রেসিপি পোস্ট || দেশি কচি মুরগির মাংস ভুনা রেসিপি
আসসালামু আলাইকুম। হ্যালো বন্ধুরা,সবাই কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় এখন সুস্থ আছি।
আজ আবারও নতুন একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে দেশি কচি মুরগির মাংস রেসিপি শেয়ার করতে চলে এসেছি। গ্ৰাম থেকে আসার সময় আমার শ্বাশুড়ি এই মুরগি দিয়ে দিয়েছে। তারা কিছু মুরগি পালে আর এগুলো এখনো খুব ছোট। আমরা যখন গ্ৰামে ছিলাম তখন একটি রান্না করেছিলো আর আসার সময় আরও একটি নিয়ে এসেছি। দেশি কচি মুরগির মাংস খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। আমার কাছে ছোট মুরগি ভুনা খেতে বেশি ভালো লাগে। গতকাল এই রেসিপি তৈরি করেছিলাম আর খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল।
আমার ছেলে মাংস খেতে খুব পছন্দ করে। সেজন্য এক দু'দিন পর পরই মাংস রান্না করতে হয়। ফার্মের মুরগি থেকে দেশি মুরগি খাওয়া বেশি ভালো। কিন্তু ঢাকা শহরে দেশি মুরগির তেমন পাওয়া যায় না। সেজন্য সবসময় গ্ৰাম থেকে আসার সময় এক দুইটা মুরগি নিয়ে আসা হয়। এই ধরনের ছোট বাচ্চা মুরগি খেলে শরীরের রক্তের ঘাটতি পূরণ হয়। যাই হোক তাহলে চলুন সেই ধাপগুলো একবার দেখে নেওয়া যাক।
প্রয়োজনীয় উপকরণ
উপকরণ পরিমাণ
মুরগি ১টি
আলু কয়েকটি পিস
তেল পরিমাণ মতো
লবণ স্বাদ অনুযায়ী
আদা বাটা ১চামচ
রসুন বাটা ১চামচ
মরিচের গুঁড়া দেড় চামচ
হলুদ গুঁড়া ১চামচ
ধনিয়া গুঁড়া ষ হাফ চামচ
ঝিরার গুঁড়া হাফ চামচ
গরম মশলার গুড়া হাফ চামচ
রন্ধন প্রক্রিয়া
𒆜১ম ধাপ𒆜


প্রথমে মুরগি কে ছোট ছোট পিস করে কেটে নেবো।
𒆜২য় ধাপ𒆜


এবার ভালো করে ধুয়ে একটি কড়াইয়ে নিয়ে নেবো। এরপর মশলাগুলো দিয়ে দেবো।
𒆜৩য় ধাপ𒆜


