চোরাবালি
স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের প্রথম এবং একমাত্র বাংলা কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর বাংলাভাষী সদস্য আশা করি ভালো আছেন। আজকের এই পোস্টে চোরাবালি সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
ঝড়, জলোচ্ছ্বাস কিংবা ভূমিকম্প ছাড়াও প্রকৃতিতে যেসব বিপদ রয়েছে তার মধ্যে একটি হচ্ছে চোরাবালি। এটি এমনই এক স্থান যার ফাঁদে একবার আটকে গেলে আস্তে আস্তে ডুবে যেতে হয় বালির ভেতর। সাধারণত নদী বা সমুদ্রতীরে এমন স্থান লুকানো অবস্থায় থাকে। সহজ ভাবে বলা যায়, বালি এবং প্রবহমান পানিই হলো চোরাবালি।
প্রাকৃতিকভাবে ভূগর্ভে থাকা পানির প্রবাহ ভূমিকম্প বা অন্য কোন কারণে বাঁধাগ্রস্ত হতে পারে। এই আটকে পরা পানি তার চারপাশের বালিকে সিক্ত করে। এভাবে সিক্ত হতে হতে এক পর্যায়ে বালির কণাগুলোর মধ্যে যে ঘর্ষণ শক্তি থাকে তা কমে যায় এবং এক পর্যায়ে বালির কণাগুলো পানির অণুর মত আচরণ করতে শুরু করে। এমন অবস্থায় এই ভেজা বালি কোন ভারি বস্তুর চাপ নিতে পারে না।
মানুষ, জীব-জন্তু বা অন্যকিছু এর উপরে এলে ঐ বালি ক্রমে সরে যেতে থাকে এবং বস্তুটি ধীরে ধীরে নিচের দিকে ডুবে যায়। সবার মনে রাখা উচিত, চোরাবালির ঘনত্ব পানির থেকে বেশি। অর্থাৎ মানুষ যদি পানিতে ভেসে থাকতে পারে, তাহলে চোরাবালিতেও ভেসে থাকা যাবে। তাই চোরাবালিতে আটকে গেলে অধৈর্য হয়ে হাত-পা ছোড়াছুড়ি না করে উদ্ধারকারী আসার আগ পর্যন্ত যথাসম্ভব স্থির হয়ে থাকার চেষ্টা করতে হবে।
চোরাবালির কথা শুনেছি এবং বিভিন্ন মুভিতে দেখেছি। এটার সম্পর্কে বেশ ভয় কাজ করে কারন এমন একটি কঠিন পরিস্থিতে উদ্ধারকারী ছাড়া বেচে থাকার কোন সুযোগ নেই।
বেচে থাকার কৌশল সহ। সম্পূর্ন টেকনিকালভাবে বলব ভাই তাইলে।
আমার পড়াশুনার টপিক এটি। 😃
যাই হোক ধন্যবাদ আপনাকে চোরাবালি সম্পর্কে বিস্তারিত বলার জন্য এবং আপনার পোস্টটা অনেক তথ্যবহুল ।