লাইফ স্টাইল :- বিড়ালের শীতের সকাল ও রোদ পোহানোর সুন্দর দৃশ্য দেখার অনুভূতি🐈
আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানাই সালাম," আসসালামু আলাইকুম"। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে সবাই অনেক ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি ভিন্ন ধরনের পোস্ট শেয়ার করতে চলে এসেছি। সবসময় ভিন্ন পোস্ট করতে খুবই ভালো লাগে। তারজন্য চেষ্টা করি ভিন্ন কিছু নিয়ে আসতে। এতক্ষণে আমার টাইটেল দেখে বুঝতে পেরেছেন কি পোস্ট করতে চলে এসেছি। হ্যাঁ আজ বিড়ালের শীতের সকাল ও রোদ পোহানোর সুন্দর দৃশ্য দেখার অনুভূতি শেয়ার করতে চলে এসেছি।
আজকে যে বিড়ালগুলোর কথা বলবো সেগুলো আমার দেবর পোষে। পোষে বললে ভুল হবে বাড়িতে থাকে তাই খাবার দেওয়া হয় বলে আশেপাশে ঘুরঘুর করে। তবে এই বিড়ালগুলো একটু হিংস্র প্রকৃতির। কেন বলছি জানেন ভাত খেতে বসলে যদি হাতে মাছ দেখে তাহলে কামড় দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য লাফ দিয়ে গায়ের উপর পড়ে। এছাড়া ঘরে এসে সব খাবার খেয়ে ফেলে। এত বিরক্ত করে তারপরেও এগুলোকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় না। বড় একটি বিড়াল আর তার দুটো কিউট বাচ্চা রয়েছে। কিন্তু আমার মায়ের বিড়াল এগুলো থেকে একদম আলাদা। আমার ছেলে তার নানুর বিড়ালের লেজ ধরে টানাটানি করে তারপরও কিছু করে না। এমন কি ঘরের কোনো খাবারে মুখ দেয় না।
আমার মা ভাইয়া বিড়ালের খুব যত্ন করে। এমনকি এই শীতে কম্বলের ভিতরে নিয়ে শুয়ে থাকে। আমার মা বলে একটি ঘরে বিড়াল থাকা খুব ভালো। এতে করে ঘরে যেমন ইঁদুর, তেলাপোকা থাকে না তেমনি দুষ্ট জিনেরাও আসতে পারে না। আমার দেবর বিড়ালদের গায়ে কাউকে হাত দিতে দেয়া না। যেহেতু এই বিড়ালগুলো খাবার খেয়ে ফেলে আর খামছি দেয় তাই সবাই বলেছিল ফেলে দিতে কিন্তু সে না করে বলে আর কিছু বলে না। এমনকি এত বিরক্তের পরেও কেউ আঘাত করে না। আমার ছেলে তো খাবারের সময় অর্ধেক খাবার বিড়ালকে খাওয়াবে আর বাকি অর্ধেক সে খাবে।
Location
আমি সকাল বেলা বাহিরে বের হলে দেখতে পেলাম বিড়াল শীতে এক জায়গায় চুপ করে বসে রয়েছে। এরপর যখন ডাক দিলাম তখন খুব সুন্দর ভাবে তাকিয়ে ছিল এমনকি ছবি উঠানোর সময় দৌড়ে পালায়নি বরং সে খুব সুন্দর ভাবে ভাব নিয়ে বসে রয়েছে। মনে হচ্ছিল যেন সে বুঝতে পেরেছে তার ছবি উঠাচ্ছি। বিড়ালের বাচ্চা এত সুন্দর ভাবে লেজ গুটিয়ে বসে ছিল দেখে খুব ভালো লেগেছিল। তাদের দেখে মনে হচ্ছে যেন শীতে শরীর ফুলে উঠেছে। এদের কাপড় দিতে গেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। সেজন্য আর দেওয়া হয় না।
Location
বিড়ালের বাচ্চা দুটো খুব দুষ্ট তারা একজায়গায় কখনো বসে থাকতে চায় না। যখন রোদ উঠবে উঠবে ভাব তখন যেন তাদের শীত শেষ হয়ে গেলো। এই সময় দুটি বাচ্চা মাটি দিয়ে খেলা শুরু করলো। তাদের এই খেলা দেখে খুব ভালো লেগেছে। মানুষের মতো তাদেরও তো একটা সুন্দর জীবন রয়েছে। তারাও সেই জীবনে হাসি আনন্দ নিয়ে বেঁচে থাকে। আমাদের মতো তারাও খুব সুন্দর ভাবে শীত অনুভব করে আর রোদ উঠলে দল বেঁধে বসে থাকে।
