আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম একটি রেসিপি নিয়ে। এর আগে বড় সাইজের একটি রুই মাছ নিয়ে এসেছিল । বড় সাইজের রুই মাছগুলো খেতে বেশ ভালোই লাগে। ৩/৪ কেজি ওজনের হবে। এত বড় মাছ প্রতিদিন তো আর একই রকম করে রান্না করলে খেতে ভালো লাগে না। সেজন্য বিভিন্ন রকম ভাবে রান্নার চেষ্টা করি। তাছাড়া আমার বাসায় কচুরমুখি আনলে রান্নার অভাবে নষ্ট হয়ে যায় বেশিরভাগ সময়ই। তাই এইবার ভাবলাম যে কচুরমুখি এবং আলু দিয়ে রুই মাছ রান্না করি। খেতে কেমন লাগবে বুঝতে পারছিলাম না। রান্না করার পরে দেখলাম যে খেতে বেশ মজা লাগছে। তাই ভাবলাম আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করি। আশা করি আপনাদের কাছেও ভালো লাগবে।
প্রথমে হলুদ এবং মরিচের গুড়া দিয়ে মাছগুলো ভালোমতো মাখিয়ে নিয়েছি। তারপর চুলা একটি ফ্রাইপ্যান বসিয়ে দিয়ে তার মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়ে দিয়েছি। তেল গরম হলে মাছগুলো হালকা করে ভেঁজে নিয়েছি।
এখন ওই তেলের মধ্যে পেঁয়াজ এবং মরিচ কুচি দিয়ে হালকা ভেজে নিব। তারপর বাটা মসলা গুলো সব দিয়ে দিব।
বাটা মশলাগুলো একটু নেড়েচেড়ে নিয়ে গুড়া মসলাগুলো সব দিয়ে দেব।
এখন সামান্য একটু পানি দিয়ে মসলাগুলো কষিয়ে নিব। তারপর আলু এবং কচুর মুখিগুলো দিয়ে মসলার সঙ্গে ভালো মতো মিশিয়ে নিব।
আলু এবং কচুর মুখিগুলো সামান্য একটু পানি দিয়ে মসলার সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কষিয়ে নিব। তারপর ভেঁজে রাখা মাছগুলো এর মধ্যে দিয়ে দিব।
মাছগুলো মসলার সঙ্গে ভালো মতো মিশিয়ে নিয়ে পরিমাণ মতো পানি দিয়ে দিব রান্না হওয়ার জন্য। রান্না প্রায় শেষের দিকে। এ পর্যায়ে ধনিয়া পাতা এবং জিরা গুঁড়া দিয়ে আরও কিছুক্ষণ রান্না করব।
ঝোল শুকিয়ে গাঢ় হয়ে আসলে চুলা বন্ধ করে দিব।
এখন একটি বাটিতে পরিবেশনের জন্য উঠিয়ে নিয়েছি। এভাবেই তৈরি হয়ে গেল আমার আজকের রেসিপিটি। আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা আবার নতুন কিছু নিয়ে।
আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি।
আপু আমাদের বাসাই এই রেসিপিটা বেশ কয়েক বার করছে খেতে বেশ ভালোই লাগে। আর রুই মাছটা যদি ৩-৪ কেজি ওজনের হয় তাহলে তো ওই মাছটার স্বাদটাও অনেক ভালো হয়। সুস্বাদু এই রেসিপিতে ধনিয়ার পাতা দেয়ার জন্য স্বাদের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এত সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
৪-৫ কেজি বেশ বড় একটি মাছ। কচুরমুখি আমার খুব একটা পছন্দ না তবে ভর্তাটা আমার ভালো লাগে। প্রতিটা উপাদান এর নাম এবং পরিমাণ টা ভালোভাবে দিয়েছেন। বেশ ভালো রেসিপি ছিল আপু। সুন্দর পরিবেশনা এবং ফটোগ্রাফি ছিল। ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।
কচুমুখী ও আলু দিয়ে রুই মাছের মজাদার রেসিপি দেখেই সুস্বাদু মনে হচ্ছে। আপনি খুবই সুন্দরভাবে ধাপে ধাপে পরিবেশন করলেন।আপনার রেসিপি পরিবেশন দেখে আমি শিখতে পারলাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের মাঝে রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আপু, রুই মাছ খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আর যদি সেটি হয় তিন চার কেজি ওজনের তাহলে সেই মাছের স্বাদ অনেক অনেক বেড়ে যাবে। কচুর মুখি আলু দিয়ে রুই মাছের ঝোল রেসিপি দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। সুস্বাদু এই রেসিপিতে জিরা গুড়া ও ধনিয়ার পাতা দেয়ার জন্য স্বাদের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এত সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
কচুর মুখী আলু দিয়ে রুই মাছের রেসিপি ওয়াও।। রেসিপিটি কমন পড়েছে আমার আজ দুপুরের সাথে।। ঠিক সেম রেসিপি আমি আজ দুপুরে খেলাম।। আপনার প্রস্তুত করার রেসিপিটির কালার দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হবে।। রন্ধন প্রণালী খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।।।
আপনার রেসিপি দেখে লোভে করবো না তা কি করে হয়।। আমার থেকে শতগুণ ভালো রেসিপি আপনি প্রস্তুত করে থাকে। পূর্ব থেকেই দেখে আসছি।।। আপনার প্রস্তুত করা রেসিপি গুলো অনেক সুস্বাদু ও মজাদার হয়ে থাকে প্রতিনিয়ত।।
ঠিকই বলেছেন আপু বড় সাইজের রুই মাছ খেতে অনেক ভালো লাগে। যে কোন বড় মাছ রান্না করলে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়। বড় মাছ দিয়ে কচুর মুখী রান্নার রেসিপিটি দেখতে অনেক লোভনীয় দেখাচ্ছে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে ধাপ গুলো সাজিয়ে উপস্থাপনা করেছেন। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
আপু আমাদের বাসাই এই রেসিপিটা বেশ কয়েক বার করছে খেতে বেশ ভালোই লাগে। আর রুই মাছটা যদি ৩-৪ কেজি ওজনের হয় তাহলে তো ওই মাছটার স্বাদটাও অনেক ভালো হয়। সুস্বাদু এই রেসিপিতে ধনিয়ার পাতা দেয়ার জন্য স্বাদের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এত সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
ধনিয়া পাতা দিলে যে কোন রেসিপি স্বাদ অনেক বেড়ে যায়। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
Hi, @tania69,
Thank you for your contribution to the Steem ecosystem.
