সমুচার মজার রেসিপি
আসসালামুআলাইকুম,
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি মজাদার সমোচার রেসিপি নিয়ে। সমুচা বানাতে গেলে কিমা তো অবশ্যই লাগবে। আমি এখানে শীপ এর কিমা ব্যবহার করেছি।আপনারা চাইলে যে কোন কিমা ব্যবহার করতে পারবেন।তবে আমার কাছে চিকেন থেকে শীপের কিমার সমুচা বেশি ভাল লাগে। আপনারা চাইলে একসাথে অনেকগুলো তৈরি করে ডীপ ফ্রীজে সংরক্ষণ করতে পারবেন।পরে যখন মন চায় তখন ভেঁজে খাওয়া যায়।আশা করি আমার এই রেসিপি আপনাদের ভালো লাগবে। চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্ব।
চলুন দেখে নেয়া যাক রেসিপিটি তৈরি করতে আমাদের কি কি উপকরণ এবং কতটুকু পরিমান লাগবেঃ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| কিমা | ৮০০ গ্রাম |
| সমুচা প্যাড | পরিমান মত |
| পিয়াজ কুচি | হাফ কাপ |
| কাঁচা মরিচ | ৩/৪ টি |
| আদা রসুন পেষ্ট | দেড় টেবিল চামচ |
| হলুদ গুঁড়া | হাফ টেবিল চামচ |
| মরিচ গুঁড়া | হাফ টেবিল চামচ |
| জিরা গুঁড়া | ১ টেবিল চামচ |
| গরম মসলার গুঁড়া | ১ টেবিল চামচ |
| তেজপাতা | ২টি |
| এলাচ | ৪/৫ টি |
| লবঙ্গ | ৩/৪ টি |
| ডিম | ১ টি |
| ময়দা | ১ টেবিল চামচ |
| লবন | স্বাদমত |
| তেল | ভাঁজার জন্য |
কার্যপদ্ধতিঃ
প্রথমেই কিমা গুলো ভালভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে পানি ঝরানোর জন্য রেখে দিয়েছি।এরপর পেঁয়াজ ও কাঁচামরিচ কেটে নিয়েছি।
এরপর একটি হাঁড়িতে তেল গরম করে আদা রসুন দিয়ে দিয়েছি।
এরপর পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, লবণ ও গরম মসলা গুলো দিয়ে অল্প আঁচে কিছুক্ষণ রেখে দিয়েছি।
এরপর গুঁড়ামসলা গুলো দিয়ে কয়েক মিনিট নেড়ে চেড়ে কিমা গুলো দিয়ে দিয়েছি।
এরপর ভালোভাবে নেড়ে চেড়ে মিডিয়াম আঁচে কয়েক মিনিট রেখে দিয়েছি সিদ্ধ হয়ে যাওয়ার জন্য।
কিমা রেডি।এরপর একটি বাটিতে ডিম ফেটে নিয়েছি।
এরপর ওই ডিমের সাথে ময়দা যোগ করে ভালভাবে মাখিয়ে নিয়েছি সমুচার সাইড ভালভাবে লাগিয়ে দেয়ার জন্য।এরপর প্যাকেট থেকে প্যাড বের করে কেটে নিয়েছি।
এরপর এক পিস নিয়ে মাঝ বরাবর এভাবে ভাঁজ করে নিয়েছি।
এরপর নিচের অংশ উপরের অংশের উপর দিয়ে এভাবে ভাঁজ করে নিয়েছি।
এরপর কিমাগুলো এভাবে ভিতরে দিয়ে, সাইডগুলো ডিম ও ময়দা দিয়ে যে মিশ্রণ তেরি করেছিলাম তা দিয়ে ভালভাবে আটকিয়ে নিয়েছি।
এভাবে সবগুলো তৈরি করে নিয়েছি।এভাবে ডিপ ফ্রিজেও দীর্ঘ দিনের জন্য সংরক্ষণ করা যায়।
এরপর তেলে ভেঁজে নিযেছি।
হয়ে গেল আমার মজাদার সমুচা।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
ধাপগুলো দেখছি আর ভিন্ন অনুভূতি অনুভব করছি, কারন এটা সকলের একটা প্রিয় এবং স্বাদের খাবার। বেশ সুন্দরভাবে ধাপগুলো সম্পন্ন করেছেন কিন্তু শেষের দৃশ্যটা দেখে বেশ লোভ কাজ করছিলো, হি হি হি। ধন্যবাদ
লোভ তো লাগবেই এটি তো অনেক মজার খাবার! অনেক অনেক ধন্যবাদ।
সমুচার মজার রেসিপি দেখে খেতে ইচ্ছা করছে, আপনার রেসিপির পরিবেশন আমার খুবই ভালো লেগেছে। এত মজাদার রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
আপু আপনার সমুচা দেখতে একদম বাজারে কেনা সমুচার মত লাগছে। তাছাড়া সমুচার মধ্যে কিমা দিলে আরো ভালো লাগে খেতে। বাজার থেকে সমুচার প্যাড কিনে এনেছেন জন্যই বানাতে সুবিধা হয়েছে না। হলে এই এগুলো বানাতে খুবই কষ্টকর। আপনার সমুচাটি দেখতে বেশ লোভনীয় লাগছে। ধন্যবাদ আপনাকে সুন্দর একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
একদম ঠিক প্যাড ছাড়া বানানো খুবই কষ্টকর।
সমুচা আমার খুব পছন্দ। কিন্তু দোকানের সমুচাতে কিমা দেয়না পেঁয়াজ দিয়ে রাখে। তাই আমি নিজে বাসায় করি।খেতে বেশ ভালোই লাগে। আপনি ঠিক বলেছেন সমুচা বানিয়ে সংরক্ষণ করে রাখলে যখন ইচ্ছে ভেজে নেয়া যায়।আর বাচ্চাদের তো এসব খাবার খুব পছন্দ। রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু। লোভনীয় রেসিপি ছিল এ রমজানে।
আমার কাছে কিন্তু বাংলাদেশের কেনা সমুচা গুলো ভালই লাগতো। অনেক ধন্যবাদ আপু আপনার মন্তব্যের জন্য।
শীপের মাংস যদিও কখনো খাওয়া হয়নি। জানিনা খেতে কেমন। তবে যাই হোক সমুচা তৈরিতে যে কোন মাংসের কিমা ব্যবহার করলে খেতে নিশ্চয়ই অনেক ভালো লাগবে। যদিও কখনো বাসায় সমুচা তৈরি করা হয়নি। আপু আপনি এত ব্যস্ততার মাঝেও আপনার পরিবারের সবার জন্য এত সুন্দর ভাবে সমুচা তৈরি করেছেন দেখে ভালো লাগলো। আর আমাদের সবার মাঝে এই রেসিপি তৈরির পদ্ধতি তুলে ধরেছেন এজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপু।
তোমাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
শীপের মাংসের সমুচা খাওয়া হয়নি,তবে আমার কাছে সমুচা খেতে ভালোই লাগে,যদিও আমি সমুচার ভাঁজটা দিতে পারি না।আপু ছবিতে সমুচা গুলো বেশ লোভনীয় লাগছে।খেতে নিশ্চয়ই বেশ ভালো হয়েছে। প্রতিটি ধাপ আপনি বেশ সুন্দর করে দেখিয়েছেন। ধন্যবাদ
আমাদের এদিকে যে সমুচা পাওয়া যায় এটা তার থেকে আলাদা। দেখে তো মনে হচ্ছে অনেক মজা হয়েছে খেতে।ধন্যবাদ আপু সমুচার নতুন ধরনের রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
এভাবে বাসায় কখনো সমুচা তৈরি করা হয়নি। আর শীপের মাংসও কখনো খাওয়া হয়নি। সমুচা গুলো একদম পারফেক্ট ভাবে তৈরি করেছেন আপু। দেখতে খুব লোভনীয় লাগছে। নতুন একটি রেসিপি শিখতে পারলাম আজকে। ধন্যবাদ আপু সুস্বাদু একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
বাসায় কখনো সমুচা তৈরি করা হয়নি তবে আপনি দেখিয়ে দিলেন কীভাবে বাসায় বসে সমুচা তৈরি করতে হয়। পরিবেশ করা ৪টা সমুচা অনেক লোভনীয় দেখাচ্ছে আপু।
সবচেয়ে প্রিয় একটি খাবারের নাম সমুচা ৷ আপনি তো দেখি অনেক উপাদান দিয়ে বানিয়েছেন ৷ বেশ ভালো লাগলো আপু ৷ তবে কিমা কি সেটা জানি না আপু যদি বলতেন ৷
মাংসকে মেশিন দিয়ে ছোট ছোট ঝুড়িঝুড়ি করে কেটে কিমা তৈরি করা হয়।