You are viewing a single comment's thread from:
RE: ওয়েব সিরিজ রিভিউ: রুদ্রবীনার অভিশাপ- আমানত খানের চাকতি ( সিজন ১- তৃতীয় পর্ব )
এই ভন্ড লোক গুলো রাগ সঞ্জীবনী দিয়ে কি করতে চাচ্ছে? তাছাড়া শ্রুতির মা এবং সালামত কি আত্মীয় ছিল? শ্রুতির মা অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছে। তা না হলে সালামতের মতো তাকেও মেরে ফেলতে হয়তো। ভাগ্য ভালো যে বিক্রম বিষয়টি বুঝতে পেরে শ্রুতিকে নিয়ে সময় মত ঐ জায়গায় পৌঁছে যেতে পেরেছিল। তাছাড়া পরেরবার মন্দিরে যাওয়ার সময় বিক্রম এবং শ্রুতি সাথে গিয়ে ভালো করেছে তা না হলে আবার কোন বিপদ হতে পারত। ওই লোকগুলো বারবার বিক্রমকে ভয়েজ মেসেজ পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছে। এই লোকগুলো কি কুসংস্কার মেনে নিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১০০ বছর আগের অভিশাপ কি এখনো কার্যকর থাকে নাকি। এমনও হতে পারে যে এই মদন্তীর বংশধর কে মারতে পারলে অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে। যাইহোক ধীরে ধীরে রহস্য গুলো জানা যাবে। অপেক্ষায় রইলাম দাদা।
ওই যে এই রাগ সঞ্জীবনি এর মাধ্যমে মৃত মানুষকে জীবিত করে তোলা যায়, এইজন্য এখন সবাই সেটা পাওয়ার আশায় আছে। আর এটা হাতে পেলেই কোনো খারাপ উদ্দেশ্যে লাগাবে।
শুধুই শ্রুতির মা বলে কথা না, ওই বাড়ির প্রত্যেকের সাথে একটা ভালো সম্পর্ক ছিল । আর এই সম্পর্ক হলো গুরুর, তাদের বাড়ির প্রত্যেক ছেলে মেয়ে ছোটো থেকেই তার কাছে গান শিখেছে।
না দাদা গান শেখা না। বললেন যে শ্রুতির মা আর সালামত ওই অভিশাপ পাওয়া মহিলার মদন্তির বংশধর। তাই জিজ্ঞাসা করেছিলাম এরা কি আত্মীয় নাকি?