এবার বাকি সব মশলা দিয়ে দেবো।
𒆜৪র্থ ধাপ𒆜


**
এরপর সবগুলো মশলা হাত দিয়ে মাংসের সাথে মাখিয়ে নেবো। এরপর অল্প পানি ও তেজ পাতা দিয়ে দেবো।
𒆜৫ম ধাপ𒆜



তারপর মাংস ভালো করে কষিয়ে নেবো। কষানো হয়ে এলে পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দেবো। এরপর ঝোল কমে আসলে নামিয়ে নেবো।
পরিবেশন
এখন আমি আপনাদের সাথে আমার রেসিপি সুন্দর ভাবে পরিবেশন করার জন্য নিয়ে আসছি। সময় কম ছিল বলে হাতে মাখিয়ে মুরগির মাংস ভুনা করেছি। এই রেসিপি খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। যাই হোক আপনাদের কাছে যদি আমার এই রেসিপি ভালো লাগে তাহলে একবার বাসায় তৈরি করে দেখবেন। আশা করি আমার মতো আপনাদের কাছেও অনেক ভালো লাগবে। আজ এই পর্যন্ত আবার দেখা হবে নতুন কোনো রেসিপির মাধ্যমে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকেন।
আসসালামু আলাইকুম। হ্যালো বন্ধুরা,সবাই কেমন আছেন? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় এখন সুস্থ আছি।
আজ আবারও নতুন একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়েছি। আজকে দেশি কচি মুরগির মাংস রেসিপি শেয়ার করতে চলে এসেছি। গ্ৰাম থেকে আসার সময় আমার শ্বাশুড়ি এই মুরগি দিয়ে দিয়েছে। তারা কিছু মুরগি পালে আর এগুলো এখনো খুব ছোট। আমরা যখন গ্ৰামে ছিলাম তখন একটি রান্না করেছিলো আর আসার সময় আরও একটি নিয়ে এসেছি। দেশি কচি মুরগির মাংস খেতে খুবই সুস্বাদু লাগে। আমার কাছে ছোট মুরগি ভুনা খেতে বেশি ভালো লাগে। গতকাল এই রেসিপি তৈরি করেছিলাম আর খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল।
আমার ছেলে মাংস খেতে খুব পছন্দ করে। সেজন্য এক দু'দিন পর পরই মাংস রান্না করতে হয়। ফার্মের মুরগি থেকে দেশি মুরগি খাওয়া বেশি ভালো। কিন্তু ঢাকা শহরে দেশি মুরগির তেমন পাওয়া যায় না। সেজন্য সবসময় গ্ৰাম থেকে আসার সময় এক দুইটা মুরগি নিয়ে আসা হয়। এই ধরনের ছোট বাচ্চা মুরগি খেলে শরীরের রক্তের ঘাটতি পূরণ হয়। যাই হোক তাহলে চলুন সেই ধাপগুলো একবার দেখে নেওয়া যাক।
প্রয়োজনীয় উপকরণ |
|---|
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| মুরগি | ১টি |
| আলু | কয়েকটি পিস |
| তেল | পরিমাণ মতো |
| লবণ | স্বাদ অনুযায়ী |
| আদা বাটা | ১চামচ |
| রসুন বাটা | ১চামচ |
| মরিচের গুঁড়া | দেড় চামচ |
| হলুদ গুঁড়া | ১চামচ |
| ধনিয়া গুঁড়া ষ | হাফ চামচ |
| ঝিরার গুঁড়া | হাফ চামচ |
| গরম মশলার গুড়া | হাফ চামচ |
𒆜১ম ধাপ𒆜
প্রথমে মুরগি কে ছোট ছোট পিস করে কেটে নেবো।
𒆜২য় ধাপ𒆜
এবার ভালো করে ধুয়ে একটি কড়াইয়ে নিয়ে নেবো। এরপর মশলাগুলো দিয়ে দেবো।
𒆜৩য় ধাপ𒆜
এবার বাকি সব মশলা দিয়ে দেবো।
𒆜৪র্থ ধাপ𒆜
**
এরপর সবগুলো মশলা হাত দিয়ে মাংসের সাথে মাখিয়ে নেবো। এরপর অল্প পানি ও তেজ পাতা দিয়ে দেবো।
𒆜৫ম ধাপ𒆜
তারপর মাংস ভালো করে কষিয়ে নেবো। কষানো হয়ে এলে পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দেবো। এরপর ঝোল কমে আসলে নামিয়ে নেবো।
পরিবেশন
এখন আমি আপনাদের সাথে আমার রেসিপি সুন্দর ভাবে পরিবেশন করার জন্য নিয়ে আসছি। সময় কম ছিল বলে হাতে মাখিয়ে মুরগির মাংস ভুনা করেছি। এই রেসিপি খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। যাই হোক আপনাদের কাছে যদি আমার এই রেসিপি ভালো লাগে তাহলে একবার বাসায় তৈরি করে দেখবেন। আশা করি আমার মতো আপনাদের কাছেও অনেক ভালো লাগবে। আজ এই পর্যন্ত আবার দেখা হবে নতুন কোনো রেসিপির মাধ্যমে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকেন।
আমি তানজিমা। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ শেষ করেছি।
আমি ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে ফটোগ্রাফি, রেসিপি এবং ডাই বানাতে খুব পছন্দ করি। আবার আমি ভ্রমণ বা ঘুরাঘুরি করতে খুব পছন্দ করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। আমি চেষ্টা করি সব সময় যেন নতুন কোনো কিছু করা যায়।
শাশুড়ির দেয়া উপহার কচি মুরগির মাংস। আহা লোভনীয় খাবারের একটি রেসিপি উপহার দিয়েছেন। দেশি মুরগি এমনিতেই সুস্বাদু আর পুষ্টিকর। তরকারিটা বেশ লোভনীয় দেখাচ্ছে। অনেক ধন্যবাদ আপু চমৎকার রেসিপি উপহার দেয়ার জন্য।
হ্যাঁ ভাইয়া খেতে খুবই সুস্বাদু ছিল আর আপনার মন্তব্য পড়ে আরও বেশি ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
