কচুর মুখি দিয়ে ইলিশ মাছের তরকারি
আসসালামুআলাইকুম ,
সবাই কেমন আছেন ? আশা করি ভালই আছেন আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।আজকে আমি আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি কচুর মুখি দিয়ে বাঙালির জাতীয় মাছ ইলিশ মাছের তরকারির রেসিপি নিয়ে।আমার অতি পছন্দের একটি খাবার। আশা করি আপনাদেরও ভালো লাগবে ।
চলুন দেখা যাক খাবারটি তৈরি করতে আমাদের কি কি উপকরণ লাগবে?
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| কচুর মুখি | ৪০০ গ্রাম |
| মাছ | ৮/৯ পিস |
| পেঁয়াজ কুচি | দেড় কাপ |
| কাঁচা মরিচ | ৪টি লম্বা করে কাটা |
| টমেটো কুচি | হাফ কাপ |
| হলুদ গুড়া | ১ চাঃচাঃ |
| ধনিয়া গড়ড়া | ১ চাঃচাঃ |
| কারিপাউডার | ২ চাঃচাঃ |
| জিরা গুড়া | ১ চাঃচাঃ |
| মরিচ গুড়া | ১ চাঃচাঃ |
| লবণ | স্বাদমতো |
| তেল | তিন টেবিল চামচ |
| ধনে পাতা কুচি | হাফ কাপ |
কার্যপ্রণালী : ধাপ ১
প্রথমেই পেঁয়াজ ,টমেটো ,কাঁচা মরিচ এবং ধনেপাতা কেটে নিয়েছি ।এরপর কচুর মুখি ধুয়ে রেখেছি, আমি এখানে ফ্রজেন কচুর মুখি ব্যবহার করছি যা প্যাকেটে থাকে ।তারপর মাছ কেটে ভালোভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করে হলুদ ও লবণ দিয়ে মাখিয়ে রেখেছি ভাজার জন্য।
কার্যপ্রণালী : ধাপ ২
প্রথমেই মাছগুলো তেলে ভেজে নিয়েছি । এরপর একটি কড়াইয়ে তেল গরম করে তাতে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, টমেটো ও লবণ দিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে রেখে দিয়েছি সিদ্ধ হওয়ার জন্য। পেঁয়াজ গলে যাওয়ার পর কচুর মুখি দিয়ে সবগুলো মসলা দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে ২ /৩ মিনিট রেখে কষিয়ে নিয়েছি।তারপর পর ভাজা মাছ গুলো দিয়ে, ২ কাপ পানি দিয়ে নেড়ে ঢেকে রেখেছি ৫/৬ মিনিটের জন্য। এই সময়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে দিতে হবে।
প্রক্রিয়াগুলো নিম্নে দেখানো হলো:
শেষ ধাপ :
৫/৬ মিনিট পরে চুলার আঁচ কমিয়ে আরো দুই-তিন মিনিট রেখে দিয়েছি ।এরপর ধনেপাতা দিয়ে আমার রান্না শেষ করেছি ।হয়ে গেল আমার মজাদার কচুর মুখি দিয়ে ইলিশ মাছের ঝোল তরকারি।
পরিবেশনের জন্য এনেছি।
| ডিভাইস | আইফোন টেন এক্স ম্যাক্স |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @tangera |
আশা করি আমার এই আজকের আয়োজন আপনাদের ভাল লেগেছে।
ধন্যবাদ,
@tangera
আমি তানজিরা, ব্রিটিশ-বাংলাদেশী , বিবাহিতা, দুই সন্তানের জননী। বর্তমানে ইংল্যান্ডে বসবাস করছি।বাংলা আমার মাতৃভাষা, বাংলাকে ভালোবাসি , ভালোবাসি আমার জন্মভূমিকে ,ভালোবাসি মাটি ও মানুষকে ।বাগান করতে ভালোবাসি যা আমার একমাত্র প্রধান সখ,ভালোবাসি ভ্রমণ করতে ও রান্না করতে।
কচুরমুখী দিয়ে ইলিশ মাছ, আহা, দারুন স্বাদের একটা রেসিপি । কচুরমুখী খেতে একটা পিচ্ছিল লাগে কিন্তু স্বাদটা অসাধারণ একেবারে :)
অনেক ধন্যবা দাদা এবং সুমন ভাই আপনাদের মন্তব্যের জন্য। কচু এমনই একটি উদ্ভিদ যার সবকিছুই খাওয়া যায়, কচুর লতি, কচুর মুখি এবং কচু শাক এই তিনটিই আমার খুব পছন্দের।
কচুর লতিও আমার ফেভারিট খাবার । কচুর লতি দিয়ে চিংড়ি মাছ , আহা অপূর্ব :)
আমার এলার্জি থাকার পরেও কচু মুখি দিয়ে ইলিশ মাছ খাওয়ার লোভ কোনদিনও সামলাতে পারিনি 😋। খাওয়ার পর একটি ওষুধ খেয়ে দিই। ব্যাস শেষ। খাওয়া ও হলো, এলার্জি ও হলো না। 😎
আমার একমাত্র সিগারেটের গন্ধ ছাড়া আর কোনো কিছুতেই এলার্জি নেই । সো, আমি বিশাল ভাগ্যবান :)
মেলা ভাগ্যবান 👌
খুব সুন্দর রেসিপি আপু,আমাদের বাড়িতেও ইলিশ মাছ আনলে কচুর মুখী বা ওল দিয়ে রান্না হয়।ধন্যবাদ আপনাকে।
তোমাকেও অনেক ধন্যবাদ আপু।
আহা লোভনীয় খাবার। ছবিগুলো দেখে একদম জিবে জল চলে আসলো।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
খুবই টেস্টি একটা রেসিপি। অনেক সুন্দর। শুভেচ্ছা রইলো আপু।
ধন্যবাদ আপনাকে।
আমার অতি পছন্দের একটি রেসিপি, ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ আমার ব্লগটি পড়ার জন্য।
খুব সুন্দরভাবে রেসিপি তুলে ধরেছেন।ছবিগুলো সুন্দর হয়েছে।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।