Your post was picked for curation by @rex-sumon.
Please consider voting for our witness, setting us as a proxy,
or delegate to @ecosynthesizer to earn 100% of the curation rewards!
3000SP | 4000SP | 5000SP | 10000SP | 100000SP
কচুর মুখি আলু আর রুই মাছ তিনটি আমার খুব প্রিয় খাবার। আপনার রেসিপিটি দেখে তো খুবই লোক করছে খাওয়ার জন্য। দেখে মনে হচ্ছে বেশ মজা হয়েছে।
আপনার তিনটিই পছন্দ জন্যই রেসিপিটি আপনার কাছে এত ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপু আপনার মন্তব্যের জন্য।
৪-৫ কেজি বেশ বড় একটি মাছ। কচুরমুখি আমার খুব একটা পছন্দ না তবে ভর্তাটা আমার ভালো লাগে। প্রতিটা উপাদান এর নাম এবং পরিমাণ টা ভালোভাবে দিয়েছেন। বেশ ভালো রেসিপি ছিল আপু। সুন্দর পরিবেশনা এবং ফটোগ্রাফি ছিল। ধন্যবাদ আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।
আমার হাসবেন্ড ছোট রুই মাছ একদমই পছন্দ করে না। এজন্য যখনই আনে বড় সাইজের টাই আনে। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
কচুমুখী ও আলু দিয়ে রুই মাছের মজাদার রেসিপি দেখেই সুস্বাদু মনে হচ্ছে। আপনি খুবই সুন্দরভাবে ধাপে ধাপে পরিবেশন করলেন।আপনার রেসিপি পরিবেশন দেখে আমি শিখতে পারলাম। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের মাঝে রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
আমার রুই মাছের রেসিপির পরিবেশনা দেখে আপনি শিখতে পেরেছেন জেনে ভালো লাগলো ভাইয়া। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
কচুরমুখি আমার পছন্দের একটি খাবার কিন্তু এলার্জির জন্য খেতে পারিনা।আপনাকে ধন্যবাদ মজাদার রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
কচুর মুখিতে এলার্জি হয় জানা ছিল না। জানানোর জন্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে।
আপু, রুই মাছ খেতে আমার কাছে খুবই ভালো লাগে। আর যদি সেটি হয় তিন চার কেজি ওজনের তাহলে সেই মাছের স্বাদ অনেক অনেক বেড়ে যাবে। কচুর মুখি আলু দিয়ে রুই মাছের ঝোল রেসিপি দেখতে খুবই লোভনীয় লাগছে। সুস্বাদু এই রেসিপিতে জিরা গুড়া ও ধনিয়ার পাতা দেয়ার জন্য স্বাদের পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। এত সুস্বাদু একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া ছোট রুই মাছের থেকে বড় সাইজের রুই মাছ খেতে বেশি সুস্বাদু হয়। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
কচুর মুখী আলু দিয়ে রুই মাছের রেসিপি ওয়াও।। রেসিপিটি কমন পড়েছে আমার আজ দুপুরের সাথে।। ঠিক সেম রেসিপি আমি আজ দুপুরে খেলাম।। আপনার প্রস্তুত করার রেসিপিটির কালার দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে খুবই সুস্বাদু হবে।। রন্ধন প্রণালী খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন শুভেচ্ছা রইল আপনার জন্য।।।
আমার রেসিপিটি আপনার রেসিপি সাথে মিলে গিয়েছে জেনে ভালো লাগলো। যাইহোক তাহলে আমার রেসিপিটি দেখে আর লোভ লাগেনি আপনার।
আপনার রেসিপি দেখে লোভে করবো না তা কি করে হয়।। আমার থেকে শতগুণ ভালো রেসিপি আপনি প্রস্তুত করে থাকে। পূর্ব থেকেই দেখে আসছি।।। আপনার প্রস্তুত করা রেসিপি গুলো অনেক সুস্বাদু ও মজাদার হয়ে থাকে প্রতিনিয়ত।।
ঠিকই বলেছেন আপু বড় সাইজের রুই মাছ খেতে অনেক ভালো লাগে। যে কোন বড় মাছ রান্না করলে খেতে অনেক সুস্বাদু হয়। বড় মাছ দিয়ে কচুর মুখী রান্নার রেসিপিটি দেখতে অনেক লোভনীয় দেখাচ্ছে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে ধাপ গুলো সাজিয়ে উপস্থাপনা করেছেন। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য।
আমার কচুর মুখি দিয়ে রুই মাছ রান্না আপনার কাছে লোভনীয় লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।