📸 এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি📸 ১০% প্রিয় লাজুক-খ্যাকের🦊 জন্য
হ্যালো বন্ধুরা,
আসসালামু আলাইকুম
"আমার বাংলা ব্লগের" সকল সদস্যরা আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় আলহামদুলিল্লাহ অনেক ভালো আছি। আপনাদের সবার ফটোগ্রাফি পোস্ট দেখলে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। আমিও মাঝে মাঝে চেষ্টা করি ফটোগ্রাফি পোস্ট শেয়ার করার জন্য। তারজন্য বাহিরে বের হলে কিছু না কিছু ফটোগ্রাফি করা হয়। কিন্তু বুঝেন তো ঢাকা শহরে ঘুরাঘুরি করতে গেলে কিছু ফটোগ্রাফি করা যায়। এছাড়া গ্রামের মতো তেমন কিছু পাওয়া যায়না বলে ফটোগ্রাফিও করা হয়না। আজ আপনাদের সাথে যে ফটোগ্রাফি শেয়ার করবো সেই গুলো সব গ্রাম থেকে তুলা।
আপনাদের সাথে গ্রামের নদীর পাড় ঘুরাঘুরির মুহূর্তের কথা শেয়ার করেছিলাম। তখন এই ফটোগ্রাফি তুলে রেখে ছিলাম। নদীর পাড় থেকে ঘুরে আসার সময় এই ফটোগ্রাফি করা হয়। কিন্তু পোস্ট করতে ভুলে গিয়েছিলাম আজ মোবাইলের গ্যালিরি দেখতে গিয়ে খুঁজে পেলাম। তখন চিন্তা করলাম আজ যেহেতু হাতে তেমন সময় নেই তাহলে এই পোস্ট করা যাক। আপনাদের বলতে ভুলে গিয়েছি আমাদের পাশের ফ্ল্যাটে আজ তিন দিন যাবৎ বিয়ে চলছে। তাই কয়েকদিন ধরে খুব ব্যস্ত সময় পার করছি। আজ বৌভাত হলো আর বিয়ের পর্বও শেষ হলো। এই ঝামেলার জন্য আর্ট করার সময় পাইনি। যেহেতু গ্যালারিতে এই ছবি খুঁজে পেলাম তাই শেয়ার করার জন্য চলে আসলাম। তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক সেই ফটোগ্রাফিগুলো।
📸 ছবি নাম্বার : ১ 📸
প্রথমে আমি আপনাদের সাথে পানের ক্ষেতের ফটোগ্রাফি নিয়ে এসেছি। আমাদের এদিকে "পানের বর" বলে। আমাদের নরসিংদী যেমন কলার জন্য বিখ্যাত তেমনি ইদানীং পানের চাষও বেড়ে গিয়েছে। আগে যখন নদীর পাড় যেতাম তখন সব দিকে কলা ক্ষেতে ভরা ছিল কিন্তু এখন সব জায়গায় "পানের বর" দেখা যায়। বাজারে এখন পানের চাহিদা অনেক বেড়ে গিয়েছে। আমার চাচাতো ভাইয়ের শ্বশুর পান বিক্রি করে সপ্তাহে ষাট থেকে সত্তর হাজার টাকা ইনকাম করে। তাদের বাড়ি আমাদের বাড়িতে অনেক দূরে। ঐ দিকে প্রায় মানুষ পানের ব্যবসা করে। আমরা ছোটবেলায় ঈদের দিন বান্ধবীরা মিলে দোকান থেকে মিষ্টি জর্দা দিয়ে পান খেতাম। ঐ দিন একসাথে অনেক গুলো পানের বর দেখে সাথে সাথে ফটোগ্রাফি করে নিলাম।
📸 ছবি নাম্বার: ২ 📸
এরপর চরে যাওয়া আসার রাস্তার ছবি তুলে নিলাম আর সাথে আমার একটা সেলফি তুলে নিলাম। এই রাস্তা দিয়ে চরে যাওয়া আসা করতে হয়। এই রাস্তায় অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তবে এটা দেখে ভালো লাগলো এখনও একটু হলেও মাটির রাস্তা দেখতে পেলাম। আমাদের এদিকে আবার সব রাস্তা পাকা করা।
📸 ছবি নাম্বার: ৩ 📸
