Hazarduari Restaurant- তে একদিন
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আবারও একটি রেস্টুরেন্টের ফুড রিভিউ নিয়ে চলে এলাম আপনাদের কাছে। আজ আমি আপনাদের সাথে Hazarduari Restaurantর ফুড রিভিউ শেয়ার করলাম। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।
বেশ অনেকদিন পর আজকে আবার সন্ধ্যেবেলায় বেরোলাম। সন্ধ্যা বললেও ভুল হবে, প্রায় সন্ধ্যার অনেকটা পরে বেরিয়েছিলাম। জাস্ট কিছুদিন ধরে কিছু না কিছু আমার সাথে হয়েই যাচ্ছে। দু সপ্তাহ আগে টিনটিনের সাথে খেলতে গিয়ে ভীষণ জোরে মাটিতে পড়ে গিয়েছি। হাঁটুতে অসম্ভব ব্যাথা লাগে। তাই নিয়ে ডাক্তারের কাছে ছোটাছুটি।কিন্তু এখন অনেকটা বেটার আছি।
হাঁটুর ব্যথা ঠিক হতে হতে আবার ঘাড়ে মাসেল পেন শুরু হয় ।এমন অবস্থা যে ঘাড় নাড়াতেই পাচ্ছিলাম না।আবার ডাক্তার দেখলাম।সব মিলিয়ে ভীষণ একটা খারাপ সময়ের মধ্যেই ছিলাম। তাই একেবারে বেরোতে পারছিলাম না বাড়ির বাইরে ।আজকে তাই বেশ কয়েকদিন পর বেরোলাম।
আজ বেরিয়ে কোথায় যাবো বুঝতে পারছিলাম না। এদিকে বাইরে বেশ ঠান্ডা ঠান্ডা ওয়েদার ।রোজই বৃষ্টি হয়ে চলেছে । রাস্তায় যেতে যেতে হঠাৎ করে একটা রেস্টুরেন্ট দেখতে পেলাম ।ভাবলাম কিছু স্নাক্স খাবো। বাইরে থেকে রেস্টুরেন্টটা দেখতে খুব সুন্দর ছিল ।এমনকি ভিতরের ambience ও খুব সুন্দর। একটা রাজকীয় ব্যাপার রয়েছে। বসার সাথে সাথেই আমাদের ছোট্ট একটা গ্লাসের মধ্যে ফুচকা দিয়ে খাবার স্টার্ট করানো হলো। এটা এই প্রথমবার কোনো রেস্টুরেন্টে দেখলাম। এর আগে এত রেস্টুরেন্টে খেয়েছি এইভাবে ওয়েলকাম করতে আমরা দেখিনি। ফুচকা দিয়ে ওয়েলকাম ব্যাপারটা ভীষণ ইউনিক এবং খুবই ভালো লাগবে সবারই ।
আমরা যাওয়ার কিছু পরে অনেক ভিড় হতে লাগলো ।বুঝতে পারলাম যে এই রেস্টুরেন্ট ভালোই জনপ্রিয় এবং অনেকেই এখানে আসে ।আর আসবে নাই বা কেন এখানের প্রতিটা খাবারের দাম খুব কম রাখা হয়েছে। আমরা সবার প্রথমে chicken lemon coriander soup নিয়েছিলাম। প্রতিবারই এই সুপটা আমাদের ট্রাই করতে ভালো লাগে। আর আমাদের খাবার নিয়ে খুব একটা ওয়েট করতে হয়নি। খুব তাড়াতাড়ি খাবার চলে এসেছিল।
আমার কাছে লেমন করিএন্ডার সুপ মোটামুটি লেগেছিল। কারণ এর আগে যতবার এই স্যুপ খেয়েছি এর থেকে অনেক বেটার খেয়েছি।এখানে অনেক রকম সবজি দিয়েছে, কিন্তু মেন জিনিস লেবু আর ধনেপাতার যে টেস্ট সেটা আমি পাইনি।
এরপরই অর্ডার করেছিলাম চিকেন পকোড়া আর তার সাথে অর্ডার করেছিলাম গন্ধরাজ ভেটকি ফিস । চিকেন পকোড়া ও আমার কাছে মোটামুটি লেগেছিল।চিকেন পকোড়ার চিকেন একটু ছিবড়ে লেগে ছিল।আর গন্ধরাজ ফিশ এর ফিস এর কোনো টেস্ট ছিল না ।এর আগে আমরা বেশ কয়েক জায়গায় খেয়েছি।কিন্তু এখানের এই ফিসের টেস্ট মোটামুটি লেগেছে।খুব একটা ভালো লাগেনি।
