কাঁচা আমের জুস
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকে আপনাদের সঙ্গে একটি মজাদার শরবতের রেসিপি শেয়ার করব। সেটি হল কাঁচা আমের শরবত। আমের সিজনে এই শরবত কম বেশি সবাই খেয়ে থাকেন। না খেয়ে উপায় আছে। কারণ ওই সময় অনেক গরম থাকে। গরমের মধ্যে এরকম কাঁচা আমের এক গ্লাস শরবত হলে আর কিছু লাগে না। তাছাড়া খুব সহজেই এই শরবত বানিয়ে ফেলা যায়। এই কাঁচা আমের শরবত আমি অনেকদিন আগে বানিয়েছিলাম। ইচ্ছা করে আগে শেয়ার করিনি। এখন শেয়ার করছি সবাইকে লোভ লাগানোর জন্য। কারণ কাঁচা আম শেষ হয়ে গিয়েছে। এখন চাইলেও কেউ এই শরবত বানাতে পারবে না। আমার নিজেরই লোভ লেগে গিয়েছিল দেখে। মনে হচ্ছিল যে এখন এরকম এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবত পেলে বেশ জমতো। যাইহোক আশা করি রেসিপিটি আপনাদের ভালো লাগবে।
কাঁচা মরিচ
চিনি
লবণ
বিট লবণ
ধনিয়া পাতা
পানি
প্রথমে আমগুলোর খোসা ছাড়িয়ে গ্রেটার দিয়ে ভালোমতো গ্রেট করে নিয়েছি। এর ফলে আমগুলো ব্লেন্ড হতে সুবিধা হবে।
এখন একটি ব্লেন্ডারে আমগুলো দিয়ে দিয়েছি। কাঁচা মরিচ এবং ধনিয়া পাতা দিয়েছি।
তারপর চিনি,লবন এবং বিট লবণ দিয়েছি। সবকিছু দেয়ার পর পরিমাণমতো পানি দিয়ে দিব।
এখন সবকিছু ভালোমতো ব্লেন্ড করে নিব। ব্লেন্ড করা হয়ে গেলে একটি ছাকনি দিয়ে ছেঁকে নিব।
ছাকনি দিয়ে ছেঁকে নেয়ার পর আমার জুস রেডি হয়ে গিয়েছে। ছেঁকে নেয়ার কারণে মুখের মধ্যে আমের কোনো অংশ পরবে না। এতে খেতে ভালো লাগে।
এখন একটি গ্লাসে পরিবেশনের জন্য নিয়েছি। আশা করি আমার আজকের কাঁচা আমের শরবত আপনাদের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | oppo reno5 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy
কাঁচা আমের জুস খেতে আমি অনেক পছন্দ করি।কাঁচা আমের জুসের মধ্যে অন্যরকম একটা মজা পাওয়া যায়। আজকে আপনার তৈরি কাঁচা আমের জুস দেখেই তো আমার খেতে ইচ্ছা করছে। ধন্যবাদ এত সুন্দর ভাবে কাঁচা আমেট জুস তৈরির পদ্ধতি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
আমার তৈরি কাঁচা আমের জুস দেখে আপনার খেতে ইচ্ছা করছে জেনে ভালো লাগলো ভাইয়া। ধন্যবাদ গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।
অসময়ে কাঁচা আমের জুসের লোভ লাগিয়ে দিলেনতো.......এখনি তো খাইতে মন চাচ্ছে এখন কই পাই???
