অনেকদিন পর নিজের ক্যাম্পাসে ঘুরাঘুরি ও ফটোগ্রাফি(১০% বেনিফিশিয়ারী shy fox এর জন্য)
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে। আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজ আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব আমার প্রাণের ক্যাম্পাসের কিছু ছবি। এই ক্যাম্পাসে বেশ কয়েক বছর কাটিয়েছি। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে কলেজে না গেলে ভালো লাগতো না। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা ঘোরাঘুরি করা খুব ভালো লাগতো। কিন্তু ফরিদপুর থেকে দূরে থাকার কারণে খুব একটা যাওয়া হয় না। বাসায় যখনই যাই মা বোন মিলে গল্প করতে করতে সময় চলে যায়। বাইরে কোথাও খুব একটা যাওয়া হয় না। তাই এবার আগে থেকেই ঠিক করে গিয়েছিলাম যে বাইরে ঘুরতে বের হব। তাছাড়া আমার এক বান্ধবী ফরিদপুরে থাকায় ওর সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারপর চলে যাই ক্যাম্পাসে পুরনো স্মৃতি মনে করার জন্য। সেখানে গিয়ে বেশ কিছু ছবি তুলি। সেই ছবিগুলো আজকে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব।
আমাদের ক্যাম্পাস দুইটি শাখা। শহরের ভিতরে একটি শাখা। সেই শাখায় ডিগ্রী ক্লাস হতো এবং সাইন্স ডিপার্টমেন্ট এর কিছু ক্লাস হত। পরবর্তীতে ইন্টারমিডিয়েট এর ক্লাস শুরু হয়েছিল। তাছাড়া প্রশাসনিক ভবনগুলো এই শাখাতেই রয়েছে। আর আরেকটি শাখা রয়েছে। সেটি হল অনার্স শাখা। সেই শাখা অবশ্য শহরের একটু সাইডে। আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে ডিগ্রি শাখার কিছু ছবি শেয়ার করব।
উপরের ছবিটি ডিগ্রি শাখার প্রধান গেট।
গেট দিয়ে ঢোকার পর এই শহীদ মিনারটি রয়েছে। এই শহীদ মিনার নিচে বসে কত যে আড্ডা দিয়েছি তার ঠিক নেই।
টিচার্স ক্লাবের একটি ছবি দেখতে পাচ্ছেন। এই ক্লাবটি খুব কম সময়ের জন্যই আমরা খোলা দেখেছি। বেশিরভাগ সময় এটি বন্ধ থাকতো। এখন অবশ্য পাশে খেলার জায়গা করেছে এবং অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হয়েছে দেখলাম।
এই ঘরটির দেখে অবাক হচ্ছেন। এই ঘরটির সঙ্গে আমাদের অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ঘরের সামনের বারান্দায় বসার জন্য রীতিমতো হুড়োহুড়ি লেগে যেত। যারা আগে আসতো তারাই বসতে পারতো। এখানে বসে সবাই আড্ডা দিত।
এই যে আমাদের প্রশাসনিক ভবন। প্রশাসনিক ভবনের বাম পাশে যে বিল্ডিংটি দেখতে পাচ্ছেন এটি অবশ্য বোটানি ডিপার্টমেন্ট। আপনাদের প্রিয় মডারেটর ম্যাডামের ডিপার্টমেন্ট এটি।@tangera আপনার ডিপার্টমেন্ট ।
এই বিল্ডিংগুলো হোস্টেল এর বিল্ডিং। এই বিল্ডিংগুলো অবশ্য আমরা কলেজ থেকে বের হয়ে আসার অনেক পরে হয়েছে।
আজকে এই শাখার ছবিগুলোই দিয়েই শেষ করলাম। পরবর্তীতে আপনাদের সঙ্গে অনার্স শাখার কিছু ছবি শেয়ার করব। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে। সময় নিয়ে আমার পোস্ট দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভাল, থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
ধন্যবাদ
@tania
| Photography | @tania |
|---|---|
| Phone | oppo reno5 |
| Location | Link |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
আমার তিনজন বান্ধবী ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজে লেখাপড়া করে যদিও তারা অনেকদিন যাবৎ আমাকে তাদের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখানোর জন্য বলছে তবে ব্যস্ততার কারণে যাওয়া হয়না। আপনার এই পোস্ট দেখে সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য সম্পর্কে কিছুটা অবগত হলাম।
সময় পেলে গিয়ে ঘুরে আসবেন ভাইয়া ভালো লাগবে। আমার কাছে এবার কলেজে গিয়ে খুবই ভালো লেগেছে। অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন মনে হয়েছে।