এরপর একটু সামনে আসার পর দেখতে পেলাম বড় বড় বাঁশ গাছ। আমরা ছোটবেলায় দেখতাম বাঁশ গাছে পেঁচা বসে থাকতো। সবাই বলতো পেঁচার দিকে তাকালে পেঁচা চোখ তুলে নিয়ে যাবে। আমাদের বাড়ির সামনের রাস্তার পাশে এমন অনেক বাঁশ গাছ রয়েছে। রাতের বেলা সেখান দিয়ে আসলে অনেক ভয় করে। এখন অবশ্য রাস্তার পাশে লাইট জ্বালানো থাকে। বাঁশ আমাদের অনেক উপকারে আসে। মানুষ মারা গেলেও বাঁশের প্রয়োজন হয়।
📸 ছবি নাম্বার: ৪ 📸
এরপর দেখতে পেলাম বিশাল বড় মাঠ। মাঠের চারপাশে অনেক গাছপালায় বলে দেখতে খুবই সুন্দর লাগছিল। সন্ধ্যা প্রায় হয়ে যাওয়ার একটু আগে তুলার জন্য খুব সুন্দর লাগছিল। বিকাল হলে বাচ্চারা এখানে খেলাধুলা করে। তাছাড়া বড় কোনো মাফিল হলেও এই মাঠে করা হয়। এই জায়গায় কোনো ফসল হয়না বলে খালি পড়ে আছে। তারজন্য এখন এই জায়গা কে সবাই মাঠ বলেই চিনে।
📸 ছবি নাম্বার: ৫
এরপর আমি এমন একটি ফুল দেখতে পেলাম যা অনেক দিন পরে দেখতে পেয়ে অনেক ভালো লেগেছে। এই ফুলের নাম মধু ফুল। আমরা ছোটবেলায় এই ফুল থেকে মধু খেতাম। আপনারা এই ফুল চিনেন কিনা জানিনা। অনেক সময় দেখা যায় মৌমাছি এসে এই ফুল থেকে মধু নিয়ে যায়। আমরা সবাই ফুল দেখা মাত্র তুলে খেতে লাগলাম।
📸 ছবি নাম্বার: ৬
এরপর বিশাল বড় ধনিয়া ফুলের ক্ষেত দেখতে পেলাম আর দেরি না করে সাথে সাথে ফটোগ্রাফি করে নিলাম। আমরা সবাই সরিষা ফুল দেখেছি কিন্তু এভাবে একসাথে এত গুলো ধনিয়া ফুল দেখা হয়নি। আমার কাছে ধনিয়া ক্ষেত দেখে অনেক ভালো লেগেছিল তাই সাথে সাথে কিছু ফটোগ্রাফি করে নিলাম। সবুজের মাঝে সাদা ফুল দেখতে খুবই সুন্দর দেখাচ্ছিল।
যখন ফটোগ্রাফি গুলো দেখছি তখন ফটোগ্রাফি করার মুহূর্ত গুলো খুব মিস করছি। যে সময় চলে যায় তা আর কখনো ফিরে আসেনা। হয়তো এই সুন্দর মুহূর্ত আর কখনো ফিরে আসবে না। আজ এখানেই শেষ করছি। অন্য একদিন আবার দেখা হবে নুতন কোনো ফটোগ্রাফি নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন।
আমি তানজিমা। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ শেষ করেছি।
আমি ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে ফটোগ্রাফি, রেসিপি এবং ডাই বানাতে খুব পছন্দ করি। আবার আমি ভ্রমণ বা ঘুরাঘুরি করতে খুব পছন্দ করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। আমি চেষ্টা করি সব সময় যেন নতুন কোনো কিছু করা যায়।
গ্ৰাম বাংলা কিছু প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আপনি ফটোগ্রাফির মাধ্যমে খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন । দেখে খুব ভালো লাগলো। আপনার প্রত্যেকটি ফটোগ্রাফি বেশ চমৎকার ছিলো। ফটোগ্রাফিক করতে আমার খুব ভালো লাগে। পান পাতার বাগান দেখে খুব ভালো লাগলো। আমাদের এদিকে পানের পাতার বাগান দেখা যায় না। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো খুবই সুন্দর ছিলো। এত সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।
আমাদের বাড়ির কাছে মোটামুটি ভালোই পান ক্ষেত আছে তবে আমাদের গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে গেলে আরও বেশি দেখতে পাওয়া যায়। আমাদের গ্রামে বেড়াতে আসেন তাহলে দেখতে পারবেন।
আপনি তো নদীর পাড়ে ঘুরতে গিয়ে খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি নিয়েছিলেন দেখতে অনেক সুন্দর হয়েছে। বিশেষ করে পান চাষের ক্ষেত গুলো দেখতে অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে। এছাড়াও ধনেপাতার ফুল গুলো অনেক সুন্দর দেখাচ্ছে দূর থেকে একদম সাদা সাদা ফুলগুলো। তাছাড়া আপনার একটি ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে ভীষণ ভালো লেগেছে আপু অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু ধনিয়া পাতার ফুল আমার কাছেও অনেক ভালো লেগেছে। যখন এত বড় ক্ষেত দেখতে পেলাম তখন সবাই ছবি তুলার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছিল। সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
এলোমেলো কিছু ফটোগ্রাফি দেখে খুবি ভালো লেগেছে। এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি দেখে আমার খুবি ভালো লেগেছে। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার ফটোগ্রাফি গুলো খুবই সুন্দর হয়েছে। সব থেকে আমার বেশি পান এর গাছ ভালো লেগেছে। আমাদের এলাকায় পান গাছ নেই। নানুর বাসার ওখানে পান গাছ আছে। ছোট বেলায় আগে যেতাম পান গাছ দেখতে। শুভ কামনা রইল আপনার জন্য।
আমাদের এদিকে আগে কম ছিল কিন্তু এখন অভাব নেই। আমাদের গ্রামে বেড়াতে আসেন তাহলে দেখতে পারবেন। ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
আপনি অনেক সুন্দর কয়েকটি ফটোগ্রাফি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। এক এক সময় এক ফটোগ্রাফি দেখতে ভালোই লাগে। আপনার তোলা সবগুলো ফটোগ্রাফিই অনেক সুন্দর হয়েছে। কিন্তু এ সময় তোলা ধনে পাতার ফুলের ফটোগ্রাফিটা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।ধন্যবাদ আপু।
ভাইয়া আমার কাছেও ধনিয়া ফুল দেখতে অনেক ভালো লেগেছে। আপনার কাছেও ভালো লেগেছে তাই ভালো লাগলো।ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
আপু আপনার ফটোগ্রাফির মাধ্যমে অনেক প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখলাম। সেই সাথে এই প্রথম পান খেতের ফটোগ্রাফিও দেখলাম। নরসিংদী যে পান চাষ করা হয় সেটা আগে জানা ছিল না। ধন্যবাদ আপু।
আমাদের এদিকে সবসময়ই পান চাষ করা হতো। আপনি প্রথমবার দেখেছেন জেনে ভালো লাগলো।আপনার সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
আপু আপনি নদীর পাড়ে ঘুরতে গিয়ে খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন,খুব ভাল লাগলো। পানের ক্ষেত খুব সুন্দর লাগছে আর ধনিয়া পাতার ফুলগুলো ও দারুন দেখতে লাগল।বড় বড় বাঁশ গাছও সুন্দর লােগেছে।ধন্যবাদ আপু সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য।
আপনার সুন্দর মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ। ধনিয়া ফুলগুলো দেখতে সত্যি খুব সুন্দর লেগেছিল।