টুনা ফিস ও ডিম দিয়ে মজার রেসিপি
আসসালামুআলাইকুম,
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজকে আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি টুনা ফিসের মজার রেসিপি নিয়ে। এই টুনা ফিস দিয়ে নানা রকমের মজার মজার খাবার বানানো যায়। আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি টুনা ফিস ও ডিম দিয়ে মজার একটি রেসিপি নিয়ে।এই টুনা ফিস দিয়ে সমুচা বানালেও খেতে বেশ মজা হয়। মাঝে মাঝে খাওয়া হয় টুনা ফিসের সমুচা।হাতে যদি সময় না থাকে ঝটপট এই রেসিপিটি তৈরি করা খুবই সহজ। এই ফিসগুলো পট আকারে বিভিন্ন শপিং স্টোর গুলোতে পাওয়া যায়। আর এই পটগুলো সংরক্ষণ করতে কোন ঝামেলা নেই, ফ্রিজেও রাখতে হয় না।বাইরে অনায়াসে ৬-৭ মাস রেখে খাওয়া যায়। যখন মন চাবে তখনই খুব সহজেই এই রেসিপিটি তৈরি করা যায়। আশা করি আমার এই রেসিপিটি আপনাদের ভালো লাগবে। চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্বে।
চলুন দেখে নেয়া যাক রেসিপিটি তৈরি করতে আমাদের কি কি উপকরণ এবং কতটুকু পরিমান লাগবেঃ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| টুনা ফিস | ২ পট |
| ডিম | ২ টি |
| পিঁয়াজ কুচি | ২ কাপ |
| কাঁচা মরিচ | ৬/৭ টি |
| লবন | স্বাদমত |
| হলুদ গুঁড়া | হাফ চা চামচ |
| কারিপাউডার | ১ টেবিল চামচ |
| সয়াবিন তেল | ২ টেবিল চামচ |
কার্যপদ্ধতিঃ
প্রথমেই পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ কেটে নিয়েছি।
এরপর টুনা ফিস রেডি করে রেখেছি।
এরপর একটি ফ্রাই প্যানে তেল গরম করে নিয়েছি।
এরপর পিঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে দিয়েছি।
এরপর লবণ, হলুদ ও কারি পাউডার দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে ২-৩ মিনিট অল্প আঁচে রেখে দিয়েছি।
এরপর ডিম দুটি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়েছি।
এরপর টুনা ফিস গুলো দিয়ে দিয়েছি।
এরপর ফিস গুলো মসলার সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে চার-পাঁচ মিনিট মিডিয়াম আঁচে রেখে দিয়েছি।
ব্যাস হয়ে গেল আমার মজাদার ডিম দিয়ে টুনা ফিসের রেসিপি।
পরিবেশনের জন্য রেডি।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
টিনের পটের মধ্যে মাছ সংরক্ষণ করা থাকলে সত্যি অনেক সুবিধা হয়। যদিও বাংলাদেশে এই ধরনের মাছ সংরক্ষণ পদ্ধতি দেখিনি। তবে এটা কিন্তু বেশ সুবিধার মনে হচ্ছে। যখন তখন রান্না করা যাবে। টুনা মাছ দিয়ে সমুচা তৈরি করা যায় জেনে সত্যি ভালো লাগলো আপু। আর আপনার তৈরি করা এই রেসিপিটিও চমৎকার হয়েছে। সত্যি আপু আপনার হাতে জাদু আছে। আপনার রান্না গুলো সব সময় চমৎকার হয়।
আপু সকাল সকাল মজার রেসিপি দেখলে আসলে ক্ষুধা পেয়ে যায়। আপনি টুনা ফিস ও ডিম দিয়ে মজার রেসিপি শেয়ার করেছেন। কম সময়ে ঝটপট করে নেওয়া যায় এই রেসিপিটি। দেখতে তো ভীষণ সুন্দর হয়েছে।খেতে ও যে মজার হবে বেশ বোঝা যাচ্ছে। আমি যদিও টুনা ফিসের কাবাব করে খেয়েছিলাম।আমার কাছে খুব ভালোই লেগেছিল। সময় কম থাকলে এই রেসিপিটি ও করে নেওয়া যাবে। সুন্দর এই রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।
টুনা ফিস ও ডিম দিয়ে মজার রেসিপি দেখেই খেতে ইচ্ছা করছে। এত মজাদার রেসিপি ধাপে ধাপে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
কিছুদিন আগেই টুনা ফিস দিয়ে একটি মজার রেসিপি রান্না করে খাওয়া হয়েছিল। আর আজকে আপনার কাছ থেকে আবার এই টুনা ফিস দিয়ে একদম ভিন্ন ধরনের একটি রেসিপি দেখতে পেরে খুবই ভালো লাগলো। আপনি খুবই ইউনিক একটি রেসিপি তৈরি করেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম ইউনিক একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
টুনা মাছের নাম শুনেছি তবে কখনো খাওয়া হয়নি। আপনার রেসিপিগুলো অনেক ইউনিক মনে হয় আমার কাছে।আপনি রেসিপিগুলো যেভাবে শেয়ার করেন যে কেউ অনায়াসে রেসিপির সমস্ত প্রস্তুত প্রণালী দেখে শিখে নিতে পারবে। আমিও বাসায় মাঝে মধ্যে আপনার রেসিপিগুলো ট্রাই করি। কারণ আপনার রেসিপি আমার অনেক ভালো লাগে। ধন্যবাদ আপু সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
টুনা মাছ নাম শুনেছি কিন্তু কখনো খেয়ে দেখি নাই আপু এর স্বাদ কেমন। তবে কৌটার মধ্যে মাছ দেখে অনেকদিন আগের কথা আমার মনে পড়ে গেল। সরকার থেকে কোটার মধ্যে একটা মাছ এসেছিল। দেখতে কিন্তু ঠিক এমনই কিন্তু আমরা খেতে পারছিলাম না। যাইহোক টুনা ফিস ও ডিম দিয়ে আপনি খুব চমৎকার রেসিপি তৈরি করেছেন। রেসিপি তৈরির প্রতিটা ধাপ খুব সুন্দর করে আমাদের মাঝে তুলে ধরেছেন ধন্যবাদ আপনাকে শেয়ার করার জন্য।
আসলে আপু টুনা ফিস খেতে খুবই ভালো লাগে। আমি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণ করতে গিয়ে প্রথমবারের মতো সেইখানে টুনা ফিশ খেয়েছিলাম। আসলে আপু কোনাবির সাথে খুবই ভালো লাগে তবে আপনি দেখছি আজকে টোনা ফিস এবং ডিমের সুন্দর একটি রেসিপি তৈরি করেছেন এবং এটি সুন্দরভাবে ধাপে ধাপ আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন দেখে খুবই ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপু।
আপু আপনি আজকে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন টুনা ফিস ও ডিম দিয়ে মজার রেসিপি তৈরীর পদ্ধতি। আপনার তৈরি রেসিপি গুলো সব সময় অনেক ইউনিক রেসিপি হয়ে থাকে। টুনা ফিস এই নামটি আজকে প্রথম শুনলাম আমি। আসলে এই রেসিপি আগে কখনো খাওয়া হয়নি। তবে আপনার তৈরি রেসিপি দেখে মনে হচ্ছে খেতে বেশ সুস্বাদু হবে। ধন্যবাদ আপু এত সুন্দর ভাবে রেসিপি তৈরীর পদ্ধতি আমাদের মাঝে স্টেপ বাই স্টেপ শেয়ার করার জন্য।
বাহ্! চমৎকার একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন তো আপু। টুনা ফিস আমার খুব পছন্দ। টিনের কৌটার টুনা ফিস গুলো সাউথ কোরিয়াতে থাকতে প্রায়ই ভুনা করে খেতাম। সাথে মটরশুঁটি এবং টমেটো দিলে স্বাদ অনেক বেড়ে যায়। আপনার রেসিপিটা দেখে বেশ লোভনীয় লাগছে আপু। খেতেও মনে হচ্ছে খুব সুস্বাদু হয়েছে। এতোদিন পর এমন রেসিপি দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগলো। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
কিছুদিন আগে টুনা ফিস দিয়ে বারবিকিউ পার্টি করেছিলাম। তবে আপনি যেভাবে রেসিপি শেয়ার করেছেন এভাবে কখনো খাওয়া হয়নি। একদিন ট্রাই করে দেখব আপু। ধন্যবাদ আপনাকে আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ভালো থাকবেন।