নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী ডিম সুন্দরী পিঠা
আসসালামুআলাইকুম,
বন্ধুরা সকলে কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজ আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি পিঠার একটি রেসিপি নিয়ে। হ্যাঁ বন্ধুরা শীত চলে এসেছে। আমাদের এখানে তো অনেক ঠান্ডা পড়া শুরু হয়ে গিয়েছে, এমনকি মাঝেমধ্যে হালকা স্লো ও পড়ছে। আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল মাইনাস 2 ডিগ্রী। আর এই শীতে পিঠা খেতে খুব মন চায়। অনেকদিন ধরে ভাবছি পিঠা বানাবো, আর পিঠার জন্য গুড় ও কিনে নিয়ে এসেছি। কিন্তু এই ঠান্ডার মধ্যে কোন কিছুই ভালো লাগেনা, এ ছাড়া সময় ম্যানেজ করাও খুব কষ্টকর। তারপরও হালকার মধ্যে চেষ্টা করলাম একটি পিঠা বানাতে। এই পিঠা আমি ফেসবুকে অনেক দেখেছি, কিন্তু কখনো বানিয়ে খাওয়া হয়নি। যেহেতু সময় খুবই কম লাগে, ঝটপট বানিয়ে ফেলা সম্ভব তাই আমিও বানিয়ে ফেললাম। খুবই মজার এই পিঠাটি ছিল। পিঠিটির নাম হচ্ছে ডিম সুন্দরী পিঠা। আশা করছি আপনাদেরও ভালো লাগবে।চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্বে।
চলুন দেখে নেয়া যাক রেসিপিটি তৈরি করতে আমাদের কি কি উপকরণ এবং কতটুকু পরিমান লাগবেঃ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| চালের গুঁড়া | ২ কাপ |
| ময়দা | দুই কাপ |
| বেকিং পাউডার | হাফ চা চামচ |
| ডিম | ৩ টি |
| চিনি | চা-কাপের এক তৃতীয়াংশ |
| লবন | হাফ চা চামচের একটু কম |
| তেল | ভাঁজার জন্য |
কার্যপদ্ধতিঃ
প্রথমে একটি বাটিতে দুটি ডিম নিয়ে ফেটে নিয়েছি।
এরপর ওই ফেটানো ডিমের মধ্যে ময়দা, চালের গুঁড়া,বেকিং পাউডার, চিনি ও লবন দিয়ে মাখিয়ে নিয়েছি।
এরপর দুধ এড করে একটি ব্যাটার বানিয়ে নিয়েছি।
এরপর একটি কড়াইতে তেল গরম করে তাতে একটি ডিম ভেজে নিয়েছি। ডিমের দুপাশ ভালোভাবে ভেজে নিয়েছি।
এরপর ডিমটি ব্যাটারের মধ্যে দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিয়েছি। এরপর ওই একই কড়াইতে আরো তেল অ্যাড করে মিডিয়াম আঁচে রেখে ব্যাটারে রাখা ডিমটি ছেড়ে দিয়েছি।
এরপর আবারও দুপাশ ভালোভাবে ভেজে ব্যাটারে মাখিয়ে আবার তেলে ছেড়ে দিয়েছি।
এভাবে একই পদ্ধতিতে ৬-৭ বার করে আমার পিঠাটি বানিয়ে নিয়েছি।
এরপর একটি ছুড়ির সাহায্যে এভাবে পিস পিস করে কেটে নিয়েছি। ব্যাস হয়ে গেল আমার নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী ডিম সুন্দরী পিঠা।
পরিবেশনের জন্য রেডি।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 15 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আসলেই শীতকালে পিঠা খেতে দারুণ লাগে। ডিম সুন্দরী পিঠা গত বছর খেয়েছিলাম। পিঠা গুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে খেতে দারুণ লেগেছিল। বেশ ভালো লাগলো পিঠা গুলো দেখে। যাইহোক এতো মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
নোয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা এই ডিম সুন্দরী পিঠা।আমিও দেখেছি রেসিপিটি।কিন্তু কখনও তৈরি করে খাওয়ার সুযোগ হয়নি।কারন পিঠা মানেই আমার কাছে ভাপা পিঠা,দুধ পুলি পিঠা আর পাটিসাপটা পিঠা বেশ জনপ্রিয়। আপনি রেসিপিটি তৈরি করেছেন দেখে ভালো লাগলো।
এই পিঠাকে আমরা পান্তুয়া পিঠা বলে থাকি। আগে বেশিরভাগ সময়ে এই পিঠা আমি টিফিনে নিয়ে যেতাম আমার কাছে খেতে বেশ ভালোই লাগে। আপনার তৈরি করা পিঠাটি দেখে এখন খেতে ইচ্ছে করছে। খুব শীঘ্রই রেসিপিটি আবার তৈরি করব। ধন্যবাদ আপনাকে আমার পছন্দের ও মজাদার একটি রেসিপি শেয়ার করার জন্য।