আপনি অনেকদিন পর ক্যাম্পাসে ঘোরাঘুরি করেছেন এবং অনেক সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম এবং আপনি ফটোগ্রাফি সম্পর্কে খুবই সুন্দর ভাবে উপস্থাপনা করেছেন। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
হ্যাঁ ভাইয়া বেশ কয়েক বছর পর কলেজে গিয়েছিলাম। খুব ভাল লেগেছিল । আপনার ফটোগ্রাফিগুলো ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
নিজের ক্যাম্পাসে অনেকদিন পর ফিরতে পেরে অনেক ভাল লাগছে তাইনা? লাগারই কথা। আপনাদের ক্যাম্পাস বেশ সুন্দর। গুছানো সবকিছু। ভাল লাগলো দেখে। আপনার মাধ্যমে আপনার ক্যাম্পাস দেখতে পেলাম। ধন্যবাদ আপু
আরো ভালো লাগতো যদি সেই সময়ে ফিরে যেতে পারতাম সম্ভব নয়। ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
আপনার কলেজের ফটোগ্রাফি গুলো বেশ ভালই ছিল। আসলে অনেকদিন পর কলেজে গেলে মনটা যেন একটা প্রশান্তি কাজ করে। দেখে বোঝা যাচ্ছে যে কলেজে গিয়ে সুন্দর একটি মুহূর্ত পার করেছেন। সেই সুন্দর মুহূর্তের আগে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপনি। ধন্যবাদ আপনাকে এরকম সুন্দর একটি মুহূর্তে আমাদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য।
আসলেই ভাইয়া সুন্দর একটি সময় কাটিয়েছিলাম । এরকম সময় এখন পাওয়া খুবই মুশকিল। আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।
আসলে একটা সময় পর সবকিছুর সাথে একটা দূরত্ব তৈরি হয়ে যায়।আসলে সময় বহমান দেখতে দেখতে জীবনের বয়স বেরে যায়,আর বর্তমান অতীত হয়ে যায়।যাইহোক ভালই ছিল উপস্থাপনা।ধন্যবাদ আপনাকে।
এটাই তো জীবন। সবকিছুর সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করে নিতে হয়। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।
আপু আপনি অনেকদিন পর নিজের ক্যাম্পাসে ঘুরাঘুরি ও ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দারুন হয়েছে। দেখে অনেক ভালো লাগলো। পরিবেশ অনেক সুন্দর। আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো ভালো থাকুন।
এইবার ক্যাম্পাসে গিয়ে পরিবেশ টা আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন গোছানো লেগেছে।
নিজের কলেজ ক্যাম্পাসের প্রতি এমন ফিল এমন টান অনুভব করা স্বাভাবিক। সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের নাম অনেক শুনেছি বেশ ভালো একটা কলেজ। কলেজ ক্যাম্পাস টা দেখছি অনেক সুন্দর প্রাকৃতিক পরিবেশ বেষ্টিত। ধন্যবাদ আমাদের সাথে আপনার কিছু স্মৃতি তুলে ধরার জন্য।।
জি ভাইয়া আসলে এই কলেজটির বেশ নাম আছে। অনেক পুরনো কলেজ । আশপাশের শহর থেকে অনেককেই পড়তে আসে এই কলেজে।
অনেকদিন পর নিজের কলেজের ছবিগুলো দেখে অনেক ভাললাগলো। ঠিকই বলেছেন ফরিদপুরে যাওয়া হয় ঠিকই কিন্তু এসব জায়গায় খুব একটা যাওয়া হয় না। আপনি ভাল একটা কাজ করেছেন উদ্যোগ নিয়ে গিয়েছেন তাই অনেকদিন পরে দেখা হল। কলেজের অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে গিয়েছ ছবি গুলোর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে। হোস্টেল গুলো ছিল না এখন এগুলো নতুন হয়েছে। খুব ভালো লাগলো আপনার আজকের পোস্টটি দেখে।
অনার্স শাখায় তো আরো বেশি পরিবর্তন হয়েছে । পরবর্তীতে অনার্স শাখার ছবি শেয়ার করব। তখন দেখতে পারবেন ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্য।
আপু আপনি অনেক দিন পর আপনার কলেজে গেছেন আর বেশ চমৎকার কিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন৷আসলে কলেজ বলে কথা পরিবেশটা অনেক সুন্দর ৷
ধন্যবাদ আপু ভালো পোষ্টটি দেখে ও পরে ৷
সময় নিয়ে আমার পোস্ট টি দেখার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। আমার ফটোগ্রাফি গুলো আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম।