ডাক্তার এর অ্যাপয়েন্টমেন্ট এর সুবাদে কিছু কেনাকাটা আর সাথে রয়েছে বৃষ্টি ভেজা কিছু ফটোগ্রাফি
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজ ডেন্টিস্টের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট ছিল আমার আর আমার ছোট মেয়ের। প্রতি ছয় মাস পর পর দাঁতের চেকআপ করাতে হয়। ছয় মাস পার হয়ে গেলেই মোবাইলে বার বার মেসেজ আসতে থাকে এপয়েন্টমেন্ট করার জন্য।তাই আজকে গিয়েছিলাম জাস্ট রুটিন চেক করার জন্য। সকাল ১০ টার মধ্যেই ঘর থেকে বের হয়ে যাই। অবশ্য আমার কোন প্রবলেম পাইনি তবে মেয়ের একটু প্রবলেম পেয়েছিল, তা ঠিক করে দিয়েছে। আর ক্লিনিক যেহেতু শপিংমলের কাছেই তাই সেই সুজোগে কিছু দরকারি কেনাকাটা শেষ করে ফেললাম।যেহেতু স্কুল হলিডে চলছে তাই এই সময়টা শুধু ঘুরে বেড়ানো আর কেনাকাটার জন্য বেশি ব্যায় হচ্ছে। কিন্তু বৃষ্টি তো থামছে না। এই কয়েকদিন ধরে একটানা বৃষ্টি নামছে। একটু সুবিধা হয় আবার বৃষ্টি শুরু হয়, কিন্তু তারপরও জরুরী কাজগুলো আমরা সেরে নিচ্ছি। গত সপ্তাহে আমরা কেনাকাটা করেছিলাম, তারপরও কিছু বাকি তাই আজকে সুজোগটি কাজে লাগিয়ে নিলাম।এরপরও স্কুল ড্রেস বাকি রয়েছে। সুযোগ পেলে দু এক সপ্তাহের মধ্যে আবার যেতে হবে কারণ স্কুল খুলে ফেলবে।যদিও আরও ৪ সপ্তাহ বাকী রয়েছে। যাইহোক আজকে সারাদিন বৃষ্টি ছিল। ডেন্টিস্ট এর কাছ থেকে ফিরে বৃষ্টির মধ্যেই কেনাকাটা করে ঘরে ফিরি। আজকে বৃষ্টি ভেজা রাস্তাঘাটের অনেকগুলো ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করব।আশা করি ভালো লাগবে। চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্বে।
ডক্টরের জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
বৃষ্টির মধ্যে হাটাহাটি করে অবশেষে পৌঁছালাম শপিংমলে। শপিং মল থেকে ২ জোড়া জুতা কিনি, একজোড়া মেয়ের জন্য আরেক জোড়া তার বাবার জন্য।ছোট মেয়ের জন্য দুই জোড়া গত সপ্তাহে কিনে ফেলেছিলাম আর বড় মেয়ের একজোড়া বাকি ছিল।এই জুতাগুলো শুধুমাত্র তাদের স্কুলের জন্য কেনা হয়েছে। জুতাগুলো ভালো কোম্পানির হওয়ায় খুব সহজেই নষ্ট হয় না।প্রতিবছরই তাদের পুরাতন জুতা গুলো ফেলে দিতে হয়, কিন্তু জুতাগুলো একদম ভালো থাকে নষ্ট হয় না। বাচ্চাদের জুতা কিনতে আমার খুব কষ্ট হয়, কারণ বেশিদিন পড়তে পারেনা কিছুদিন পড়লেই ছোট হয়ে যায়। এর আগে ছোট মেয়ের জন্য একজোড়া জুতা কিনেছিলাম বাইরে পড়ার জন্য।কিন্তু সে একদিনও পড়েনি।অনেকদিন পর বের করেছি, দেখি তার পায়ে আর লাগেনা।এত খারাপ লেগেছে এত সুন্দর একটি জুতা একদিনও পড়াতে পারিনি। যাইহোক স্কুলের জুতাগুলো কিন্তু বেশ ভালই পড়া হয় কারণ নিয়মিত পড়ে যেতে হয়।
বড় মেয়ের জুতা।
এরপর শপিংমল থেকে গ্রোসারি শপে যাই। সেখান থেকে চিকেন এবং আরও দরকারী জিনিসপত্র কিনে ফেলি।অবশেষে কেনাকাটা শেষে বেলা ১:৩০ এ বাসায় ফিরি।খুব বেশি কেনাকাটা ছিলনা তাই দ্রুত বাসায় ফিরে আসতে পেরেছি।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আসলে উন্নত দেশের নিয়ম গুলোই আলাদা যেমন ডাক্তারের এপোয়েন্টমেন্ট এর সময় হলে বারবার ফোনে এসএমএস আসে এটা আমার কাছে দারুন লেগেছে। আবার ডাক্তার দেখানোর পরে শপিংমলে গিয়ে আপনার মেয়ের জন্য এবং ভাইয়ার জন্য জুতা কিনেছেন। শপিংমল পাশাপাশি হওয়ায় কেনাকাটা করতে অনেকটাই সুবিধা হয়েছে।গ্রোসারি শপে গিয়ে মাংস কিনেছেন তাহলে তো এই মাংসের রেসিপি ও খুব দ্রুত দেখতে পাবো।
আপনাদের ওখানে ও বৃষ্টি হচ্ছে। আমাদের ঢাকায় ও বৃষ্টি হয়।উন্নত দেশগুলোর ব্যাপারই আলাদা। চেক আপে এস এম এস দেয়।যাক সমস্যা পায়নি জেনে ভীষন ভালো লাগলো।সব বাচ্চাদেরই এক অবস্থা জুতা,ড্রেস ভালো ই থাকে কিন্তু পরতে আর পারেনা।কারন এরা দ্রুত লম্বা হয়ে যায়। সব জায়গাতেই বৃষ্টির পর ওয়েদার বেশ সুন্দর লাগে।ফটোগ্রাফি গুলো দারুন লাগলো।১.৩০ টার মধ্যে বাসায় চলে গেলেন।ডাক্তার, টুকটাক কেনাকাটা সবই হলো এই সময়ের মধ্যে। অনুভূতি গুলো পড়ে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ আপু শেয়ার করার জন্য। অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপনার আর আপনার পরিবারের জন্য।
বাহ্ আপু ভালোই তো করেছেন। রথও দেখা হলো, আবার কলাও বেচাঁ হলো। কিন্তু আপু আপনার ফটোগ্রাফি দেখে তো মনে হচ্ছে পুরো লন্ডন শহরই দেখে ফেললাম। এত সুন্দর দেশ। আবার সে দেশের ডাক্তারের চেম্বারও কত পরিচ্ছন্ন। গ্রোসারী শপে কি চমৎকার করে মুরগী সাজানো আছে। যেন বেহস্তের এক চিলতে সুখ। তবে আমার কিন্তু জুতাগুলো বেশ কিনতে মনে চাইছে। যাক তবুও তো আপনার আজকের পোস্টের মাধ্যমে লন্ডন শহর কিছুটা দেখলাম।
এটা অবশ্য ভালো যে প্রতি ছয় মাস পর পর দাঁতের চেকআপ হয়ে যায়। তা না হলেতো দরকার ছাড়া ডাক্তারের কাছে যাওয়াই হয় না। শুনে ভালো লাগলো যে আপনার দাঁতের কোন সমস্যা পাওয়া যায়নি। তাছাড়া জরুরি কেনাকাটাও সেরে ফেলতে পেরেছেন। বৃষ্টি ভেজা রাস্তার ছবিগুলো খুবই ভালো লাগছে দেখতে। এরকম পরিবেশে ঘুরতে কিন্তু ভালই লাগে।
আপু ঐ দেশের মানুষ কত সচেতন। প্রতি ছয় মাস পর পর দাঁতের চেকআপ করার জন্য মোবাইলে বার বার ম্যাসেজ চলে আসে। আর আমাদের দেশে কোন প্রবলেম না হওয়া পর্যন্ত ২০ বছরেও একবার চেকআপ করতে যায় না। চিকেন গুলো দারুন ছিল। আর বৃষ্টি ভেজা রাস্তার ফটোগ্রাফি গুলোও অসাধারন হয়েছে। ধন্যবাদ আপু।
আসলে আমার মনে হয় কিছুদিন পর পর সবারই দাতের চেকআপ করানো উচিত । যদিও আমাদের দেশে এটা কখনোই করা হয় না ।তবু ও যে আপনার দাঁতের কোন সমস্যা হয়নি জেনে ভালো লাগলো ।আর ডক্টর দেখাতে যেয়ে বাইরে প্রয়োজনীয় কিছু কেনাকাটাও করতে পারলেন ।আর আমরা দারুণ কিছু বৃষ্টির ফটোগ্রাফিও দেখতে পারলাম । বেশ ভালো লাগলো। আর ছোটদের জুতার ক্ষেত্রে কি আর বলব , এত দ্রুত পা বড় হয় যে জুতা গুলো সত্যিই নতুনই থেকে যায় ,যা খুবই খারাপ লাগে।যাইহোক আপনার আজকের দিনটা বেশ ভালই কেটেছে মনে হচ্ছে। ধন্যবাদ।
দাঁতের যত্ন নেওয়া আমাদের সবারই অনেক প্রয়োজনীয়। আমরা হয়তো দাঁতের সমস্যা হওয়ার পর ডাক্তারের কাছে যাই। কিন্তু আপনি এবং আপনার পরিবারের সবাই নিয়মিত দাঁতের চেকআপ করে জেনে সত্যিই ভালো লাগলো আপু। প্রত্যেকের উচিত ছয় মাস অন্তর অন্তর দাঁতের চেকআপ করা। যাইহোক আপু বাহিরে গিয়ে বেশ ভালোই কেনাকাটা করেছেন। আসলে ছোট বাচ্চাদের জুতাগুলো এমনই হয়। অল্প কিছুদিন পড়ার পর ছোট হয়ে যায়। তখন ভীষণ খারাপ লাগে। ভালো কোন কিছু ফেলে দেওয়া সত্যিই অনেক কষ্টের।
জানিনা আমাদের দেশ কবে এমন উন্নত হবে। এই সমস্ত রাষ্ট্রের উন্নতশীল চিন্তা ভাবনা এবং কার্যকলাপ দেখে যেন আশ্চর্য হতে হয়। যাই হোক কেনা কাটার পাশাপাশি পথ চলার অপরূপ দৃশ্যগুলো ক্যামেরাবন্দি করেছেন। বিশেষ করে বৃষ্টি ভেজা দৃশ্যগুলো অনেক সুন্দর হয়ে থাকে।