ঈদের মার্কেট করার কিছু মুহূর্ত।
আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের সবাইকে জানাই আমার সালাম। আসসালামু-আলাইকুম। আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় অনেক ভালো আছি।
আমার টাইটেল দেখে বুঝতে পারছেন আজ আমি কি পোস্ট শেয়ার করতে এসেছি। আজ ইফতারের পর মার্কেটে গিয়েছিলাম। এর আগে টুকটাক কিছু কেনা হয়েছিল। আমি আর কিছু দিন পর গ্রামের বাড়ি যাব তারজন্য আজ বাকি কেনাকাটা শেষ করলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম বিকালের দিকে যাব আর বাহিরে থেকে ইফতার কিনে নিয়ে আসবো। কিন্তু যে পরিমাণ গরম আর রৌদ ওঠে দিনের বেলা বাসা থেকে বের হওয়া সম্ভব ছিল না। রোজা রেখে দিনের বেলা মার্কেটে না যাওয়াই ভালো। ইফতারের পর বের হলে ইচ্ছে করলে কিছু খাওয়া যায় কিন্তু দিনের বেলা অবস্থা খারাপ হয়ে যায়।
আজ শুক্রবার তার জন্য রাস্তাসহ মার্কেটে মানুষের উপছে পড়া ভিড় জমেছে। প্রতিটা জিনেসের আকাশ ছোঁয়া দাম রয়েছে। এদিকে আবার আমাদের এখান থেকে গুলিস্তান কাছে আর আপনারা জানেন কিছু দিন আগে বঙ্গ বাজারে আগুন লেগেছে। সেখানে আগুনে সব পুড়ে ছাই হয়েছে গিয়েছে।তারজন্য বেশির ভাগ দোকান বন্ধ থাকার কারণে আমাদের শনিআখড়ায় সব মার্কেটে প্রতিটা জিনিসের যেমন চাহিদা বেড়েছে তেমনি দামও বেড়েছে।
আজ কিছু দিন ধরে অনেক গরম পড়েছে। ছেলেকে নিয়ে মার্কেটে গিয়ে একদম অবস্থা খারাপ হয়ে গেল। তারজন্য আমি ছবি ওঠাতে ভুলেই গিয়েছিলাম। হঠাৎ মনে হওয়ার পর কিছু ছবি তুলে আনলাম। আমার মায়ের জন্য একটা শাড়ি পছন্দ হলো কিন্তু প্রতিটা দোকানে এই শাড়ির দাম একই। ডিজিটাল শাড়ি আর এটা এই ঈদের জন্য নতুন আনা হয়েছে।তারজন্য সব দোকানে ২২০০টাকা। অবশেষে ১৮০০দিয়ে আনতে হলো। যে দোকান থেকে এনেছি এটা পরিচিত দোকান বলে আনতে পারলাম।
ছোট আর বড় নাই সবার জামা কাপড়ের অনেক দাম বেড়েছে। আমার ছেলে তো এটা কিনবে ওটা কিনবে করে পাগল করে দিল। খেলনার দোকানে নিয়ে গেলে সব খেলনা নেওয়ার জন্য কান্না শুরু করে। তার বাবা একজন যত বার বাহিরে যাবে তত বার ছেলের জন্য দুই-তিনটা খেলনা নিয়ে আসবে।তারজন্য ছেলে আমার এমন হয়েছে। ঈদের জন্য প্রতিটা মার্কেট খুব সুন্দর ভাবে লাইটিং করেছে। তারজন্য রাতের বেলা মার্কেটে গিয়ে এই দৃশ্য দেখতে বেশি ভালো লাগে।
শুক্রবার ছাড়াও এই সময়টা ভিড় থাকে তবে ছুটির দিনে বেশি থাকে। একদিক হিসেব করলে এই সময় রাতে বের হলে ভালো লাগে আবার কিছু কিছু সমস্যার জন্য খারাপও লাগে। অনেক মহিলা দেখলাম তিন- চার মাসের বাচ্চা নিয়ে এই গরমের মধ্যে মার্কেট করতে চলে এসেছে।এরপর আবার কাঠের একটা জিনিস কিনলাম।এরপর আবার হিজাবের জন্য কিছু পিন কিনে আনলাম। মোটা আজ অনেক মার্কেট করা হলো।
এরপর বাসার আসার পালা কিন্তু রাস্তায় এত পরিমাণ জ্যাম যার জন্য অবস্থা আরও বেশি খারাপ হয়ে গিয়েছে। আমার ছেলে একটু জ্যামে বসে থাকলেই কান্না শুরু করে। আমার লেখা আজ এখানেই শেষ করছি। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্টের মাধ্যমে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন এই দোয়া কামনা করি।
আমি তানজিমা। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ শেষ করেছি।
আমি ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে ফটোগ্রাফি, রেসিপি এবং ডাই বানাতে খুব পছন্দ করি। আবার আমি ভ্রমণ বা ঘুরাঘুরি করতে খুব পছন্দ করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। আমি চেষ্টা করি সব সময় যেন নতুন কোনো কিছু করা যায়।
ঈদের কেনা কাটার আনন্দময় মূহুর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু। জমে উঠেছে ঈদ মার্কেট। আপনার ছবিতেও তা ফুটে উঠেছে। বঙ্গবাজারে আগুন লাগার ফলে মার্কেটে জিনিস পত্রের দামে প্রভাব পড়েছে,একদম ঠিক বলেছেন। মা এর জন্য ১৮০০ টকা দিয়ে শাড়ী কিনেছেন জেনে ভাল লাগলো। শুভ কামনা আপনার জন্য।
গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। খুব সুন্দর মন্তব্য করেছেন পড়ে ভালো লাগলো।
সবাই এখনই ঈদের কেনাকাটা করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। আপনি ঈদের অনেক কেনাকাটা করলেন। আপনার কেনাকাটা করার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে খুবই ভালো লাগলো।
হ্যাঁ ভাইয়া সবাই এখন ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত আর আপনিও শুরু করে দেন। ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
ইফতার করার পর মার্কেটে গিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। আসলে রোজা রেখে ঈদ মার্কেটে গেলে ভীষণ খারাপ লাগে। যেহেতু গ্রামের বাসায় যাবেন তাই আগে থেকেই কেনাকাটা গুলো করেছেন দেখে ভালো লাগলো। ডিজিটাল শাড়ি হয় সেটা জানা ছিল না। যাই হোক মায়ের জন্য শাড়ি কিনেছেন জেনে ভালো লাগলো আপু।
আপু এটা যেহেতু ডিজিটাল দেশ তারজন্য শাড়ি তো ডিজিটাল হবেই। হ্যাঁ আপু ডিজিটাল প্রিন্টের শাড়ি এটা। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
অবশেষে মার্কেটিং করে ফেলেছেন জেনে খুশি হলাম। আপনার ব্যাগ দেখে আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। জামাটাও খুব সুন্দর। কয়েকদিন আগে আমি গিয়েছিলাম প্রচুর দাম দেখে আবার বাড়িতে চলে এলাম। কিছুদিন পর সবার জন্য কেনাকাটা করব।
ভাইয়া আমিও প্রথম রোজায় গিয়ে দাম দেখে চলে আসলাম। সবসময়ই এমন দাম থাকবে কেনাকাটা শুরু করে দেন।ধন্যবাদ।
আপু কেনাকাটা শেষ করে ফেললেন।আর আমি এখনও এই গরমের জন্য মার্কেটেইই যাইনি।আমিও গেলে ইফতারের পরেই যাব ভাবছি। মায়ের জন্য শাড়ি কিনলেন।খুব সুন্দর হয়েছে আপু। বাড়ি যাবেন ঈদ করতে,জেনে ভাল লাগলো। ধন্যবাদ আপু অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।
আপু এই গরমে দিনের বেলা বাহিরে বের হওয়ার চিন্তা করবেন না। ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
আমিও মনে করে দিনের বেলা রোজা রেখে মার্কেটে না গিয়ে রাত্রেবেলা মার্কেটে গেলে অনেক স্বস্তি পাওয়া যায়। যাইহোক অবশেষে ঈদের কেনাকাটা করলেন। এখন প্রতিটি জিনিসের একটু দাম বেশি হবে। ধন্যবাদ আপনাকে ঈদের কেনাকাটার করার মুহূর্ত আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু সব কেনাকাটি করা শেষ। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মতামতের জন্য।
আর কিছুদিন পরেই ঈদের উৎসব শুরু হয়ে যাবে যদিও এখনই ঈদের উৎসব প্রায় অনেক জায়গাতেই শুরু হয়ে গিয়েছে সকলেই কেনাকাটা করতে অনেক বেশি ব্যস্ত। ঈদের শপিং করতে গিয়ে দেখছি জ্যামে পড়েছিলেন আসলে ঢাকা শহরের জ্যাম কতটা যে কষ্টের সেটা যে পড়েছে সেই বুঝতে পারবে। ভালো লাগলো আপনার কেনাকাটার মুহূর্ত দেখে, ধন্যবাদ আপনাকে।
ভাইয়া ঢাকা শহরের মজাই জ্যামের মধ্যে। কিছু দিন পর ঈদের উৎসব তাই সবার ঘরে ঘরে মার্কেট শুরু হয়ে গিয়েছে। ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।
ঈদের কেনাকাটা আগে থেকে করে নিলে ভালো হয়। শেষের দিকে সবাই যেহেতু কেনার জন্য বের হয় তাই অনেক ঝামেলা হয়। আর আপনি তো গরমে দিনে বের হয়েছেন দিনের বেলায় অনেক বেশি খারাপ লাগ। ইফতারের পরে বের হলে অনেক শান্তি পাওয়া যায় অনেক সময় ধরে থাকা যায়। আপনি যেহেতু গ্রামে যাবেন তাই আগে থেকে কেনাকাটা করেছেন অনেক ভালো হয়েছে অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু ছেলেকে নিয়ে বের হই বলে চেষ্টা করি ইফতারের পর যেতে। এখন যেই পরিমাণ গরম পড়েছে এতে সন্ধ্যার পরই সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। ধন্যবাদ।
সবাই দেখি কম বেশি ঈদের কেনাকাটা শুরু করে দিয়েছে।আপনিও ঈদ উপলক্ষে অনেক কেনাকাটার করেছেন দেখছি ।বঙ্গ বাজারে আগুন লেগে পুড়ে যাওয়ার কারণে পোশাকের দাম আকাশছোঁয়া প্রায় হয়ে গিয়েছে যে কারণে কেনাকাটা করা খুবই মুস্কিল হয়ে গিয়েছে। আপনার ঈদে মার্কেট করা ও অনুভূতি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
ভাইয়া আপনিও মার্কেট করা শুরু করে দেন। হ্যাঁ ভাইয়া প্রতিটা জিনিসপত্রের অনেক দাম বেড়েছে।ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মতামতের জন্য।
ভাবছি এতো দাম এইবার মারকেট করবো না।
ঠিক বলেছেন আপু বাজারে সবকিছুর দাম যেন ধরাছোঁয়ার বাহিরে। আমিও কিছুদিন আগে শাশুড় বাড়ির জন্য কেনাকাটা করতে গিয়েছিলাম এবং আপনার মত পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছিলাম এবং অবশেষে আমাকে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয়েছিল। আপনি দেখছি কোন কিছুই কেনা বাদ দেননি জুতা থেকে শুরু করে জামা ব্যাগ এবং সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসও কিনেছেন দেখছি। ধন্যবাদ আপু আপনার মার্কেট করার অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপু দাম বেশি হলেও পছন্দের জিনিস রেখে আসতে ইচ্ছে করে না। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ।