বসন্ত বিলাস রেস্টুরেন্টে ফুসকা খেতে যাওয়া
হ্যালো বন্ধুরা,আসসালামু-আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি আর আমার ছেলেও আজ একটু সুস্থ আছে। এই কয়েকদিন ধরে মনে হলো যেন আমার উপর দিয়ে যুদ্ধ গিয়েছে। আজ ছেলে একটু সুস্থ হওয়াতে নিজেকে একটু হালকা লাগছে। তবে একদম শুকিয়ে গিয়েছে আর কিছুই খেতে চায়না। আপনারা দোয়া করবেন যাতে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে উঠতে পারে আর আমিও এক্টিভ হতে পারি।
যাই হোক আজ আবারও নতুন একটি পোস্ট নিয়ে চলে এসেছি। এতক্ষণে আমার টাইটেল দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন আজ কি বিষয় নিয়ে এসেছি। হ্যাঁ বসন্ত বিলাস রেস্টুরেন্টে ফুসকা খেতে যাওয়া গল্প বলতে এসেছি। আমি এবার বাড়িতে গিয়ে সেখানে ঘুরতে গিয়েছিলাম। তবে এটা শহরের চার দেয়ালের ভিতরের কোনো রেস্টুরেন্ট নয়। এটা গ্ৰামের প্রাকৃতিক দৃশ্য গড়ে ওঠা শহরের স্টাইলের রেস্টুরেন্ট। এখন গ্ৰামে শহরের থেকেও ভালো মানের রেস্টুরেন্ট রয়েছে আর প্রাকৃতিক পরিবেশে ঘেরা থাকে বলে অনেক বেশি ভালো লাগে।
আমাদের বাড়ির আশেপাশে এখন অনেক রেস্টুরেন্ট রয়েছে। যার জন্য বাড়ি গেলে প্রতিবারই কোনো না কোনো রেস্টুরেন্টে যাওয়া হয়। এই রেস্টুরেন্ট আমাদের বাড়ি থেকে বেশি দূরে নয়। এরপর আবার খুব সুন্দর বলে এই রেস্টুরেন্ট ভালোই চলে। এর ভিতরে বেশ কিছু আর্টিফিশিয়াল ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছে। এছাড়া বাহিরে বাচ্চাদের খেলার জায়গা রয়েছে। এরপর খুব সুন্দর দোলনা রয়েছে।
মোট কথা একটা মানুষ যদি তার বাচ্চা নিয়ে যায় তাহলে তাকে না খেয়ে আসতে হবে না। যত দেরিই হোক সে তার বাচ্চাকে নিয়ে আনন্দে কাটাতে পারবে। এই রেস্টুরেন্টের পাশেই খুব সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য রয়েছে। আমরা সে দিন একসাথে দুটো জায়গায় গিয়েছিলাম। সেই গল্প অন্য একদিন শেয়ার করবো। আমরা ঐদিন প্রায় ১২ জন একসাথে ঘুরতে গিয়েছিলাম। এতজন একসাথে মিলে ঘুরতে কিন্তু অনেক মজা হয়। আমাদের বাড়ি থেকে অটোরিকশা করে যেতে হয়।
আমরা মূলত দই ফুচকা খেতে গিয়েছিলাম। সেখানের দই ফুচকা আমাদের বাড়ির দিকের জন্য খুবই বিখ্যাত। সেই দিন খেয়ে বুঝতে পেরেছি সত্যি খেতে খুবই মজার। ঢাকায় অনেক বার খেয়েছি কিন্তু এত স্বাদ পায়নি। তবে হ্যাঁ টিএসসির দই ফুচকার সাথে তুলনা করা যাবে না। সেখানের দই ফুচকা বেস্ট আর এরপর যদি কোনো জায়গায়র ফুচকা ভালো লাগে তা হলো আমাদের বাড়ির এটা। আমি তো ভেবেছি যত বার যাবো শুধু দই ফুচকাই খাবো। তবে আরও অনেক ধরনের আইটেম রয়েছে শুনেছি সেগুলো নাকি খেতে খুবই সুস্বাদু।
বর্তমানের ছেলেমেয়েরা কোথায় রেস্টুরেন্ট রয়েছে আর সেখানের খাবার কেমন সবই জানে। কিন্তু আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন গ্ৰামে রেস্টুরেন্টের কোনো নামই ছিল না। আমার তো এত সব খাবারের নামই জানা ছিল না। এখন গ্ৰাম একদম শহরের মতো উন্নত হয়ে ওঠেছে। আমাদের গ্ৰাম শহরের পাশে হওয়াতে আরও বেশি উন্নত হয়ে গিয়েছে। গ্ৰামে এখন আর আগের মতো মাটির রাস্তা নেই। একদম ঘরের সামনে পর্যন্ত পাকা করা হয়েছে।
