পটলের রেসিপি

in আমার বাংলা ব্লগ3 years ago

আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।


আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।


আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আজকে আপনাদের সঙ্গে একটি রেসিপি শেয়ার করব পটলের ভুনা বা দোরমা। এটিকে দোরমা বলা যায় কিনা আমার জানা নেই।দোরমা কিছুটা অন্যরকম ভাবে রান্না করা হয়। যাই হোক ফ্রিজে বেশ কিছু পটল ছিল। পটল আমার কাছে খেতে তেমন একটা ভালো লাগে না। শুধু ভর্তা করে খেতেই ভালো লাগে । যেহেতু বাসায় চিংড়ি এবং টাকি মাছ ছিল না তাই পটলগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। কি করব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ মনে হলো যে এভাবে রান্না করি। ছোটবেলায় আম্মাকে দেখেছি এভাবে রান্না করতে। পোলাউয়ের সঙ্গে খেতে খুবই ভালো লাগতো। তাই আমিও ঝটপট রান্না করে ফেললাম। খেতে কিন্তু সুস্বাদু হয়েছিল। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।


IMG20230512110421.jpg




পটল
পিঁয়াজ
কাঁচামরিচ
পিঁয়াজ বাটা
আদা বাটা
রসুন বাটা
হলুদের গুড়া
মরিচের গুঁড়া
ধনিয়া গুঁড়া
লবণ
সরিষার তেল


PhotoCollageMaker_20230528_100426645.jpg



প্রথমে পটলগুলোকে গোল গোল করে কেটে হলুদ এবং লবণ দিয়ে ভালোমতো মাখিয়ে নিয়েছি।


IMG20230512103536.jpgIMG20230512103548.jpg

তারপর চুলায় একটি ফ্রাইপ্যান বসিয়ে দিয়ে তার মধ্যে পরিমাণ মতো তেল দিয়েছি। তারপর পটলগুলো দিয়ে দুই পাশ ভালো মতো ভেঁজে একটি পাত্রে উঠিয়ে রেখেছি।


IMG20230512104425.jpgIMG20230512104727.jpg

IMG20230512105236.jpg


ওই তেলের মধ্যে আরো কিছু তেল দিয়ে পিঁয়াজ এবং মরিচ কুচি দিয়ে দিয়েছি।পিঁয়াজ এবং মরিচ ভেঁজে নিয়ে বাটা মসলাগুলো দিয়ে দিয়েছি।


IMG20230512104948.jpgIMG20230512105300.jpg

বাটা মসলাগুলো দিয়ে ভালোমতো কষিয়ে নিয়ে গুঁড়া মসলাগুলো দিয়ে দিয়েছি। তারপর সামান্য একটু পানি দিয়ে মসলাগুলো ভালোমতো বেশ কিছুক্ষণ কষিয়ে নিয়েছি।


IMG20230512105353.jpgIMG20230512105424.jpg

মসলাগুলো ভালোমতো কষানো হয়ে গেলে ভেঁজে রাখা পটলগুলো দিয়ে মসলার সঙ্গে ভালোমতো মিশিয়ে নিয়েছি। তারপর পরিমাণ মতো পানি দিয়েছি পুরোপুরি রান্না হওয়ার জন্য।


IMG20230512105640.jpgIMG20230512105814.jpg

ঝোল শুকিয়ে গেলে চুলা বন্ধ করে দিয়েছি।


IMG20230512110339.jpg


IMG20230512110420.jpg


এখন একটি বাটিতে পরিবেশনের জন্য উঠিয়ে নিয়েছি। আশা করি আমার আজকের রেসিপি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।


ধন্যবাদ

@tania

Photographer@tania
Phoneoppo reno5
আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি।

animasi-bergerak-terima-kasih-0078.gif

IMG_20220106_113311.png

7258xSVeJbKkzXhyseBP4PYz11eBDT8sW2oR1a4vfVFS6JTrGU8e1FPUaNdHG5vjXyg2xthV78bDEmEVvKCQpyzX1kq8gAVzGsPp9GqJVRWxb6T9y35PZmQehnLjELdKKmnhdxQjDuny4.png


VOTE @bangla.witness as witness witness_proxy_vote.png OR SET @rme as your proxy

witness_vote.png

Sort:  
 3 years ago 

পটলের রেসিপি খুবই দুর্দান্ত হয়েছে । আপনার রন্ধন প্রক্রিয়া খুবই অসাধারণ হয়েছে। প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ চমৎকার ভাবে পরিমাণ মতো প্রয়োগ করেছেন। দেখে খেতে খুব ইচ্ছে করতেছে। আমাদের মাঝে সুন্দর করে রন্ধন প্রক্রিয়া উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

 3 years ago 

আমার বন্ধন প্রক্রিয়া আপনার কাছে ভালো লাগে জেনে খুশি হলাম ভাইয়া। আপনিও বাসায় এভাবে রান্না করে খেতে পারেন। ভালো লাগবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

মজাদার পুটল রেসিপি দেখে খেতে ইচ্ছা করছে। এত সুস্বাদু রেসিপি ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। এই রেসিপিটা দেখে আমি শিখে নিলাম পরবর্তীতে তৈরি করব ইনশাআল্লাহ।

 3 years ago 

ভাইয়া আমার রেসিপি দেখে আপনিও বাসায় রান্না করে খেতে পারেন। ভালো লাগবে আশা করি। ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

আপু পটলের রেসিপি খেতে আমার অনেক বেশি ভালো লাগে। কিন্তু আপনার পটলের রেসিপি দেখে তো আমার জিভে জল চলে এসেছে খুব খেতে ইচ্ছে করছে। প্রতিটি ধাপে ধাপে আপনি চমৎকারভাবে পটলের রেসিপি প্রক্রিয়াটি আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করেছেন। এই গরমে অনেক সুন্দর ভাবে রেসিপিটি তৈরি করেছেন অসংখ্য ধন্যবাদ।

 3 years ago 

পটলের রেসিপি আমার কাছে একদমই ভালো লাগে না। কিন্তু এভাবে রান্না করে করলে খেতে খুবই ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্য করার জন্য।

 3 years ago 

পটল রান্না করার থেকো পটল ভাজে খেতে খুবই ভালো লাগে। আপনি খুব সুন্দর ভাবে পটলের রেসিপি তৈরি করেছেন। রান্নার প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপন করেছেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।

 3 years ago 

পটল ভাজা আমার কাছে তেমন একটা ভালো লাগে না। কিন্তু অনেককেই খেতে দেখে ভালো লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার মন্তব্যের জন্য।

 3 years ago 

মাছ ছাড়া পটল এতো মজা করে রান্না করা যায় সেটা জানা ছিলো না। পটলের রেসিপির কালার দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে খুব সুস্বাদু হয়েছে। এই রেসিপিটা গরম ভাত কিংবা রুটি দিয়ে খেতে দারুণ লাগবে। রেসিপির উপস্থাপনা এবং পরিবেশনাও এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে। দারুণ একটি রেসিপি শিখে নিলাম আপু। এই রেসিপিটা একদিন বাসায় ট্রাই করতে হবে। যাইহোক এতো লোভনীয় একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

এভাবে পটল রান্নার কথা আমি ভুলেই গিয়েছিলাম। হঠাৎ করে সেদিন মনে পড়াতে রান্না করেছি। খেতে কিন্তু খুবই ভালো লাগে ভাইয়া। বাসা ট্রাই করে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

 3 years ago 

পটলের রেসিপি সচরাচর খাওয়া হয় ।কিন্তু এত লোভনীয় মজাদার ভাবে কখনোই প্রস্তুত করে খাওয়া হয়নি।।
প্রথমবারের মতো পটল দিয়ে প্রস্তুত করা এমন মজাদার রেসিপি দেখলাম এই সিজনে।।
দেখতে খুবই লোভনীয় দেখাচ্ছে খেতে নিশ্চয়ই খুব মজা হবে।।।

 3 years ago 

পটলের রেসিপি যেহেতু আপনার খাওয়া হয় তাহলে এভাবে একদিন রান্না করে খেয়ে দেখবেন খুব ভালো লাগবে। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।

 3 years ago 

আপনি পটল দিয়ে খুবই লোভনীয় এবং মজাদার একটা রেসিপি তৈরি করেছেন। ঘরে চিংড়ি মাছ এবং টাকি মাছ না থাকার কারণে আপনি পটলগুলো রান্না করতে পারছিলেন না। যার ফলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছিল। আপনারা যখন ছোট ছিলেন তখন আপনার আম্মু এই রেসিপিটা তৈরি করত, আপনিও এখন ঝটপট তৈরি করে ফেলেছিলেন রেসিপিটা। দেখে বোঝা যাচ্ছে অনেক সুস্বাদু হয়েছিল এবং খুবই মজা করে খেয়েছিলেন। এভাবে পটলের রেসিপি তৈরি করে আগে কখনো খাওয়া হয়নি। তাই একটু বেশি লোভ লেগেছে রেসিপিটা দেখে। সম্পূর্ণটা জাস্ট অসাধারণ ছিল বলতে হয়।

 3 years ago 

সুন্দর ভাবে আমার পুরো পোষ্টের বর্ণনা সংক্ষেপে করার জন্য ধন্যবাদ আপু আপনাকে।

 3 years ago 

পটল আমার অনেক বেশি ফেভারিট একটা সবজি। পটল খেতে আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। আর আপনার পটলের এরকম লোভনীয় এবং মজাদার রেসিপি দেখে জিভে জল চলে এসেছে। এরকম মজাদার রেসিপি গুলো দেখলে সত্যি লোভ সামলানো যায় না। এই রেসিপিটা মনে হয় অনেক আগে দুই একবার খাওয়া হয়েছিল। বেশ কিছু বছর ধরে এই রেসিপিটা আর খাওয়া হয়নি। ভাবছি কালকে পটল নিয়ে আসব এবং ঘরে তৈরি করার জন্য বলব এই পদ্ধতিতে।

 3 years ago 

পটল যেহেতু আপনার ফেভারিট তাহলে তো এভাবে রান্না করলে আরো বেশি ভালো লাগবে খেতে। ভাইয়া তাড়াতাড়ি বাজার থেকে পটল নিয়ে এসে এভাবে রান্না করে খেয়ে ফেলেন। খুব ভালো লাগবে আশা করি।

 3 years ago 

আপনার মত আমার ও পটল ভর্তা করে খেতেই বেশী ভালো লাগে।পটল বেশীদিন থাকলে ভালো ও লাগে না।আমি পটল ও আলু দিয়ে সাদা ভাজি করি। খেতে বেশ ভালোই লাগে।আপনার মতো এমনভাবেও রান্না করি। খেতে কিন্তু দারুন লাগে। আপনি আপনার আম্মার কাছে শিখেছেন,জেনে ভাল লাগলো। মজার এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।

 3 years ago 

ঠিক বলেছেন আপু পটল বেশিদিন বাসায় থাকলে কেমন যেন নরম হয়ে যায় আর খেতে ভালো লাগে না। এজন্যই এভাবে রান্না করেছিলাম। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.104
BTC 65056.14
ETH 1940.09
USDT 1.00
SBD 0.37