আমার পছন্দের চিতই পিঠা
বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুল্লিাহ ভালো আছি।
চিতই পিঠা যে আমার কত পছন্দের তা বলে বোঝাতে পারবো না। হ্যাঁ বন্ধুরা বাংলাদেশে থাকতে শীতের সিজনে খুব বেশি খাওয়া হত এই পিঠাগুলো। কিন্তু এখন আর তেমনভাবে খাওয়া হয় না। যদিও এবার বাংলাদেশে গিয়েছিলাম গরমের দিনে কিন্তু তারপরও এই পিঠার স্বাদ নিতে পেরেছিলাম।চাচী জানত এই পিঠা আমার খুবই পছন্দের। তাই গ্রামের বাড়িতে চাচী আমাদের পিঠা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছিল।সকলে মিলে খুব বেশি উপভোগ করেছিলাম।সাথে আমাদের সকল আত্মীয়-স্বজনও ছিল।সকলে মিলে এই পিঠা খাওয়ার আনন্দ সেই ছোটবেলার কথা মনে করিয়ে দিন।এছাড়া ঢাকায় যখন আমার বোনের বাসায় ছিলাম সেখানেও খেয়েছিলাম কেনা চিতই পিঠা।এখানে বারোমাসই চিতই পিঠা পাওয়া যায়। আর সাথে থাকে হরেক রকমের ভর্তা। কি যে দারুন লাগে ওই ভর্তাগুলো।
আসলে দুই দিন আগে আমাদের এক বাঙালি প্রতিবেশী চিতই পিঠা ও সিদল শুঁটকি মাছের ভর্তা পাঠিয়েছিল।আর আমি মনে মনে এই পিঠা বানানোর জন্য রেডি হচ্ছিলাম।পেয়ে তো খুবই ভালো লেগেছিল। কিন্তু বক্স খুলে দেখি পিঠাগুলোর অবস্থা খারাপ।পিঠার পিছনের অংশ একেবারে পোড়া ছিল কিন্তু উপরের অংশ মোটামুটি ভালো ছিল।তারপরও দুই তিনটি মোটামুটি ঠিক ছিল।আর সাথে যে শুটকি ভর্তা দিয়েছিল এত টেস্টি ছিল যে বলে বোঝাতে পারবো না। মাঝেমধ্যে আমরা হোটেলে যে ভর্তা গুলো খেয়ে থাকি তার থেকেও অনেক মজার ছিল। কিন্তু তারা অনেকটা ভর্তাই দিয়েছিল তাই বাকি টুকু পিঠা দিয়ে খাওয়ার জন্য পরের দিন আমিও পিঠা বানিয়ে ফেললাম।
আমার বানানো পিঠাগুলো।দেখুন পিঠার সামনে ও পিছন দিকটা একেবারে পারফেক্ট ছিল, আর অসংখ্য ছিদ্রযুক্ত ছিল।
আমার বানানো পিঠাগুলোর সাইজে অনেক বড় দেখতে পাচ্ছেন। আসলে লোহার কড়াইতে এ পিঠাগুলো তৈরি করেছিলাম। আর আমার কড়াইটি মোটামুটি বেশ ভালই বড় ছিল। পিঠা বানানোর জন্য যে মাটির সাঝ পাওয়া যায় ওগুলোতে পিঠা ভালো হয়। কিন্তু আমার এখানে তো আর ওগুলো পাওয়া যায় না।তারপরও আমার পিঠাগুলো কিন্তু দারুন স্বাদের ছিল। সাথে ছিল মাংসের ঝোল, আর অবশিষ্ট ভর্তা দিয়ে পিঠাগুলো উপভোগ করলাম।মাঝে মাঝে ঘরে এ ধরনের পিঠা বানিয়ে খেতে কিন্তু ভালই লাগে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে সময় ম্যানেজ করা। তারপরও বাজার থেকে খেজুরের গুড় এনে রেখেছি কারণ শীত চলে এসেছে মাঝেমধ্যে যখন মন চাইবে তখন বানিয়ে ফেলবো।গত বছরও এই পিঠা বানিয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম তাই এবার আর শেয়ার করিনি।আশা করছি আপনাদের ভালো লেগেছে আমার আজকের পিঠাগুলো।
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
[
আমার বাসার সামনেও চিতই পিঠা বারো মাস বিক্রি করা হয়। মাঝেমধ্যে সন্ধ্যার সময় খাওয়া হয়। যাইহোক আপনার তৈরি করা চিতই পিঠা গুলো দারুণ হয়েছে আপু। সেখানে বসেও আপনি চিতই পিঠা তৈরি করে খেয়ে থাকেন এবং এই ব্যাপারটা খুব ভালো লাগে। এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রতিবেশীর কাছ থেকে পাওয়া পিঠা আর ভর্তা পেয়েছেন জেনে ভালো লাগলো আপু।আপনার খুব পছন্দ এই চিতই পিঠা।তাই আবার নিজে ও তৈরি করে নিয়েছেন।পিঠা গুলো দেখতে আসলেই সুন্দর হয়েছে।বেঁচে যাওয়া ভর্তা আর মাংসের ঝোল দিয়ে খেয়েছেন দারুন স্বাদের হয়েছিল।সুন্দর অনুভূতি গুলো শেয়ার করে নেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।