সত্যি কিন্তু আপু দেশী মুরগী খেতে বেশ দারুন লাগে। আর আপনিও সেই রেসিপিটি বেশ স্বাদ করেই রান্না করেছেন। আপনার রেসিপির কালার দেখেই বুঝা যাচ্ছে যে রেসিপিটি কতটা সুস্বাদু হয়েছিল। ধন্যবাদ আপু এমন সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
হ্যাঁ আপু খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছিল। ধন্যবাদ আপু সুন্দর মতামতের জন্য।
দেশি মুরগির মাংসের সাথে আলু দিয়ে রান্না করলে খেতে ভীষণ মজা লাগে। আপু আপনি কি সবকিছু একসাথে মাখিয়ে রান্না করেছেন। মানে তেল দেওয়ার পরেও আপনি হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করেছেন তো তাই জিজ্ঞেস করলাম।
হ্যাঁ আপু তেলসহ সব মশলা একসাথে দিয়ে মাখিয়ে নিয়েছি। সময় বেশি না থাকলে এভাবে রান্না করতে পারেন। ধন্যবাদ।
দেশি মুরগির মাংস খেতে আমি অনেক বেশি পছন্দ করি। এরকমভাবে দেশি মুরগির মাংস রান্না করলে সেটা অনেক বেশি সুস্বাদু হয়ে থাকে। আপনি তো দেখছি দেশি কচি মুরগির মাংস রান্না করেছেন। যেটা দেখে মনে হচ্ছে অনেক বেশি সুস্বাদু এবং ইয়াম্মি হয়েছিল। আপনার তৈরি করা রেসিপিটা দেখেই আমার লোভ লেগে গিয়েছে। নিশ্চয়ই এই রেসিপিটা অনেক মজাদার ছিল, আর সবাই অনেক বেশি মজা করে খেয়েছিলেন। দুপুরবেলায় খাবারের আইটেমে এটা যদি থাকে, তাহলে আর কিসেরই বা প্রয়োজন হয়। সব থেকে আলাদা একটা টেস্ট থাকে এই রেসিপিটার মধ্যে।
হ্যাঁ আপু সবাই খেয়ে খুব মজা পেয়েছে আর আপনার সুন্দর মন্তব্য পেয়ে আরও ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
দেশি কচি মুরগির মাংস ভুনা রেসিপি দেখে খেতে ইচ্ছা করছে। আপনার রেসিপি পরিবেশ আমার খুবই ভালো লেগেছে। এত সুস্বাদু মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনার কাছে রেসিপির পরিবেশন ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ।
আমার প্রিয় রেসিপি আজকে উপস্থাপন করেছেন। দেশি মুরগির মাংস আমার কাছে সবচেয়ে বেশি মজা লাগে। দেশি মুরগির মাংসের সাথে আলু যুক্ত করেছেন যেটা লোভনীয়তা বাড়ি তুলেছে। লোভনীয় রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
আমার বাসায় যেকোনো মাংস রান্না করলে আলু দিতেই হয়। নিজে যেমন আলু খেতে পছন্দ করি তেমনি ছেলেও খুব পছন্দ করে। আপনার ও এই রেসিপি পছন্দ জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
আপনার শশুর বাড়ির বাড়ির মুরগি দিয়ে দেশি কচি মুরগির মাংস ভুনা রেসিপি তৈরি করেছেন। আপনার তৈরি করা রেসিপি টি দেখে মনে হচ্ছে বেশ মজাদার হয়েছে। আপনি ধারাবাহিক ভাবে খুবই সুন্দর করে প্রতিটি উপকরণ একদম সমান ভাবে মিশ্রণ করে রেসিপি টি সম্পন্ন করেছেন।আর পরিবেশন টা মোটামুটি ভালোই ছিল।
ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
এই দুপুরবেলায় এত মজাদার একটা রেসিপি কেন যে দেখালেন আপু। দুপুরবেলা এরকম মজাদার রেসিপি দেখলে তো এমনিতেই জিভে জল চলে আসবে। আর যদি নিজের পছন্দের রেসিপি দেখি, তাহলে তো আরো বেশি লোভ লেগে যাবে। আজকে আপনি আমার পছন্দের রেসিপিটা সবার মাঝে ভাগ করে নিয়েছেন, দেখেই তো ইচ্ছে করছে এখনই খেয়ে নিতে। এরকম মজাদার রেসিপি গুলো দেখলে সত্যি লোভ সামলানো যায় না। মাঝেমধ্যে এই ধরনের মজার মজার রেসিপি তৈরি করে আমাকে দাওয়াত দিবেন আপু।
আমি তো জানি আপনার পছন্দের রেসিপি এটি তাইতো শেয়ার করেছি। একটু পর পর দেখবেন তাহলেই খাওয়া হয়ে যাবে। দাওয়াত দিয়ে দিলাম চলে আসেন। ধন্যবাদ।
দেশি মুরগি খেতে আমার কাছে অনেক বেশি সুস্বাদু লাগে অন্যান্য মুরগীর তুলনায়। আপনার তৈরি দেশি মুরগির ভুনা রেসিপিটি দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে। খেতেও নিশ্চয় অনেক সুস্বাদু হয়েছিলো। সুন্দর রেসিপিটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
দেশি মুরগি খেতে আপনার কাছেও ভালো লাগে জেনে খুশি হলাম। হ্যাঁ আপু খেতে খুবই সুস্বাদু ছিল। ধন্যবাদ।
দেশি মুরগির মাংস খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। খুবই মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন আপনি। আপনার রেসিপিটি দেখে মনে হচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হয়েছে। রান্না করার প্রতিটি ধাপ খুব সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে দেখিয়েছেন। মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
হ্যাঁ আপু খেতে খুবই মজাদার ছিল। আপনার কাছে ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ।