অসুস্থতা যেন কাটছেই না
বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুল্লিাহ ভাল আছি।
অসুস্থতা যেন কাটছেই না।এক সপ্তাহের বেশি হয়ে গেল বাসায় একজনের পর একজন অসুস্থ হয়েই আছে।এইতো সেদিন বড় মেয়ের বার্থডে হয়ে গেল, তারপর থেকেই তার শরীর খুব খারাপ। ঠান্ডা, কাশি এবং সাথে জ্বর।খেতেও পারছিল না ঠিকমতো। 6 ঘন্টা পর পর তাকে প্যারাসিটামল দিয়েছি। জ্বর যেন যাচ্ছিলই না।পরাপর দুইদিন বৃহস্পতি ও শুক্রবার তার স্কুল মিস হয়ে যায়। এরপর শনি ও রবি এই দুইদিন এমনিতেই স্কুল বন্ধ থাকে।এই দুই দিনে তার অবস্থার একটু উন্নতি হয়।।এরপর সোমবার দেখলাম মোটামুটি বেশ ভালই আছে তাই তাকে স্কুলে পাঠিয়ে দিলাম। এমনিতেই দুইদিন স্কুল মিস হয়ে গিয়েছে তাই তাকে পাঠিয়ে দিলাম। একদিন মিস হলে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। এখন মোটামুটি সে ভালো আছে। কিন্তু কাশি এখনও পুরোপুরি যায়নি, হালকা কাশি এখনো রয়ে গিয়েছে। বড় মেয়ের শরীর ভালো হতে না হতেই শুরু হয়ে গেল ছোট মেয়ের শরীর খারাপ। দুজনের সেইম সিমটমস, জ্বর , কাশি আর খাওয়ার অরুচি। তারও একদিন স্কুল মিস হয়ে যায়।
এরপর শুরু হয় তাদের বাবার।তার বাবার জ্বর, মাথা ব্যাথা সহ সারা শরীরে ব্যাথা।তার ছিল ৩/৪ দিন শরীর খারাপ। নিয়মিত প্যারাসিটামল খেয়েছে।এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি, প্যারাসিটামল খেয়ে যেতে হয়েছে তার গন্তব্যস্থল রেস্টুরেন্টে। এটি সিজনাল ফ্লু।প্রায় ফ্যামিলিতেউ এই ফ্লু দেখা যাচ্ছে। এখন আমি ভয়ে রয়েছি আমার যেন না হয়। হাজবেন্ডও ভয়ে ভয়ে রয়েছে যেন আমার না হয়।আমার হলে সে কোন কিছুই ম্যানেজ করতে পারবে না, স্পেশালি বাচ্চাদেরকে স্কুলে পাঠানো এবং তাদের খাবার ও স্কুলে লাঞ্চ দেওয়া।এগুলো সে মোটেও করতে পারেনা।এরপর কুকিং তো রয়েছেই।যদিও সে ভালো কুকিং জানে কিন্তু বাচ্চারা আমার রান্না বেশি পছন্দ করে।
আসলেই হঠাৎ বেশি ঠান্ডা পড়াতে সকলেই অসুস্থ হয়ে পড়েছে।সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখন দুই থেকে তিন ডিগ্রী চলছে। শুনেছি আগামী সপ্তাহে মাইনাস টু তে চলে যেতে পারে। তখন স্নো পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঘরে অল টাইম সেন্ট্রাল হিটার অন করে রাখতে হয় যা প্রতিটি রুম, রান্নাঘর,বাথরুম ও প্যাসেজেও থাকে। এটি অটোমেটিকলি চলে।প্রতি দুই তিন ঘন্টা পর পর অফ হয়ে যায়। আবার দুই তিনটা ঘন্টা পর পর অন হয়।কিন্তু অফ হওয়ার পর ঘর আবার ঠান্ডা হয়ে যায় ত্রিশ মিনিটের মধ্যে। তখন আবার গিয়ে অন করতে হয়, ২-৩ ঘন্টার জন্য আর অপেক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। সেন্ট্রাল হিটার ছাড়াও ঘরে রুম হিটার রাখি সব সময়। কারণ রুম হিটার ছাড়ার সাথে সাথেই রুম গরম হয়ে যায়। সেন্ট্রাল হিটারে ঘর গরম হতে একটু সময় লাগে। স্পেশালি বাচ্চারা শাওয়ার করে আসার পর রুম হিটার না ছাড়লে অস্থির হয়ে যায়, কারণ প্রচন্ড ঠান্ডা লাগে তখন তাদের।আসলেই পরিবারের কোন এক সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়লে কোন কিছুই ভালো লাগেনা। সারাক্ষণ শুধু টেনশন হয় কখন সে ভালো হবে।
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আমাদের সকলের জন্য দোয়া করবেন।দোয়া করি যে যেখানেই থাকুন সকলেই সুস্হ ও ভালো থাকুন।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
[
এতো ঠান্ডা পরেছে আপু তাইতো ঘরে ঘরে এমন অসুস্থতা দেখা দিয়েছে।বড় মেয়ে দুইদিন জ্বরে ভুগেছে।কিন্তু কাশি এখনো কমেনি।আসলে কাশি হলে কমতে সময় লাগে।এরপর ছোট মেয়ের হলো।আসলে জ্বর আবার কাশি হলে খাওয়ার অরুচি হয়।কোন কিছুই খেতে ইচ্ছে করে না।এরপর আবার ভাইয়ার হলো। দোয়া করি আপু আপনার যেনো কিছু না হয়।আল্লাহ সকলের সুস্থতা দান করুন,আমিন।অনুভুতি গুলো শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ আপু।
অনেক বেশি ঠান্ডা পড়ছে তাহলে। মাইনাস এ চলে গেলে তো আরো খারাপ অবস্থা হবে। আসলে এই ঠান্ডার কারণেই পরিবারের একজনের পর একজন অসুস্থ হচ্ছে। ঠিকই বলেছেন আপু, পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে কিছুই ভালো লাগে না। দোয়া করি যেন সবাই সুস্থ হয়ে উঠে।
সব খানেই একই অবস্থা আপু। যে পরিবারে ঢুকতেছে সবাই কে কাহিল করে ছেড়ে দিচ্ছে। আপনার সবাই তারাতারি সুস্থ হয়ে উঠুক এই প্রার্থনা করি,সেই সাথে আপনি যাতে অসুস্থ না হন সেই প্রার্থনাও রইল।
আসলে ঠান্ডার শুরুতে কম বেশি সবাই অসুস্থ হয়ে যায় ঠান্ডা জনিত সমস্যায়।গরমের পর শীত শরীরের প্রতি আলাদা একটা ধকল পড়ে যায়।ঠিক বলেছেন পরিবারের কেউ অসুস্থ হলে কিচ্ছু ভালো লাগে না।
ভালো সংবাদ যে আপনার বড় মেয়ে এবং দুলাভাই দুজনই আগের চেয়ে একটু সুস্থ হয়েছে। শীতের মৌসুমে এমন ঠান্ডা জ্বর কম বেশি হবেই তবে সেখানকার আবহাওয়াটা ব্যাপক ঠান্ডা মনে হচ্ছে যেহেতু রুমের মধ্যে সব সময় হিটার চলে। যাই হোক সব শেষে বলতে চাই সৃষ্টিকর্তা সবাইকে সুস্থতা দান করুক আমিন।
আপু সিজনাল ফ্লু এমনই। ঘরের একজন অসুস্থ হলে বাসার সবাই অসুস্থ হয়ে যায়। তবে দোয়া করি আপনি যেন আপনার দুই মেয়ে এবং আমাদের ভাইয়ার মতো অসুস্থ না হন। আপনি অসুস্থ হলে ভাইয়ার উপর অনেক চাপ পরবে এবং ভাইয়া হয়তোবা সবকিছু সামলাতে পারবেও না। সেখানকার তাপমাত্রা এখন কমতে শুরু করবে। আপনাদেরকে আরো সতর্ক হতে হবে, যাতে প্রচন্ড শীতে কারো কোনো সমস্যা না হয়। আপনার পুরো পরিবারের প্রতি অনেক অনেক দোয়া এবং শুভকামনা রইল আপু।
আগামী সপ্তাহে মাইনাস টু হবে আবহাওয়া ভাবতেই আরো ভয় লাগছে আপু। এমনিতেই সবাই একের পর এক অসুস্থ হচ্ছেন। তার মধ্যে যদি এরকম আবহাওয়া হয় তাহলে তো অবস্থা খুবই খারাপ। আপু আপনি আপনার পরিবারের সবাইকে নিয়ে অনেক সমস্যার মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন বুঝতে পারছি। সবার জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল। 🤲🤲