আবার নিজের গন্ডিতে ফেরা
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আপনারা হয়তো দেখেছেন যে কিছুদিন আগে ফরিদপুরে গিয়েছিলাম। সেখানে বেশ কয়েকদিন ছিলাম। আমার দুলাভাই লন্ডন থেকে এসেছিলো। সে ও ফরিদপুর গিয়েছিল। তাছাড়া আমি, তৌহিদা আপু এবং সুমা আপু একসঙ্গে ছিলাম এই কয়দিন। খুবই মজা করেছিলাম। অনেক দিন এভাবে বোনেরা একসঙ্গে থাকা হয় না। তাই সবাই একসঙ্গে হয়ে খুব ভালো লেগেছিল। তাছাড়া বড় আপুকে(তানজিরা) মিস করছিলাম। অবশেষে আমাদের ঢাকায় ফিরে আসার সময় হয়ে গেছে। যদিও তৌহিদা আপু থেকে গিয়েছে। আমি আর ও একসঙ্গে গিয়েছিলাম। ওর ছেলেকে এখনও স্কুলে ভর্তি করেনি। তাই স্কুলের ঝামেলা নেই ওর। আমার বড় ছেলের স্কুল খুলে যাওয়াতে আমি চলে এসেছি। আসার পথে কিছু ছবি তুলেছি। সেই ছবিগুলো আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করছি। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
যাওয়ার সময় সেতু তেমন ভালোমতো দেখতে পারিনি। কারণ ঘুমিয়ে গিয়েছিলাম। এবার আসার সময় দেখতে দেখতে আসলাম। সেতুর আগের রাস্তাটা এত চমৎকার ছিল যে মুগ্ধ হয়ে দেখার মত। দেখলে মনে হয় যে বিদেশের কোন রাস্তা দিয়ে যাচ্ছি। আমাদের দেশের রাস্তা মনেই হয় না। আর এই পদ্মা সেতু হওয়ার কারণে ফরিদপুর থেকে ঢাকা আসতে মাত্র দুই ঘন্টা সময় লাগে। আমি ফরিদপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে ১২:১০-এ বাসে উঠেছি এবং ২:২০ এ গুলিস্তান নেমেছি। আমার হাসবেন্ড আগে থেকেই গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করছিল। বাস থেকে নেমেই গাড়িতে উঠে বাসায় চলে এসেছি।
সেতুতে ওঠার ঠিক আগ মুহূর্তের রাস্তার মাঝখান দিয়ে চমৎকার কিছু ফুল গাছ লাগানো ছিল এবং ফুলও ফুটেছিল। দেখতে খুব ভাল লাগছিলো। ছবিতে নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পারছেন কত সুন্দর ছিল ফুলগুলোও। চলন্ত গাড়ি হওয়ার কারণে ছবি তেমন ভালো আসেনি। আবার গাড়ি অনেক জোরে চলছিল।
রাস্তায় আসার সময় সাদা একটি মসজিদ দেখতে পেলাম। এত সুন্দর ছিল মসজিদটা। সাদা ধবধবে এবং ডিজাইনটিও খুব ভালো লেগেছিল আমার কাছে। তাই ঝটপট ছবি তুলে নিয়েছি।
দূরে যে নীল লাইন টা দেখতে পাচ্ছেন সেটা ট্রেনের লাইন। ট্রেনের লাইন এখনো চালু হয়নি কাজ চলছিল।
এই ছবিটি তুলেছি সেতু পার হয়ে আসার পরে। টোল প্লাজা সামনে।
অনেকদিন পর বাবাকে দেখে ছেলেরা তো খুবই খুশি। তারপর শুরু হলো তাদের ক্ষুদার জন্য চিল্লাচিল্লি। বাসায় গিয়ে রান্না করতে অনেক সময় লেগে যাবে। সেজন্য যাওয়ার আগে রেস্টুরেন্ট থেকে খেয়ে গেলাম।
এই ছিল আমার আজকের আয়োজন । আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে আবার দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | oppo reno5 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
বেশ ভালই কেটেছিল দিনগুলি। দেখতে দেখতে কিভাবে সময় চলে যায় বোঝাই যায় না ।ফটোগ্রাফি গুলো ভালো ছিল ।এই পোস্টের মাধ্যমে পদ্মা সেতু দেখতে পেলাম ।যদিও এখন পর্যন্ত সামনা সামনি দেখার সুযোগ হয়নি। তবে আমার কাছে সব থেকে বেশি ভালো লেগেছে মসজিদের ছবিটি। সাদা ধবধবে খুবই চমৎকার লাগছিল দেখতে। বাচ্চারা অনেকদিন পর বাবাকে দেখতে পেলে সত্যি অনেক আনন্দিত হয় । খাবারটা বেশ ভালই ছিল মনে হচ্ছে। ধন্যবাদ।
সময় যে কত দ্রুত যায় বোঝা যায় না। সেদিন গেলাম আর দেখতে দেখতে ফেরার সময় হয়ে গেল। যাইহোক আল্লাহ চাইলে আবারও সবাই একসঙ্গে হতে পারব। তখন অনেক মজা করব।
মসজিদটা দেখার সঙ্গে সঙ্গে আমার এত ভালো লেগেছে যে ঝটপট করে ছবি তুলে ফেলেছি।
আপনি আমাদেরকে রেখে একাই চলে গেলেন এখন তো আর আমাদের ভালো লাগছে না খালি খালি লাগছে আপনাকে খুব মিস করছি ও বাচ্চাদেরও খুব মিস করছি। এবার তো দেখছি পদ্মা সেতু খুব ভালো মতো উপভোগ করেছেন ছবিগুলো খুব সুন্দর তুলেছেন। পদ্মার এই পারের দৃশ্যগুলো মনে হয় বেশি ভালো লাগে ফুলগুলো অনেক সুন্দর লাগছে। আমিও ইনশাআল্লাহ যাওয়ার দিন ভালোমতো রাস্তাটাকে উপভোগ করব আশা রাখছি। যাক বাইরে থেকে বাচ্চাদেরকে নিয়ে খেয়ে গিয়েছেন তাহলে বাসায় গিয়ে আপনার রান্নার ঝামেলা রইলো না।
আসার পর থেকেই রান্নাবান্না নিয়ে ব্যস্ত আছি এজন্য আর ভালোভাবে মিস করার সুযোগ হচ্ছে না। আসার সময় না ঘুমালে রাস্তাটা সুন্দর উপভোগ করতে পারবেন। খুব সুন্দর ।
এজন্য তৌহিদা আপু নিচিন্তে থাকতে পারলো। চারিদিকে তো দেখি ছেলমেয়েদের স্কুলের জন্যই বাবা মায়েরা কোথাও থাকতে পারে না। যাএা পথে ফটোগ্রাফি গুলো বেশ দারুণ ছিল আপু। বিশেষ করে ঐ সাদা মসজিদ টা।।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে আমার পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দেখার জন্য সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আসলে আপু আপনাদের সব বোনদেরকে আমার অনেক ভালো লাগে। সবাই মিলে একসাথে একত্র হয়েছেন এটা দেখে আরো ভালো লাগলো। শুধুমাত্র তানজিরা আপুকে মিস। আসলেই যাদের ছেলেমেয়েদেরকে এখনো স্কুলে দেওয়া হয়নি তারা কিন্তু এখনো কিছুটা ফ্রি আছে। কারণ স্কুলে দিলে এরপর থেকে আর বেশি কোথাও ইচ্ছামত থাকা যায় না। আসার সময় বেশী সুন্দর কিছু ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনি তো সেতুর সৌন্দর্যটা উপভোগ করলেন। যদিও আমার এখনো দেখা হয়নি।
ছেলে মেয়েদের স্কুল শুরু হয়ে গেলে আর স্বাধীনভাবে ঘোরা যায় না। বাচ্চাকাচ্চার স্কুলের উপর নির্ভর করে ঘোরাঘুরি। যাই হোক আপু ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
দৌড়াদৌড়ি আবার শুরু হবে তাহলে এবার। অনেকদিন পর সব বোন গুলো যখন একসাথে হয় ভীষণ মজা করে সময় কাটে,, আমার মা মাসিদের দেখেছি এমন। আর পদ্মা সেতুতে ওঠার আগে এবং পরে উভয় পাশের রাস্তাটা এক কথায় ফাটাফাটি। পুরো বাংলাদেশের রাস্তাটা যদি এরকম হতো তাহলে দেশটাই হয়তো বদলে যেত। আচ্ছা আপু পদ্মা সেতু দিয়ে পার হওয়ার সময় যে অনুভূতি আর যমুনা সেতু দিয়ে পার হওয়ার সময় যে অনুভূতি হয় এই দুইটার মাঝে পার্থক্যটা কেমন আসলে?😀,, সত্যিই কি কোন পার্থক্য খুঁজে পেয়েছেন ?
পদ্মা সেতু হলো বাবার বাড়ি। আর যমুনা সেতু হলো শ্বশুরবাড়ি। এখন আপনি বুঝে নেন যে বাবার বাড়ি শ্বশুরবাড়ির পার্থক্য কেমন হয়😝😜।
আনসার অফ দা ইয়ার 🙏🙏🙏🙏🙏🙏
আপু অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছেন সব বোনেরা একসাথে হয়ে ৷ অনেক দিন পর একসাথে দেখা হওয়া , একসাথে সময় কাটানো বেশ মজার হয় ৷ ফেরার পথে অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফিও করেছেন ৷ ফটোগ্রাফি গুলো অনেক সুন্দর হয়েছে ৷ ধন্যবাদ আপনাকে আপনার কাটানো সুন্দর মুহূর্ত গুলি আমাদের মাঝে সুন্দর ভাবে তুলে ধরার জন্য ৷
জি ভাইয়া বোনেরা মিলে অনেক ভালো সময় কাটিয়েছিলাম দীর্ঘ অনেকদিন পর। আসলেই এখন অনেক মিস করছি সেই সময় গুলোকে।