হঠাৎ রেস্টুরেন্টে ভর্তা ভাত খাওয়া
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। বাচ্চাদের নিয়ে এই এক সমস্যা শীত আসলে শীতের নতুন জামা কাপড় কিনতে হয়। আবার গরম আসলে শীতের কাপড় উঠিয়ে রেখে গরম জামা কাপড় কিনতে হয়। কিন্তু পরের বছর শীত আসতে আসতে সেই কাপড় আবার ছোট হয়ে যায়। গরম জামা কাপড়ের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। এজন্য প্রতিবছর শীত এবং গরম আসার শুরুতেই অনেকগুলো করে জামাকাপড় কিনতে হয়। বেশ কিছুদিন আগে বাচ্চাদের জন্য জামা কাপড় কিনতে বারিধারা অনন্যা মার্কেটে গিয়েছিলাম। এখানে বাচ্চাদের জন্য এক্সপোর্ট কোয়ালিটির ভালো জামা কাপড় পাওয়া যায়। তাছাড়া আমার বাসায় পড়ার কাপড় এবং আমার হাজবেন্ডের কাপড়ও এখান থেকে প্রায় কেনা হয়। আমরা সকালের দিকে বাসা থেকে গিয়েছিলাম। গিয়ে সবার কাপড় চোপড় কেনা শেষ হতে হতে প্রায় দুপুর পার হয়ে যাচ্ছিল। আগেই বলেছি বাচ্চারা বাইরে গেলেই তাদের ক্ষুধা লেগে যায়। দুপুরের সময় প্রচন্ড রকম ক্ষুদা লেগে গিয়েছিল । এখন বাসায় আসতে আসতে দেরি হয়ে যাবে জন্য ওই মার্কেটের নিচে থেকেই খাওয়া দাওয়া করে নিয়েছি সব সময় চিকেন ফ্রাই, বিরিয়ানি, ফ্রাইড রাইস এই টাইপের খাবার বেশি খাওয়া হয়। সেদিন কেন যেন গরমের মধ্যে এগুলো খেতে ইচ্ছা করছিল না। তাই হাজবেন্ডকে বললাম যে আমি ভর্তা ভাত খাব। তারপর খুঁজে খুঁজে এমন একটি রেস্টুরেন্ট বের করলাম।
বেশ সাজানো-গোছানো ছিল এবং প্রচুর মানুষের ভিড়। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের ভর্তার আইটেম ছিল। আমরা যেতে যেতে বেশিরভাগ আইটেমই শেষ হয়ে গিয়েছে। বাচ্চারা তো আর ভর্তা ভাত খাবে না। এখানে ফ্রাইড রাইস এবং চিকেন ফ্রাইও ছিল। তাই বাচ্চাদের জন্য ফ্রাইড রাইস, চিকেন ফ্রাই আর আমাদের জন্য ভর্তা এবং ছোট মাছ অর্ডার করলাম।
মানুষের ভিড় ছিল জন্য আমরা এক কর্নারের টেবিলে গিয়ে বসলাম। রেস্টুরেন্টটি বিভিন্ন ধরনের আর্টিফিশিয়াল ফুল দিয়ে সাজানো ছিল। দেখতে বেশ ভালই লাগছিল।
আমরা যেতে যেতে মাত্র তিন আইটেমের ভর্তা ছিল আলু, বেগুন এবং শুটকি মাছের ভর্তা। তাই এই তিন রকমের ভর্তাই অর্ডার দিয়েছিলাম। সাথে ডাল এবং ছোট মাছের আইটেম ছিল। সেগুলোর ছবি তুলতে ভুলে গিয়েছি। আর সাথে বাচ্চাদের জন্য একটি সেট মেনু অর্ডার দিয়েছিলাম। এতে ভেজিটেবল, ফ্রাইড রাইস এবং চিকেন ফ্রাই ছিল। সব সময় মাছ, মাংস খেতে ভালো লাগে না। মাঝেমধ্যে এরকম ভর্তা ভাত হলে সেদিনই খাওয়া বেশি হয়ে যায়। বেশ মজা করে খেয়েছিলাম। খাবারগুলো বেশ মজাদার ছিল।
খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বাচ্চারা কোল্ড ড্রিংকস খেলো। তারপর আমরা বাসায় চলে আসলাম। এই ছিল আমার আজকের আয়োজন। আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | oppo reno5 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy
অনেক মজাদার একটি পোস্ট আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।হঠাৎ রেস্টুরেন্টে ভর্তা ভাত খাওয়া আলু, বেগুন এবং শুটকি মাছের ভর্তা। এই তিনটি ভর্তা খেতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। বিশেষ করে বেগুন ভর্তা খেতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে রুটির সাথে ধন্যবাদ।
আসলেই যেকোনো ধরনের ভর্তা দিয়ে ভাত খেতে খুবই ভালো লাগে। এই তিন ধরনের ভর্তা দিয়ে খেতে খুবই ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটা বেশি হয়, জামা কাপড় এক সিজনে পড়ানোর পর পরবর্তী সিজনে আর লাগে না। তাই আমার মতে রেগুলার ব্যবহারের জন্য খুব গর্জিয়াস না কিনে মোটামুটি কেনাটাই ভাল। আপনারা টেস্ট পরিবর্তন করে ভর্তা দিয়ে খেয়েছেন এটা ভাল করেছেন। সবসময় একই খাবার খেতে ভালো লাগে না। বাচ্চাদের জন্য সেট মেন্যু পেয়েছেন ভালো হয়েছে না হলে আবার তাদের খাবার খেতে সমস্যা হয়ে যেত। বাংলা খাবারের রেস্টুরেন্ট হিসেবে ভালোভাবেই সাজিয়ে রেখেছে। ভর্তার কালার দেখেই মনে হচ্ছে ভালো হয়েছে । ধন্যবাদ আপু।
প্রতি সিজনে এই এক ঝামেলা হয়। জামা কাপড় ছোট হয়ে যায়। যাই হোক পোস্টটি পরে সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
বেশিদিন পড়তে পারে না এই চিন্তা করে মেয়ের জুতা এক সাইজ বড় এনেছি এখন আবার পায়ে লাগছে না। রেখে দিয়েছি কিছুদিন পরে পড়ার জন্য, হা হা হা।
ঠিক বলেছেন আপু, জামাকাপড় নিয়ে এরকম সমস্যা হয়। বিশেষ করে ছোটদের এই সমস্যাটা বেশি হয়ে থাকে। কারণ তাদের খুব তাড়াতাড়ি শরীরে পরিবর্তন আসে। সুস্বাদু কিছু ভর্তা অর্ডার করেছেন আপনারা। তিনটি ভর্তাই আমার খুব পছন্দের। আসলে মাঝে মাঝে এরকম টেস্ট পরিবর্তন করা উচিত। আপনাদের মুহূর্তগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লাগলো।
আসলেই ভর্তা গুলো সুস্বাদু ছিলো। ধন্যবাদ গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য।
এক্সপোর্ট এর জামা কাপড় গুলো পড়ে সত্যি খুব আরাম পাওয়া যায় আপু। আমিও ম্যাক্সিমাম টাইম এই ধরনের জামা প্যান্ট বেশি কিনে থাকি। আর সব সময় চাইনিজ খাবার আমার একদম ভালো লাগে না। ওই সব খাওয়ার থেকে এরকম ভর্তা ভাত খেলেই যেন বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। তবে আপনার ভর্তাগুলো দেখে ভীষণ ভয় করছিল, অসম্ভব রকমের ঝাল ছিল বোধয়, তাই নাহ্ আপু?
আমার বাচ্চারা আর বাচ্চার বাবা সবসময় এক্সপোর্টেরই গেঞ্জি প্যান্ট পরে এই আরামের জন্য। ভর্তাগুলো বেশি ঝাল ছিলো না। ধন্যবাদ।