নাটক রিভিউ: ধনী গরীবের লড়াই [পর্ব-৩২ তম]❤️
আমি তানহা তানজিল তরসা । আমি বাংলাদেশ 🇧🇩 থেকে বলছি। আমার স্টিমিট আইডির নাম @tanha001।
হ্যালো আমার বাংলা ব্লগ বাসি.........
**কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছি। আজ আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়েছি।আমার নতুন ব্লগে সকল ভাই ও বোনদেরকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানাচ্ছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে একটি নাটক রিভিউ নিয়ে এসেছি। আজ আমি ধনী গরিবের লড়াই নাটকের ৩২ তম পর্ব নিয়ে কথা বলবো।এই নাটকটি আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। যার কারনে আমি এই নাটকটি প্রতিনিয়ত রিভিউ করার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়েছি। আসলে ঈগল টিম বেশ চমৎকার ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সবাই যেদিকে হাতে ঈগল টিম পুর ব্যতিক্রম ভাবে কাজ করছে।ঈগল টিমের নাটক গুলা খুবই সামাজিক ও শিক্ষানীয়। আশা করি আমার নাটক রিভিউটি আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগবে। ব্যাক্তিগত ভাবে আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে যার কারনে আপনাদের মাঝে রিভিউ টা নিয়ে এসেছি। চলুন তাহলে শুরু করা যাক।
নাটকের প্রথমে দেখা যায় নায়ক ও নায়িকা মোড়ল বাড়িতে গেছে সোহানা কে খোঁজার জন্য। মোড়ল বাড়িতে যাওয়ার পর রিমার মা ও তার বড় ভাবী তাদেরকে অনেক অপমান করে। নায়ক অনেক রেগে যায় এবং তাদেরকে বলে আমার বোনের কিছু হলে আমি মোড়ল বাড়ির পুরো জ্বালিয়ে দিবো।এরপর তারা সেখান থেকে চলে যায় কিছু কথা কাটাকাটি করে। আর এদিকে দেখা যায় মোড়ল বাড়ির ছেলেরা ও সুলতানা মিলে মাস্টারকে মারধর করছে। এরপর সুলতানা বাধা দে যাতে মাস্টারকে আর না মারে।মাস্টার বলে আমি মিথ্যা কথা বলতে পারি না। তখন মোড়ল বাড়ির ছেলেরা বলে আজিই মোড়ল বাড়ি থেকে তুমি চলে যাবে না হলে তোমাকে মেরে ফেলবো। এরপর সুলতানা সহ তার ভাইয়েরা সেখান থেকে চলে যায়।
এরপর দেখা যায় রতন সোহানাকে একটি ঘরের মধ্যে বন্দি করে রেখেছে। সোহানা রতনকে বিয়ে করতে রাজি না বলে তাকে অনেক চাপাচাপি দেখছে। রতন সোহানা কে বলে তুমি যদি আমাকে বিয়ে না কর আমি তোমাকে মেরে ফেলব এটা বলে হুমকি দেওয়ার পরেও সোহানা বিয়েতে রাজি হয় না। যেখানে সোহানাকে বন্ধ করে রেখেছে সেখানে দুজন ছেলেকে চৌকি দেওয়ার জন্য রেখে যায় এবং তাদেরকে বলে সোহানা যদি বিয়েতে রাজি হয় তাহলে আমাকে সাথে সাথে ফোন দিবি। এরপর রতন সেখান থেকে বাড়ি উদ্দেশ্যে চলে যাই।
এরপর দেখা যায় রিমা ও সোহাগ গেছে কাজী অফিসে।কাজী অফিসে গিয়ে তারা কাজী সাহেব কে প্রশ্ন করে আজ কোন বিয়ে হয়েছে কিনা।তখন কাজী সাহেব বলে অনেক বিয়েই তো হয়েছে আপনারা কোন বিয়ের কথা বলছেন কিভাবে বুঝব। তখন কাজী সাহেব বলে কেমন যদি একটু বলতেন। তখন সোহাগ বলে মোড়ল বাইরে এর কোন ছেলে বিয়ে করতে এসেছিল কিনা। তখন কাজী সাহেব বলে হ্যাঁ, মোড়ল বাড়ির এক ছেলে একটি মেয়েকে নিয়ে এসেছিল কিন্তু মেয়েটি বিয়ে করতে রাজি ছিল না যার কারনে বিয়ে আমি পড়াইনি। এরপর তারা মেয়েটিকে নিয়ে চলে গেছে সম্ভবত বলছিল মেয়েটাকে বন্দী করে রাখবে। এরপর তারা সেখান থেকে চলে যায় ঠিক সেই মুহূর্তে কাজী সাহেব বলে যদি আপনাদের কোন হেল্প লাগে আমাকে অবশ্যই ডাকবেন আমি অবশ্যই মোড়ল বাড়ির ছেলের নামে সাক্ষী দিব। এরপর তারা সেখান থেকে সোজা থানায় চলে যাই। এরপর থানার তারকার সাথে বিস্তারিত সব বলে। তখন তারকা সাহেব বলে একটা ঝামেলা না যেতেই আরেকটা ঝামেলা এই মোড়ল বাড়ির মানুষরা আর কখনো ভালো হবে না। এরপর তারা থানায় মামলা করে রেখে আসে মোড়ল বাড়ির ছেলে রতনের নামে।
