ইন্ডিয়া ঘুরতে যাওয়ার প্রিপারেশন
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও ভালো আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। জীবনের গাড়িকে চালানোর জন্য মাঝেমধ্যে একটু রিলাক্সের দরকার হয়। সেজন্য এদিক সেদিক ঘুরতে যেতে হয়। আগে বেশ কয়েকবার ইন্ডিয়া ঘুরতে গিয়েছি। করোনোর পরে আর যাওয়া হয়নি। তাছাড়া ছোট জন বেশি ছোট ছিলো। এত ছোট বাচ্চা নিয়ে ঘুরতে গিয়ে আরাম পাওয়া যায় না। পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিলো। তাই পাসপোর্ট রিনিউ করে ভিসা লাগালাম। এখন ইন্ডিয়া যাওয়ার প্রিপারেশন নিচ্ছি। প্রথমে ভেবেছিলাম যে গিয়ে এক সপ্তাহ থাকবো। কিন্তু ট্রেনের সিডিউল দেখে প্লান চেঞ্জ করতে হয়েছে। হয় ৫ দিন থাকতে হবে না হলে সে ১০ দিন। প্রথমে ৫ দিনের কথাই চিন্তা করেছিলাম। পরে দেখলাম যে ৫ দিন কম হয়ে যায়। দশ দিন হলে আরাম করে ঘোরা যাবে। বাচ্চাদের নিয়ে তাড়াহুড়া করে ঘুরা খুবই কষ্টকর।
কোথাও ঘুরতে যাওয়ার আগে টুকটাক্ কেনাকাটাতো থাকে। আমরা এবার সিকিম দার্জিলিংয়ের দিকে যাচ্ছি। সিকিমে ঠান্ডা থাকে সেজন্য ঠান্ডার প্রিপারেশন নিয়ে যেতে হবে। যেহেতু বাচ্চাদের কাপড় চোপড় ছোট হয়ে যায় তাই শীতের কাপড়-চোপড় কেনার জন্য গিয়েছিলাম বারিধারার অনন্যা সুপার মার্কেটে। এখানে এক্সপোর্ট এর বেশ ভালো ভালো গেঞ্জি পাওয়া যায়। তাছাড়া এই গরমের সময় ফুল হাতার গেঞ্জি, ট্রাউজার ভালো পাওয়া যায় না। তাছাড়া শীত আসতে অনেক দেরি আছে।
প্রথমে গিয়ে দুই বাচ্চার জন্য বেশ কিছু গেঞ্জি ট্রাউজার কেনা হলো। তারপর আমার হাসবেন্ড ও বেশ কিছু গেঞ্জি ট্রাউজার কিনলো। আমার একটি জ্যাকেট কেনার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু সব ভারী জ্যাকেট। এত ভারী জ্যাকেট কিনতে চাচ্ছিলাম না। কারণ ঢাকাতে তেমন শীত পড়ে না। হালকা একটা জ্যাকেট কেনার জন্য খুজলাম। কিন্তু শীতের টাইম ছাড়া তেমন ভালো জ্যাকেটে পেলাম না। তাই আর কেনা হলো না। পরে আবার খুঁজতে হবে। হাতে বেশি সময় ও নেই।
আমরা সকালের দিকে গিয়েছিলাম। তাই কেনাকাটা করতে করতে দুপুর হয়ে গিয়েছিলো। বাচ্চাদের ক্ষুধা লেগে গিয়েছিলো। অনেকদিন হলো বিভিন্ন ধরনের ভর্তা দিয়ে ভাত খাওয়া হয়না তাই নিচের দোকানে ভর্তা ভাত খাবার জন্য চলে গেলাম। বাচ্চারা চিকেন ফ্রাই, ফ্রাইড রাইস এবং রোস্ট দিয়ে খেলো। আর আমরা বিভিন্ন ধরনের ভর্তা দিয়ে খেলাম। প্রচন্ড রকম ক্ষুদা লেগেছিলো এজন্য সব খাবারের ছবি তোলা হয়নি।
বেশ কয়েক রকমের ভর্তা দিয়ে ভাত খেতে বেশ মজাই লেগেছিলো। এই ছিল আমার আজকের আয়োজন। আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | i phone11 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy
আপু আপনারা আবার ইন্ডিয়া ঘুরতে যাচ্ছেন জেনে বেশ ভালো লাগলো। আসলে মাঝে মাঝে সবারই চেঞ্জ এর প্রয়োজন হয় ।ঘুরে আসলে মন ও বেশ ভালো থাকে ।তবে আপনার ভর্তার খাবার গুলো আমার কাছে ভীষণ লোভনীয় লেগেছে ।দেখে কিন্তু খেতে ইচ্ছে করছে। ধন্যবাদ আপনাকে।
সব সময় ঘরে থাকতে থাকতে আর ভালো লাগেনা। এই জন্য মাঝেমধ্যে ঘুরতে যাওয়া দরকার। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
এই সময়ে শীতের কাপড় পাওয়াটাও টাফ! যা আছে মার্কেটে তা হয়তো আগের বছরের মেবি। তবে আপনারা ঘুরতে সিকিমের দিকে দার্জিলিং যাবেন শুনে ভালো লাগলো। প্রকৃতিক সৌন্দর্য খুব কাছ থেকে উপভোগ করতে পারবেন।
একদম ঠিক বলেছেন ভাইয়া বেশ কয়েকটি মার্কেট ঘুরেও মন মত শীতের কাপড় পেলাম না।
আপু কলকাতা যাবেন।আর সেখান থেকে সিকিম যাবেন।সেখানকার ওয়েদার ঠান্ডা তাই বাচ্চাদের জন্য শীতের কাপড় কিছু কেনাকাটা করছেন।এটা ঠিকই বলেছেন বাচ্চাদের কাপড় খুব তাড়াতাড়ি ই ছোট হয়ে যায়। তবে শীতের দিন ছাড়া মার্কেটগুলোতে শীতের কাপড় তেমন পাওয়া যায় না। কেনাকাটা করতে করতে ক্ষুধা পেয়ে গেলো তাই খেতে চলে গেলেন।আপনার তোলা ভর্তার ফটোগ্রাফি দেখে বেশ লোভনীয় লাগলো।ধন্যবাদ আপু অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।
না আপু এবার আর কলকাতায় যাচ্ছি না। সরাসরি ঢাকা থেকে শিলিগুড়ি হয়ে সিকিম যাব। কলকাতা হয়ে গেলে অনেক বেশি ঘুরতে হয়। ভর্তা ভাত খেতে আসলেই বেশ মজা লেগেছিল। ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে আপু প্রতিটি কাজের জন্যই একটা প্রেপারেশন নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি ইন্ডিয়ায় ঘুরতে যাবেন জেনে ভালো লাগলো। আসলে মাঝে মধ্যে ভ্রমণ করা খুবই ভালো। তবে আপনার ঘুরতে যাওয়ার প্রেপারেশন দেখে খুবই ভালো লাগলো। আপনার যাত্রা শুভ হোক এই প্রত্যাশাই করি। আপনার জন্য শুভকামনা রইল আপু।
ঘুরতে যাওয়ার আগে বেশ প্রিপারেশন নিতে হয়। কারণ বিভিন্ন ধরনের কাপড় চোপড় কিনতে হয়। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
আহা। শীতের পোশাক দেখেই শীত শীত লাগছে।
আপনার আগামী ভ্রমণের জন্য শুভকামনা রইলো।
শীত আমার একদমই ভালো লাগেনা। তারপরও ঘুরতে যাব জন্য ভালই লাগছে। ধন্যবাদ ভাইয়া মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
সিক্কিম খুবই সুন্দর জায়গা ভ্রমণের জন্য। ভালো হয়েছে ১০ দিনের প্ল্যান করেছেন। এতে বাচ্চা নিয়ে বেশ ভালোভাবেই জায়গাগুলো ঘুরতে পারবেন। কবে নাগাদ যাওয়ার প্ল্যান আপু? সবসময় তো সিক্কিম ট্রাভেলার দের জন্য খোলা থাকে না। টুরিস্ট সিজন টাইম আসতে এখনো মাস দুয়েক দেরি মনে হয়...
আমরা ২১ তারিখে যাব ইনশাল্লাহ। এখন ট্রাভেলারদের জন্য খোলা সিকিম সেজন্যই যাওয়ার প্লান করেছি। পিক সিজনে গেলে অনেক বেশি ভিড় থাকে। এজন্যই আগে যাচ্ছি।
শুভকামনা রইলো আপু। যেন ভালো ভাবে সবগুলো স্পট ঘুরে দেখতে পারেন।