ফুড পয়জনিং (খাদ্যে বিষক্রিয়া)
স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের প্রথম এবং একমাত্র বাংলা কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর বাংলাভাষী সকল সদস্য আশা করি ভালো আছেন। আজকে এমন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যেটিতে আমরা সকলেই কমবেশি ভুগে থাকি।
দূষিত খাবার খেয়ে শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে যাওয়াকে ‘ফুড পয়জনিং’ বা খাদ্যে বিষক্রিয়া বলে। বেশিরভাগ ফুড পয়জনিং এর জন্য দায়ী কারণ হল ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও পরজীবীর সংক্রমণ। খাবার তৈরি, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সরবরাহ ও সংরক্ষণের বিভিন্ন ধাপে খাবার দূষিত হতে পারে। আবার কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক লাভের আশায় ইচ্ছাকৃতভাবে খাবারে ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে দেয়। এছাড়াও অপরিষ্কার হাতে খাবার খাওয়া ও ময়লা থালাবাসনে খাবার পরিবেশন করাও খাবার দূষণে বড় ভূমিকা পালন করে।
যদি কোনো খাবার খেয়ে পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা, বার বার বমি, জ্বর ইত্যাদি লক্ষণ শুরু হয় তাহলে বুঝতে হবে ‘ফুড পয়জনিং’ হয়েছে। গরম আবহাওয়ার অনেককেই এই রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। সময়মতো চিকিৎসা করা না হলে রোগীর শরীরে পানিশূন্যতা ও রক্তস্বল্পতা হতে পারে। এতে কিডনি অকেজো হওয়া, এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে।
ফুড পয়জনিংয়ে আক্রান্ত হলে ডাবের পানি, স্যালাইন, শরবত এবং তরল খাবার খাওয়া যেতে পারে। রোগীর অবস্থা বেশি খারাপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। ফুড পয়জনিং প্রতিরোধে সচেতনতাই সবচেয়ে বেশি জরুরি।
- খাবার গ্রহণের পূর্বে হাত ভালো করে সাবান দিয়ে ধুতে হবে
- খাবার রান্না এবং পরিবেশনের সরঞ্জাম পরিষ্কার রাখতে হবে
- রান্না করা এবং কাঁচা মাছ-মাংস আলাদা স্থানে রাখতে হবে
- পর্যাপ্ত তাপে যথাযথভাবে খাবার রান্না করতে হবে
- রাস্তাঘাটের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া যাবে না
- কাঁচা ফল, সবজি ভালো করে ধুয়ে খেতে হবে
- পানি ফুটিয়ে খেতে হবে
- খাবার সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে
- খাবার ঢেকে রাখতে হবে
- মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার অবশ্যই ফেলে দিতে হবে
- যতটা সম্ভব টাটকা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন
- বেশিদিন ফ্রিজে রাখা আছে এমন খাবার খাওয়াও উচিত নয়
- ফ্রিজে খাবার নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রাখতে হবে
- কাঁচা ফল, সবজি ভালো করে ধুয়ে খেতে হবে
- গরম আবহাওয়ায় অনেক্ষণ ধরে বাইরে রাখা খাবার নষ্ট হয়ে যেতে পারে, যা থেকে ফুড পয়জনিং হতে পারে।
ফুড পয়জনিং সম্পর্কে খুব ভাল তথ্য দিয়েছেন ধন্যবাদ।
স্বাস্থ্য বিষয়ক ভাল তথ্য দিয়েছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
মন্তব্য করার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।