শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার কিছু মুহূর্ত || ১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য
আসসালামু আলাইকুম
আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছি। আজ আবারো চলে আসলাম নতুন আরেকটি পোস্ট নিয়ে। আজ আমি কোন ডাই, রেসিপি কিংবা পেইন্টিং শেয়ার করবো না। আজ আমি কিছু সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করবো। অনেক দিন হয়ে গেল শ্বশুর বাড়ি আসা হয়না। আমি শ্বশুরবাড়ি বাড়ি আসবো বলে কাল বিকাল বেলা আমার মায়ের বাসায় চলে গিয়েছিলাম। রাতের বেলা মায়ের বাসায় থেকে সকাল ৬টা বাজে আমরা বাসা থেকে বের হই।
আমার কাছে আজ যেমন ভালো লাগছে তেমনি অনেক কষ্টও হচ্ছে। সকাল বেলা যখন চলে আসি তখন মায়ের কান্না ভরা চোখ দেখে নিজেই কেঁদে দিলাম। আমার বাবা নেই তাই মায়ের কষ্ট ভরা চোখ দেখলে কেন জানি নিজেকে ঠিক রাখতে পারিনা। এই কথাগুলো যখন শেয়ার করছি তখন নিজের অজান্তেই চোখে জল চলে আসলো। আমার এই ছোট্ট ছেলেটাও সেই কষ্ট বুঝতে পেরেছিল তারজন্য আসার সময় সে তার নানুর গালে অনেক গুলো চুমা দিল এবং যতখন দেখা গিয়েছে ততক্ষণ তাকিয়ে ছিল।
Location
এরপর আমরা সিএনজি ভাড়া করে কাউন্টারে চলে আসলাম। এসে দেখি গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে তারপর সাথে সাথে টিকেট কেটে উঠে পড়লাম। আমার বাবার বাড়ি নরসিংদী আর শ্বশুরবাড়ি বাগেরহাট। তাহলে বুঝতেই পারছেন এক দেশ থেকে আরেক দেশ। মাওয়া ফেরিঘাটে আসার পথে রাস্তা ও তার চারপাশের পরিবেশ দেখতে এতটাই সুন্দর লাগে যা বুঝাতে পারবো না। এমন মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দেখলে সত্যি মন ভালো হয়ে যায়।
Location
এখনো পদ্মা সেতু চালু হয়নি তারজন্য লঞ্চ পারাপার করতে হয়। আমার কাছে লঞ্চ পারাপার ভালো লাগে আবার ভয়ও লাগে। কিছু দিন পর পর আমরা লঞ্চ ডুবে যাওয়ার খবর শুনতে পাই। আজ লঞ্চ পারাপারের সময় অনেক ভালো লেগে ছিল। প্রচুর বাতাস ছিল আর আমার ছেলের কাছে অনেক ভালো লেগেছে। যখন আমরা পদ্মা সেতুর কাছে আসি তখন সেই স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখে খুব ভালো লেগেছে।
Location
লঞ্চের ভিতরে বসে থাকা অবস্থায় আমার ছেলের সাথে দুটো সেলফি। আপনারা এই সেলফির মধ্যেই দেখতে পাচ্ছেন আমার ছেলে কতটা আনন্দে আছে। যখন তাকে বাহিরে নিয়ে যাই সে পানি আর লঞ্চ দেখে খুব খুশি হয়। লঞ্চ দিয়ে পদ্ম নদী পার হতে প্রায় দেড় ঘন্টার মতো সময় লাগে। পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল করার স্বপ্ন আর কিছু দিন পর পূরণ হবে। তখন দক্ষিণ বঙ্গের সবকিছু একদম উন্নত হয়ে যাবে। এরপর এই পার এসে আবার গাড়িতে উঠলাম। তারপর টানা চার ঘন্টা জার্নির পর বাড়িতে এসে পৌঁছালাম।
Location
বাড়িতে এসে কোনো লাভ হলোনা আমার শ্বাশুড়ি আবার বাড়িতে নেই। আমার ননদের বাবু হয়েছে বলে সেখানে চলে গিয়েছে। যাই হোক আমার শ্বশুর বাড়িতে আসার মুহূর্তের গল্প এখানেই শেষ করছি।আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন।
আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক ভালো আছি। আজ আবারো চলে আসলাম নতুন আরেকটি পোস্ট নিয়ে। আজ আমি কোন ডাই, রেসিপি কিংবা পেইন্টিং শেয়ার করবো না। আজ আমি কিছু সুন্দর মুহূর্ত শেয়ার করবো। অনেক দিন হয়ে গেল শ্বশুর বাড়ি আসা হয়না। আমি শ্বশুরবাড়ি বাড়ি আসবো বলে কাল বিকাল বেলা আমার মায়ের বাসায় চলে গিয়েছিলাম। রাতের বেলা মায়ের বাসায় থেকে সকাল ৬টা বাজে আমরা বাসা থেকে বের হই।
আমার কাছে আজ যেমন ভালো লাগছে তেমনি অনেক কষ্টও হচ্ছে। সকাল বেলা যখন চলে আসি তখন মায়ের কান্না ভরা চোখ দেখে নিজেই কেঁদে দিলাম। আমার বাবা নেই তাই মায়ের কষ্ট ভরা চোখ দেখলে কেন জানি নিজেকে ঠিক রাখতে পারিনা। এই কথাগুলো যখন শেয়ার করছি তখন নিজের অজান্তেই চোখে জল চলে আসলো। আমার এই ছোট্ট ছেলেটাও সেই কষ্ট বুঝতে পেরেছিল তারজন্য আসার সময় সে তার নানুর গালে অনেক গুলো চুমা দিল এবং যতখন দেখা গিয়েছে ততক্ষণ তাকিয়ে ছিল।
এরপর আমরা সিএনজি ভাড়া করে কাউন্টারে চলে আসলাম। এসে দেখি গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে তারপর সাথে সাথে টিকেট কেটে উঠে পড়লাম। আমার বাবার বাড়ি নরসিংদী আর শ্বশুরবাড়ি বাগেরহাট। তাহলে বুঝতেই পারছেন এক দেশ থেকে আরেক দেশ। মাওয়া ফেরিঘাটে আসার পথে রাস্তা ও তার চারপাশের পরিবেশ দেখতে এতটাই সুন্দর লাগে যা বুঝাতে পারবো না। এমন মনোমুগ্ধকর পরিবেশ দেখলে সত্যি মন ভালো হয়ে যায়।
এখনো পদ্মা সেতু চালু হয়নি তারজন্য লঞ্চ পারাপার করতে হয়। আমার কাছে লঞ্চ পারাপার ভালো লাগে আবার ভয়ও লাগে। কিছু দিন পর পর আমরা লঞ্চ ডুবে যাওয়ার খবর শুনতে পাই। আজ লঞ্চ পারাপারের সময় অনেক ভালো লেগে ছিল। প্রচুর বাতাস ছিল আর আমার ছেলের কাছে অনেক ভালো লেগেছে। যখন আমরা পদ্মা সেতুর কাছে আসি তখন সেই স্বপ্নের পদ্মা সেতু দেখে খুব ভালো লেগেছে।
লঞ্চের ভিতরে বসে থাকা অবস্থায় আমার ছেলের সাথে দুটো সেলফি। আপনারা এই সেলফির মধ্যেই দেখতে পাচ্ছেন আমার ছেলে কতটা আনন্দে আছে। যখন তাকে বাহিরে নিয়ে যাই সে পানি আর লঞ্চ দেখে খুব খুশি হয়। লঞ্চ দিয়ে পদ্ম নদী পার হতে প্রায় দেড় ঘন্টার মতো সময় লাগে। পদ্মা সেতু দিয়ে চলাচল করার স্বপ্ন আর কিছু দিন পর পূরণ হবে। তখন দক্ষিণ বঙ্গের সবকিছু একদম উন্নত হয়ে যাবে। এরপর এই পার এসে আবার গাড়িতে উঠলাম। তারপর টানা চার ঘন্টা জার্নির পর বাড়িতে এসে পৌঁছালাম।
বাড়িতে এসে কোনো লাভ হলোনা আমার শ্বাশুড়ি আবার বাড়িতে নেই। আমার ননদের বাবু হয়েছে বলে সেখানে চলে গিয়েছে। যাই হোক আমার শ্বশুর বাড়িতে আসার মুহূর্তের গল্প এখানেই শেষ করছি।আজ এ পর্যন্তই। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন।
আমি তানজিমা। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ শেষ করেছি।
আমি ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে ফটোগ্রাফি, রেসিপি এবং ডাই বানাতে খুব পছন্দ করি। আবার আমি ভ্রমণ বা ঘুরাঘুরি করতে খুব পছন্দ করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। আমি চেষ্টা করি সব সময় যেন নতুন কোনো কিছু করা যায়।
আসলে আপু মেয়েরা এরকমি মায়ের কাছে আসলে অনেকদিন থাকলে মায়েরা যেমন কষ্ট পায় আর মেয়েরা অনেক কষ্ট পায়। আপনি অনেকদিন পর শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছেন শুনে খুব ভালো লাগলো। আয়ন বাবুকে কিন্তু বেশ ভালো লাগছে মাশাআল্লাহ দাঁড়িয়ে আছে। অনেক অনেক দোয়া রইল খুবই ভালভাবে আপনার শ্বশুর বাড়ি গিয়ে নিশ্চয় পৌঁছাতে পেরেছেন।
আলহামদুলিল্লাহ ভাইয়া খুব ভালোভাবে শ্বশুর বাড়ি এসে পৌঁছেছি। আপনার সুন্দর মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপু।
Twitter Share
https://twitter.com/tanjima_akter16/status/1536556323495550976?s=20&t=D1_rtopGzthjAJsY6a4NfQ
এক দেশ থেকে আরেক দেশে যাওয়া মা-বাবাকে ছেড়ে শ্বশুরালয়ে যাওয়া আসলে বিষয়টা খুবই কষ্ট এবং বেদনাদায়ক। নিজের আপন মানুষকে ছেড়ে যেতে অনেক দূরে। তবে আপনার জারনিং ছিল অসাধারণ, ফটোগ্রাফি গুলো বেশ দারুন ছিল এবং অনুভূতি গুলো খুব সুন্দর করে লিখেছেন। আপনার আম্মার জন্য অজান্তে আপনার চোখের পানি পড়েছে জেনে খুবই খারাপ লাগছে। সত্যি মা বাবার জন্য হৃদয়টা এমনিতেই কাঁদে। আপনার বাবুটা কে দেখতে হেব্বি কিউট লাগছে, শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।
ভাইয়া আমার সম্পূর্ণ পোস্ট পড়ে সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আপনার শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার মুহূর্ত গুলো খুব সুন্দর ভাবে আমাদের কাছে তুলে ধরেছেন। আপনার শশুর বাড়ির পাশে পদ্মা সেতু ও লঞ্চের ছবি ভালো লাগলো। আশা করি কিছুদিনের মধ্যেই আপনি পদ্মা সেতু দিয়ে পারাপার হতে পারবেন। তখন আর এই ভয় নিয়ে আর লঞ্চ দিয়ে নদী পার হতে হবে না। ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার যাওয়ার দৃশ্য তুলে ধরার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া আবার ঢাকা যাওয়ার সময় পদ্মা সেতু দিয়ে যেতে পারবো।আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার কিছু মুহূর্ত কথা এবং যাওয়ার পথের কিছু ছবির সাথে গল্প কথা আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন তা আমার কাছে ভালো লেগেছে। পদ্ম সেতু বাংলাদের দক্ষিন বঙ্গের একটি স্বপ্নের সেতু শুধু তাই না সারা বাংলার স্বপ্নের সেতু পদ্মা। এখন হয়ত পদ্মায় অনেক পানি যা দেখে আমার কিছুটা ভয় করছিল এবং কি ঠিক ততখানি ভালো লাগছিল কারন আপনার মাধ্যমে দেখতে পেলাম এর পানির ঢেউ।আর আপনি অনেক সুন্দর করে পদ্মা সেতুর ছবি ক্যাপচার করেছেন , সব মিলে ব্লগটা ভালো ছিল।শুভকামনা
ভাইয়া পানি দেখে প্রথম প্রথম আমার কাছেও ভয় লেগেছিল।কিন্তু এখন আর হয়না।আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আসলেই বাবার বাড়ি থেকে আসার সময় মায়ের মুখের দিকে তাকালে বুকটা ফেটে যায়। তাদের মুখ দেখলেই বোঝা যায় যে কতটা কষ্ট তারা বিদায় জানাচ্ছে।
লঞ্চে উঠতে আমারও খুবই ভয় লাগে। সাতার পারি না যে । এজন্য তো যখনই যাই ফেরি পারাপারে যাই । পদ্মা সেতুর ছবিগুলো দেখে ভালই লাগল। অপেক্ষায় রয়েছি উদ্বোধনের। তারপরে ইনশাআল্লাহ বাবার বাড়ি যাব। আশা করি ভাল মত বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন।
দোয়া রইল আপু পদ্মা সেতু উদ্বোধন হলে আপনি যেন খুব ভালো ভাবে আপনার বাবার বাড়ি যেতে পারেন। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
আপনার শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার কিছু মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন তবে পদ্মা সেতুর ছবিগুলো অনেক ভালো লেগেছে যদিও এখন পর্যন্ত পদ্মা সেতু দেখতে যাওয়া হয়নি তবে আপনার এই ফটোগ্রাফি থেকে পদ্মা সেতুর নিচের অংশটি খুব কাছ থেকে দেখতে পেলাম। কিছুদিন পরতো তাহলে পদ্মা সেতু হয়েই পারাপার হতে পারবেন।
হ্যাঁ ভাইয়া ঢাকায় যাওয়ার সময়ই পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে যেতে পারবো সেজন্য খুব ভালো লাগছে। আপনার মতামত প্রকাশ করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
দেখছি আপনার বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়ি অনেকটা দূরে পথ। তাছাড়া এরকমভাবে লঞ্চ পেরিতে করে চলাফেরা করতে নিশ্চয়ই ভালো লাগে। তাছাড়া আপনার মা কান্না করছিল বিষয়টা খুবই কষ্টকর। আসলেই আমরা এইরকম দূরে কোথাও গেলে মায়েদের ভীষণ কষ্ট হয়। কিন্তু একটু কষ্ট করে গেলেও আপনার অনেকদিন পর যাওয়াতে আনন্দ হচ্ছে দেখে ভালো লাগলো। মুহূর্তটা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ আপু এভাবে লঞ্চ পারাপার করতে খুব ভালো লাগে। আপনার সুন্দর মতামত প্রকাশ করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসলে বাবার বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়িতে যাওয়ার সময়ে অন্য রকম কষ্ট অনুভব করা হয়। যে কাউকে বুঝানো সম্ভব হয়না। আর বিশেষ করে যাদের শ্বশুরবাড়ি একটু দূরে তাদের জন্য এক কষ্টটা আরো বেশি। আপনার থেকে অনেক বেশি দূরে লঞ্চ-বাস সবকিছু পার হয়ে যেতে হয়। যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন।
ঠিক বলেছেন আপু শ্বশুর বাড়ি একটু দূরে থাকলে সত্যি অনেক কষ্ট হয়। আপনার মন্তব্য পড়ে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
আপু আপনি সুন্দর একটি মূহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।আর প্রতিটি ফটোগুলো অনেক সুন্দর হয়েছে।লন্স ভ্রমণ করেছেন এটা দেখে খুবই ভালো লাগছে। আমি কখনো লন্স উঠিনী। ওঠার ইচ্ছা আছে একদিন। মনে হয় বাড়িতে ভালো ভাবে চলে গেছেন।আপনার পরিবারের জন্য শুভকামনা রইলো।
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য। আমরা ইতিমধ্যে বাড়িতে আসছি ভালো ভাবে। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।