ভাগ্যিস দাদা শেষ দিন খবর পেয়েছিলেন তা না হলে তো শেষ হয়ে যাওয়ার পর খবর পেলে আরও বেশি আফসোস লাগতো শেষ দিন হওয়ার কারণেই মনে হয় এত ভিড় হয়েছিল। তাছাড়া কি নিয়ে এত দুশ্চিন্তা করছেন যে শুনছেন একটা আর ভাবছেন অন্যটা? বই পড়াতে দাদার ধৈর্য না থাকলে কি হবে রান্নাতে কিন্তু ব্যাপক ধৈর্য আছে দাদার। তা অবশ্য ঠিক বলেছেন মেলায় গিয়েছেন আর কিছু না খেলে কি চলে। অনন্যা চক্রবর্তীর গান এত পছন্দ হয়ে গিয়েছিল যে দুই ঘন্টা গান না শুনলে ফেরত আসলেন না। যাইহোক পরের জনের গান শোনা শুরু না করে ভালো করেছেন ।ওনার গান পছন্দ হয়ে গেল তো আরো দুই ঘন্টা চলে যেত। যাই হোক বই না কিনলে কি হবে মেলায় বেশ ভালো ঘোরাঘুরি করেছেন দেখলাম। ভালো লাগলো। ধন্যবাদ দাদা।