সবমিলিয়ে ফুচকা খেয়ে আমরা খুব মজা পেয়েছি।তাদের সার্ভিস খুবই ভালো ছিল।এমন কি তাদের খাবার গুলো আরও বেশি মজার ছিল। এমন একটা পরিবেশে পরিবার বলেন আর স্বামী -স্ত্রী বলেন কিংবা গার্লফ্রেন্ড আর বয়ফ্রেন্ড বলেন যে কারো সাথে সময় কাটাতে আর খাওয়া দাওয়া করতে অনেক ভালো লাগে। যাই হোক আমার লেখা এখানেই শেষ করলাম আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন।
আমি তানজিমা। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ শেষ করেছি।
আমি ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে ফটোগ্রাফি, রেসিপি এবং ডাই বানাতে খুব পছন্দ করি। আবার আমি ভ্রমণ বা ঘুরাঘুরি করতে খুব পছন্দ করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। আমি চেষ্টা করি সব সময় যেন নতুন কোনো কিছু করা যায়।
আসলে আপু বাচ্চারা অসুস্থ হলে হঠাৎ করেই শুকিয়ে যায়। তারপরেও আপনার বাচ্চা এখন সুস্থ হয়েছে জেনে ভালো লাগলো। বসন্ত বিলাস ফাস্টফুড রেস্টুরেন্টে গিয়ে বেশ ভালই সময় অতিবাহিত করেছেন দেখছি। ফুচকা খেতে আমিও অনেক বেশি পছন্দ করি আপু। সুন্দর একটি পোস্ট বিস্তারিতভাবে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
অসুস্থতার জন্য ঠিক মতো খাওয়া দাওয়া করে না একদম শুকিয়ে গিয়েছিল। আপনার সুন্দর মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
আপনার বাচ্চারা এখন সুস্থ হয়েছে এটা জেনে অনেক ভালো লাগলো। আসলে বাচ্চারা অসুস্থ হওয়ার পরে তাদের চেহারা অন্যরকম হয়ে যায়। বসন্ত বিলাস রেস্টুরেন্টে ফুচকা খেতে যাওয়ার মুহূর্তটা আমাদের মাঝে অনেক সুন্দর করে তুলে ধরা হয়েছে দেখে খুব ভালো লাগলো। সেখানে যাওয়ার পর বেশ কিছু ফটোগ্রাফিও করেছিলেন দেখছি। ১২ জন একসাথে ঘুরতে গিয়ে অনেক আনন্দ করেছিলেন নিশ্চয়ই।
ভাইয়া আপনাদের দোয়ায় এখন সুস্থ আছে। অনেকজন একসাথে যাওয়াতে অনেক মজা হয়েছিল। আপনার মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
আসলেই আপু এখন যেখানেই যাওয়া হোক না কেন সুন্দর সুন্দর রেস্টুরেন্ট দেখা যায়। ঠিকই বলেছেন শহরের তুলনায় গ্রামের দিকে রেস্টুরেন্টগুলো একটু প্রাকৃতিক ছোয়া বেশি থাকে। আর সেগুলোতে সময় কাটাতেও খুব ভালো লাগে। আপনি আপনার বাড়িতে গিয়ে বাড়ির পাশের রেস্টুরেন্টে বেশ ভালো সময় কাটিয়েছেন দেখেই বোঝা যাচ্ছে। তাছাড়া এখানকার ফুচকা খেয়েও মজা পেয়েছেন জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
প্রাকৃতিক পরিবেশে গড়ে ওঠা রেস্টুরেন্টে বসে খেতে ভালোই লাগে।হ্যাঁ আপু সেখানের ফুচকা খুবই ভালো ছিল। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
অনেকজন একসাথে যে কোন জায়গায় ঘোরাঘুরি করতে গেলে এবং খাওয়া-দাওয়া করতে গেলে খুবই ভালো সময় কাটানো যায়। তেমনি আপনারা সবাই একসাথে ফুচকা খেতে গিয়েছিলেন বসন্ত বিলাস রেস্টুরেন্টে, যেটা দেখে আমার তো লোভ লেগে গিয়েছে। ফুচকা আমার খুবই পছন্দের এবং ফেভারিট, যার কারণে লোভ সামলাতে পারছি না। টেবিলের উপরে এতটা সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে, যা দেখে ইচ্ছে করছে এক প্লেট নিয়ে খেয়ে ফেলি।
আপু যখন এই ফটোগ্রাফি আবার দেখলাম তখন আমারও খুব খেতে ইচ্ছে করছিল। আপনার কাছেও ঘোরাঘুরি করতে ও খাওয়া দাওয়া করতে ভালো লাগে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ।
আসলেই আপু, গ্রামে গেলে এখন একদমই মনে হয় না গ্রামে রয়েছি। গ্রাম এখন সবদিক থেকেই উন্নত। ১২ জন মিলে রেস্টুরেন্টে গিয়েছেন। নিশ্চয়ই সুন্দর কিছু মুহূর্ত কাটিয়েছেন। রেস্টুরেন্টের নামটা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। পরিবেশটাও খুব সুন্দর। দই ফুচকা দেখে তো জিভে জল চলে এসেছে।
হ্যাঁ আপু এত মিলে যাওয়াতে বেশি মজা হয়েছিল। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
সবাই মিলে তো আপু জমিয়ে ফুচকা খেলেন। ফুসকা আমার তো খুব পছন্দের। সবাই মিলে এক সাথে খেতে গেলে তো ভীষণ মজা হয়। রেস্টুরেন্টের নামটি শুনে অনেক ভালো লাগলো। আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে আপু।
হ্যাঁ ভাইয়া অনেকজন একসাথে বসে ফুচকা খাওয়ার মজাই আলাদা। আপনার কাছেও ফুচকা ভালো লাগে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন শহরের তুলনায় এখন গ্রামেও খুব নামি দামি রেস্টুরেন্ট আছে। ফুচকা খেতে সবাই অনেক পছন্দ করে। আমি নিজেও বাইরে যখন আমার ওয়াইফকে নিয়ে যাই প্রথমে সেই ফুচকার নাম বলে। তবে আপনার ফটোগ্রাফি দেখে বোঝা যাচ্ছে রেস্টুরেন্ট পরিবেশ খুব ভালো। তবে এটি ঠিক আপু এখন গ্রামের রাস্তাগুলো বাড়ি পর্যন্ত পাকা। যাইহোক আপনার ফুচকা খাওয়া অনুভূতি পড়ে খুব ভালো লাগলো তাই ধন্যবাদ আপনাকে।
গ্ৰামের রেস্টুরেন্ট শহরের থেকেও বেশি সুন্দর করা হয়। ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
ঠিক বলেছেন আপু গ্রামে এখন আর আগের মত মাটির রাস্তা নেই। সবকিছুর অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। আর শহরের ইট পাথরে ঘেরা রেস্টুরেন্টের চেয়ে গ্রামীণ পরিবেশে তৈরি হওয়ার রেস্টুরেন্ট গুলো অনেক বেশি ভালো লাগে। আপু আপনি বাড়িতে গিয়ে রেস্টুরেন্টে ফুচকা খেতে গিয়েছিলেন জেনে ভালো লাগলো। অনেক সুন্দর করে নিজের অনুভূতি তুলে ধরেছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
হ্যাঁ আপু এখন গ্ৰামের মানুষ জন ও বড়লোক হয়ে গিয়েছে। আপনার মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
আপনার ছেলে এখন অনেকটা সুস্থ আছে জেনে ভালো লাগলো আপু । আসলে গ্রামের ভিতরে এমন খোলামেলা রেস্টুরেন্ট গুলো দেখতেও ভালো লাগে । আপনারা সবাই মিলে ফুচকা খেয়েছেন এবং ভালো একটি সময় অতিবাহিত করেছেন সেখানে ।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া গ্ৰামের খোলামেলা পরিবেশের রেস্টুরেন্ট থাকলে বেশি ভালো লাগে। আপনার সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ ।
আপনি ঠিক বলছেন আপু আজকাল আসলেই গ্রামে বা শহরে কোন তফাৎ নেই। সব জায়গায় বেশ ভালো মানের রেস্টুরেন্ট পাওয়া যায়। তবে কিছু কিছু রেস্টুরেন্ট আছে ডেকোরেশন ভাল হওয়ার কারণে অনেক বেশি পপুলার হয়ে যাই। সেই সাথে খাবার দাবারের মান ভালো থাকলে আরো অনেক বেশি লোকজনের সমাগম হয়। তো আপনি বসন্ত বিলাস রেস্টুরেন্ট থেকে বেশ মজার করে ফুচকা খেলেন। ফুচকার কালার দেখে বুঝা যাচ্ছে খেতেই বেশ ভালো হবে।
হ আপু এখন শহরের থেকেও ভালো রেস্টুরেন্ট গ্ৰামে রয়েছে। সত্যিই এই ফুচকা খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। ধন্যবাদ সুন্দর মতামতের জন্য।