"এসো নিজে করি"(ওয়ালমেট)|| কটন বার দিয়ে ভিন্ন ধরনের ওয়ালমেট
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজ আবারও নতুন একটি পোস্ট নিয়ে চলে এসেছি।সবসময় ভিন্ন ধরনের পোস্ট করতে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তাইতো প্রতিদিন ভিন্ন ধরনের পোস্ট শেয়ার করতে চলে আছি। ভিন্ন পোস্ট করতে যেমন ভালো লাগে তেমনি দেখতেও খুব ভালো লাগে। বিশেষ করে ওয়ালমেট গুলো বেশি ভালো লাগে। ওয়ালমেট ঘরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। যেকোনো ধরনের ওয়ালমেট দিয়ে ঘর সাজালে দেখতে খুব সুন্দর দেখায়। আমি প্রতি সপ্তাহে চেষ্টা করি একটি করে ওয়ালমেট শেয়ার করার।
ওয়ালমেট বানাতেও মোটামুটি ভালোই সময় লাগে। যেকোনো কাজ যত বেশি সময় নিয়ে করা হয় সেই কাজ দেখতে তত বেশি সুন্দর লাগে। আমি আজকের ওয়ালমেটে একটু ভিন্নতা আনার জন্য কটন বার ব্যবহার করেছি। এই ওয়ালমেট বানানোর পর দেখতে খুব সুন্দর দেখাচ্ছিল। বিশেষ করে দেয়ালে লাগানোর পর দেখতে বেশি সুন্দর দেখাচ্ছিলো। এই ধরনের কাজ করতে ভালোই লাগে। তবে কাজ করার একদমই সময় পাইনা। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
প্রয়োজনীয় উপকরণ |
|---|
১. কাটুন পেপার
২.কটন বার
৩.পোস্টার রং
৪.তুলি
৫.গাম
৬.কাচি
৭.সুতা
১ম ধাপ |
|---|
প্রথমে কাটুন পেপার লম্বা করে কেটে কালার কালার করে নেব।
২য় ধাপ |
|---|
এবার নিউজ পেপার লম্বা করে কেটে নেবো। এরপর চিকন করে কাঠির মতো বানিয়ে নেব।
৩য় ধাপ |
|---|
এবার ফ্রেমের সমান করে কেটে নেবো। এরপর ওয়ালমেটের ফ্রেমের চারপাশে গাম দিয়ে লাগিয়ে নেবো।
৪র্থ ধাপ |
|---|
এবার ফ্রেমের চারপাশে কালার করে নেব।
৫ম ধাপ |
|---|
এবার কটন বার ছোট ছোট করে কেটে নেবো। এরপর নিউজ পেপার গোল গোল করে কেটে নেবো।
৬ষ্ট ধাপ |
|---|
এবার গোল বৃত্তের মধ্যে কটন বার এর মাথাগুলো লাগিয়ে নেবো। এবার রং করে নেবো।
৭ম ধাপ |
|---|
এবার ফ্রেমের ভিতরে কিছু গাছ এঁকে নেব।
৮ম ধাপ |
|---|
এখন ফুলগুলো প্রতিটা গাছের মাথায় লাগিয়ে নেবো। এরপর ফুলের মাঝখানে পুঁতি লাগিয়ে নেবো।
৯ম ধাপ |
|---|
এবার গাছের পাতা এঁকে নেব।
শেষ ধাপ |
|---|
এবার ওয়ালমেটের ফ্রেম সুন্দর ভাবে সাজিয়ে নেবো।
তাহলেই হয়ে যাবে আমার আজকের ওয়ালমেট।
ফাইনাল আউটপুট |
|---|
ওয়ালমেটের সমস্ত কাজ কমপ্লিট করার পর ফাইনাল যে আউটপুটটি পেলাম তার একটি চিত্র এটি। বন্ধুরা, আজকে শেয়ার করা ওয়ালমেট'টি আপনাদের কেমন লাগলো তা কমেন্ট এর মাধ্যমে জানিয়ে দেবেন। সবাই ভালো থাকুন,সুস্থ থাকুন,নিজের পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে থাকুন,সবার জন্য এই শুভকামনা রইল। ধন্যবাদ সবাইকে।
আমি তানজিমা। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ শেষ করেছি।
আমি ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে ফটোগ্রাফি, রেসিপি এবং ডাই বানাতে খুব পছন্দ করি। আবার আমি ভ্রমণ বা ঘুরাঘুরি করতে খুব পছন্দ করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। আমি চেষ্টা করি সব সময় যেন নতুন কোনো কিছু করা যায়।
ওয়াও দারুণ হয়েছে ওয়ালমেট টি আপু।আপনি কটন বার দিয়ে চমৎকার একটি ওয়ালমেট তৈরি করছেন। এগুলো ওয়ালমেট ঘরে টানিয়ে রাখলে ঘরের সৌন্দর্য আরো বেশি বৃদ্ধি পায়। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে পোস্ট টি শেয়ার করছেন।আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আপনি সুন্দর মন্তব্য পড়ে ভালো লাগলো, খুব সুন্দর মন্তব্য করেছেন। ধন্যবাদ।
কটন বার দিয়ে ভিন্ন ধরনের ওয়ালমেট সত্যি অসাধারণ লাগতেছে আপু। কটন বাড গুলোকে রং করাতে চমৎকার ফুটে উঠেছে। এধরনের কাজ গুলো সত্যি প্রশংসনীয়। প্রতিনিয়ত খুব সুন্দর সুন্দর পোস্ট উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এধরনের আয়োজন গুলো দেখতে সব সময়ই ভালো লাগে। আপনার জন্য শুভ কামনা।
ভাইয়া এভাবে প্রশংসা করে পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