Location
এরপর যখন রোদ উঠেছে তখন আমরা সবাই রোদে গিয়ে বসলাম। মা বিড়ালকে দেখলাম খুব সুন্দর ভাবে তার বাচ্চাকে নিয়ে রোদে বসে আছে। এত সুন্দর দৃশ্য দেখে ক্যামেরা বন্দি করে নিলাম। আমি একটি মুরা বাড়িয়ে দিলাম আর বাচ্চা বিড়াল তার উপর এসে বসে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। তাই সাথে সাথে সেই দৃশ্যও ক্যামেরা বন্দি করে নিলাম। তাদের ফটোগ্রাফি করতে গেলে কি বুঝে জানি না তারা খুব সুন্দর ভাবে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকে।
আশা করি আমার আজকের লাইফ স্টাইল পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগবে। যাই হোক আমার পোস্টে যদি ভুল ত্রুটি হয় তাহলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আজ এই পর্যন্তই, সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন এই প্রত্যাশা নিয়েই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।
আমার বাংলা ব্লগের সকল সদস্যগনকে আমার পক্ষ থেকে জানাই সালাম," আসসালামু আলাইকুম"। সবাই কেমন আছেন ? আশা করি, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে সবাই অনেক ভালো আছেন। আমিও আপনাদের দোয়ায় এবং মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে ভালো আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি ভিন্ন ধরনের পোস্ট শেয়ার করতে চলে এসেছি। সবসময় ভিন্ন পোস্ট করতে খুবই ভালো লাগে। তারজন্য চেষ্টা করি ভিন্ন কিছু নিয়ে আসতে। এতক্ষণে আমার টাইটেল দেখে বুঝতে পেরেছেন কি পোস্ট করতে চলে এসেছি। হ্যাঁ আজ বিড়ালের শীতের সকাল ও রোদ পোহানোর সুন্দর দৃশ্য দেখার অনুভূতি শেয়ার করতে চলে এসেছি।
আজকে যে বিড়ালগুলোর কথা বলবো সেগুলো আমার দেবর পোষে। পোষে বললে ভুল হবে বাড়িতে থাকে তাই খাবার দেওয়া হয় বলে আশেপাশে ঘুরঘুর করে। তবে এই বিড়ালগুলো একটু হিংস্র প্রকৃতির। কেন বলছি জানেন ভাত খেতে বসলে যদি হাতে মাছ দেখে তাহলে কামড় দিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য লাফ দিয়ে গায়ের উপর পড়ে। এছাড়া ঘরে এসে সব খাবার খেয়ে ফেলে। এত বিরক্ত করে তারপরেও এগুলোকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় না। বড় একটি বিড়াল আর তার দুটো কিউট বাচ্চা রয়েছে। কিন্তু আমার মায়ের বিড়াল এগুলো থেকে একদম আলাদা। আমার ছেলে তার নানুর বিড়ালের লেজ ধরে টানাটানি করে তারপরও কিছু করে না। এমন কি ঘরের কোনো খাবারে মুখ দেয় না।
আমার মা ভাইয়া বিড়ালের খুব যত্ন করে। এমনকি এই শীতে কম্বলের ভিতরে নিয়ে শুয়ে থাকে। আমার মা বলে একটি ঘরে বিড়াল থাকা খুব ভালো। এতে করে ঘরে যেমন ইঁদুর, তেলাপোকা থাকে না তেমনি দুষ্ট জিনেরাও আসতে পারে না। আমার দেবর বিড়ালদের গায়ে কাউকে হাত দিতে দেয়া না। যেহেতু এই বিড়ালগুলো খাবার খেয়ে ফেলে আর খামছি দেয় তাই সবাই বলেছিল ফেলে দিতে কিন্তু সে না করে বলে আর কিছু বলে না। এমনকি এত বিরক্তের পরেও কেউ আঘাত করে না। আমার ছেলে তো খাবারের সময় অর্ধেক খাবার বিড়ালকে খাওয়াবে আর বাকি অর্ধেক সে খাবে।
আমি সকাল বেলা বাহিরে বের হলে দেখতে পেলাম বিড়াল শীতে এক জায়গায় চুপ করে বসে রয়েছে। এরপর যখন ডাক দিলাম তখন খুব সুন্দর ভাবে তাকিয়ে ছিল এমনকি ছবি উঠানোর সময় দৌড়ে পালায়নি বরং সে খুব সুন্দর ভাবে ভাব নিয়ে বসে রয়েছে। মনে হচ্ছিল যেন সে বুঝতে পেরেছে তার ছবি উঠাচ্ছি। বিড়ালের বাচ্চা এত সুন্দর ভাবে লেজ গুটিয়ে বসে ছিল দেখে খুব ভালো লেগেছিল। তাদের দেখে মনে হচ্ছে যেন শীতে শরীর ফুলে উঠেছে। এদের কাপড় দিতে গেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। সেজন্য আর দেওয়া হয় না।
বিড়ালের বাচ্চা দুটো খুব দুষ্ট তারা একজায়গায় কখনো বসে থাকতে চায় না। যখন রোদ উঠবে উঠবে ভাব তখন যেন তাদের শীত শেষ হয়ে গেলো। এই সময় দুটি বাচ্চা মাটি দিয়ে খেলা শুরু করলো। তাদের এই খেলা দেখে খুব ভালো লেগেছে। মানুষের মতো তাদেরও তো একটা সুন্দর জীবন রয়েছে। তারাও সেই জীবনে হাসি আনন্দ নিয়ে বেঁচে থাকে। আমাদের মতো তারাও খুব সুন্দর ভাবে শীত অনুভব করে আর রোদ উঠলে দল বেঁধে বসে থাকে।
এরপর যখন রোদ উঠেছে তখন আমরা সবাই রোদে গিয়ে বসলাম। মা বিড়ালকে দেখলাম খুব সুন্দর ভাবে তার বাচ্চাকে নিয়ে রোদে বসে আছে। এত সুন্দর দৃশ্য দেখে ক্যামেরা বন্দি করে নিলাম। আমি একটি মুরা বাড়িয়ে দিলাম আর বাচ্চা বিড়াল তার উপর এসে বসে আমার দিকে তাকিয়ে ছিল। তাই সাথে সাথে সেই দৃশ্যও ক্যামেরা বন্দি করে নিলাম। তাদের ফটোগ্রাফি করতে গেলে কি বুঝে জানি না তারা খুব সুন্দর ভাবে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকে।
আশা করি আমার আজকের লাইফ স্টাইল পোস্ট পড়ে অনেক ভালো লাগবে। যাই হোক আমার পোস্টে যদি ভুল ত্রুটি হয় তাহলে অবশ্যই ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আজ এই পর্যন্তই, সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন এই প্রত্যাশা নিয়েই শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।
আমি তানজিমা। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ শেষ করেছি।
আমি ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে ফটোগ্রাফি, রেসিপি এবং ডাই বানাতে খুব পছন্দ করি। আবার আমি ভ্রমণ বা ঘুরাঘুরি করতে খুব পছন্দ করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। আমি চেষ্টা করি সব সময় যেন নতুন কোনো কিছু করা যায়।
আপনার মায়ের বাড়ির বিড়াল গুলো দেখছি খুবই ভদ্র। যদিও আপনার দেবরের বিড়ালগুলো অনেকটাই অভদ্র। আসলে কেউ ভালো কেউ খারাপ এটা হবেই। তবে বিড়াল গুলোর ফটোগ্রাফি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। বিশেষ করে আপনি ছবি তোলার সময় একদম ডিস্টার্ব করিনি দেখছি। সব মিলিয়ে আপনার কথাগুলো পড়ে ভীষণ ভালো লাগলো।
