দই লস্যি
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন। সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সাথে দই লস্যি তৈরি করে দেখালাম।
বেশ কিছুদিন ধরে মারাত্মক রকমের ভ্যাপসা গরম পড়েছে। দুপুর বেলা তো বাইরে বেরোনো দায় হয়ে যাচ্ছে ।ঘরে সিলিং ফ্যানের হাওয়াও গায়ে লাগছে না ।এমনই এক অবস্থা ।আর এই গরমের মধ্যে না কিছু খেতে ইচ্ছা করে না কোনো বাইরে কাজ করতে ইচ্ছা করে ।মাঝে মাঝেই শুধু মনে হয় ঠান্ডা জাতীয় পানিয় খেতে ইচ্ছে করে।এই গরমকালে লস্যির চাহিদা কিন্তু তুঙ্গে থাকে। ঘরে বা বাইরে কোনো দোকানে গেলে আমরা কিন্তু সবার প্রথমে লস্যি বা ঠান্ডা পানীয় খেতে চাই।রাস্তায় কিংবা বাড়িতে, যখন তখন ঠান্ডা জল খাওয়ার প্রবণতা তৈরি হয়। গ্রীষ্মের সময় শরীরকে হাইড্রেট রাখতে প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া উচিত। তবে জলেই সবটা পূরণ হয় না। তার সঙ্গে ফলের রস লস্যি খাওয়াও দরকার। তাতে মন ও শরীর, উভয়ই তৃপ্তি হয়। তেমনভাবেই আজকে আমি আপনাদের সঙ্গে দই লস্যির একটি রেসিপি তৈরি করে ভাগ করে নিলাম।
দই লস্যি তৈরী করার পদ্ধতি:
| উপকরণের নাম | পরিমাণ |
|---|---|
| ১. টক দই | 100গ্রাম |
| ২. গোলাপ জল | ১ চা চামচ |
| ৩ চিনি | ২ চা চামচ |
| ৪. লবণ | ১ চা চামচ |
| ৫.জল | 1/2 কাপ |
প্রথম ধাপ
• প্রথমে ১০০ গ্রাম মতো টক দই নিয়ে নিলাম।
দ্বিতীয় ধাপ
• এরপর এক চামচ মত গোলাপ সিরাপ নিয়ে নিলাম।
তৃতীয় ধাপ
•এরপর দু টুকরো লেবুর রস দিয়ে দিলাম।
চতুর্থ ধাপ
• এরপর এক চিমটি বিট লবণ দিয়ে দিলাম।
পঞ্চম ধাপ
• উপরে উক্ত জিনিসগুলো একসাথে পেস্ট করলাম।
ষষ্ঠ ধাপ
•এরপর আমি চিনি ভেজানো জল দিয়েছিলাম।
সপ্তম ধাপ
• এরপর দুটো আইস কিউব দিলাম।
অষ্টম ধাপ
•ব্যাস এভাবেই তৈরি হয়ে গেল ঠান্ডা ঠান্ডা দই লস্যি।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |


এটা ঠিক বলেছেন দিদি, এই রকম পরম পরিবেশে শুধু জল দ্বারা সব পূরণ হয় না তার জন্য চাই শরবত কিংবা জুস জাতীয় কিছু। আর গরমে টক দুইয়ের লস্যি দারুণ একটা পানীয়, যদিও আমি টক দই দিয়ে একটু ভিন্নভাবে শরবত তৈরী করে নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করি। ধন্যবাদ
দিদি এই গরমে দই লস্যির জুড়ি নেই। এই লস্যি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ভাল। আপনি রেসিপিটি খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। এই গরমে চাঙা হওয়ার মত রেসিপি এটা।ধন্যবাদ দিদি শেয়ার করার জন্য। অনেক অভিনন্দন রইলো আপনার জন্য।
দই লস্যি দেখি খুবই সুস্বাদু মনে হচ্ছে, আসলে ইফতারের সময়ে লাচ্ছি রেসিপি খেতে খুব মজা লাগে। আপনার রেসিপির পরিবেশন আমার অনেক ভালো লেগেছে। যার মাধ্যমে এই ধাপগুলো দেখে আমি শিখে নিলাম, পরবর্তীতে তৈরি করবে ইনশাল্লাহ।
দই লস্যি আমার খুবি পছন্দের তাই দেখে খুবি ভালো লাগছে। ধাপে ধাপে উপস্থাপন দেখে শিখতে পারলাম পরবর্তী তৈরি করবো ইনশাআল্লাহ।
আসলেই গরমে একদিন অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছি।এই গরমে পানির পাশাপাশি রস লস্যি জাতীয় খাবার গুলো শরীর আরো ঠান্ডা রাখবে। যাইহোক দই লস্যি রেসিপি কীভাবে তৈরি করতে হয় সেটা আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ দিদি।
দিদি কত সহজ ভাবে কত সুন্দর একটি রেসিপি তৈরী করে আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন। দই লস্যি দেখেলেই তো মনটা জুড়িয়ে যায়। আর বর্তমানে যে গরম পড়ছে এমন এক গ্লাস দই লস্যি হলে আর কিছু লাগে না। ধন্যবাদ দিদি।
ইদানিং আসলেই মারাত্মক রকমের ভ্যাপসা পড়েছে। আমি তো সন্ধ্যা না হলে ঘর থেকে এক পাও বেরোচ্ছি না। যাই হোক এই গরমে আসলে লস্যির কোন বিকল্প নেই, তবে তুমি যে লস্যিটা বানিয়েছ ওর ভিতর এক্সট্রা যে দুটো জিনিস দিয়েছে সেটা হল লেবু আর গোলাপ সিরাপ। পরেরবার দেখি এরকম করে বানিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করব।
ঠিক বলেছেন দিদি কয়েক দিন থেকে খুবই গরম পড়েছে। এই গরমে দুপুরবেলায় বাহিরে বের হওয়া ভীষণ মুশকিল। আর রমজান মাসে গরমের পরিমাণ এতটাই বেড়ে গেছে যে ইফতারিতে ঠান্ডা কোন কিছু না হলে চলে না। দই লস্যি রেসিপি দারুন হয়েছে। অনেক সুন্দরভাবে রেসিপি তৈরি করে শেয়ার করেছেন এজন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি দিদি।
একে তো গরম পরছে তার উপর রোজা। রেসিপিটা দেখে সত্যিই একেবারে যেন প্রাণটা ভরে গেলো।কারণ রোজায় ইফতার করার সময় এমন এক গ্লাস লাচ্ছি থাকলে আর কিছুই লাগে না।
এই গরমে চাঙ্গা থাকতে ঠান্ডা পানীয় বা লস্যির ব্যতিক্রম অন্য কোন কিছু হতে পারে না । যা সহজেই শরীরকে সতেজ করে ফেলে। আসলেই দিদিভাই, কয়দিন থেকে তাপমাত্রা বেশ বেড়েছে । টিকে থাকা যেন মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। ধন্যবাদ এই লস্যির রেসিপিটি শেয়ার করার জন্য।