সব মিলিয়ে একটাই কথা বলবো যেহেতু আজকের খাবার গুলো আমরা এর আগে অনেক রেস্টুরেন্টের ট্রাই করেছি । হয়তো সব রেস্টুরেন্টের টেস্ট একরকম হয় না , এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখানের খাবার আমার কাছে খুব একটা ভালো লাগেনি ,হয়তো অনেকের কাছে ভালো লাগবে। যেহেতু আমরা এর থেকেও বেটার খেয়েছি। তাই হয়তো মোটামুটি লেগেছিল। কিন্তু খারাপ বলবো না একেবারেই। কারণ এখানে রেস্টুরেন্টের এমবিয়েন্স তার সাথে খুব তাড়াতাড়ি খাবার সার্ভ করা। এবং সকল স্টাফদের ব্যবহার খুবই ভালো। সময় কাটানোর জন্য খুবই ভালো জায়গা। যদি আমাকে রেস্টুরেন্টের রেটিং দিতে বলা হয় তাহলে আমি ১০/৬ দিলাম ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

একটার পর একটা সমস্যা লেগেই ছিল দেখছি। টিনটিনের সাথে খেলা করতে গিয়ে পড়ে গিয়েছিলেন শুনে অনেক খারাপ লাগলো দিদি। সেই সাথে পরবর্তীতে আবার ঘাড়ে মাসেল পেন শুরু হওয়ার কথাটা শুনেও খারাপ লেগেছে। এগুলোর কারণে অনেকদিন বের হতে না পারলেও পরবর্তীতে রেস্টুরেন্টে এসেছেন শুনে অনেক ভালো লাগলো। ফুচকা দিয়ে ওয়েলকাম করার বিষয়টা আমার কাছে দারুণ লেগেছে। খাবার খেতে তত বেশি ভালো না লাগলেও, সবকিছুই ঠিক আছে দেখছি।
দিদি আপনার সুস্থতা কামনা করছি। আসলে বিপদগুলো হঠাৎ করে এসে যাই। আপনারা বের হলেন অনেক দিন পরে দারুন খাওয়া দাওয়া করলেন। খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
Hazarduari Restaurant এর পরিবেশটা খুবই ভালো দেখলাম। সব কিছুর মধ্যে এটা রাজকীয় ভাব দেখা যায়। আর নতুন একটি পদ্ধতি দেখলাম প্রবেশ করার সাথে সাথে ফুচকা দিয়ে ওয়েকাম জানিয়েছে। খুবই সুন্দর একটি সিস্টেম। যায়হোক সব রেস্টুরেন্টের খাবারের স্বাদ তো এক হয় না। যেহেতো পরিবেশটা সুন্দর অন্য একদিন গিয়ে অন্য একটা আইটেম ট্রাই করবেন। ধন্যবাদ।
ঘাড় ব্যথা যে কি বিরক্ত লাগে, সেটা আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি বেশ কয়েকবছর আগে। তাহলে তো বেশ কিছুদিন বাজে সময় কাটিয়েছেন বৌদি। যাইহোক এই রেস্টুরেন্টের ইন্টেরিয়র ডিজাইনটা এককথায় দুর্দান্ত। যদিও এই রেস্টুরেন্টের খাবারের মান আপনাদের কাছে মোটামুটি ভালো লেগেছে। তবে এটা ঠিক, কিছু কিছু রেস্টুরেন্টের ইন্টেরিয়র ডিজাইন ভালো না হলেও, খাবারের স্বাদ কিন্তু দুর্দান্ত হয়ে থাকে। আসলে সবকিছু রেস্টুরেন্টের বাবুর্চির উপর নির্ভর করে। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
রেস্টুরেন্টের ডেকোরেশন আমার কাছে দারুণ লেগেছে দিদি ভাই, তবে খাবারের রেটিং দেখে একটু অবাক হলাম । তারপরেও দারুণ উপভোগ করলাম ব্লগটা।