লন্ডনে ঘটে যাওয়া দুটি মর্মান্তিক ঘটনা
আসসালামুআলাইকুম,
আশা করি সকলেই ভালো আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। কিছুদিন আগে লন্ডনে খুবই মর্মান্তিক দুটি ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনা দুটি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি। লন্ডনের বিভিন্ন গণমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া এবং সংবাদপত্রে এ দুটি ঘটনা নিয়ে খুবই আলোড়ন পড়ে গিয়েছিল। আর আলোড়ন পড়ার মতোই ঘটনা ঘটেছে। হ্যাঁ বন্ধুরা দুটি ঘটনাই মৃত্যু সংক্রান্ত। পোস্টটি পড়লেই আপনারা জানতে পারবেন কতটা মর্মান্তিক ছিল সেই ঘটনা দুটি।চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে মূল পর্বে।
যেই ঘটনা নিয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সেই ঘটনাটি দিয়েই শুরু করছি। হ্যাঁ বন্ধুরা সেই ঘটনাটি ঘটেছে আমাদের বাঙালি কমিউনিটিতে। সোমা নামের চব্বিশ বছরের একটি মেয়ের লাশ পাওয়া গিয়েছিল লাগেজের মধ্যে Thames নদীতে। মেয়েটিকে হত্যা করে লাগেজে ভরে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মেয়েটি ছিল বিবাহিতা, ৪-৫ বছরের একটি ছেলেও ছিল। প্রথমেই স্থানীয় লোকজন পানির মধ্যে থেকে লাগেজটি উপরে তুলে ওঠায়। এরপর পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ লাগেজ খুলে দেখে একটি মেয়ের লাশ। এরপর তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করা হয়। তার পরিবারের লোকজন তার হাজবেন্ডকেই দোষারোপ করে। এরপর হাজবেন্ড কে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। অসহায় হয়ে পরলো তাদের ছেলেটা। মাকে হারালো এই অল্প বয়সে, আর বাবাকেও যেতে হলো জেলখানায়। মানুষ কতটা জঘন্য হলে এ ধরনের কাজ করতে পারে। কেন তাকে মেরে ফেলতে হবে? দরকার হলে সে সম্পর্ক ছিন্ন করে দিত। কেন এই নিষ্ঠুর আচরণ?
এবার দ্বিতীয় ঘটনাটি আপনাদের সাথে করব। এই ঘটনাটিও অনেক কষ্টদায়ক। ঘটনাটি ঘটেছে এই দেশের একটি ইংলিশ পরিবারে। একটি কাপল যারা দুজনই ছিল নেশাখোর। খুব বেশি নেশা করতো তারা।নেশা করলে তাদের কোন হিতাহিত জ্ঞান থাকতো না। তাদের এক বছরের একটি ছেলে সন্তান ছিল। প্রায়ই তারা সেই ছেলে শিশুকে নির্যাতন করত। তাদের আশপাশের প্রতিবেশীরাও তা পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। প্রতিবেশীরা বলতেন তারা মানসিক প্রতিবন্ধী। এরপর একদিন তারা সেই শিশুটিকে মারতে মারতে একদম মেরে ফেলে। পুলিশ যখন তার লাশটি উদ্ধার করে তখন ছেলেটির সারা শরীরে পায় শুধু আঘাতের চিহ্ন। কতটা নেশা করলে মানুষ এত নিষ্ঠুর হতে পারে? সর্বনাশা এই নেশার কারণে অকালে প্রাণ হারালো অবুঝ শিশুটি। টিভিতে নিউজে যখন বাচ্চাটির চেহারা দেখানো হয়েছিল তখন চোখে পানি ধরে রাখা ছিল কষ্টকর।
বন্ধুরা এটিই ছিল সেই মর্মান্তিক দুটি ঘটনা। পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হবো আপনাদের সাথে।
ধন্যবাদ,
@tangera
আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
এরকম ঘটনা আমাদের দেশে অহরহ ঘটে। আপনাদের দেশে হয়তো খুব কম ঘটে। আমারও একই কথা যদি কারো সঙ্গে থাকতে ইচ্ছা না করে তাহলে তাকে ছেড়ে দিলেই হয়। কেন এত নির্মমভাবে মেরে ফেলতে হবে। তাছাড়া নেশা মানুষের হিতাহিত জ্ঞান ভুলিয়ে দেয়। এজন্যই তো নিজের সন্তানকে এভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। এরকম মর্মান্তিক ঘটনা শুনলে আসলেই নিজেকে কন্ট্রোল করা বেশ কষ্টকর হয়ে যায়।
কি বলবো? ভাষা হারিয়ে ফেললাম। দুটো ঘটনাই মর্মান্তিক। একজন সন্তান নিষ্ঠুর বাবার জন্য তার মাকে হারালো। আর অন্যদিকে নিষ্ঠুর বাবা মায়ের জন্য অকালে প্রাণ দিতে হলো একটি ছোট্ট শিশু কে। পড়তে পড়তে কখন যে চোখে পানি চলে আসলো বুঝতেই পারলাম না। আসলে মানুষ পৃথিবীতে এখন অনেক নিষ্ঠুর হয়ে গেছে। অনেক সুন্দর ভাবে সম্পন্ন ঘটনাটি আপনি তুলে ধরেছেন আপু। ধন্যবাদ আপনাকে।
