স্তম্ভেশ্বর মহাদেব মন্দির
স্টিমিট প্ল্যাটফর্মের প্রথম এবং একমাত্র বাংলা কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর বাংলাভাষী সদস্য আশা করি ভালো আছেন। আজকে এমন ভারতের গুজরাট প্রদেশ নির্মিত প্রাচীন একটি মন্দিরের কথা আলোচনা করবো যেটি জোয়ারের সময় সাগরে অদৃশ্য হয়ে যায়, আবার ভাটার সময় জেগে ওঠে।

স্তম্ভেশ্বর মহাদেব নামের মন্দিরটি প্রায় দেড়শো বছরের পুরনো ইতিহাস নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ভারতের গুজরাট প্রদেশের কবি-কাম্বই শহরে। শহরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া আরব সাগরের উপসাগর খাম্বাটের মাঝখানে প্রাচীন এই শিবমন্দিরটির অবস্থান। মন্দিরটির স্থাপত্যকর্ম খুবই সাধারণ এবং আহামরি কোন নকশাও নেই এর। কিন্তু অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে আকর্ষণহীন এই মন্দিরটিই ভারতের অন্যতম একটি ভ্রমণস্থান। শিব ভক্তদের জন্যও এটি আরাধ্য এক জায়গা। এখন প্রশ্ন জাগতে পারে, তাহলে কী এর বিশেষত্ব? কিসের টানে ভ্রমণপিপাসু ও ভক্তরা ছুটে আসে এই মন্দিরে?

মন্দিরটির অসাধারণ ব্যাপারটি হচ্ছে এটি জোয়ারের সময় পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় থাকে। আবার জোয়ার কমে আসার সাথে সাথে এটি উপরে ভেসে ওঠে। ভক্তদের মতে, ভগবান তাদের সাথে লুকোচুরি খেলেন। জোয়ারের সময় পানির নিচে লুকিয়ে পড়ে মন্দিরটি এবং ভাটার সময়ে আবারো আবির্ভূত হয়।

প্রায় দেড়শো বছর আগে মন্দিরটি তৈরির সময় এর নির্মাতারা চিন্তা করেছিলেন যে দিনের শুরুর দিকে এই মন্দির ধর্মীয় কার্যাদি সম্পন্ন করার মতো উপযুক্ত অবস্থায় থাকবে, আর বাকি সময়টা সমুদ্রের পানিতে ডুবন্ত অবস্থায় থাকবে। আবার কথিত আছে, স্বয়ং শিব এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই মন্দির পরিদর্শন করার জন্য প্রতিদিনই ভক্তকুল ও দর্শনার্থীদের ভিড় লেগে থাকে। গুজরাট ভ্রমণে যাওয়া পর্যটকরাও এই মন্দির পরিদর্শন করতে দেশ-বিদেশ থেকে এখানে ছুটে আসেন।
অসাধারণ তথ্য দিয়েছেন।
এই মন্দিরটির ব্যপারে আমার আগে জানা ছিল না।
নতুন অনেক তথ্য জানলাম ভাই, বেশ ভালো উপস্থাপনা ছিলো এটি। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
প্রথম ছবিটা দেখে মনে হচ্ছিল যে একদম সমুদ্রের মধ্যে মন্দির । যাইহোক ভাল তথ্য দিয়েছেন শুভকামনা রইল।