ডিম ও আলু দিয়ে মজাদার বিকালের নাস্তা
আসসালামুআলাইকুম,
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।আজকে আমি আপনাদের সাথে ডিম ও আলু দিয়ে মজাদার বিকালের একটি নাস্তার রেসিপি শেয়ার করতে যাচ্ছি।খুবই সহজ এই রেসিপিটি, ঝটপট তৈরি করা সম্ভব।ছোট বড় সকলেই পছন্দ করবে রেসিপিটি।আমার তো খুবই ভালো লাগে, এমন কি বাচ্চারাও অনেক পছন্দ করে।আশাকরি আমার এই রেসিপিটি আপনাদেরও অনেক ভালো লাগবে। চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্বে।
চলুন দেখে নেয়া যাক রেসিপি টা তৈরি করতে আমাদের কি কি উপকরণ এবং কতটুকু পরিমান লাগবেঃ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| ডিম | ১ টি |
| আলু | বড় সাইজের দুটি |
| গরম মসলার গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| মরিচের গুঁড়া | ১ চা চামচ |
| কর্ণফ্লাওয়ার | দেড় টেবিল চামচ |
| লবন | পরিমান মতো |
| সয়াবিন তেল | ভাঁজার জন্য |
কার্যপদ্ধতিঃ
প্রথমেই আলু দুটি মাঝখান থেকে কেটে মাইক্রো ওভেনে সিদ্ধ করে নিয়েছি।
ডিমও সিদ্ধ করে নিয়েছি।
আলু ও ডিম গ্রেট করে নিয়েছি।
একে একে সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে নিয়েছি।
এরপর হাতের সাহাযে এভাবে লম্বা আকৃতির করে নিয়েছি।
এরপর কাটা চামচের সাহায্যে দুই পাশে এভাবে ডিজাইন করে নিয়েছি।
একইভাবে সবগুলো এভাবে করে নিয়েছি।
এরপর একটি ফ্রাইপ্যানে তেল গরম করে সবগুলো তেলের মাঝে ছেড়ে দিয়ে দুই পাশ ভালোভাবে ব্রাউন করে ভেঁজে নিয়েছি।
পরিবেশনের জন্য এনেছি।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
খাবার টি অনেক সহজে বানানো যায়।অনেক সময় বাচবে আবার সুস্বাদু নাস্তাও পাওয়া যাবে।ধন্যবাদ দিদি এরকম সহজ ও সুস্বাদু একটি খাবারের রেসিপি শেয়ারের জন্য।
একদম ঠিক কথা অনেক সহজেই তৈরি করা যায় এবং সুস্বাদুও বটে, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনি অনেক সুন্দর একটি বিকেলের নাশতা তৈরী করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করেছেন। আমার কাছে প্রনালী টি খুব ভাল লেগেছে। ব্রাউন কালার টা সুন্দর লাগছে। আপনার রেসিপির একটি বেপার আমার কাছে ইন্টারেসটিং লেগেছে সেটি হচ্ছে মাইক্রোওভেনে আলু সিদ্ধ করা। রেসিপিতে আপনি আইসিং মেনশন করেছেন। আইসিং বলতে কি বোঝানো হয়েছে? ধন্যবাদ আপু।
ভাইয়া মাইক্রো ওভেনেও আলু সিদ্ধ করা যায়, তবে সিদ্ধ করার সময় আলুগুলো ভালোভাবে ঢেকে দিতে হবে তা না হলে মাইক্রোওভেনের চারিপাশ ছিটিয়ে নষ্ট হয়ে যায়।
জ্বী ভাইয়া আইসিং, একটু ভুল করে ফেলেছি।ধন্যবাদ আপনাকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য।
ইউনিক একটা রেসিপি ছিল।এর আগে কখনো ট্রাই করিনি আমি।আইডিয়াটা সুন্দর এবং যুগোপযোগী।
ফটোগ্রাফিও চমৎকার ছিল। শুভ কামনা রইলো।
একবার বাসায় ট্রাই করে দেখবেন, অতি সহজ এবং মজাদার একটি রেসিপি, ধন্যবাদ আপনাকে।
খুব সহজেই মজাদার একটি রেসিপি আপনি তৈরি করলেন। আসলে এই রেসিপিটি দেখে আমি শিখে নিলাম। পরবর্তীতে তৈরি করব, আর দেখে খুবই সুস্বাদু মনে হচ্ছে।
অবশ্যই তৈরি করে দেখবেন, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
বিকেলের হালকা নাস্তায় এ ধরনের খাবার সত্যি অনেক মজাদার।। মাঝে মাঝে আমরাও পেটের স্যান্ডউইচ রেস্টুরেন্ট থেকে নিয়ে খেয়ে থাকি।। ব্যাচেলার লাইফে কোন কিছু করা যেন ঝামেলা তাই বাসায় কখনো এভাবে প্রস্তুত করা হয়নি।। তবে আপনার প্রস্তুত করা দেখেই বোঝা যাচ্ছে খেতে খুব মজা হয়েছিল।।
সুযোগ হলে অবশ্যই একবার ট্রাই করে দেখবেন, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
সবচেয়ে ভালো লাগলো যে জিনিসটা এই রেসিপির সেটা হলো অনেক কম উপকরণ এবং অনেক সহজ উপায়ে তৈরি করা হয়েছে এই মজার খাবার। মনে হলো আমিও পারবো 😀। কাটা চামচ দিয়ে ডিজাইন করা টা আমার দারুন লেগেছে। আর গরম তেলে দেওয়ার পর খুব দারুন লোভনীয় হয়ে গেছে।
এত সহজ একটি রেসিপি যে কোন দিন রান্না করেনি সেও পারবে, একবার ট্রাই করে দেখবেন, অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আপু মজারদার একটি রেসিপি শিখলাম। বেসন ছাড়াই এত সুন্দর রেসিপি বানানো যায়, তাহলে তো ভালই। সর্টকাটের মধ্যে ভালই লাগলো। ধন্যবাদ।
ভাইয়া আপনি ইচ্ছা করলে এখানে ময়দা, চালের গুড়া অথবা বেসন ও ব্যবহার করতে পারবেন। এর যেকোনো একটি দিলেই হয়, টেস্টের কোন পরিবর্তন হবে না। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
ডিম ও আলু দিয়ে দারুন একটি নাস্তার রেসিপি তৈরি করেছেন আপু। দেখেই খেতে ইচ্ছে করছে। উপরের ডিজাইনটি যে কাটা চামচ দিয়ে তৈরি করা হয় এটা আমার কখনো মাথায় আসেনি। সত্যি আপু আজকে আপনার এই পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম। আমি অবশ্যই বাসায় তৈরি করার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ আপনাকে।
অবশ্যই আপু চেষ্টা করে দেখবে, খুবই মজাদার এই রেসিপিটি,অনেক ধন্যবাদ।
আপু ডিম এবং আলুর সমন্বয়ে নাস্তা তৈরীর পদ্ধতিটা পড়েই বুঝতে পারছি নাস্তাটি খেতে অত্যন্ত সুস্বাদ এবং মজাদার ছিল। সিদ্ধ করা ডিমের সাথে তৈরি করা এরকম তেলেভাজা নাস্তা খাওয়ার মজাই আলাদা। খুবই লোভনীয় একটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।