চিংড়ি শুঁটকি ভর্তার রেসিপি
আসসালামুআলাইকুম,
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।আজকে আমি আপনাদের সাথে চিংড়ি মাছের শুঁটকির মজাদার একটি রেসিপি নিয়ে হাজির হয়ে গেলাম। চিংড়ি মাছ এমনিতেই অনেক মজা হয় যেকোন ভাবে রান্না করলেই।আর শুঁটকি ভর্তা হলে তো কথাই নেই।আমার অনেক পছন্দের এই চিংড়ি শুঁটকির ভর্তা।গরম ভাতের সাথে এই ভর্তা হলে আমার আর কোন কিছুই লাগেনা।আমি আজকে এই রেসিপিটির জন্য শিল পাটা ব্যবহার না করে ব্লেন্ডার ব্যবহার করেছি। ব্লেন্ডার ব্যবহার করলে সময় অনেক কম লাগে এবং কষ্টও কম হয়।আশা করি আমার এই রেসিপিটি আপনাদের ভালো লাগবে। চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্বে।
চলুন দেখে নেয়া যাক রেসিপি টা তৈরি করতে আমাদের কি কি উপকরণ এবং কতটুকু পরিমান লাগবেঃ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| চিংড়ি মাছ | ২০০ গ্রাম |
| পিঁয়াজ | হাফ কাপ |
| রসুন কুচি | হাফ কাপ |
| শুকনা মরিচ | ৩/৪ টি |
| হলুদ | এক চিমটি |
| লবন | পরিমান মতো |
| সরিষার তেল | দেড় টেবিল চামচ |
কার্যপদ্ধতিঃ
প্রথমেই চিংড়ি মাছ গুলো টাটকা গরম পানিতে ১০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রেখেছি।
এরপর রসুন ও কাঁচামরিচ কুচি কুচি করে কেটে নিয়েছি এবং চিংড়ি মাছ গুলো বেছে ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিয়েছি।
এরপর একটি ফ্রাই প্যানে তেল গরম করে শুকনা মরিচ ব্রাউন করে ভেজে নিয়েছি।
এরপর ওই একই তেলে পেঁয়াজ ও রসুন দিয়ে বাদামী বর্ণের করে ভেজে নিয়েছি।
এরপর পেঁয়াজ ও রসুন উঠিয়ে চিংড়ি মাছ গুলো দিয়ে দিয়েছি।এরপর হালকা হলুদ ও লবণ দিয়ে মাখিয়ে অল্প আঁচে কয়েক মিনিট ভেজে নিয়েছি।
এরপর লালবর্ণের হলে নামিয়ে নিয়েছি।
এরপর সবগুলো উপকরণ একটি ব্লেন্ডার মেশিনে নিয়ে ব্লেন্ড করে নিয়েছি। শিল পাটায় বেটে নিলে খুবই ভালো হয়, কিন্তু সময়ের অভাবে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিয়েছি। এরপর হাতের সাহায্যে এভাবে গোল গোল করে নিয়েছে। হয়ে গেল আমার মজাদার চিংড়ি শুঁটকির ভর্তা।
পরিবেশনের জন্য এনেছি।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
এই চিংড়ি শুটকি আমার অসম্ভব প্রিয়,এটা হলে আমার আর কিছুই লাগেনা।
আপু,কয়েকটা রেসিপি পোস্ট আমাকেও দিতে পারেন তো।😜😜
আমরা যেই যা বলি না কেন ন্যাচার এবং ক্রিতিম জিনিসের মধ্যে পার্থক্য থেকে যায়। আমি বলবো শিলপাটায় আর ব্লেন্ডারের মধ্যে পার্থক্য থেকে যাবে আজীবন। যদিও যেকোনো ধরনের ভর্তা আমার খুব পছন্দ শুধু চিংড়ি শুঁটকি ছাড়া। তবে আপনার রেসিপিটা দেখে একটু খেয়ে দেখতে ইচ্ছে করছে। দারুন ছিল আপনার উপস্থাপনা, আমাদের মাঝে এতো সুন্দর ভর্তা রেসিপি শেয়ার করার জন্য আপনার প্রতি রইল আন্তরিক অভিনন্দন।
আপু আপনি ঠিকই বলেছেন চিংড়ি শুটকি মাছের ভর্তা রেসিপি যদি গরম ভাতের সাথে খাওয়া যায় তাহলে অনেক বেশি মজা হয়। আমিও এই চিংড়ি শুটকি মাছের ভর্তা খেতে খুবই পছন্দ করি। বিশেষ করে গরম ভাতের সাথে খেতে অনেক বেশি মজাদার হয়। যাই হোক আজকে আপনার ভর্তা রেসিপি খুবই সুস্বাদু মনে হচ্ছে এবং সুন্দর ভাবে আমাদের মাঝে ধাপে ধাপে উপস্থাপন করেছেন শুভকামনা রইল।
ঠিকই আছে আপু সহজ উপায় ব্লেন্ডার থাকতে কেন শিল পাটা ব্যবহার করবেন। চিংড়ি আমার বেশ পছন্দের। তবে চিংড়ি শুটকি টা একটু এড়িয়ে চলি। চিংড়ি শুটকির ভর্তাটা বেশ চমৎকার তৈরি করেছেন আপু। দেখে বেশ লোভ হচ্ছে। সুন্দর ছিল আপনার পরিবেশনা টা।।
ঠিকই বলেছেন আপু চিংড়ি মাছ অনেক স্বাদের হয়ে থাকে।। চিংড়ি মাছ তো আমার খুবই ফেভারিট যে কোনভাবে রেসিপি প্রস্তুত করলে খেতে অনেক ভালো লাগে।।
আমিও মাঝে মাঝে চিংড়ি ভর্তা রেসিপি প্রস্তুত করি কালিজিরা দিয়ে।।
এটা ঠিক যে ব্যালেন্ডার দিয়ে প্রস্তুত করতে অনেক কম সময় এবং কষ্ট কম হয়েছে।। তবে আপনার প্রস্তুত করা ভর্তার রেসিপিটি দেখে খুবই লোভ হচ্ছে খেতে নিশ্চয়ই খুব মজা হয়েছিল।।
আমি অবশ্য এটি অন্যভাবে প্রস্তুত করতাম আপনার প্রস্তুত প্রণালী অনেক ভালো লেগেছে আমার কাছে একবার এরকমভাবে প্রস্তুত করতে হবে।।।।
চিংড়ি শুটকি দিয়ে খুব চমৎকারভাবে ভর্তা বানিয়েছেন তবে ব্লেন্ডার দিয়ে ব্লেন্ড করলে অনেক সময় মিহি হয়ে যায়। কিন্তু আপনার গুলো অনেক ঝরঝরা ছিল, যেটি খেতে অনেক ভালো লাগে। আর এমনিতে চিংড়ি ভর্তা আমার অনেক বেশি প্রিয় ধন্যবাদ।
আপনি ঠিকই বলেছেন চিংড়ি মাছ যেভাবেই রান্না করা হয় খেতে ভাল লাগে। চিংড়ি শুটকি ভর্তা আমার খুব ভাল লাগে। আপনি চিংড়ি মাছটাকে ভেজে তারপর তার সাথে উপকরণ মিশিয়ে ব্লেন্ডার দিয়ে ভর্তা বানিয়েছেন। আপনার প্রস্তুত প্রনালী দেখে আমার পছন্দ হয়েছে। তবে শিল পাটার চিংড়ি ভর্তাটাও খুব মজার হয়। পরিবেশন সুন্দর হয়েছে।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটি চিংড়ি শুটকি ভর্তার রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
এই ভর্তাগুলো শিলপাটায় বাটলে ব্লেন্ডার থেকে আরো বেশি স্বাদ হয়। আমার বাসায় বেশকিছু চিংড়ি শুটকি আছে কিভাবে খাব খুঁজে পাচ্ছিলাম না। বিভিন্ন ভাজির মধ্যে দিয়ে খাচ্ছিলাম । আপনার আজকে ভর্তা রেসিপি টা দেখে শিখে নিলাম। আমিও বাসায় গিয়ে এভাবে ভর্তার করে খাবো। যেভাবে সাজিয়ে রেখেছেন মনে হচ্ছে যে এখনই গরম ভাতের সাথে খেতে শুরু করে দেই।
বাহ,চিংড়ি শুঁটকি ভর্তার রেসিপিটা বেশ সুন্দর হয়েছে আপু।আমরা মূলত টাটকা চিংড়ি খাই সবসময় আর সেটা ভর্তা করে ও খাই বেশ মজার।কিন্তু কখনো শুটকি চিংড়ি ভর্তা খাওয়া হয় নি কারন শুটকি গন্ধ আমার কেমন নাকে লাগে।যাইহোক আপনার রেসিপি দেখে বোঝা যাচ্ছে বেশ সুস্বাদু হয়েছে।তাছাড়া শিল পাটা ব্যবহার করলে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কষ্ট ও বেশি হয়।ধন্যবাদ আপনাকে।
ওয়াও আপু আপনি তো একেবারে রেস্টুরেন্ট স্টাইলে পরিবেশন করে রেখেছেন চিংড়ি শুটকি ভর্তা। চিংড়ি মাছ চিকনি শুটকি দিয়ে যে কোন কিছু রান্না করলে অথবা ভর্তা বানালে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তবে আপু আমার কাছে মনে হয় ব্লেন্ডারের চাইতে সিল পাটায় বেটে খেলে বেশি মজা লাগে। অবশ্য যখন সময় কম থাকে তখন ব্লেন্ডার করে ফেলাটাই উচিত। চমৎকার রেসিপি দেখিয়েছেন আপু।