বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের ফুডকোর্টে কিছু সময়
আসসালামুআলাইকুম সবাইকে।
আমার বাংলা ব্লগের বন্ধুরা কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও ভাল আছি আলহামদুলিল্লাহ।
আজকে আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। অনেকদিন আগে বসুন্ধরা সিটিতে গিয়েছিলাম কিছু কেনাকাটা করার জন্য। সেই পোস্ট আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছি রোজার মধ্যে। রোজার মধ্যে শেয়ার করেছিলাম জন্য এত মজাদার খাবারের ছবিগুলো শেয়ার করেছিলাম না। আজকে সেই খাওয়ার গল্প গুলো আপনার সঙ্গে শেয়ার করব। বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে যাব আর ফুড কোর্টে খাওয়া দাওয়া করব না তা কি হয়। আমার মনে পড়ে না যে এমন কোন বার হয়েছে যে বসুন্ধরা সিটিতে গিয়েছি আর আমরা ফুড কোর্টে খাইনি। শপিংমল গুলোতে গেলেই ঘুরতে ঘুরতে টায়ার্ড লাগে। আর তখন অনেক ক্ষুধা পেয়ে যায়। তাছাড়া বাচ্চারা তো আছেই বাইরে খাওয়ার জন্য সব সময় রেডি। এই শপিং মলের ফুড কোর্টের এই একটা সমস্যা এত লোকজনের ভিড় থাকে যে বসার জায়গা পাওয়া যায় না। মাঝে মাঝে তো এমন হয় যে খুব পপুলার দোকানে সামনে গিয়ে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয় বসার জন্য। অথবা খাবার নিয়ে দূরে কোথাও গিয়ে বসতে হয়। কখনো এখানে একদম ফাঁকা পাইনি। কিছু কিছু দোকানের সামনে অনেক বেশি ভিড় থাকে। আবার কিছু দোকানের সামনে অল্প ভিড় থাকে। কিন্তু ভিড় সবসময়ই থাকে। হয়তো শহরের মাঝখানে হওয়ার কারণে এই শপিংমলটাতে সবসময় এত ভিড় থাকে। কিছু লোকজন আসে কেনাকাটা করার জন্য, কিছু লোকজন আসে ঘুরতে। আবার কিছু লোকজন শুধুমাত্র এই ফুট কোর্টে আড্ডা দেওয়ার জন্যই আসে। যমুনা ফিউচার পার্ক এর ফুড কোর্ট বিশাল বড়। এজন্য সেখানে তেমন একটা ভিড় থাকে না। তাছাড়া বসুন্ধরা সিটির মতো যমুনা ফিউচার পার্কে এত লোকজন হয় না। তারপরও ইদানিং ছুটির দিনে গেলে প্রচুর ভিড় হয় যমুনা ফিউচার পার্কেও।
এখানে আসলে যত খাবারই খাই না কেন শুরু আমাদের বিএফসি দিয়েই হয়। আমার যেমন খুবই পছন্দের বিএফসির চিকেন তেমন বাচ্চাদেরও খুবই পছন্দ। প্রথমে বিএফসির চিকেন ফ্রাই খেয়ে তারপরে আমরা অন্য দোকানে যাই। বরাবরের মতো এবারও তাই শুরুতে চিকেন ফ্রাই অর্ডার করেছিলাম। আমাদের তিনজনের জন্য তিন পিস চিকেন অর্ডার দিয়ে হাজবেন্ড নামাজ পড়তে চলে গিয়েছিল। এই ফাঁকে আমরা খাওয়া-দাওয়া শেষ করলাম।
করোনার জন্য এই সিনেপ্লেক্সটি অনেকদিন বন্ধ ছিল। এখন আবারো চালু হয়েছে। অনেক আগে একবার এখানে সিনেমা দেখেছিলাম। বেশ ভালো লাগে এই জায়গায় সিনেমা দেখতে।
দেখতেই পারছেন লোকজনের কি পরিমাণ ভিড়। এখানে দিল্লি দরবার, শর্মা হাউস, বি এফ সি এইসব দোকানের সামনে একদমই বসার জায়গা পাওয়া যায় না। আমরা অনেক খুজে ভিতরের দিকে একটা ফাঁকা জায়গা পেয়ে সেখানে বসলাম।
দুপুরের দিকে গিয়েছিলাম জন্য আমরা এক বাকেট বিরিয়ানি অর্ডার দিয়েছিলাম। বড় এক বাকেট হওয়ার কারণে একটাতেই আমাদের সকলের হয়ে গিয়েছে। বাচ্চারা শুরুতে চিকেন খাওয়ার কারণে তেমন একটা খাইনি। এত খাবার ছিল যে আমরা সব শেষ করতে পারিনি। খাবারটা বেশ মজাদার ছিল।
এই ছিল আমার আজকের আয়োজন। আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য সকলকে ধন্যবাদ। সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। পরবর্তীতে দেখা হবে আবার নতুন কিছু নিয়ে।
ধন্যবাদ
@tania
| Photographer | @tania |
|---|---|
| Phone | i phone11 |