যাইহোক, রেসিপিটা দুর্দান্ত বানিয়েছেন। গরমের দুপুরে এমন এক গ্লাস কাঁচা আমের জুস খেলে দিল টা ঠান্ডা হয়ে যাবে। সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
লোভ লাগার জন্যই তো অসময়ে পোস্টটি শেয়ার করলাম আপু।
আপনার মত আমিও অনেক ক্ষেত্রে পোস্টগুলো এভাবে সংরক্ষণ করে রাখি আর দেরিতে পোস্ট করি যাই হোক মজাদার কাঁচা আমের জুস রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন যেটা আমার কাছে বেশ ইউনিক লেগেছে। পাকা আমের জুসের তো আলাদা একটা টেস্ট থাকে কিন্তু এই কাঁচা আমের জুসের ইউনিক একটা টেস্ট পাওয়া যায়। কিভাবে কাঁচা আমের জুস তৈরি করতে হয় সেটা আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
এমন অনেক পোস্ট গ্যালারিতে রয়ে গিয়েছে। মাঝেমধ্যে ভুলে যাই। যাই হোক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
এমন সময় আপনি কাঁচা আমের জুস তৈরি করে একদমই তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সবাইকে৷ এমন সময়ে এই কাঁচা আমের জুসটি দেখে খুবই ভালো লাগলো৷ এই জুসটি আমার এখনই খেতে ইচ্ছে করছে৷ একই সাথে খুবই ভালো ভাবে এটি তৈরির রেসিপি শেয়ার করেছেন ৷
এখন কাঁচা আমতো পাওয়া যায় না। কেউ আর বানিয়ে খেতে পারবেনা। যাই হোক ভাইয়া ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপনি লোভনীয় একটি রেসিপি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। এখন তো আমের সিজন না। আমের জুস দেখেই জিভে জল চলে আসতেছে। গরমের সময় এক গ্লাস আমের জুস খেলে শরীর অনেক ঠান্ডা হয়ে যায়। আপনি দারুণ একটা রেসিপি শেয়ার করেছেন। আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া এখন আমার সিজন না। সেজন্যই তো দেরিতে শেয়ার করলাম। ধন্যবাদ আপনার গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।
কাঁচা আমের এই জুস তৈরি করেছিলেন অনেকদিন আগেই কিন্তু আজকে আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন এটা জেনে বেশ ভালো লেগেছে আপু। যদি এটা না করতেন তাহলে আমাদের জানা থাকতো না কিভাবে কাঁচা আমের জুস তৈরি করা হয়। তৈরি প্রত্যেকটা ধাপা খুব চমৎকার ভাবে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
আমার রেসিপি দেখে আপনি শিখে নিয়েছেন জেনে ভালো লাগলো ভাইয়া। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনার কাঁচা আমের জুস দেখে তো আমার এখনই খেতে ইচ্ছে করছে। তবে সমস্যা নেই খেতে পারবো না কে বলেছে ।আমি কালকেই বানিয়ে ফেলবো ।আমি কাঁচা আম ডিপে সংরক্ষণ করে রেখেছি এই অফ সিজনে কাঁচা আমের শরবত খাওয়ার জন্য ।ধন্যবাদ আপনার রেসিটি শেয়ার করার জন্য।
লোভ লাগাতে চাইলাম তা তো হলো না। আপনিও কাঁচা আম ডিপে রেখে দিয়েছেন। এখন শরবত খেতে পারবেন। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
এটা করা কিন্তু একেবারেই উচিত হয়নি আপু। কাঁচা আমের জুস দেখিয়ে ভালো করলেন না। আমার তো খুবই লোভ লেগে গিয়েছে আপনার কাঁচা আমের জুসের রেসিপি টা দেখে। এভাবে কাঁচা আমের জুস তৈরি করলে আসলেই খেতে অনেক ভালো লাগে গরমের সময়। এখন যদি এই জুসটা আমাকে দেওয়া হতো তাহলে বেশ খুশি হতাম। তৃপ্তি সহকারে খাওয়া যেত তাহলে।
হাহাহা দেরিতে পোস্ট করা আমার সার্থক তাহলে। লোভ লাগাতে পেরেছি অবশেষে। যাই হোক আগামী সিজনের জন্য অপেক্ষা করেন তাহলে।
আমি তো প্রথমে ভেবেছিলাম এখন তো কাঁচা আমের সিজন না, তাহলে আপনি কিভাবে কাঁচা আম পেয়েছেন। এখন যে পরিমাণ গরম পড়ছে এই সময় যদি কাঁচা আমের জুস তৈরি করে দেওয়া হয় তখন যে কেউ তৃপ্তি সহ খেতে পারবে। আমাকে দিলে তো নিমিষে গ্লাসটা শেষ হয়ে যেত। লোভ লাগিয়ে দিয়ে ভালো করেননি আপনি।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া এই গরমে কাঁচা আমের জুস হলে প্রাণটা জুড়িয়ে যেত। আমার নিজেরই তো লোভ লেগে যাচ্ছে এখন।