এই দুটি মর্মান্তিক ঘটনা পড়ে সত্যি আপু চোখে জল চলে এসেছে। একটা বাচ্চা তার নাম বাবা দুজনকেই হারিয়েছে, আর অন্য একটা বাচ্চা নিজের জীবনটাই হারিয়েছে। এরকম ঘটনা তো এখন অহরহ ঘটে যাচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়। ছোট্ট এক বছরের বাচ্চাটির কথা শুনে চোখের জল আটকাতে পারিনি। কতটা নেশা করে মানুষ এতটা জঘন্য হতে পারে, সত্যি এরকম ঘটনা শুনলে গা শিউরে উঠে। নিজেকে আর কন্ট্রোল করা যায় না। ওই মহিলাটির সঙ্গে তার হাজবেন্ড সম্পর্ক ছিন্ন করে দিতে পারতো না মেরে। অযথা সেই ছোট্ট বাচ্চাটা তার মা-বাবা দুজনকে হারিয়ে এখন অনাথ। সম্পূর্ণটা পড়ে অনেক খারাপ লাগলো।
আসলে ঘটনা দুটি ছিল সত্যিই অনেক মর্মান্তিক। তবে প্রথম ঘটনাটি আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণে ঘটে যেটি এখন আমাদের দেশের মানুষের কাছে খুব একটা নতুন কিছু নয়। আর দ্বিতীয় ঘটনাটি সত্যিই অনেক বেশি মর্মান্তিক লেগেছে আমার কাছে। নেশার কারণে মানুষ কতটা হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে যে তার সন্তানকে পর্যন্ত হত্যা করে। সত্যিই খুব হৃদয়বিদারক ঘটনা তুলে ধরেছেন। ধন্যবাদ।
চোখের জল আর আটকিয়ে রাখতে পারিনি আপু, এরকম দুটি মর্মান্তিক ঘটনা পড়ে। খুবই কষ্ট লাগে এরকম ঘটনা গুলোর কথা শুনলে। আমি যে কি বলবো বুঝতে পারতেছি না? বলার মত ভাষা নেই। এরকম ঘটনা গুলো সত্যি অনেক বেদনাদায়ক। স্বামী তার স্ত্রীর হত্যা করে লাগেজে করে নদীতে ফেলে দিয়েছিল। যার ফলে তার স্বামীকে জেলে নিয়ে গিয়েছিল। এবং এই কারণে তাদের একমাত্র সন্তান বাবা-মার কাছ থেকে অনেক দূরে সরে গিয়েছে। অন্যদিকে একটা কাপল অনেক নেশা করতো। নেশার কারণে তাদের জ্ঞান থাকতো না। তাদের এক বছরের সন্তানটিকে অনেক নির্যাতন করতো সবসময়, একদিন নির্যাতন করতে করতে মেরে ফেলে তাকে। ছোট বাচ্চাটি একেবারেই অবুঝ ছিল। সত্যি খুবই কষ্ট হচ্ছে এ ব্যাপার গুলো পড়ে।
বড়ই বেদনাদায়ক ঘটনা আজ আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন। হয়তো এ বিষয়টা না জানা থাকলেও আজ আপনার পোষ্টের মাধ্যমে জানতে পারলাম। যখন কোন খবরের পাতায় আবার কারোর থেকে যখন এই জাতীয় বিষয়গুলো জানতে পারি বড় দুঃখ লাগে। কত ছোট্ট শিশুর জীবনে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যায় তার জীবন কিভাবে বিফলে চলে যায় একমাত্র আল্লাহ জানেন। তাই সর্বদা সর্বশক্তিমান মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট আমাদের শুকরিয়া আদায় করতে হবে, যখন যে অবস্থায় আমাদের রাখুক না কেন তাতে সন্তুষ্টি থাকতে হবে।
আপু প্রথম ঘটনাটি শুনেছিলাম।কিন্তু পরেরটা আপনার পোস্টের মাধ্যমে জানলাম।সত্যি ই খুব দুঃখজনক।এ ধরনের খবর আমাকে খুব কষ্ট দেয়।তাই আমি নিউজ,ফেইসবুক দেখিনা।মানুষ গুলো এমন কেন?? এই ভাবনা খুব কষ্ট দেয় আমাকে।খুব খারাপ লাগে আমার।খুব খারাপ লাগছে এখন।
আপু আপনার এই পোস্টটি পড়ে নিহত শিশুটির প্রতি আমার খুবই মায়া লাগছে। আসলে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের কারো কাম্য নয়। নেশা যে মানুষকে ধ্বংস করে এটাই তার সবচাইতে বড় প্রমাণ। আমাদের সকলের উচিত সকল ধরনের নেশা জাতীয় বস্তু থেকে নিজেদেরকে দূরে রাখা।
আসলে এ ধরনের ঘটনা গুলো দেশে অহরহ ঘটছে। দুটো ঘটনায় খুবই মর্মান্তিক। একটি পরিবারের থেকে ঝগড়াঝাঁটি বা মনোমালিন্য হতে পারে। প্রয়োজনে তারা সম্পর্ক ছিন্ন করতে পারত। পরের ঘটনাটি পড়ে আরো খারাপ লেগেছে। মা বাবা নেশাগ্রস্ত হয়ে নিজের সন্তানকে এভাবে মেরে ফেললো। ঘটনাগুলো পড়ে আসলে খুবই আমার কাছে খারাপ লেগেছে।
আসলে আপু ঘটনার দুটি ছিল সত্যি অনেক মর্মান্তিক। আর এ ধরনের ঘটনা গুলো বাংলাদেশের অহরহ ঘটেই চলেছে। মানুষ যখন নেশাগ্রস্ত থাকে তখন তার সবকিছু জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। নেশার ঘোরে তখন সে কি করে নিজেই বুঝতে পারে না। নিষ্ঠুর বাবা-মায়ের জন্য অকালে প্রাণ দিতে হয় ছোট একটি শিশুকে। এ ধরনের ঘটনাগুলো শুনে গায়ের লোম কেঁপে ওঠে। এসব ঘটনাগুলো শুনলে খুবই খারাপ লাগে।