হাজবেন্ডের স্কুলে ঘুরাঘুরি ও কিছু ফটোগ্রাফি
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। এবার ঈদে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে অনেক জায়গায় ঘুরতে গিয়েছিলাম।। এবার আগে থেকে হাজবেন্ডকে বলে গিয়েছিলাম যে এবার শ্বশুর বাড়ি গিয়ে বাড়িতে বসে থাকবো না। বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাব। কারণ প্রতিবার দেখা যায় যে আলসেমি করে বের হওয়া হয় না। রেস্ট নিতে নিতে ফিরে আসার সময় হয়ে যায়। প্রথম কয়েকদিন প্রচন্ডরকম গরম ছিল জন্য কোথাও বের হওয়া হয়নি। কিন্তু রোজা শেষ হওয়ার পরপরই গরমটাও বেশ কমে গিয়েছিল। সে জন্যই অনেক জায়গায় ঘুরতে গিয়েছিলাম। যেহেতু বাচ্চাদেরকে বাড়িতে রেখে যেতাম মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে সেজন্য খুব বেশি দূরে যেতাম না। কারণ যদি বাচ্চাটা আবার কান্নাকাটি করে । যদিও তারা বাড়িতে গেলে আমাদের খুব একটা খুঁজে না। কারণ অনেক লোকজন থাকে সারাদিন খেলতে থাকে। আশেপাশে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ আমার হাজবেন্ড বলল যে চলো তোমাকে আমাদের স্কুল দেখিয়ে নিয়ে আসি। যদিও আমার হাসবেন্ড এই স্কুলে ক্লাস সিক্স পর্যন্ত পড়েছে। তারপর সে ঢাকায় চলে এসেছিলো। বাকি পড়ালেখা ঢাকাতেই করেছে। স্কুলটি দেখে বেশ ভালো লাগলো। বিশাল বড় একটি মাঠ সামনে। ঢাকার স্কুলগুলোতে এত বড় মাঠ। পাওয়া বেশ মুশকিল। আমার ছেলেকে একটু সাইডে দিয়েছি জন্য বেশ বড় একটি মাঠ পেয়েছে। এরকম মাঠের জন্য আসলে ওই স্কুলটিতে দেওয়া।
স্কুলটির নাম পীরগাছা জ্ঞানেন্দ্র নারায়ণ সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯২৮ সালে স্কুলটি তৈরি হয়েছে। বেশ পুরনো স্কুলটি। অবশ্য স্কুলের বিল্ডিং গুলো সব নতুন মনে হল।
তাছাড়া নিচের ছবিতে নিশ্চয়ই দেখতে পারছেন যে কত বড় মাঠ। অনেক ছেলেরা দেখলাম যে সেখানে খেলাধুলা করছে।
এই বিল্ডিংটার স্কুলের প্রধান বিল্ডিং মনে হলো। তাছাড়া বেশ বড় বড় কিছু কৃষ্ণচূড়া গাছ ছিলো। এত সুন্দর ফুল ফুটেছিল যে দেখতে খুব ভালো লাগছিল । পুরো গাছ লাল হয়েছিল ফুলে। যদিও নিচ থেকে আমি তেমন ছবি তুলতে পারিনি।
এই বিল্ডিং স্কুলটির লাইব্রেরী। স্কুলে এরকম একটি লাইব্রেরী দেখে বেশ ভালই লাগলো। সব স্কুলে এরকম লাইব্রেরি দেখা যায় না।
আমার হাসবেন্ড এই স্কুলটিতে গিয়েছিলো মূলত পুরনো স্মৃতিগুলো মনে করতে। ঘুরে ঘুরে পুরো স্কুলটি দেখলাম। অনেকেই দেখলাম যে ঈদের ছুটিতে তাদের পুরনো স্কুল দেখতে এসেছে। ছোটবেলার অনেক গল্প শুনলাম আমার হাজবেন্ডের কাছ থেকে। বেশ ভালো লাগছিল মুহূর্তটা। তাই আপনাদের সঙ্গেও শেয়ার করলাম। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | i phone 11 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy
প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে এমন কিছু অনুভূতিসম্পন্ন ও ভালোবাসা মাখানো স্মৃতি থাকে যা চিরকাল নতুন থাকে মানুষের মনের মণিকোঠায়।অনেকদিন পর ভাইয়ার স্কুলে দেখতে গিয়ে অনেক সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন যা দেখে অনেক ভালো লাগলো।পীরগাছা আমাদের পাশ্ববর্তী এলাকা সেজন্য আরও অনেক বেশি ভালো লাগলো আপু আপনার পোস্ট টি।সুন্দর কিছু মুহুর্ত শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
আপনার বাড়িও এদিকে জেনে ভালো লাগলো আপু। ঠিকই বলেছেন কিছু কিছু স্মৃতি আসলেই আবেগপ্রবণ করে তোলে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
যদিও ভাইয়া ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন কিন্তু তারপরও স্কুল জীবনের স্মৃতি গুলো সহজে ভুলা যায় না। এমন সুন্দর যদি খোলামেলা মাঠ থাকে তাহলে খেলাধুলা করতে অনেক ভালো লাগে। আপনি ঠিক বলছেন যদিও অনেক পুরান বিল্ডিং কিন্তু দেখে মনে হচ্ছে যে একদম নতুন। সুন্দর লাগলো চারপাশের পরিবেশটা ঘুরে ঘুরে সব কিছু ফটোগ্রাফির মাধ্যমে দেখালেন ধন্যবাদ আপনাকে।
আমার মনে হয় ওই বিল্ডিংটি পরে নতুন করেছে। স্কুলটি অনেক পুরনো। কিছু কিছু বিল্ডিং নতুন তৈরি করেছে। ধন্যবাদ আপু আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপনার হাসবেন্ড ছোটকালে স্কুলে পড়েছে সেই স্কুলের আপনারা ঘুমাতে গেলেন। যদিও এই স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত সেই পড়ালেখা করেছে। তারপর সে ঢাকাতে চলে গেল। আসলে পুরনো স্কুলের মধ্যে গেলে অনেক স্মৃতি মনে পড়ে যায়। আর ঈদের সময় বাড়িতে গিয়ে আপনি অনেক জায়গায় ঘুরতে গেলেন। তবে আপনার ফটোগ্রাফি দেখে বোঝা যাচ্ছে স্কুলের পরিবেশ অনেক সুন্দর। অনেক সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
আপু স্কুলে কি আর ঘুমানোর জায়গা থাকে?😜। যাইহোক মজা করলাম।
ঠিকই বলেছেন পুরনো স্কুলের স্মৃতি সবার মনেই দাগ কেটে যায়। ধন্যবাদ আপু আপনার মন্তব্যের জন্য।
দুলাভাইদের স্কুলে গিয়ে আপনি খুব সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন এবং সেই স্কুলের বিস্তারিত বর্ণ আমাদের মাঝে খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন নতুন একটি স্থান সম্পর্কে ধারণা পেলাম এবং অনেক কিছু জানতে পারলাম তাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আপু। আশা করি নিত্য নতুন বিষয় আমাদের মাঝে এভাবে শেয়ার করবেন।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্টটি দেখার জন্য এবং সুন্দর মন্তব্য করার জন্য .