কটন বার দিয়ে ভিন্ন ধরনের একটা ওয়ালমেট তৈরি করেছেন। দেখতে ভীষণ ভালো লাগতেছে। প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর করে উপস্থাপনা করেছেন। আপনার জন্য শুভেচ্ছা রইল।
আপনার কাছে ভালো লেগেছে শুনে খুশি হলাম। আপনাদের ভালো লাগার জন্যই আমার এ ধরনের কাজ শেয়ার করা। ধন্যবাদ।
কটন বার দিয়ে ভিন্ন ধরনের ওয়ালমেট অসাধারণ হয়েছে। দেখতে পেয়ে মুগ্ধ হলাম। আপনি খুবই সুন্দর ভাবে ধাপে ধাপে শেয়ার করেছেন। আপনার শেয়ার করা মাধ্যমে এই ওয়ালমেট তৈরি করা আমি শিখে নিয়েছি। পরবর্তীতে তৈরি করব।
সবসময় সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
কটন বার দিয়ে দারুণ ওয়ালমেট তৈরি করেছেন আপনি। কটন বার দিয়ে এই ধরনের ওয়ালমেট ইউনিক মনে হয়েছে। কটন বার দিয়ে পাতা তৈরি করা দেখে মুগ্ধ হলাম আপু। আমাদের সাথে সুন্দর একটি ওয়ালমেট ভাগ করে নেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
আপনার সুন্দর মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। খুব সুন্দর মন্তব্য করেছেন।
আরে অসাধারণ তো। আপু আপনার এই পোস্টটি দেখে সত্যিই আশ্চর্যজনক হয়ে উঠলাম। সত্যি কথা বলতে আপনার এই ওয়ালমেটটা অসাধারণ সুন্দর লাগছে। আপনি দেখছি কটন বাড়িতে খুবই সুন্দর করে একটি ফুলের ওয়ালমেট তৈরি করে ফেললেন। শুধু তাই নয় এটি খুব সুন্দর ভাবে ফটোগ্রাফি করে আমাদের মাঝে ধাপে ধাপে শেয়ার করে আমাদের দেখার সুযোগ করে দিলেন। এতে খুবই ভালো লাগলো। এটি রুমের মধ্যে নির্দিষ্ট একটি স্থান রাখলে দেখতে আরো বেশি সুন্দর লাগবে ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
গঠনমূলক মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
কটন বার দিয়ে খুবই চমৎকার একটি ওয়ালমেট তৈরি করেছেন আপু। আপনার ওয়ালমেট টি দেখতে অসম্ভব সুন্দর হয়েছে। খুবই আকর্ষণীয় একটি ওয়ালমেট আমাদের মাঝে তৈরি করে উপস্থাপন করেছেন। যা দেখে ভীষণ ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য।
আপনাদের ভালো লাগার জন্যই সামনে কাজ করার উৎসাহ খুজে পাই। ধন্যবাদ।
আপু ওয়ালমেটটা অনেক সুন্দর হয়েছে। প্রথমে দেখায় বুঝার উপায় নেয় যে,আপনি কটন বার দিয়ে এটি তৈরী করেছেন। ফুল গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে। এটা দেওয়ালে টাঙালে ফুটে উঠবে। ধন্যবাদ।
আপু আপনার কাছে খুব ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। কটন বার দিয়ে এমন ভাবে বানানো হয়েছে সত্যি প্রথমে দেখে কেউ বুঝবে না এটি কটন বার দিয়ে বানানো। সুন্দর মতামতের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমিও আপনার কথার সঙ্গে একমত পোষণ করছি, যেকোনো ধরনের কাজ যদি সময় নিয়ে ধৈর্য সহকারে করা যায় তাহলে সেই জিনিসটা দেখতে আসলেই অনেক বেশি সুন্দর দেখায়। খুবই চমৎকার ভাবে আপনি আমাদের মাঝে কটন বাদ দিয়ে ভিন্ন ধরনের ওয়ালমেট তৈরি করে শেয়ার করেছেন দেখে মুগ্ধ হলাম। এ ধরনের ওয়ালমেট ঘরের দেয়ালে টা নিয়ে রাখলে আসলেই অনেক বেশি সুন্দর দেখায়। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
ভাইয়া আমার এই কথার সাথে আপনি একমত পোষণ করছেন জেনে ভালো লাগলো। সত্যিই যে কোন কাজ ধৈর্য সহকারে করলে সব সময় ভালো হয়। আপনার সুন্দর মন্তব্য পড়ে খুব ভালো লাগলো। সবসময় এভাবে সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
কটন বাড দিয়ে অনেক সুন্দর ওয়ালমেট তৈরি করেছেন আপু। এ ধরনের ওয়ালমেট গুলো তৈরি করতে অনেক সময় লাগে। আপনি খুবই ধৈর্য সহকারে প্রতিটি ধাপ আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন। আপনার তৈরি করা ওয়ালমেট এক কথায় অসাধারণ। এরকম সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
ঠিক বলেছেন আপু এ ধরনের ওয়ালমেট তৈরি করতে অনেক সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন। আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। সব সময় পাশে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।