আপু ছবি তুলার সময় তারা যেন বুঝতে পেরেছিল তারজন্য একদম ভদ্রভাবে বসে ছিল। ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
আসলে আপু পোষা বিড়াল তো এমনি হওয়া উচিত। তবে আপনার দেবরের বিড়াল গুলো অভদ্র বিড়াল বাড়িতে না থাকা অনেক ভালো। আর আপনার মায়ের বিড়ালের মতো বিড়াল হওয়া দরকার। আসলে আপু বাচ্চারা এমনি তাদের খাবার অন্য সবাইকে দিয়ে খাওয়াতে পারলে বাঁচে। ধন্যবাদ আপু।
ঠিক বলেছেন আপু তারা নিজের খাবার অন্যদের খাওয়াতে পারলেই যেন বেঁচে যায়। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমাদের বাড়িতেও আপু তিনটা বিড়াল রয়েছে। তিনটাই দেখি সারাদিন খেলা করে। বিড়াল থাকা ভালো কারণ দুষ্টু জিনেরা আসতে পারে না। শীতের রাতে দেখি বিছানায় উঠে শুয়ে থাকে। আপনার দেবরের বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা দেখে ভালোই লাগলো
হ্যাঁ ভাইয়া বাড়িতে বিড়াল থাকা ভালো এতে করে দুষ্ট জিনেরাও আক্রমণ করতে পারে না। আপনাদের বাড়িতেও বিড়াল আছে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
বাহ্ দেখছি কি সুন্দর ভাবে রোদ পোহাচ্ছে। আসলে কিছু কিছু পোষা বিড়াল রয়েছে যেগুলো খুবই সুন্দর। আর তাদেরকে যেভাবে বলা হয় তারা তাই করে থাকে। আপনার দেবর দেখছি নিজে অর্ধেকটা খেয়ে বিড়ালকে অর্ধেকটা খাওয়ায়। তবে বিড়ালগুলো তো একদমই দুষ্টু। তবে আমার কাছে কিন্তু আপনার ফটোগুলো ভীষণ ভালো লেগেছে। বিশেষ করে ফটোগ্রাফি করার সময় বিড়াল গুলো পোজ দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। অনেক সুন্দর একটা দৃশ্য শেয়ার করলেন।
আপনার কাছে বিড়ালের ফটোগ্রাফি গুলো ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
শীতের সময় বিড়াল গুলো রোদের মধ্যে বসে থাকে। তবে আমাদের বাড়িতে অনেক বিড়াল আছে। তবে আমাদের বাড়ি তো অনেক বিড়াল আছে। তবে আমাদের বাড়ির বিড়াল গুলো এরকম মাছ দেখলে কামড় দিয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টা করে। আপনার মায়ের বাড়ির বিড়াল গুলো মনে হয় অনেক ভদ্র। তবে এটি ঠিক কিছু কিছু বিড়াল আছে হিংস্র । আর বিড়াল গুলো অনেক সময় বিছানার মধ্যে কাসরা করে ফেলে। খুব সুন্দর করে সকালবেলা বিড়ালের পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন।
ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
বিড়াল যখন পোষ মানে তখন বিড়াল গুলো ভালো হয়। আবার অনেক বিড়াল আছে হিংস্র এগুলো ক্ষতি করার চেষ্টা করে। তবে আপনি দেখতেছি সকালবেলা রোদে বসে থাকা বিড়ালের সুন্দর ভাবে ফটোগ্রাফি করেছেন। আমাদের বাড়িতে অনেক বিড়াল আছে। সেগুলো সামনে যেগুলো পায় খাওয়ার জিনিস খেয়ে ফেলে। তবে আপনার মায়ের বাড়িতে বিড়াল গুলো খুব বিশ্বস্ত মনে হয়। ধন্যবাদ আপনাকে খুব সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া আমার মায়ের বিড়াল খুবই ভালো তারপরও আমি অনেক ভয় পাই। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।