এরপর দেখা যায় রতন বাড়ি ফিরেছে তখন তার মা বোন ভাবীরা ধরেছে। রতনের মা বলে তুই ওই ফকিন্নির মেয়েকে কেন তুলে এনেছিস। তখন রতন বলে আমি ওকে ভালোবাসি আর ওকেই বিয়ে করতে চাই। তখন রতনের মা বলে তুই আমার বাড়ি থেকে বের হয়ে যা তোর এই মুখ আমি আর দেখতে চাই না। এরপর রতন বের হয়ে যেতে চাই ঠিক সেই মুহূর্তে সেখানে লতিফ গিয়ে হাজির হয় এবং লতিফ তাদেরকে বলে আমার বোনকে ফিরিয়ে দাও না হলে তোমাদের কাউকে ছাড়বো না। এরপর দেখা যায় রতন লতিফের গায়ে হাত তুলতে যায় তারপর রতনকে সবাই বাধা দেই। তখন সুলতানা লতিফকে বলে এই ছোটলোক আমাদের বাড়িতে কেন এসেছিস। এরপর লতিফ তাদেরকে হুমকি দিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। এরপর দেখা যায় মিনা ও সুলতানা মাস্টারের খাবার নিয়ে এসেছে। কিন্তু মাস্টার বলে আমার খিদে নেই আমি খাবার খাব না মিনা তুমি খাবার নিয়ে যাও। এরপর সুলতানা বলে কেন খাবেন না আপনি না খেলে আমিও খাব না। তখন মাস্টার বলে আমার সাথে তোমার কি সম্পর্ক যে তুমি খাবে না। এরপর সুলতানা বলে আমি কিছু জানি না এই খাবার রেখে গেলাম খাবার না খেলে আপনার খবর আছে। সকালে দেখব আপনি খাবার খেয়েছেন কিনা এরপর তারা সেখান থেকে চলে যায়।
এরপর দেখা যায় সোহাগ ও রিমা থানা থেকে এ বাড়িতে ফিরছে তখন তারা দুজন অনেক চিন্তাভাবনা করে এবং তাদের দুজনের মধ্যে আলোচনা চলে। এরপরে সোহাগ রিমাকে বলে আচ্ছা তোমাকে যেখানে আটকে রেখেছিল সোহানাকে সেখানেই আটকে রাখেনি তো। এরপর রিমা বলে এটা অবশ্য তুমি ঠিক বলেছো চলো একবার যেয়ে দেখি। এরপর তারা সেখানে যায় এবং দরজা গুতায় তারপরে ভিতর থেকে দরজা খুলে দেই সেই দুইজন ব্যক্তি। এরপর তারা দুইজন পালিয়ে যায় সেখান থেকে। এরপর তারা সোহানা কে উদ্ধার করে তারপরে বাড়ি নিয়ে যাই।
এরপর দেখা যায় মোড়ল বাড়ির ছোট ছেলে রতন রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল। তখন তার দুই চৌকিদার এসে তো বলে রতন ভাই সোহানা কে তার ভাই ও আপনার বোন উদ্ধার করে নিয়ে গেছে আমরা কিছু করতে পারিনি।এরপর তারা দেখতে পারে পুলিশ আসছে তখন তারা তিনজনই পালানোর চেষ্টা করে কিন্তু দুজন পালিয়ে যায় রতন পালাতে পারে না। এরপর রতনকে পুলিশে আটক করে। এরপরই নাটকটি আগামী পর্ব দেখিয়ে দেই। পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষা করুন। খুব শীঘ্রই ধনী গরীবের লড়াই নাটকের পরবর্তী পর্ব আপনাদের মাঝে শেয়ার করব। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আল্লাহ হাফেজ।
| পোস্টের ধরন | নাটক রিভিউ |
|---|---|
| নাটকের নাম | ধনী গরিবের লড়াই পর্ব ৩২ |
| পরিচালক | সুলাইমান। |
| অভিনয়ে | ইফতি,জান্নাতুল মাওয়া, রাফি ইসলাম সৌরভ, মায়া মিম, জাহাঙ্গীর কবির ও আরও অনেকেই। |
| দৈর্ঘ | ২২ মিনিট ০১ সেকেন্ড |
| মুক্তির সময় | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ |
এরপর নাটকটি শেষ হয়ে যায়.............
| পোস্টের বিষয় | নাটক রিভিউ |
|---|---|
| পোস্টকারী | তানহা তানজিল তরসা |
| ডিভাইস | রেডমি নোট ১১ |
| লোকেশন | পাবনা |
https://x.com/TanhaT8250/status/1918563870077010070?t=0muatDTo8v7eleuFoAywZQ&s=19
https://x.com/TanhaT8250/status/1918553844201721943?t=lbogiclJSGEnaeL10WFySg&s=19
https://coinmarketcap.com/community/post/358045739
আপু আপনি অনেক সুন্দর একটি নাটকের রিভিউ আমাদের মাঝে শেয়ার করছেন।ঈগল টিমের প্রতিটা নাটক আমার কাছে অনেক ভালো লাগে।তবে ধনী গরিবের লড়াই নাটকটি আমি কয়েকটি পর্ব দেখেছি।যাইহোক এই নাটকটি আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে।আপনার পুরো নাটকের রিভিউ পড়ে অনেক ভালো লাগলো।ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আমার শেয়ার করা নাটকের রিভিউ আপনার কাছে অনেক ভালো লেগেছে জেনে খুবই খুশি হলাম ভাই ধন্যবাদ আপনাকে।