| আমি তানিয়া তমা। আমি বাংলাদেশে থাকি। ঢাকায় বসবাস করি। আমি বিবাহিত। আমার দুটি ছেলে আছে। আমার শখ রান্না করা, শপিং করা, ঘুরে বেড়ানো। আমি বাংলায় কথা বলতে ভালোবাসি। আমি আমার বাংলাদেশকে ভালবাসি। |
|---|
VOTE @bangla.witness as witness OR SET @rme as your proxy
যে দোকানে ভিড় আছে সেখানে না গিয়ে যেখানে ভীর কম সেখানে গেলেই তো পারেন। আর এগুলো বিরিয়ানি আমি তো মনে করেছিলাম খিচুড়ি, আমার তো দেখেই খেতে ইচ্ছা করছে। আর চিকেন ফ্রাই মনে হচ্ছে একটা নিয়ে পটপট করে খেয়ে ফেলি।
যে দোকানের খাবার বেশি ভালো ওই দোকানে ভিড় বেশি থাকে। এগুলো সবুজ বিরিয়ানি এজন্য অনেকটা খিচুড়ির মত দেখতে। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
যমুনার থেকে বসুন্ধরা তে অনেক ভিড় বেশি থাকে। আমি তো কয়েকবার খেতে গিয়ে মেজাজ খারাপ করে বের হয়ে গিয়েছি। একটু রিল্যাক্স মুডে না খেতে পারলে একদম ভালো লাগে না। আর বাচ্চাদের এই ফ্রাই টা কেন যে এত ভালো লাগে এটাই বুঝি না আমি। আমি তো একটু খেলেই এখন মুখ মেরে যায়। তবে বিরিয়ানি খেতে মোটামুটি ভালই লাগে। সব যে ভালোমত হয়েছে এটাই বড় কথা আপু।
আগে বসুন্ধরা সিটি খুব ভালো লাগতো। কিন্তু এখন যমুনা ফিউচার পার্কে যেতে যেতে বসুন্ধরা সিটিকে আর ভালো লাগেনা। তাছাড়া এত ভিড়ের জন্য আরও বেশি বিরক্ত লাগে। ধন্যবাদ আপনাকে।
জি আপু বসুন্ধরা ফুড কোর্ট এ গেলে মনে কত মানুষ বাইরে খাবার খায়।আর নামকরা দোকানে সবসময় ভীর লেগেই থাকে । তবুও শেষ পর্যন্ত যে পছন্দের খাবার খেতে পারেছেন,তাতেই স্বস্তি। অনেক অনেক শুভ কামনা আপনার জন্য।
ঠিক বলেছেন ভাইয়া মানুষকে দেখে বোঝা যায় যে কত মানুষ বাইরে খায়। আর কিছু কিছু দোকানে এমন ভিড় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় অনেক সময়। ধন্যবাদ মন্তব্য করার জন্য।
ভালোলাগার এক দারুন মুহূর্ত আজ আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। এই সুন্দর দৃশ্য আজ আপনি আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন তা দেখে আমার অনেক ভালো লেগেছে। আরো ভালো লেগেছে এত সুন্দর উপস্থাপনা দেখে। পাশাপাশি দারুন সব ফটোগ্রাফি।
সময় নিয়ে আমার পোস্টটি দেখার জন্য এবং সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
আপু, বাচ্চারা তো বাইরে যেতে সব সময় রেডি থাকে। যাহোক আপু,বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের ফুডকোর্টের পরিবেশটা কিন্তু অসাধারণ সুন্দর। আর এমন পরিবেশে বসে চিকেন ফ্রাই খাওয়ার মজাই আলাদা। করোনার মধ্যে সিনেপ্লেক্সটি বন্ধ থাকলে এখন জায়গাটি জমজমাট হয়ে উঠেছে। আর এমন জায়গায় আপু সবারই সিনেমা দেখতে খুবই ভালো লাগে। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
বসুন্ধরা সিটির ফুড কোর্টের পরিবেশটা আগে আমার কাছে খুব ভালো লাগতো । কিন্তু ইদানিং মনে হয় অনেক বেশি ভিড় হয়। যাই হোক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
আপু বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের ফুড কোর্টের খাবার গুলো বেশ লোভনীয় লাগছে । আমার তো দেখেই খেতে ইচ্ছে করছে । আসলে আপনি ঠিকই বলেছেন শপিংমলে গেলে ঘুরতে ঘুরতে খিদে পেয়ে যায় আর বসুন্ধরা শপিং মলে গেলে ফুডকোর্টে না যেয়ে পারার উপায় নেই । আর বাচ্চারা তো এসব জায়গায় খেতে বেশি পছন্দ করে । বেশ ভালো লাগলো আপনার খাওয়া দাওয়া মুহূর্ত গুলো দেখে । ধন্যবাদ আপনাকে ।
আমার ক্ষুধা লাগুক আর না লাগুক বাচ্চাদের তো বাইরে বের হলেই ক্ষুধা পেয়ে যায়। ওদের জন্যই আরো বেশি খাওয়া হয় বাইরে। ধন্যবাদ আপু মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য।