি হয় আমার ভুল।
শরতের সেই মিষ্টি মধুর পাখির গুঞ্জন,
ভাবনায় মেতে থাকে তোমাতে সারাক্ষণ।
শরতের সেই শিশির কনা দুর্বা ঘাসে,
তুমি আর আমি একসাথে স্বর্গ সুখের ভাসি।
শরতের সেই আমন ধানের মিষ্টি গন্ধে,
সুখের সাগরে ভেসে বেড়াই কতইনা আনন্দে।
শরৎকাল মুখরিত হয়, শিউলি ফুলের গন্ধে,
সৌরভে মুখরিত আমি, কবিতা লিখি ছন্দে।
শরতের সেই বাউল গান চাষার মুখে মুখে,
মিষ্টি মধুর সুরে ভেসে বেড়ায় সুখে।
হিমের পরশে ফোটে কামিনি আর জুঁই,
মিষ্টি ঘ্রানে জুড়ায় প্রান আর আকাশ ছুঁই।
শরতের সেই সাদা কাশফুল উড়ছে আকাশে।
মনটা ছুটে যায় মিষ্টি মধুর বাতাসে।

পোস্ট বিবরণ
| শ্রেণী | কবিতা |
|---|---|
| ডিভাইস | Redmi note 9 |
| লেখক | @tasonya |
| লোকেশন | ফেনী |
আমার পরিচয়
আমার নাম তাসলিমা আক্তার সনিয়া। আমি বাংলাদেশী। বাংলা ভাষা আমাদের মাতৃভাষা বলে আমি অনেক গর্বিত। আমি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স ফাইনাল ইয়ারের একজন ছাত্রী। আমি ছবি আঁকতে ভালোবাসি। বিশেষ করে যে কোন ধরনের পেইন্টিং করতে পছন্দ করি। যখনই অবসর সময় পায় আমি ছবি আঁকতে বসে পড়ি। এছাড়াও আমি ভ্রমণ করতে পছন্দ করি। কিছুদিন পর পর বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করার চেষ্টা করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের কারুকাজ করতে পছন্দ করি। রান্না করতেও আমার খুব ভালো লাগে। আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে পছন্দ করি। আমি যখনই সময় পাই আমার পরিবারের সবাইকে বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করে খাওয়াই। আমি সব সময় নতুন নতুন কিছু করার চেষ্টা করি।
সুন্দর❤️
শরৎকাল-টা আসলেই মায়ায় জড়ানো।চারিদিকটা যেন ভিন্ন একটা আমেযে মজে থাকে সবসময়।
দোয়া করি,আপনার পরিবারের সবাই সুস্থ হয়ে উঠুক।
শুভ কামনা রইলো আপনাদের জন্য💞ভালো থাকবেন।
ঠিক বলেছেন, শরৎকাল টা আসলেই মায়া জড়ানো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি ঠিকই বলেছেন শরৎকালে প্রায় বিভিন্ন ধরনের ফুল ফোঁটে। এই ফুলের মধ্যে শিউলি, কামিনী, জুঁই এগুলো অন্যতম। এই ফুলের সুগন্ধ যেন মাতিয়ে তোলে। শরতকালের অনুভূতি কবিতাটি অসাধারণ ছিল। যা পড়ে খুবই ভালো লাগলো। শরৎকাল খুবই ভালো লাগে আমার কাছে। শরৎকালের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে আমাদের সকলের মাঝে। খুবই দারুণ একটি কবিতা লিখেছেন। অনেক দক্ষতা সহকারে।
শরতের অন্যতম ফুল গুলো সব থেকে বেশি ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
এই কবিতাটা সহ আপনার মোট পাঁচটা না ছয়টা কবিতা আমি পড়লাম। আপনার প্রত্যেকটা কবিতা অনেক অর্থবহুল এবং ভাষাগুলো অনেক মাধুর্যপূর্ণ।।
আসলে কবিতা লেখা একটু কঠিন কারণ ভাষা গুলো মিলাতে হয় পুরো গল্পটি মিলাতে হয় সবকিছু ঠিক রেখেই একটা কবিতা রচনা করতে হয়।।
অনেক সুন্দর হয়েছে আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল।।
আসলে ঠিক বলেছেন, কবিতা গুলো মেলাতে ভাষাটা মেলাতে বেশি কষ্ট হয়। আপনি আমার এতগুলো কবিতা পড়েছেন এটা সবথেকে বেশি ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
শরৎকাল আমার খুব প্রিয় একটি কাল। এই ঋতু আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। বাহিরে ঘুরতে,বেড়াতে বেশ সুন্দর লাগে, কাশবনের কথা আর কি বলব সেতো আমার বেশ পছন্দের। আপনি সেই শরৎকাল নিয়ে ছন্দে ছন্দে খুব সুন্দর একটা কবিতা আমাদের মাঝে উপহার দিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
শরতের কাশবন সত্যিই অনেক ভালো লাগে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
জানেন তো আপু লেখাটা যখন পড়ছিলাম তখন ভাবছিলাম প্রতিটা লাইনের মাঝে কি অদ্ভুত একটা মিষ্টি ভালোবাসা লুকিয়ে আছে। আর এই অনুভূতিটা শুধু কবি একা নয়, কোন পাঠক মন দিয়ে পড়লে সে নিজেও অনুভব করতে পারবে। আমার কাছে মনে হয় শুধু শরৎ নয়, শরৎ শীত বসন্ত প্রতিটা ঋতু আমাদের মনে এমন ছন্দের দাগ কেটে যায়। খুবই ভালো লেগেছে কবিতা টা আপু।
ভাবছি শীতকাল নিয়ে ও একটা কবিতা লিখব। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে পোষ্টের ভিন্নতা আনতে কবিতাটি লিখেছিলাম। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি খুব সুন্দর করে শরতের অনুভূতি কবিতাটি লিখেছেন। আপনার কবিতা লাইনগুলো অসম্ভব ভালো লাগলো আমার। বাংলাদেশের ছয় ঋতু তার মধ্যে শরতের ঋতুতে খুব সুন্দর কাশফুল দেখা যায়। আপনি সত্যি বলেছেন মাঝে মধ্যে একটু ভিন্নতা আনলে দেখতে ভালো লাগে। আমিও মাঝে মধ্যে কবিতা লিখে থাকি। ধন্যবাদ আপনাকে মাঝে খুব সুন্দর করে কবিতাটি শেয়ার করার জন্য।
শরৎ ঋতুর অনেক ভিন্ন অনুভূতি আছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি সবসময় ভিন্ন ধরনের পোস্ট করার চেষ্টা করেছেন জেনে ভালো লাগলো। আপনার স্বরচিত কবিতাটি পড়ে খুব ভালো লাগলো।আমি কবিতা পড়তে খুব ভালো বাসি।কিন্তু কবিতা লিখতে পারি না। আপনার শরতের অনুভূতি নামক কবিতা পড়ে খুব ভালো লাগলো।অনেক ধন্যবাদ আপু চমৎকার একটা কবিতা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
চেষ্টা করলে অবশ্যই লিখতে পারবেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
বেশ ভালো রেখেছেন কবিতাটি। আপনি আপনার কমে যেতে বাংলার শরৎকালের একটি সুন্দর ধূপ বৈচিত্র তুলে ধরেছেন।
মন্তব্য করেও উৎসাহিত করার জন্য ধন্যবাদ আপু। কিন্তু আপনার মন্তব্যে প্রায় অনেক ভুল রয়েছে। মন্তব্য করার সময় একটু পড়ে করলে ভালো হয়।
যদিও শরৎ চলে গিয়ে হেমন্তও ঘুমের দেশে পাড়ি দেবে দেবূ করছে, তবুও যেনো শরতের আমেজ আমাদের মন থেকে কিছুতেই যায় না। আপনার কবিতাটি আবার আমায় কয়েকমাসের পুরোনো স্মৃতি রোমন্থন করতে বাধ্য করল। আহা কত ভালোই না উৎসবে পার্বণে কাটিয়ে দিলাম। যদিও শীত আমার প্রিয় ঋতু। তাই বলে শরৎ অপ্রিয় একদমই নয় কিন্তু।
ঠিক বলেছেন শরৎ চলে গেলেও যেন আমাদের কাছ থেকে যেতে চাইছে না। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।